‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে’- বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, যে গণভোটে ৭০ ভাগ জনগণ রায় দিয়েছে, সেই একই দিনের ভোটে আপনারা সরকার গঠন করার দাবি করছেন। ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও গ্রহণযোগ্য হবে না। গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। জনগণ গণভোটের রায় মানতে বাধ্য করবে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন দাবিতে এ বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বিএনপির উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, ১৯৯১ সালের পর ক্ষমতায় এসে আপনারা বুঝতে পারেননি কেয়ারটেকার সরকার কী। শেষ পর্যন্ত বুঝেছেন। আমরা বলবো, জাতির ক্ষতি করে নয়, এখনই বিষয়টি বুঝুন।
তিনি বলেন, আমরা রাজপথে থাকতে চাই না। আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে চাই। কিন্তু যেভাবে আমাদের রাজপথের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, রাজপথ উত্তপ্ত হলে তার পরিণতি ভালো হবে না।
সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।’

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৭

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৫
বরিশালসহ দেশের পাঁচটি জেলা শহরে শত শত পুকুর ভরাট ও অবৈধ দখল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি নোটিস পাঠিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এইচআরপিবির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন— বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক।
নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের পরিবেশ সুরক্ষা বিবেচনায় সরকার ২০০০ সালে ‘জলাধার সংরক্ষণ আইন’ পাস করে। এই আইন অনুযায়ী শহর এলাকায় পুকুর বা জলাধার ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরাট ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।’

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪৭
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ১৭ আটক হয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার পবিত্র কুমার হালদার এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তার নেতৃত্বে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা ভাটিখানা এলাকার পান্থ সড়ক, রোকেয়া আজিম সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চিহ্নিত মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের লক্ষ্য করা হয়। অভিযানকালে এলাকাবাসী অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন। এ সময় অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং মাদক সেবনের অভিযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে ৯জনকে আটক করা হয়।
এর আগে নগরীর পলাশপুর, মোহাম্মদপুর ও আল মাদানী সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় কাউনিয়া থানা পুলিশ। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উত্তর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন।
অভিযানে ১০৫ পিস ইয়াবা, ২০০ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রির ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ টাকা ও তিনটি মোটরসাইকেলসহ আটজনকে আটক করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন। তিনি বলেন, বরিশাল মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে বিএমপি কমিশনারের নির্দেশে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে স্থানীয় নাগরিকদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করছেন। মহানগরীকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৩
‘গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে’- বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, যে গণভোটে ৭০ ভাগ জনগণ রায় দিয়েছে, সেই একই দিনের ভোটে আপনারা সরকার গঠন করার দাবি করছেন। ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও গ্রহণযোগ্য হবে না। গণভোট ব্যর্থ হলে এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। জনগণ গণভোটের রায় মানতে বাধ্য করবে।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন দাবিতে এ বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বিএনপির উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, ১৯৯১ সালের পর ক্ষমতায় এসে আপনারা বুঝতে পারেননি কেয়ারটেকার সরকার কী। শেষ পর্যন্ত বুঝেছেন। আমরা বলবো, জাতির ক্ষতি করে নয়, এখনই বিষয়টি বুঝুন।
তিনি বলেন, আমরা রাজপথে থাকতে চাই না। আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে চাই। কিন্তু যেভাবে আমাদের রাজপথের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, রাজপথ উত্তপ্ত হলে তার পরিণতি ভালো হবে না।
সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।
বরিশালসহ দেশের পাঁচটি জেলা শহরে শত শত পুকুর ভরাট ও অবৈধ দখল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি নোটিস পাঠিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এইচআরপিবির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন— বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক।
নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের পরিবেশ সুরক্ষা বিবেচনায় সরকার ২০০০ সালে ‘জলাধার সংরক্ষণ আইন’ পাস করে। এই আইন অনুযায়ী শহর এলাকায় পুকুর বা জলাধার ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরাট ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ১৭ আটক হয়েছেন। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার পবিত্র কুমার হালদার এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, তার নেতৃত্বে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা ভাটিখানা এলাকার পান্থ সড়ক, রোকেয়া আজিম সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে চিহ্নিত মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের লক্ষ্য করা হয়। অভিযানকালে এলাকাবাসী অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন। এ সময় অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং মাদক সেবনের অভিযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে ৯জনকে আটক করা হয়।
এর আগে নগরীর পলাশপুর, মোহাম্মদপুর ও আল মাদানী সড়কসহ বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় কাউনিয়া থানা পুলিশ। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উত্তর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন।
অভিযানে ১০৫ পিস ইয়াবা, ২০০ গ্রাম গাঁজা, মাদক বিক্রির ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ টাকা ও তিনটি মোটরসাইকেলসহ আটজনকে আটক করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হুসাইন। তিনি বলেন, বরিশাল মহানগরীকে মাদকমুক্ত করতে বিএমপি কমিশনারের নির্দেশে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে স্থানীয় নাগরিকদের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তারা বিভিন্ন তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করছেন। মহানগরীকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, জানান পুলিশ কর্মকর্তা।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬