
১৬ মে, ২০২৬ ১৩:৩৪
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মধ্যরাতে প্রভাবশালীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭৮০ কেজি সরকারি চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার (১৫ মে) রাত ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামের ইতালি বাড়ি থেকে এসব জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ।
জানা যায়, উপজেলার আমিরাবাদ গ্রামের ইটালি বাড়ির প্রভাবশালী ইমরান আহমদের বাড়িতে সরকারি চাল রাখা রয়েছে এ খবরে রাতে অভিযান পরিচালনা করেন ইউএনও।
অভিযানে জেলেদের সরকারি প্রণোদনা হিসেবে বরাদ্দকৃত ৭৮০ কেজি সরকারি চাল পাওয়া যায়। বসত বাড়িতে অবৈধ উপায়ে মজুত করা এসব চাল জব্দ করা হয়।
বাড়ির মালিক ইমরান ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জহিরের বিশ্বস্ত সহযোগী বলে জানান স্থানীয়রা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি সরকারি স্টিকার সংযুক্ত জেলেদের চালের অনেক বস্তুা মজুত করা হয়েছে।
পরে পুলিশ প্রশাসন নিয়ে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ৩০ কেজির ২৬ বস্তা চাল ও ২৪টি খালি বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কোনো পুরুষ মানুষকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। ইমারান নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে চাল উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মধ্যরাতে প্রভাবশালীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭৮০ কেজি সরকারি চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার (১৫ মে) রাত ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামের ইতালি বাড়ি থেকে এসব জব্দ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ।
জানা যায়, উপজেলার আমিরাবাদ গ্রামের ইটালি বাড়ির প্রভাবশালী ইমরান আহমদের বাড়িতে সরকারি চাল রাখা রয়েছে এ খবরে রাতে অভিযান পরিচালনা করেন ইউএনও।
অভিযানে জেলেদের সরকারি প্রণোদনা হিসেবে বরাদ্দকৃত ৭৮০ কেজি সরকারি চাল পাওয়া যায়। বসত বাড়িতে অবৈধ উপায়ে মজুত করা এসব চাল জব্দ করা হয়।
বাড়ির মালিক ইমরান ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জহিরের বিশ্বস্ত সহযোগী বলে জানান স্থানীয়রা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি সরকারি স্টিকার সংযুক্ত জেলেদের চালের অনেক বস্তুা মজুত করা হয়েছে।
পরে পুলিশ প্রশাসন নিয়ে অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ৩০ কেজির ২৬ বস্তা চাল ও ২৪টি খালি বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কোনো পুরুষ মানুষকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। ইমারান নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে চাল উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা হবে।

১৬ মে, ২০২৬ ২১:০৩
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গরু চোরকে ক্ষমা করেও শেষ রক্ষা হয়নি এক মসজিদের ইমাম ও খতিবের। প্রকাশ্য হাটের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেছে অভিযুক্ত যুবক ও তাঁর সহযোগী।
ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার (১৫ মে) সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপির অফিস সংলগ্ন কাঁচা বাজার এলাকায়।
আহত ব্যক্তি মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর (৫৫), তিনি দেউলী আবাসনের বাসিন্দা এবং স্থানীয় খান বাড়ির মসজিদের ইমাম ও খতিব। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের পবিত্র রমজান মাসে। সে সময় ইমাম জাহিদুল ইসলামের ঘর থেকে একটি গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় দেউলী গ্রামের আনসার গাজীর ছেলে জসিম (৩২) হাতেনাতে ধরা পড়ে। পরে তাকে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশে সোপর্দ করা হয় এবং ইমাম মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
তবে মামলা দায়েরের পর স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি অভিযুক্তের পক্ষ নিয়ে মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য ইমামকে চাপ দিতে থাকেন। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করলেও সমাজের শান্তি ও স্থানীয়দের অনুরোধে অবশেষে তিনি মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। কিন্তু সেই উদারতার প্রতিদান হিসেবে উল্টো হয়রানির শিকার হতে থাকেন তিনি।
ইমামের কন্যা মিসেস তানিয়া জানান, মামলা তুলে নেওয়ার পর থেকেই জসিম বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন সময় তাঁর বাবাকে অপমান ও প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এসব এড়িয়ে চললেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাননি তিনি।
সর্বশেষ ঘটনার দিন দেউলী হাটে কেনাকাটা করতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জসিম এবং তাঁর সহযোগী নজরুল ইসলামের ছেলে শাওন (২৭) ইমামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। লাঠি ও ঝাড়ু দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে তাকে অচেতন করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় তাঁরা।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় আহত ইমাম বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় জসিম ও শাওনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, “যারা সমাজকে সঠিক পথ দেখান, সেই সম্মানিত ইমামের ওপর এমন নৃশংস হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
তাঁরা বলেন,প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণেই অপরাধীরা এ ধরণের সাহস পেয়েছে। এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, “ঘটনার তদন্তে পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গরু চোরকে ক্ষমা করেও শেষ রক্ষা হয়নি এক মসজিদের ইমাম ও খতিবের। প্রকাশ্য হাটের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেছে অভিযুক্ত যুবক ও তাঁর সহযোগী।
ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার (১৫ মে) সকাল সাড়ে দশটার দিকে উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপির অফিস সংলগ্ন কাঁচা বাজার এলাকায়।
আহত ব্যক্তি মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর (৫৫), তিনি দেউলী আবাসনের বাসিন্দা এবং স্থানীয় খান বাড়ির মসজিদের ইমাম ও খতিব। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের পবিত্র রমজান মাসে। সে সময় ইমাম জাহিদুল ইসলামের ঘর থেকে একটি গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় দেউলী গ্রামের আনসার গাজীর ছেলে জসিম (৩২) হাতেনাতে ধরা পড়ে। পরে তাকে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশে সোপর্দ করা হয় এবং ইমাম মাওলানা মোঃ জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
তবে মামলা দায়েরের পর স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি অভিযুক্তের পক্ষ নিয়ে মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য ইমামকে চাপ দিতে থাকেন। নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করলেও সমাজের শান্তি ও স্থানীয়দের অনুরোধে অবশেষে তিনি মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। কিন্তু সেই উদারতার প্রতিদান হিসেবে উল্টো হয়রানির শিকার হতে থাকেন তিনি।
ইমামের কন্যা মিসেস তানিয়া জানান, মামলা তুলে নেওয়ার পর থেকেই জসিম বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং বিভিন্ন সময় তাঁর বাবাকে অপমান ও প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে এসব এড়িয়ে চললেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা পাননি তিনি।
সর্বশেষ ঘটনার দিন দেউলী হাটে কেনাকাটা করতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জসিম এবং তাঁর সহযোগী নজরুল ইসলামের ছেলে শাওন (২৭) ইমামের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। লাঠি ও ঝাড়ু দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে তাকে অচেতন করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় তাঁরা।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় আহত ইমাম বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় জসিম ও শাওনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলেন, “যারা সমাজকে সঠিক পথ দেখান, সেই সম্মানিত ইমামের ওপর এমন নৃশংস হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”
তাঁরা বলেন,প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণেই অপরাধীরা এ ধরণের সাহস পেয়েছে। এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, “ঘটনার তদন্তে পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

১৬ মে, ২০২৬ ২০:২৬
পটুয়াখালীর বাউফলে একসঙ্গে পাচ সন্তানের জন্ম দেয় লামিয়া ও তার সন্তানদের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাড়িয়েছেনবাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার।
বিয়ের পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান ঘর আলোকিত করলেও নিন্ম আয়ের সংসারে সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে বিপাকে পরেন লামিয়া সোহেল দম্পতি। এনিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বিভিন্ন রাজনীতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও দানবীর মানুষেররা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মানুষের মানবিক সহায়তা আর মায়ের পরম যত্নে বেড়ে উঠছে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাচ শিশু।
শিশুদের মা লামিয়া আক্তার বলেন,বিয়ের পর কোনো সন্তান হয়নি। পরে পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান হয়। আমরা খুশি হই। তবে ভরণ পোষণ নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। পরে অনেকেই আমাদের পাশে দাড়িয়েছে। আজও হাসিব আলম তালুকদার ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছে।
সরে জমিনে জানাযায়, প্রায় ৬ বছর আগে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ঘুরচাকাঠি গ্রামের লামিয়া আক্তার ও একই উপজেলার কালিশুড়ী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি গ্রামের সোহেল বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন। বিয়ে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্তান হয়নি। সবশেষ গত বছরের ৬ অক্টোরব বরিশালের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে লামিয়ার কোলজুড়ে আসেন একে একে পাচ সন্তান। এতে পুরো পরিবার জুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
তবে বিপত্তি বাধে পাচ শিশুর খরচ বহনে। দুধ, চিকিৎসা সহ বিভিন্ন খরচ মিটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েন মুদিদোকানি বাবা সোহলে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষের সহায়তায় ৮ মাস বয়স পার করেছেন পাচ শিশু। এখনো অনেক পথ বাকি। শিশুদের জন্য প্রতিদিন দুধ সহ আনুসঙ্গিক ২ হাজার টাকা খরচ হয়। যা শিশুদের বাবার পক্ষে সম্ভব নয়।
শিশুদের নানী শাহানাজ বেগম বলেন, অনেকে অনেক সহায়তা করছে। তা দিয়ে চলছে। আজ শনিবার ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। আরও সহায়তা দরকার। সরকার সহ ধনীরা এগিয়ে আসলে শিশু গুলোর ভরণপোষণ সম্ভব।
অ্যাড. ঝর্ণা আক্তার বলেন, লামিয়া- সোহেল দম্পতির স্বপ্ন সন্তানদের মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার জন্য ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। তবে নিন্ম আয়ের সংসারে এত ব্যয় মিটানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাড়ানো আহ্বায়ন জানিয়েছেন পাচ শিশুর মা- বাবা।
পটুয়াখালীর বাউফলে একসঙ্গে পাচ সন্তানের জন্ম দেয় লামিয়া ও তার সন্তানদের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাড়িয়েছেনবাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার।
বিয়ের পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান ঘর আলোকিত করলেও নিন্ম আয়ের সংসারে সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে বিপাকে পরেন লামিয়া সোহেল দম্পতি। এনিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে বিভিন্ন রাজনীতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও দানবীর মানুষেররা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মানুষের মানবিক সহায়তা আর মায়ের পরম যত্নে বেড়ে উঠছে একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাচ শিশু।
শিশুদের মা লামিয়া আক্তার বলেন,বিয়ের পর কোনো সন্তান হয়নি। পরে পাচ বছর পর এক সঙ্গে পাচ সন্তান হয়। আমরা খুশি হই। তবে ভরণ পোষণ নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। পরে অনেকেই আমাদের পাশে দাড়িয়েছে। আজও হাসিব আলম তালুকদার ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিয়েছে।
সরে জমিনে জানাযায়, প্রায় ৬ বছর আগে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ঘুরচাকাঠি গ্রামের লামিয়া আক্তার ও একই উপজেলার কালিশুড়ী ইউনিয়নের সিংহেরাকাঠি গ্রামের সোহেল বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হন। বিয়ে পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের কোনো সন্তান হয়নি। সবশেষ গত বছরের ৬ অক্টোরব বরিশালের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে লামিয়ার কোলজুড়ে আসেন একে একে পাচ সন্তান। এতে পুরো পরিবার জুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
তবে বিপত্তি বাধে পাচ শিশুর খরচ বহনে। দুধ, চিকিৎসা সহ বিভিন্ন খরচ মিটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েন মুদিদোকানি বাবা সোহলে। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষের সহায়তায় ৮ মাস বয়স পার করেছেন পাচ শিশু। এখনো অনেক পথ বাকি। শিশুদের জন্য প্রতিদিন দুধ সহ আনুসঙ্গিক ২ হাজার টাকা খরচ হয়। যা শিশুদের বাবার পক্ষে সম্ভব নয়।
শিশুদের নানী শাহানাজ বেগম বলেন, অনেকে অনেক সহায়তা করছে। তা দিয়ে চলছে। আজ শনিবার ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। আরও সহায়তা দরকার। সরকার সহ ধনীরা এগিয়ে আসলে শিশু গুলোর ভরণপোষণ সম্ভব।
অ্যাড. ঝর্ণা আক্তার বলেন, লামিয়া- সোহেল দম্পতির স্বপ্ন সন্তানদের মানুষের মত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলার জন্য ৫০ হাজার টাকার মানবিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাড়িয়েছেন বাউফলের কৃতিসন্তান বীর উত্তম সামসুল আলম তালকুদারের ছেলে সমাজ সেবক হাসিব আলম তালুকদার। তবে নিন্ম আয়ের সংসারে এত ব্যয় মিটানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সমাজের বিত্তবানদের পাশে দাড়ানো আহ্বায়ন জানিয়েছেন পাচ শিশুর মা- বাবা।

১৬ মে, ২০২৬ ২০:১০
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৬ মে, ২০২৬ ২১:০৩
১৬ মে, ২০২৬ ২০:৩৭
১৬ মে, ২০২৬ ২০:২৬
১৬ মে, ২০২৬ ২০:১০