Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৩৫
পটুয়াখালীর বাউফলে সালিশ বৈঠকে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্য বন্দরের হেমায়েত মিয়ার বাসভবনে ঘটে এ ঘটনা। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বন্দরের ব্যবসায়ীরা কয়েকজন জানায়, শনিবার দুপুরে স্বপন নামে বাজারের এক ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন নামে অপর একজন ব্যবসায়ীর কাছে পাওনা হিসেবে ৩৩ হাজার টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় উভয়ের মধ্যে। এরপর স্থানীয় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা মো. কাওসারকে সঙ্গে নিয়ে স্বপনকে মারধর করেন নাসির উদ্দিনের ভাই পরিচয়ে এক ব্যক্তি।
পরে বন্দরের ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নিয়ে হেমায়েত মিয়ার বাসায় এক সালিশ বৈঠকের আয়োজন করেন। তবে ওই বৈঠকে স্থানীয় আরাফাত নামে একজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে পুনরায় বাগবিতণ্ডায় জড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা কাওসার। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের শুরু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ অবরুদ্ধ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করেন।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বিচার সালিশ চলাকালে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইননী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে সালিশ বৈঠকে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বাণিজ্য বন্দরের হেমায়েত মিয়ার বাসভবনে ঘটে এ ঘটনা। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বন্দরের ব্যবসায়ীরা কয়েকজন জানায়, শনিবার দুপুরে স্বপন নামে বাজারের এক ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন নামে অপর একজন ব্যবসায়ীর কাছে পাওনা হিসেবে ৩৩ হাজার টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় উভয়ের মধ্যে। এরপর স্থানীয় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা মো. কাওসারকে সঙ্গে নিয়ে স্বপনকে মারধর করেন নাসির উদ্দিনের ভাই পরিচয়ে এক ব্যক্তি।
পরে বন্দরের ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নিয়ে হেমায়েত মিয়ার বাসায় এক সালিশ বৈঠকের আয়োজন করেন। তবে ওই বৈঠকে স্থানীয় আরাফাত নামে একজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে পুনরায় বাগবিতণ্ডায় জড়ায় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা কাওসার। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের শুরু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ অবরুদ্ধ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করেন।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, বিচার সালিশ চলাকালে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইননী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:১৫

০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:১১
পটুয়াখালীর বাউফলে কালি শীতলা মন্দিরের কালি প্রতিমা ও শীতলা প্রতিমা মূর্তি একদল দুষ্কৃতিকারীরা ভেঙ্গে ফেলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। উপজেলার গোসিংগা গ্রামে ভুবন সাহার কাছারি নামক স্থানে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) আনুমানিক রাত ১০ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানাযায়, শনিবার রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে বাউফল উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোসিংগা গ্রামে ভুবন সাহার কাছারি নামক স্থানে পাকা রাস্তার উত্তর পাশে টিনের চালার নিচে কালি শীতলা মন্দিরের একপাশে কালি প্রতিমা ও অন্য পাশে শীতলা প্রতিমা মূর্তি ছিল। উক্ত দুটি প্রতিমা হতে কালী প্রতিমার মাথা অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারী ভেঙ্গে ফেলে।
মন্দিরের পাশের ব্যবসায়ী সবুজ শরীফ (৫৫) জানান,তিনি দোকান বন্ধ করে মন্দিরের পাশ দিয়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় প্রতিমার মাথা ভাঙ্গা দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজনদের জানালে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
স্থানীয় শংকর হাওলাদারের ছেলে শাওন হাওলাদার (১৮) বলেন, তিনি প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যা পূজা দেওয়ার সময় প্রতিমা অক্ষত ছিল। বাউফল থানার ওসি তদন্ত মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে মন্দিরের সভাপতি অনিল চন্দ্র গনপতি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০২
পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে ৮ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এ সময় আরও ৩টি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পৌর শহরের বেড়িবাঁধের বাইরে সি-কুইন হোটেল সংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখায় দুটি খাবার হোটেল, দুটি কাপড়ের দোকান, একটি মুদি-মনোহারি দোকান, একটি ঝিনুকের দোকান, একটি জেনারেটরের দোকান ও একটি চায়ের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় ব্যবসায়ীরা। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি কেউ।
কলাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আবুল হোসেন বলেন, সকাল ৮টার দিকে খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পৌছে এক ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তসাপেক্ষে বলা যাবে।
উপকূলীয় কৃষিপ্রধান জনপদ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তরমুজ চাষে রেকর্ড আবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৩৮০ হেক্টর জমি।
তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৩৬৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। এতে কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরাসরি তরমুজ চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক। অনুকূল আবহাওয়া ও বাজারে ভালো দামের প্রত্যাশায় কৃষকদের আগ্রহ দিনদিন বাড়ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হচ্ছে। কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে ফলন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ জমিতে ভালো ফলন ধরেছে। তবে ফল বড় ও মিষ্টি করতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত মিষ্টি পানি। আর সেখানেই দেখা দিয়েছে বড় সংকট। অনেক কৃষক দূরবর্তী স্থান থেকে মোটরের মাধ্যমে পানি এনে সেচ দিচ্ছেন, যা ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।
পানির সংকটে দুশ্চিন্তা কৃষকদের তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এলাকায় স্পষ্ট। খাল-বিল ও প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। পানির স্বল্পতা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি কৃষির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খালগুলো সচল থাকলে আরও বেশি জমিতে তরমুজ আবাদ সম্ভব হতো বলে মনে করছেন তারা।
লতাচাপলী ইউনিয়নের কৃষক মো. বেলাল জানান, গত ১০ বছর ধরে তরমুজ চাষ করছি। এ বছর তিন একর জমিতে প্রায় চার লাখ টাকা খরচ করেছি। কিন্তু প্রতিবছর বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কিনতে গিয়ে প্রতারণা ও মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা পোহাতে হয়। কৃষিপণ্যের দামের লাগাম টানতে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
অন্যদিকে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, আমরা পুরোপুরি আধুনিক কৃষক হতে পারিনি। তবে কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে এসে খোঁজখবর রাখছেন এবং বিনামূল্যে সার ও বীজ দিচ্ছেন। এ সহযোগিতা আরও বাড়লে কৃষকরা পিছিয়ে থাকবে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন বলেন, সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। খাল পুনঃখনন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া গেলে ভবিষ্যতে তরমুজসহ অন্যান্য ফসলের আবাদ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, কৃষকদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে তরমুজ চাষ স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এতে কৃষকদের আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
উপকূলীয় কৃষিপ্রধান জনপদ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তরমুজ চাষে রেকর্ড আবাদ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৩৮০ হেক্টর জমি।
তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৩৬৭ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। এতে কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরাসরি তরমুজ চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক। অনুকূল আবহাওয়া ও বাজারে ভালো দামের প্রত্যাশায় কৃষকদের আগ্রহ দিনদিন বাড়ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হচ্ছে। কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করে ফলন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ জমিতে ভালো ফলন ধরেছে। তবে ফল বড় ও মিষ্টি করতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত মিষ্টি পানি। আর সেখানেই দেখা দিয়েছে বড় সংকট। অনেক কৃষক দূরবর্তী স্থান থেকে মোটরের মাধ্যমে পানি এনে সেচ দিচ্ছেন, যা ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।
পানির সংকটে দুশ্চিন্তা কৃষকদের তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এলাকায় স্পষ্ট। খাল-বিল ও প্রাকৃতিক জলাধার ভরাট হয়ে যাওয়ায় সেচ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। পানির স্বল্পতা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি কৃষির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খালগুলো সচল থাকলে আরও বেশি জমিতে তরমুজ আবাদ সম্ভব হতো বলে মনে করছেন তারা।
লতাচাপলী ইউনিয়নের কৃষক মো. বেলাল জানান, গত ১০ বছর ধরে তরমুজ চাষ করছি। এ বছর তিন একর জমিতে প্রায় চার লাখ টাকা খরচ করেছি। কিন্তু প্রতিবছর বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ কিনতে গিয়ে প্রতারণা ও মূল্যবৃদ্ধির যন্ত্রণা পোহাতে হয়। কৃষিপণ্যের দামের লাগাম টানতে সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
অন্যদিকে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, আমরা পুরোপুরি আধুনিক কৃষক হতে পারিনি। তবে কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে এসে খোঁজখবর রাখছেন এবং বিনামূল্যে সার ও বীজ দিচ্ছেন। এ সহযোগিতা আরও বাড়লে কৃষকরা পিছিয়ে থাকবে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন বলেন, সঠিক পরিচর্যা ও অনুকূল আবহাওয়া থাকলে এ বছর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। খাল পুনঃখনন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নেওয়া গেলে ভবিষ্যতে তরমুজসহ অন্যান্য ফসলের আবাদ আরও বাড়ানো সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, কৃষকদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে তরমুজ চাষ স্থানীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এতে কৃষকদের আর্থিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
পটুয়াখালীর বাউফলে কালি শীতলা মন্দিরের কালি প্রতিমা ও শীতলা প্রতিমা মূর্তি একদল দুষ্কৃতিকারীরা ভেঙ্গে ফেলেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। উপজেলার গোসিংগা গ্রামে ভুবন সাহার কাছারি নামক স্থানে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) আনুমানিক রাত ১০ টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটেছে। স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানাযায়, শনিবার রাত আনুমানিক ১০ টার দিকে বাউফল উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোসিংগা গ্রামে ভুবন সাহার কাছারি নামক স্থানে পাকা রাস্তার উত্তর পাশে টিনের চালার নিচে কালি শীতলা মন্দিরের একপাশে কালি প্রতিমা ও অন্য পাশে শীতলা প্রতিমা মূর্তি ছিল। উক্ত দুটি প্রতিমা হতে কালী প্রতিমার মাথা অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারী ভেঙ্গে ফেলে।
মন্দিরের পাশের ব্যবসায়ী সবুজ শরীফ (৫৫) জানান,তিনি দোকান বন্ধ করে মন্দিরের পাশ দিয়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় প্রতিমার মাথা ভাঙ্গা দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজনদের জানালে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
স্থানীয় শংকর হাওলাদারের ছেলে শাওন হাওলাদার (১৮) বলেন, তিনি প্রতিদিনের ন্যায় সন্ধ্যা পূজা দেওয়ার সময় প্রতিমা অক্ষত ছিল। বাউফল থানার ওসি তদন্ত মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে মন্দিরের সভাপতি অনিল চন্দ্র গনপতি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে ৮ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এ সময় আরও ৩টি দোকান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পৌর শহরের বেড়িবাঁধের বাইরে সি-কুইন হোটেল সংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখায় দুটি খাবার হোটেল, দুটি কাপড়ের দোকান, একটি মুদি-মনোহারি দোকান, একটি ঝিনুকের দোকান, একটি জেনারেটরের দোকান ও একটি চায়ের দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় ব্যবসায়ীরা। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি কেউ।
কলাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আবুল হোসেন বলেন, সকাল ৮টার দিকে খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পৌছে এক ঘণ্টার প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তসাপেক্ষে বলা যাবে।