
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৪
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক তোফাজ্জল হত্যার ঘটনায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট আদালত আমলে নিয়েছেন। আদালত একই সঙ্গে মামলার পলাতক ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশও দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে এক যুবককে আটকে রেখে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে। আদালত চার্জশিটটি গ্রহণ করে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজ আদালত পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট আমলে নিয়েছেন। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ দেন আদালত। যদিও এ চার্জশিটের ওপর বাদীর নারাজি দেওয়ার কথা ছিল, তবে তিনি তা দেননি।
২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হান্নানুল ইসলাম ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন। আর ১০ মার্চ মামলায় দাখিলকৃত চার্জশিট গ্রহণযোগ্যতা শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেন আদালত।
চার্জশিটে নাম আসা আসামিরা হলেন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জালাল মিয়া (২৬), মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সুমন মিয়া (২১), পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ (২৪), ভূগোল বিভাগের আল হোসেন সাজ্জাদ (২৩), ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ (২৪), ওয়াজিবুল আলম (২২), মো. ফিরোজ কবির (২৩), মো. আব্দুস সামাদ (২৪), মো. সাকিব রায়হান (২২), মো. ইয়াছিন আলী গাইন (২১), মো. ইয়ামুজ্জামান ওরফে ইয়াম (২২), মো. ফজলে রাব্বি (২৪), শাহরিয়ার কবির শোভন (২৪), মো. মেহেদী হাসান ইমরান (২৫), মো. রাতুল হাসান (২০), মো. সুলতান মিয়া (২৪), মো. নাসির উদ্দীন (২৩), মো. মোবাশ্বের বিল্লাহ (২৫), শিশির আহমেদ (২২), মো. মহসিন উদ্দিন ওরফে শাফি (২৩), আব্দুল্লাহিল কাফি (২১), শেখ রমজান আলী রকি (২৫), মো. রাশেদ কামাল অনিক (২৩), মো. মনিরুজ্জামান সোহাগ (২৪), মো. আবু রায়হান (২৩), রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ (২৪), রাব্বিকুল রিয়াদ (২৩) ও মো. আশরাফ আলী মুন্সী (২৬)।
আসামির মধ্যে দু’জন (আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম) জামিনে আছেন। এছাড়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন চারজন। তারা হলেন, জালাল মিয়া, আল হোসেন সাজ্জাদ, মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ ও সুমন মিয়া।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হান্নানুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অব্যাহতি প্রাপ্ত আটজনের বিরুদ্ধে তদন্ত করেছি। গত ১৭ ডিসেম্বর আগের তদন্ত কর্মকর্তার তদন্তে উঠে আসা ২১ জনসহ মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছি। এ ঘটনায় ২৮ জনের বাইরে আর কাউকে আসামি হিসেবে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে একজন যুবক ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র তাকে আটক করে প্রথমে হলের মূল ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে যান। মোবাইল চুরির অভিযোগ এনে তারা ওই যুবককে মারধর করেন। পরে মানসিক রোগী ভেবে তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাওয়ান ওই ছাত্ররা। ক্যান্টিনে খাওয়ানোর পর তোফাজ্জলকে হলের দক্ষিণ ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে হাত বেঁধে স্টাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে আবার তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তার মৃত্যু হয়। তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। পরে ২৫ সেপ্টেম্বর ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শাহ মুহাম্মদ মাসুমসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তৎকালীন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামানের আদালতে মামলার আবেদন করেন নিহতের ফুফাতো বোন মোসাম্মৎ আসমা আক্তার। আদালত সেদিন বাদীর জবানবন্দি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা মামলা একইসঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেয়।
বরিশাল টাইমস
তোফাজ্জল। সংগৃহীত ছবি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক তোফাজ্জল হত্যার ঘটনায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট আদালত আমলে নিয়েছেন। আদালত একই সঙ্গে মামলার পলাতক ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশও দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।
মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে এক যুবককে আটকে রেখে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে। আদালত চার্জশিটটি গ্রহণ করে পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজ আদালত পুলিশের দেওয়া সম্পূরক চার্জশিট আমলে নিয়েছেন। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য বদলির নির্দেশ দেন আদালত। যদিও এ চার্জশিটের ওপর বাদীর নারাজি দেওয়ার কথা ছিল, তবে তিনি তা দেননি।
২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হান্নানুল ইসলাম ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন। আর ১০ মার্চ মামলায় দাখিলকৃত চার্জশিট গ্রহণযোগ্যতা শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেন আদালত।
চার্জশিটে নাম আসা আসামিরা হলেন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জালাল মিয়া (২৬), মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সুমন মিয়া (২১), পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ (২৪), ভূগোল বিভাগের আল হোসেন সাজ্জাদ (২৩), ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ (২৪), ওয়াজিবুল আলম (২২), মো. ফিরোজ কবির (২৩), মো. আব্দুস সামাদ (২৪), মো. সাকিব রায়হান (২২), মো. ইয়াছিন আলী গাইন (২১), মো. ইয়ামুজ্জামান ওরফে ইয়াম (২২), মো. ফজলে রাব্বি (২৪), শাহরিয়ার কবির শোভন (২৪), মো. মেহেদী হাসান ইমরান (২৫), মো. রাতুল হাসান (২০), মো. সুলতান মিয়া (২৪), মো. নাসির উদ্দীন (২৩), মো. মোবাশ্বের বিল্লাহ (২৫), শিশির আহমেদ (২২), মো. মহসিন উদ্দিন ওরফে শাফি (২৩), আব্দুল্লাহিল কাফি (২১), শেখ রমজান আলী রকি (২৫), মো. রাশেদ কামাল অনিক (২৩), মো. মনিরুজ্জামান সোহাগ (২৪), মো. আবু রায়হান (২৩), রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ (২৪), রাব্বিকুল রিয়াদ (২৩) ও মো. আশরাফ আলী মুন্সী (২৬)।
আসামির মধ্যে দু’জন (আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম) জামিনে আছেন। এছাড়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন চারজন। তারা হলেন, জালাল মিয়া, আল হোসেন সাজ্জাদ, মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ ও সুমন মিয়া।
মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা হান্নানুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অব্যাহতি প্রাপ্ত আটজনের বিরুদ্ধে তদন্ত করেছি। গত ১৭ ডিসেম্বর আগের তদন্ত কর্মকর্তার তদন্তে উঠে আসা ২১ জনসহ মোট ২৮ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছি। এ ঘটনায় ২৮ জনের বাইরে আর কাউকে আসামি হিসেবে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে একজন যুবক ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র তাকে আটক করে প্রথমে হলের মূল ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে যান। মোবাইল চুরির অভিযোগ এনে তারা ওই যুবককে মারধর করেন। পরে মানসিক রোগী ভেবে তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাওয়ান ওই ছাত্ররা। ক্যান্টিনে খাওয়ানোর পর তোফাজ্জলকে হলের দক্ষিণ ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে হাত বেঁধে স্টাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে আবার তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তার মৃত্যু হয়। তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। পরে ২৫ সেপ্টেম্বর ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শাহ মুহাম্মদ মাসুমসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তৎকালীন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামানের আদালতে মামলার আবেদন করেন নিহতের ফুফাতো বোন মোসাম্মৎ আসমা আক্তার। আদালত সেদিন বাদীর জবানবন্দি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের করা মামলা একইসঙ্গে তদন্তের নির্দেশ দেয়।
বরিশাল টাইমস
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:২২
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৪
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫১
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৯

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:২২
বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা আরোহী এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন রিকশাচালক আউয়াল (৩০)। আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাতনামা এক নারী (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহত রিকশাচালক আউয়াল ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। দুর্ঘটনায় তার হাত ভেঙে যাওয়ায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা দুর্ঘটনায় এক অজ্ঞাত এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়াও রিকশাচালক আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ঘাতক গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ।
বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা আরোহী এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন রিকশাচালক আউয়াল (৩০)। আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাতনামা এক নারী (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহত রিকশাচালক আউয়াল ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। দুর্ঘটনায় তার হাত ভেঙে যাওয়ায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা দুর্ঘটনায় এক অজ্ঞাত এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়াও রিকশাচালক আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ঘাতক গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫১
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পতিত জমিতে তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরের বিস্তীর্ণ জমি এখন সবুজ তরমুজ ক্ষেতে ভরে উঠেছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর জহির উদ্দিন, তেলিয়ার চর ও নাগর পাটওয়ারীর চরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হয়েছে। বড় আকারের তরমুজ ও ভালো ফলনের কারণে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্ষেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ ও বাজারজাত করতে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আড়তগুলোতেও তরমুজ পাঠানো হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তজুমদ্দিনে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ২৬৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ১০টি প্রদর্শনী প্লট রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধান কাটার পর প্রতিবছর চরাঞ্চলের অনেক জমি পতিত পড়ে থাকত। তবে এবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ ও পরামর্শে কৃষকরা ওই জমিতে তরমুজ চাষে আগ্রহী হন। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত সেচ, আগাছা দমন, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি ক্ষেত পাহারা দিচ্ছেন তারা।
সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক তছলিম মাঝি, মো. হান্নান ও সালাউদ্দিন বলেন, এবার তরমুজের ফলন খুব ভালো হয়েছে। রমজান মাসে তরমুজের চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে এবং ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে।
তারা আরও জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ছিল। ফলে সার ও কীটনাশকের খরচ তুলনামূলক কম হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া ও পরামর্শ দেওয়ায় তারা চাষে সফল হয়েছেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম বলেন, ভালো দাম ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবার কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সরকারি সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা সফলভাবে তরমুজ চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা পুরো ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং এতে তারা আরও লাভবান হবেন।
বরিশাল টাইমস
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পতিত জমিতে তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরের বিস্তীর্ণ জমি এখন সবুজ তরমুজ ক্ষেতে ভরে উঠেছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর জহির উদ্দিন, তেলিয়ার চর ও নাগর পাটওয়ারীর চরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হয়েছে। বড় আকারের তরমুজ ও ভালো ফলনের কারণে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্ষেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ ও বাজারজাত করতে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আড়তগুলোতেও তরমুজ পাঠানো হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তজুমদ্দিনে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ২৬৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ১০টি প্রদর্শনী প্লট রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধান কাটার পর প্রতিবছর চরাঞ্চলের অনেক জমি পতিত পড়ে থাকত। তবে এবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ ও পরামর্শে কৃষকরা ওই জমিতে তরমুজ চাষে আগ্রহী হন। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত সেচ, আগাছা দমন, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি ক্ষেত পাহারা দিচ্ছেন তারা।
সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক তছলিম মাঝি, মো. হান্নান ও সালাউদ্দিন বলেন, এবার তরমুজের ফলন খুব ভালো হয়েছে। রমজান মাসে তরমুজের চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে এবং ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে।
তারা আরও জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ছিল। ফলে সার ও কীটনাশকের খরচ তুলনামূলক কম হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া ও পরামর্শ দেওয়ায় তারা চাষে সফল হয়েছেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম বলেন, ভালো দাম ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবার কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সরকারি সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা সফলভাবে তরমুজ চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা পুরো ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং এতে তারা আরও লাভবান হবেন।
বরিশাল টাইমস

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৯
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেছেন, আগামী ৩০ এপ্রিল অথবা ১৫ মে পিরোজপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের চারটি ফ্লোর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। লিফট আসতে সময় লাগছে। আগামী আগস্ট মাসে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা লিফট আসার অপেক্ষা না করে চারটি ফ্লোর স্বাস্থ্যসেবার জন্য চালু করে দিতে চাচ্ছি। সে ধরনের কর্মপরিকল্পনা চলছে। সর্বোচ্চ ১৫ মে এর মধ্যে এটি চালু হবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক স্বল্পতা বাংলাদেশের প্রতিটি হাসপাতালে রয়েছে তারপরও আমরা আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রয়োজন বিবেচনায় চিকিৎসক নিয়োগ এবং যেসব যন্ত্রপাতিতে সমস্যা রয়েছে, তা স্থানান্তর করা হবে। আশা করি, আগামী দুই মাসের মধ্যে আগের থেকে একটি ভালো সেবা নিশ্চিত হবে।
এর আগে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ, সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল আউয়াল, পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্যসচিব সাইদুল ইসলাম কিসমতসহ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির বিভিন্ন সদস্যকে নিয়ে সভা করেন তিনি।
বরিশিাল টাইমস
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর বলেছেন, আগামী ৩০ এপ্রিল অথবা ১৫ মে পিরোজপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের চারটি ফ্লোর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। লিফট আসতে সময় লাগছে। আগামী আগস্ট মাসে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা লিফট আসার অপেক্ষা না করে চারটি ফ্লোর স্বাস্থ্যসেবার জন্য চালু করে দিতে চাচ্ছি। সে ধরনের কর্মপরিকল্পনা চলছে। সর্বোচ্চ ১৫ মে এর মধ্যে এটি চালু হবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক স্বল্পতা বাংলাদেশের প্রতিটি হাসপাতালে রয়েছে তারপরও আমরা আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রয়োজন বিবেচনায় চিকিৎসক নিয়োগ এবং যেসব যন্ত্রপাতিতে সমস্যা রয়েছে, তা স্থানান্তর করা হবে। আশা করি, আগামী দুই মাসের মধ্যে আগের থেকে একটি ভালো সেবা নিশ্চিত হবে।
এর আগে পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ, সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল আউয়াল, পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্যসচিব সাইদুল ইসলাম কিসমতসহ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির বিভিন্ন সদস্যকে নিয়ে সভা করেন তিনি।
বরিশিাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.