
২৩ জুলাই, ২০২৫ ২০:৩২

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আপনি বিএনপি করতে পারেন আমার আপত্তি নাই। জামায়াত করতে পারেন আপত্তি নাই। কিন্তু আওয়ামী লীগের সাথে সখ্যতা মেনে নেব না। আমরা দেখেছি গতকাল যখন ঢাকা শহর আগুনে পুড়ছে, তখন সেখানে আওয়ামী লীগ এসেছে আলু পোড়া দিয়ে খেতে।
বুধবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা শেষে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানাতে চাই। এই কুমিল্লাতে বিএনপিকে নির্যাতন করা হয়েছে।
জামায়াতকে নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা আপনাদেরকে উদাত্ত আহ্বান জানাবো- কুমিল্লার স্বার্থে, বাংলাদেশের স্বার্থে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পরবর্তী বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য, অবশ্যই অবশ্যই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অহংকার মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। আমরা সেটা প্রমাণ পেয়েছি হাসিনাকে ধ্বংস করার মধ্য দিয়ে। কুমিল্লা থেকে বাহারকে উৎখাত করার মধ্য দিয়ে। সূচনাকে উৎখাত করার মধ্য দিয়ে।
সেই প্রেস কনফারেন্সের কথা আমরা ভুলি নাই। হাসিনা দম্ভ করে বলেছিল কুমিল্লা নামের আগে যেহেতু কু রয়েছে এই কুমিল্লা বিভাগ হবে না। আমরা হাসিনাকে উৎখাত করে আবার বলছি- বিভাগ হবে, কুমিল্লা নামেই বিভাগ হবে।
কুমিল্লা রাষ্ট্রীয় বৈষম্যের শিকার হচ্ছে উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাষ্ট্রীয় কোন উন্নয়নের ছোঁয়া কুমিল্লায় লাগে নাই। কুমিল্লার মানুষ নিজেরা বিদেশে থাকে, নিজ যোগ্যতায় চাকরি পায়। নিজেদের মাথাপিছু ইনকাম বেশি। কুমিল্লার অবকাঠামো নিজ উদ্যোগে স্ব-স্ব বিনিয়োগে তৈরি হয়েছে।
রাষ্ট্রের কোনো অর্থ দিয়ে সেগুলো হয়নি। কুমিল্লায় যেসব বিনিয়োগ হয়েছে সেগুলো একটি নির্দিষ্ট দলের পকেট ভারি করার জন্য হয়েছে। আপনারা কুমিল্লার ফ্লাইওভারের কথা দেখেন। রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ অপচয়ের নিদারুণ নিদর্শন।
এই ফ্লাইওভার কোনো কাজে আসে না। যেমন জ্যাম ছিল ঠিক তেমনই রয়েছে। কুমিল্লাকে যেভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে- এ ক্লাসিক এক্সামপল বাংলাদেশের আর কোনো জেলার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে না।
এনসিপির এই নেতা বলেন, কুমিল্লাকে যে রাষ্ট্রীয়ভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে, আমরা এর অবসান চাই। সরকারকে অবশ্যই কুমিল্লার বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করতে হবে। আমরা সব সময় উত্তরবঙ্গকে কটাক্ষ করতাম।
উত্তরবঙ্গ হচ্ছে মঙ্গা এলাকা। উত্তরবঙ্গ ঘুরে আমরা যখন কুমিল্লায় প্রবেশ করলাম, আমরা দেখেছি কুমিল্লার দুই কিলোমিটার রাস্তাও ঠিক নাই। সরকার যদি সিদ্ধান্ত দেয় যে আমরা কুমিল্লাকে দেখবো না, তাহলে স্ব উদ্যোগ এই রাস্তাগুলোকে ঠিক করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা অনেকেই ভাবছি আমাদের লড়াই শেষ হয়ে গেছে। আমাদের লড়াই শেষ হয় নাই। আমাদেরকে দীর্ঘ লড়াইয়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এখানে যারা রয়েছেন সবাইকে দীর্ঘ লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রিয় মা-বোনেরা- কোনোভাবে যদি আওয়ামী লীগ ফিরে আসে আপনার ৪ কোটি সন্তানকে ওরা বাঁচতে দেবে না। আওয়ামী লীগের সময় আমরা দেখেছি অর্পিতভাবে মন্দিরে কোরআন রেখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করা হয়েছে। কুমিল্লাতে আর এগুলো হতে দেওয়া হবে না। কুমিল্লার প্রত্যেকটি ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধভাবে বাহারকে মোকাবিলা করবে, সূচনাকে মোকাবিলা করবে।
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা এই সরকারকে বলতে চাই- মাইলস্টোনের বিমান দুর্ঘটনার সঠিক তদন্ত দেখতে চাই। আমরা এখন পর্যন্ত লাশের সঠিক হিসেব পাইনি। হতাহতদের সঠিক হিসাব দিতে হবে।
এ সময় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সার্জিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা দিনা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আপনি বিএনপি করতে পারেন আমার আপত্তি নাই। জামায়াত করতে পারেন আপত্তি নাই। কিন্তু আওয়ামী লীগের সাথে সখ্যতা মেনে নেব না। আমরা দেখেছি গতকাল যখন ঢাকা শহর আগুনে পুড়ছে, তখন সেখানে আওয়ামী লীগ এসেছে আলু পোড়া দিয়ে খেতে।
বুধবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা শেষে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানাতে চাই। এই কুমিল্লাতে বিএনপিকে নির্যাতন করা হয়েছে।
জামায়াতকে নির্যাতন করা হয়েছে। আমরা আপনাদেরকে উদাত্ত আহ্বান জানাবো- কুমিল্লার স্বার্থে, বাংলাদেশের স্বার্থে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পরবর্তী বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য, অবশ্যই অবশ্যই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অহংকার মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। আমরা সেটা প্রমাণ পেয়েছি হাসিনাকে ধ্বংস করার মধ্য দিয়ে। কুমিল্লা থেকে বাহারকে উৎখাত করার মধ্য দিয়ে। সূচনাকে উৎখাত করার মধ্য দিয়ে।
সেই প্রেস কনফারেন্সের কথা আমরা ভুলি নাই। হাসিনা দম্ভ করে বলেছিল কুমিল্লা নামের আগে যেহেতু কু রয়েছে এই কুমিল্লা বিভাগ হবে না। আমরা হাসিনাকে উৎখাত করে আবার বলছি- বিভাগ হবে, কুমিল্লা নামেই বিভাগ হবে।
কুমিল্লা রাষ্ট্রীয় বৈষম্যের শিকার হচ্ছে উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাষ্ট্রীয় কোন উন্নয়নের ছোঁয়া কুমিল্লায় লাগে নাই। কুমিল্লার মানুষ নিজেরা বিদেশে থাকে, নিজ যোগ্যতায় চাকরি পায়। নিজেদের মাথাপিছু ইনকাম বেশি। কুমিল্লার অবকাঠামো নিজ উদ্যোগে স্ব-স্ব বিনিয়োগে তৈরি হয়েছে।
রাষ্ট্রের কোনো অর্থ দিয়ে সেগুলো হয়নি। কুমিল্লায় যেসব বিনিয়োগ হয়েছে সেগুলো একটি নির্দিষ্ট দলের পকেট ভারি করার জন্য হয়েছে। আপনারা কুমিল্লার ফ্লাইওভারের কথা দেখেন। রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ অপচয়ের নিদারুণ নিদর্শন।
এই ফ্লাইওভার কোনো কাজে আসে না। যেমন জ্যাম ছিল ঠিক তেমনই রয়েছে। কুমিল্লাকে যেভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে- এ ক্লাসিক এক্সামপল বাংলাদেশের আর কোনো জেলার মধ্যে খুঁজে পাওয়া যাবে না।
এনসিপির এই নেতা বলেন, কুমিল্লাকে যে রাষ্ট্রীয়ভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে, আমরা এর অবসান চাই। সরকারকে অবশ্যই কুমিল্লার বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করতে হবে। আমরা সব সময় উত্তরবঙ্গকে কটাক্ষ করতাম।
উত্তরবঙ্গ হচ্ছে মঙ্গা এলাকা। উত্তরবঙ্গ ঘুরে আমরা যখন কুমিল্লায় প্রবেশ করলাম, আমরা দেখেছি কুমিল্লার দুই কিলোমিটার রাস্তাও ঠিক নাই। সরকার যদি সিদ্ধান্ত দেয় যে আমরা কুমিল্লাকে দেখবো না, তাহলে স্ব উদ্যোগ এই রাস্তাগুলোকে ঠিক করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা অনেকেই ভাবছি আমাদের লড়াই শেষ হয়ে গেছে। আমাদের লড়াই শেষ হয় নাই। আমাদেরকে দীর্ঘ লড়াইয়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এখানে যারা রয়েছেন সবাইকে দীর্ঘ লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রিয় মা-বোনেরা- কোনোভাবে যদি আওয়ামী লীগ ফিরে আসে আপনার ৪ কোটি সন্তানকে ওরা বাঁচতে দেবে না। আওয়ামী লীগের সময় আমরা দেখেছি অর্পিতভাবে মন্দিরে কোরআন রেখে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করা হয়েছে। কুমিল্লাতে আর এগুলো হতে দেওয়া হবে না। কুমিল্লার প্রত্যেকটি ফ্যাসিবাদ বিরোধী রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধভাবে বাহারকে মোকাবিলা করবে, সূচনাকে মোকাবিলা করবে।
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি সম্পর্কে তিনি বলেন, আমরা এই সরকারকে বলতে চাই- মাইলস্টোনের বিমান দুর্ঘটনার সঠিক তদন্ত দেখতে চাই। আমরা এখন পর্যন্ত লাশের সঠিক হিসেব পাইনি। হতাহতদের সঠিক হিসাব দিতে হবে।
এ সময় এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সার্জিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুউদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা দিনা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির, সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৭
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় এটি একতরফা নির্বাচন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, এই নির্বাচন দেশে ও বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর সেনপাড়ার বাসভবনে তিনি এসব কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট এখনও ৪০ ভাগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ না থাকায় অন্য দু-একটি দলও নির্বাচন করছে না। মোট ৫০ ভাগ ভোটারদের বাদ দিয়ে নির্বাচন হচ্ছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় তিনি আবারও গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিতে দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় এটি একতরফা নির্বাচন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ও দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি বলেন, এই নির্বাচন দেশে ও বিদেশে কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর সেনপাড়ার বাসভবনে তিনি এসব কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট এখনও ৪০ ভাগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ না থাকায় অন্য দু-একটি দলও নির্বাচন করছে না। মোট ৫০ ভাগ ভোটারদের বাদ দিয়ে নির্বাচন হচ্ছে যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় তিনি আবারও গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিতে দেশবাসীকে উদ্বুদ্ধ করেন।
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩২
নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে 'স্যার' না ডেকে ভাইয়া ডাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তরুণদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সময় তার এই অনুরোধ অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে স্বস্তি ও হাসির আবহ তৈরি করে।
আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’-এ তিনি এ কথা বলেন।
তিনি তরুণদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বিদেশে পড়াশোনা করতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাংকঋণের জটিলতা কমাতে আইন সংশোধনের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন বিষয়ে তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করা হবে। ক্ষমতায় গেলে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ইয়ুথ পলিসি টকে চট্টগ্রামের ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত পরিচালনায় তরুণদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে।
দীর্ঘ দুই দশক পর চট্টগ্রামে ফিরে তারেক রহমান একই দিনে নগর পলোগ্রাউন্ড ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।
নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে 'স্যার' না ডেকে ভাইয়া ডাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। তরুণদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সময় তার এই অনুরোধ অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের মধ্যে স্বস্তি ও হাসির আবহ তৈরি করে।
আজ রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’-এ তিনি এ কথা বলেন।
তিনি তরুণদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, দেশে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও বিদেশে পড়াশোনা করতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে। ব্যাংকঋণের জটিলতা কমাতে আইন সংশোধনের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
পরিবেশ ও নগর উন্নয়ন বিষয়ে তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরে জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল খনন করা হবে। ক্ষমতায় গেলে সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ইয়ুথ পলিসি টকে চট্টগ্রামের ৫০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন। তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত পরিচালনায় তরুণদের মতামত গুরুত্বপূর্ণ, এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা হবে।
দীর্ঘ দুই দশক পর চট্টগ্রামে ফিরে তারেক রহমান একই দিনে নগর পলোগ্রাউন্ড ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৯
বিএনপি মহাসচিব বলেছেন- দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন।রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সালন্দর ইউনিয়নে বরুনাগাঁও মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে স্থানীয় ভোটারদের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন মির্জা ফখরুল। ভোটাররা বিগত আমলে জুলুম নিপিড়ন ও জমি দখলের কথা জানান।
এর প্রেক্ষিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের জন্য এর আগেও পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে কাজ করেছি। সংসদে গিয়েও কাজ করেছি। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। আমার নতুন করে পরিচয় দেবার কিছু নেই।
আমার গোটা পরিবারকে আপনারা চেনেন। বাবা-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না। আপনাদের সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবো।
আপনারা অভিযোগ করেছেন এখানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্বৃত্তদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এগুলো আর থাকবে না। আমার দলের কেউ দুর্বৃত্তায়নে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরও বলেন, দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই, নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন। তারেক রহমান সঠিকভাবে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে পারবেন। যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য অতিতে আমরা কাজ করেছি, আগামিতেও করবো।।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকরা সহজেই সার পাবে, সার সংকট থাকবে না। পরিবারের মা বোনরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। সে কার্ড দিয়ে তারা ন্যায্য মূল্যে নিত্যপণ্য কিনতে পারবেন এবং সে কার্ড দিয়ে চিকিৎসা সেবা পাবেন। এ কার্ড হবে মা বোনদের জন্য অস্ত্র।
বিএনপি মহাসচিব বলেছেন- দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই। নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন।রোববার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সালন্দর ইউনিয়নে বরুনাগাঁও মাদরাসা মাঠে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে স্থানীয় ভোটারদের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন মির্জা ফখরুল। ভোটাররা বিগত আমলে জুলুম নিপিড়ন ও জমি দখলের কথা জানান।
এর প্রেক্ষিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের জন্য এর আগেও পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে কাজ করেছি। সংসদে গিয়েও কাজ করেছি। আমাকে আপনারা দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। আমার নতুন করে পরিচয় দেবার কিছু নেই।
আমার গোটা পরিবারকে আপনারা চেনেন। বাবা-দাদার জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি, আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না। আপনাদের সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবো।
আপনারা অভিযোগ করেছেন এখানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্বৃত্তদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এগুলো আর থাকবে না। আমার দলের কেউ দুর্বৃত্তায়নে জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
তিনি আরও বলেন, দেশে উদারপন্থী গণতন্ত্র চাই, নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে যেতে চাই। আপনারা নির্ভয়ে ভোট দিতে যাবেন। তারেক রহমান সঠিকভাবে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে নিতে পারবেন। যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য অতিতে আমরা কাজ করেছি, আগামিতেও করবো।।
মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষকরা সহজেই সার পাবে, সার সংকট থাকবে না। পরিবারের মা বোনরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। সে কার্ড দিয়ে তারা ন্যায্য মূল্যে নিত্যপণ্য কিনতে পারবেন এবং সে কার্ড দিয়ে চিকিৎসা সেবা পাবেন। এ কার্ড হবে মা বোনদের জন্য অস্ত্র।