
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২৩:২৮
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারত সরকারের পাশাপাশি ভারতের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এ উপলক্ষে তিনি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ঢাকা সফর করবেন।
এর আগে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে এক এক্সে এক পোস্টে তিনি এই শোক জানান।
আগামীকাল বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানা গেছে, খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ও তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আগামীকাল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদেরও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। পাশাপাশি কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাও ছিল তার।
হার্ট ও ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ার পর মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে গত ২৩ নভেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসা তদারকি করেন।
এই মাসের শুরুতে চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় পরবর্তীতে তা সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া ‘আপসহীন নেত্রী’ উপাধি পেয়েছিলেন। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে জীবনের পরম সত্যের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
রাজনীতিকদের জীবনে উত্থান-পতন থাকে। মামলা-মোকদ্দমা, গ্রেফতার, কারাবাস, নির্যাতন, প্রতিপক্ষের আক্রমণ- এসবও তাদের জীবনে অভাবনীয় নয়। খালেদা জিয়াও চরম পর্যায়ের এমন নির্যাতন সহ্য করেছেন। সহ্য করেছেন স্বামী-সন্তান হারানোর গভীর শোক আর দীর্ঘ রোগযন্ত্রণা।
রাজনৈতিক জীবনে মতাদর্শিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত ছাড়াও প্রতিপক্ষের ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা, বিদ্বেষ, লাঞ্ছনা ও নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছেন খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন, যিনি ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান ছিলেন।
১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে তার জন্ম। তার বাবা ভারতের জলপাইগুড়ি থেকে দেশভাগের পর তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে আসেন। তাদের আদি বাড়ি ফেনীতে। তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৬০ সালে তিনি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন।
১৯৮১ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়ার মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালের মার্চে তিনি ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।
বেগম জিয়া দেশের রাজনীতিতে একটি অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। তিনি কখনো কোনো আসনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাঁচটি পৃথক আসন থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তিনটি আসনেই বিজয়ী হন।
বরিশাল টাইমস
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসবেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভারত সরকারের পাশাপাশি ভারতের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এ উপলক্ষে তিনি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ঢাকা সফর করবেন।
এর আগে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে এক এক্সে এক পোস্টে তিনি এই শোক জানান।
আগামীকাল বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানা গেছে, খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ও তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আগামীকাল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদেরও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। পাশাপাশি কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাও ছিল তার।
হার্ট ও ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ার পর মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে গত ২৩ নভেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসা তদারকি করেন।
এই মাসের শুরুতে চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় পরবর্তীতে তা সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়া ‘আপসহীন নেত্রী’ উপাধি পেয়েছিলেন। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে জীবনের পরম সত্যের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
রাজনীতিকদের জীবনে উত্থান-পতন থাকে। মামলা-মোকদ্দমা, গ্রেফতার, কারাবাস, নির্যাতন, প্রতিপক্ষের আক্রমণ- এসবও তাদের জীবনে অভাবনীয় নয়। খালেদা জিয়াও চরম পর্যায়ের এমন নির্যাতন সহ্য করেছেন। সহ্য করেছেন স্বামী-সন্তান হারানোর গভীর শোক আর দীর্ঘ রোগযন্ত্রণা।
রাজনৈতিক জীবনে মতাদর্শিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত ছাড়াও প্রতিপক্ষের ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা, বিদ্বেষ, লাঞ্ছনা ও নিষ্ঠুরতার শিকার হয়েছেন খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন, যিনি ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান ছিলেন।
১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে তার জন্ম। তার বাবা ভারতের জলপাইগুড়ি থেকে দেশভাগের পর তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে চলে আসেন। তাদের আদি বাড়ি ফেনীতে। তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবং পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন। ১৯৬০ সালে তিনি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন।
১৯৮১ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়ার মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি বিএনপিতে সাধারণ সদস্য হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালের মার্চে তিনি ভাইস-চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালের আগস্টে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।
বেগম জিয়া দেশের রাজনীতিতে একটি অনন্য রেকর্ডের অধিকারী। তিনি কখনো কোনো আসনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাঁচটি পৃথক আসন থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তিনটি আসনেই বিজয়ী হন।
বরিশাল টাইমস

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:২২
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করবে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে সবাইকে সম্পৃক্ত করেই সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, “প্রথমবারের মতো গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একসঙ্গে আনা সম্ভব হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব থাকবে। আমাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। এখন আমরা লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট পথরেখা তৈরি করতে পারব।”
জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ খাতের সংস্কারে অংশীজনদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কর্মশালায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তাই দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক সাংবাদিকতার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা প্রয়োজন, যাতে সেগুলো সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, সমালোচনা হতে হবে তথ্যভিত্তিক এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট। এর মাধ্যমে সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে জবাবদিহিতা ও আস্থার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।
কর্মশালায় গণমাধ্যম সংস্কার, সম্পাদকীয় স্বাধীনতা, জবাবদিহিতা এবং জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের সম্ভাব্য কাঠামো নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১২
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।
আগামী ১ আগস্ট থেকে দেশের সব গণপরিবহণে জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) ডিভাইস সংযুক্ত করা এবং তা সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। বাংলাদেশ অর্থনীতি
সোমবার (১৫ জুন) এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিআরটিএ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপরিবহণ ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহণে ১ আগস্ট থেকে জিপিএস সংযুক্ত ও সচল রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জিপিএস ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ (স্পেসিফিকেশন) বিআরটিএর স্থানীয় কার্যালয় থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২৫ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহণে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার পর রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে। গণপরিবহণ মালিক ও সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে বিআরটিএ।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মানহানি মামলায় কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
রোববার (১৪ জুন) দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জের চৌহালী আমলি আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুর হায়দার রফিক সরকার।
এর আগে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে ‘নাস্তিক’ ও ‘ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগে গত ২ এপ্রিল আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা হয়। একই দিন আদালত তাকে সমন জারি করে ২১ এপ্রিল হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
নির্ধারিত তারিখে আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীতে হাজির না হওয়ায় গত ১৭ মে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুমন কর্মকার তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
মামলাটি বিদ্যুৎমন্ত্রীর সম্মানহানির অভিযোগে দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী হাজিরা না দেওয়ায় বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৯ জুন, ২০২৬ ১৬:১১
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১