
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৪
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ সামরিক আঘাতের পর প্রতিবেশী দেশ ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মিত্ররা শনিবার এর নিন্দা জানিয়েছে। স্পেন শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে দেশছাড়া করেছে।
ভেনেজুয়েলা সরকার এটিকে ওয়াশিংটনের ‘চরম গুরুতর সামরিক আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। একই সঙ্গে কারাকাসের ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েক নেতা মার্কিন পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন।
ইরান
তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইরান বলেছে, তারা ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার ‘কঠোর নিন্দা’ জানায়—এটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রকাশ্য লঙ্ঘন।
কলম্বিয়া
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো একে লাতিন আমেরিকার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে অভিহিত করে সতর্ক করেন, এতে মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক তাৎক্ষণিকভাবে আহ্বান করার আহ্বান জানান তিনি।
কিউবা
প্রথাগত মিত্র কিউবা একে ‘সাহসী ভেনেজুয়েলান জনগণের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া কামনা করেছে।
রাশিয়া
রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ‘সশস্ত্র আগ্রাসন’ বলে নিন্দা করে বলেছে, এই পদক্ষেপের কোনো গ্রহণযোগ্য অজুহাত নেই এবং আদর্শগত শত্রুতা কূটনীতিকে ছাপিয়ে গেছে।
স্পেন
স্পেন উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, তারা গণতান্ত্রিক, আলোচনাভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতায় প্রস্তুত।
জার্মানি
জার্মানি জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখেছে।
ইতালি
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির কার্যালয় বলেছে, তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে এবং কারাকাসে অবস্থানরত ইতালীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে।
বেলজিয়াম
বেলজিয়াম ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করছে বলে শনিবার জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ট্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা পার্সাদ-বিসেসর
ট্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা পার্সাদ-বিসেসর বলেছেন, ‘শনিবার, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ সালের আজ সকালে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ভেতরে সামরিক অভিযান শুরু করেছে। ট্রিনিদাদ ও টোবাগো চলমান এসব সামরিক অভিযানের কোনো অংশ নয়।
ভেনেজুয়েলার জনগণের সঙ্গে ট্রিনিদাদ ও টোবাগো শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।’
ইন্দোনেশিয়া
ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইয়ভন মিউয়েংকাং বলেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইন্দোনেশিয়া।
তিনি বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে উত্তেজনা প্রশমন ও সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানায় এবং বেসামরিক মানুষের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে বলে।’
মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা
ডেমোক্র্যাট সিনেটর ব্রায়ান শ্যাটজ বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় যুদ্ধে যাওয়ার মতো কোনো জাতীয় স্বার্থ যুক্তরাষ্ট্রের নেই। সিনেটর রুবেন গালেগো লিখেছেন, এই যুদ্ধ বেআইনি—এক বছরেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘বিশ্ব পুলিশ’ থেকে ‘বিশ্বের বুলি’তে পরিণত হয়েছে।
বলিভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মোরালেস
ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস যুক্তরাষ্ট্রের ‘বোমা হামলা’ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ সামরিক আঘাতের পর প্রতিবেশী দেশ ও প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মিত্ররা শনিবার এর নিন্দা জানিয়েছে। স্পেন শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে দেশছাড়া করেছে।
ভেনেজুয়েলা সরকার এটিকে ওয়াশিংটনের ‘চরম গুরুতর সামরিক আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। একই সঙ্গে কারাকাসের ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েক নেতা মার্কিন পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন।
ইরান
তেলসমৃদ্ধ ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইরান বলেছে, তারা ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার ‘কঠোর নিন্দা’ জানায়—এটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রকাশ্য লঙ্ঘন।
কলম্বিয়া
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো একে লাতিন আমেরিকার সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে অভিহিত করে সতর্ক করেন, এতে মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক তাৎক্ষণিকভাবে আহ্বান করার আহ্বান জানান তিনি।
কিউবা
প্রথাগত মিত্র কিউবা একে ‘সাহসী ভেনেজুয়েলান জনগণের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া কামনা করেছে।
রাশিয়া
রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ‘সশস্ত্র আগ্রাসন’ বলে নিন্দা করে বলেছে, এই পদক্ষেপের কোনো গ্রহণযোগ্য অজুহাত নেই এবং আদর্শগত শত্রুতা কূটনীতিকে ছাপিয়ে গেছে।
স্পেন
স্পেন উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, তারা গণতান্ত্রিক, আলোচনাভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মধ্যস্থতায় প্রস্তুত।
জার্মানি
জার্মানি জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখেছে।
ইতালি
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির কার্যালয় বলেছে, তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে এবং কারাকাসে অবস্থানরত ইতালীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে।
বেলজিয়াম
বেলজিয়াম ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করছে বলে শনিবার জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ট্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা পার্সাদ-বিসেসর
ট্রিনিদাদ ও টোবাগোর প্রধানমন্ত্রী কমলা পার্সাদ-বিসেসর বলেছেন, ‘শনিবার, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ সালের আজ সকালে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ভেতরে সামরিক অভিযান শুরু করেছে। ট্রিনিদাদ ও টোবাগো চলমান এসব সামরিক অভিযানের কোনো অংশ নয়।
ভেনেজুয়েলার জনগণের সঙ্গে ট্রিনিদাদ ও টোবাগো শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।’
ইন্দোনেশিয়া
ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইয়ভন মিউয়েংকাং বলেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইন্দোনেশিয়া।
তিনি বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে উত্তেজনা প্রশমন ও সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে আহ্বান জানায় এবং বেসামরিক মানুষের সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে বলে।’
মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটররা
ডেমোক্র্যাট সিনেটর ব্রায়ান শ্যাটজ বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় যুদ্ধে যাওয়ার মতো কোনো জাতীয় স্বার্থ যুক্তরাষ্ট্রের নেই। সিনেটর রুবেন গালেগো লিখেছেন, এই যুদ্ধ বেআইনি—এক বছরেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘বিশ্ব পুলিশ’ থেকে ‘বিশ্বের বুলি’তে পরিণত হয়েছে।
বলিভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মোরালেস
ভেনেজুয়েলার ঘনিষ্ঠ মিত্র সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস যুক্তরাষ্ট্রের ‘বোমা হামলা’ তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ হঠাৎ করেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বদলে নির্বিচারে সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানায় বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়াও দেশটির অন্তত অর্ধশতাধিক মসজিদে আগুন দিয়েছে তারা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) তেহরানে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে মোট ৫৩টি মসজিদ ও ১৮০টি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দেওয়া হয়েছে। তার মতে, কোনো ইরানি কখনো মসজিদে হামলা চালাতে পারে না।
গত সপ্তাহে তেহরানের আবুজার মসজিদের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখে মাস্ক পরা প্রায় এক ডজন ব্যক্তি মসজিদটি তছনছ করছে, বইপত্র মেঝেতে ছুড়ে ফেলছে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গত ৯ জানুয়ারি মসজিদটিতে আগুন দেওয়া হয়।
এদিকে সোমবার সরকারের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছেন লাখ লাখ ইরানি। দেশটির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা যেমন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, তেমনি ‘মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের’ বিরুদ্ধেও স্লোগান দিয়েছেন।
ইরানের বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই দেশটির সরকারকে উদ্দেশ্য করে একের পর এক ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ‘বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে’ তিনি সেখানে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকিও দিয়েছেন। জবাবে ইরানও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে।
তবে এই বাগযুদ্ধের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের (স্টিভ উইটকফ) মধ্যে যোগাযোগের চ্যানেল খোলা রয়েছে। প্রয়োজন হলে বার্তা আদান-প্রদানও করা হচ্ছে।’
ইরানে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিক্ষোভ হঠাৎ করেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বদলে নির্বিচারে সরকারি স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানায় বিক্ষোভকারীরা। এ ছাড়াও দেশটির অন্তত অর্ধশতাধিক মসজিদে আগুন দিয়েছে তারা।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) তেহরানে বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে মোট ৫৩টি মসজিদ ও ১৮০টি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দেওয়া হয়েছে। তার মতে, কোনো ইরানি কখনো মসজিদে হামলা চালাতে পারে না।
গত সপ্তাহে তেহরানের আবুজার মসজিদের ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মুখে মাস্ক পরা প্রায় এক ডজন ব্যক্তি মসজিদটি তছনছ করছে, বইপত্র মেঝেতে ছুড়ে ফেলছে এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, গত ৯ জানুয়ারি মসজিদটিতে আগুন দেওয়া হয়।
এদিকে সোমবার সরকারের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছেন লাখ লাখ ইরানি। দেশটির প্রধান শহরগুলোতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা যেমন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন, তেমনি ‘মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের’ বিরুদ্ধেও স্লোগান দিয়েছেন।
ইরানের বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই দেশটির সরকারকে উদ্দেশ্য করে একের পর এক ‘উসকানিমূলক’ বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে ‘বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হলে’ তিনি সেখানে সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকিও দিয়েছেন। জবাবে ইরানও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সার্বভৌমত্বে আঘাত এলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে।
তবে এই বাগযুদ্ধের মধ্যেও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সোমবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের (স্টিভ উইটকফ) মধ্যে যোগাযোগের চ্যানেল খোলা রয়েছে। প্রয়োজন হলে বার্তা আদান-প্রদানও করা হচ্ছে।’

০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪১
রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর এনডিটিভি।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম জানিয়েছেন, এ লক্ষ্যে একটি দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’ শিগগির মার্কিন আইনসভায় উত্থাপন করা হবে।
গ্রাহাম বলেন, বিলটির মূল উদ্দেশ্য রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা।
বিশেষ করে ভারত, চীন ও ব্রাজিল, যারা এখনো রাশিয়ার তেল আমদানি করছে—এ বিলের আওতায় শাস্তির মুখে পড়তে পারে। ট্রাম্প এরই মধ্যে বিলটি পেশ ও ভোটাভুটির বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধে সহযোগিতা না করে, তাহলে তাদের ওপর শুল্ক আরও বাড়ানো হবে।
যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত কিছুটা হলেও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টেও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতীয় পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তবে ভারত বারবার বলে আসছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা রাশিয়ার তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছে।
রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর এনডিটিভি।
রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম জানিয়েছেন, এ লক্ষ্যে একটি দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’ শিগগির মার্কিন আইনসভায় উত্থাপন করা হবে।
গ্রাহাম বলেন, বিলটির মূল উদ্দেশ্য রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা।
বিশেষ করে ভারত, চীন ও ব্রাজিল, যারা এখনো রাশিয়ার তেল আমদানি করছে—এ বিলের আওতায় শাস্তির মুখে পড়তে পারে। ট্রাম্প এরই মধ্যে বিলটি পেশ ও ভোটাভুটির বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধে সহযোগিতা না করে, তাহলে তাদের ওপর শুল্ক আরও বাড়ানো হবে।
যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত কিছুটা হলেও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টেও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতীয় পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তবে ভারত বারবার বলে আসছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা রাশিয়ার তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছে।

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:২১
নিজেদের নাগরিকদের যত দ্রুত সম্ভব ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। ইরানে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) হালনাগাদ করা সরকারি ভ্রমণ সতর্ক বার্তায় বলা হয়, আপনি যদি ইরানে থাকেন, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব দেশটি ত্যাগ করুন।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভ চলছে, যা কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থির।
অস্ট্রেলীয় সরকার জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানে অবস্থান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানে টানা ১০ দিনের বিক্ষোভে অন্তত ৩৬ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)। এদিকে, অর্থনৈতিক সংকট কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দেশটির ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৭টিতে ছড়িয়ে পড়েছে।
এইচআরএএনএ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন ছিলেন বিক্ষোভকারী ও দুজন নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। তারা কেবল জানিয়েছে, তিনজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বিবিসি পার্সিয়ান এখন পর্যন্ত নিহত ২০ জনের পরিচয় ও মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এইচআরএএনএ আরও জানিয়েছে, চলমান অস্থিরতায় ৬০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন ও ২ হাজার ৭৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইরানের আধা-সরকারি গণমাধ্যম জানায়, পশ্চিমাঞ্চলীয় ইলাম প্রদেশের মালেকশাহি এলাকায় তথাকথিত ‘দাঙ্গাকারীদের’ গুলিতে এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। ওই এলাকায় সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ব্যাপক বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর দমন অভিযান চলছে।
নিজেদের নাগরিকদের যত দ্রুত সম্ভব ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। ইরানে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ায় এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) হালনাগাদ করা সরকারি ভ্রমণ সতর্ক বার্তায় বলা হয়, আপনি যদি ইরানে থাকেন, তাহলে যত দ্রুত সম্ভব দেশটি ত্যাগ করুন।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভ চলছে, যা কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থির।
অস্ট্রেলীয় সরকার জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানে অবস্থান ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং নাগরিকদের নিরাপত্তার স্বার্থেই এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানে টানা ১০ দিনের বিক্ষোভে অন্তত ৩৬ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ)। এদিকে, অর্থনৈতিক সংকট কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দেশটির ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২৭টিতে ছড়িয়ে পড়েছে।
এইচআরএএনএ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন ছিলেন বিক্ষোভকারী ও দুজন নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নিহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। তারা কেবল জানিয়েছে, তিনজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, বিবিসি পার্সিয়ান এখন পর্যন্ত নিহত ২০ জনের পরিচয় ও মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এইচআরএএনএ আরও জানিয়েছে, চলমান অস্থিরতায় ৬০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন ও ২ হাজার ৭৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইরানের আধা-সরকারি গণমাধ্যম জানায়, পশ্চিমাঞ্চলীয় ইলাম প্রদেশের মালেকশাহি এলাকায় তথাকথিত ‘দাঙ্গাকারীদের’ গুলিতে এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। ওই এলাকায় সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ব্যাপক বিক্ষোভ ও নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর দমন অভিযান চলছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫২
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩৯