
০১ মে, ২০২৬ ১৭:১২
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০ কেজি গাঁজাসহ খাদিজা নামের এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে মাদকের ৮টি মামলা রয়েছে। শুক্রবার (১ মে) ভোর ৬টার দিকে বন্দর থানাধীন ফরাজিকান্দা এলাকার প্রধান ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামি মোসা. খাদিজা আক্তার (২৮) বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ থানার চিংগাখালী এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি ফতুল্লার মাসদাইর ঘোষবাগ জামালের গ্যারেজ এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) খ জোনের ওসি মো. সাজ্জাদ করিম খানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়। এসময় এক নারী সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে নারী কনস্টেবলের সহায়তায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তার ভেতর থেকে ১২টি প্যাকেটে মোড়ানো মোট ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ টাকা।
বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তার খাদিজা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে বন্দর ও ফতুল্লা থানায় ৮টি মাদক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০ কেজি গাঁজাসহ খাদিজা নামের এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে মাদকের ৮টি মামলা রয়েছে। শুক্রবার (১ মে) ভোর ৬টার দিকে বন্দর থানাধীন ফরাজিকান্দা এলাকার প্রধান ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামি মোসা. খাদিজা আক্তার (২৮) বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ থানার চিংগাখালী এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি ফতুল্লার মাসদাইর ঘোষবাগ জামালের গ্যারেজ এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) খ জোনের ওসি মো. সাজ্জাদ করিম খানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়। এসময় এক নারী সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে নারী কনস্টেবলের সহায়তায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তার ভেতর থেকে ১২টি প্যাকেটে মোড়ানো মোট ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ টাকা।
বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তার খাদিজা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে বন্দর ও ফতুল্লা থানায় ৮টি মাদক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

০১ মে, ২০২৬ ১৬:০৩
মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপারকে (এসপি) ঘুষ দিতে গিয়ে এক নারীসহ দুজন আটক হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে কুলাউড়া থানায় তাদের আটক করা হয়।
আটক মইনুল ইসলাম চৌধুরী সামাদ কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত আতিকুর রহমান চৌধুরীর ছেলে ও স্থানীয় চৌধুরী বাজারের ব্যবসায়ী। অন্যদিকে জেসমিন আক্তার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের আব্দুলপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত তাহির আলীর মেয়ে।
পুলিশ সূত্র জানায়, কুলাউড়ার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা মাহতাব মিয়ার সঙ্গে তালাকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় স্ত্রী জেসমিন আক্তারের পারিবারিক বিষয় নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে।
স্বামীকে হয়রানি করতে ইতোপূর্বে তার মেয়েকে মাহতাব ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ তোলেন জেসমিন। এছাড়াও নানা ছলচাতুরীর আশ্রয় নেন। বর্তমানে তার স্বামী বিদেশ যাওয়ার খবর শুনে তা ঠেকাতে বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই লাখ টাকাসহ ব্যবসায়ী সামাদ চৌধুরীকে নিয়ে থানায় যান।
ওইসময় থানায় চলছিল সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানের দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন। পরিদর্শনের সময় মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) মো. আজমল হোসেন, কুলাউড়া থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেসমিন তার স্বামীর বিদেশ যাওয়া বন্ধ করতে সামাদসহ এসপির সঙ্গে দেখা করেন। এরমধ্যে কৌশলে জেসমিন আক্তারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে সেখান থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা সরিয়ে ফেলেন সামাদ চৌধুরী। পরে অবশিষ্ট ৪০ হাজার টাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে দিতে যান। এতেই ঘটে বিপত্তি, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশেই সামাদ ও জেসমিনকে টাকাসহ আটক করে পুলিশ।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আটক সামাদ ও জেসমিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বলেন, কুলাউড়া থেকে জেসমিন আক্তার নামে এক মহিলা বেশ কয়েকদিন থেকে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য মোবাইল ফোনে কথা বলেন। বৃহস্পতিবার সকালে সে মৌলভীবাজার আমার অফিসে এসে দেখা করতে চাইলে আমি তাকে কুলাউড়া থানায় এসে দেখা করতে বলি।
ডিআইজির দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন শেষে ওই মহিলা সামাদ নামে এক যুবককে নিয়ে আমার সঙ্গে তার সমস্যার কথা বলেন। কথা বলার একপর্যায়ে সামাদ আমার হাতে একটি খাম দিলে সেটি খুলে দুশ টাকার দুই বান্ডিল নোট দেখতে পেয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গে তাদের টাকাসহ আটক করাই। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপারকে (এসপি) ঘুষ দিতে গিয়ে এক নারীসহ দুজন আটক হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে কুলাউড়া থানায় তাদের আটক করা হয়।
আটক মইনুল ইসলাম চৌধুরী সামাদ কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত আতিকুর রহমান চৌধুরীর ছেলে ও স্থানীয় চৌধুরী বাজারের ব্যবসায়ী। অন্যদিকে জেসমিন আক্তার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের আব্দুলপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত তাহির আলীর মেয়ে।
পুলিশ সূত্র জানায়, কুলাউড়ার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা মাহতাব মিয়ার সঙ্গে তালাকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় স্ত্রী জেসমিন আক্তারের পারিবারিক বিষয় নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে।
স্বামীকে হয়রানি করতে ইতোপূর্বে তার মেয়েকে মাহতাব ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ তোলেন জেসমিন। এছাড়াও নানা ছলচাতুরীর আশ্রয় নেন। বর্তমানে তার স্বামী বিদেশ যাওয়ার খবর শুনে তা ঠেকাতে বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই লাখ টাকাসহ ব্যবসায়ী সামাদ চৌধুরীকে নিয়ে থানায় যান।
ওইসময় থানায় চলছিল সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানের দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন। পরিদর্শনের সময় মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) মো. আজমল হোসেন, কুলাউড়া থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেসমিন তার স্বামীর বিদেশ যাওয়া বন্ধ করতে সামাদসহ এসপির সঙ্গে দেখা করেন। এরমধ্যে কৌশলে জেসমিন আক্তারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে সেখান থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা সরিয়ে ফেলেন সামাদ চৌধুরী। পরে অবশিষ্ট ৪০ হাজার টাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে দিতে যান। এতেই ঘটে বিপত্তি, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশেই সামাদ ও জেসমিনকে টাকাসহ আটক করে পুলিশ।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আটক সামাদ ও জেসমিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বলেন, কুলাউড়া থেকে জেসমিন আক্তার নামে এক মহিলা বেশ কয়েকদিন থেকে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য মোবাইল ফোনে কথা বলেন। বৃহস্পতিবার সকালে সে মৌলভীবাজার আমার অফিসে এসে দেখা করতে চাইলে আমি তাকে কুলাউড়া থানায় এসে দেখা করতে বলি।
ডিআইজির দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন শেষে ওই মহিলা সামাদ নামে এক যুবককে নিয়ে আমার সঙ্গে তার সমস্যার কথা বলেন। কথা বলার একপর্যায়ে সামাদ আমার হাতে একটি খাম দিলে সেটি খুলে দুশ টাকার দুই বান্ডিল নোট দেখতে পেয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গে তাদের টাকাসহ আটক করাই। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

০১ মে, ২০২৬ ১৩:২৬
নরসিংদীর শিবপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাস্তায় পাওয়া গেল এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে শিবপুর থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুরে শাষপুর শহীদ মিনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার পাশে তিন ব্যান্ডেল খাতা পড়ে থাকতে দেখেন রাহিম নামের এক যুবক। পরে ওই যুবক পড়ে থাকা খাতা বাড়িতে নিয়ে যায়।
পরের দিন সোমবার তার বাড়ির পাশের এক ভাইকে দেখালে, খাতাগুলো এসএসসি পরীক্ষার বলে নিশ্চিত হন। পরে যোগাযোগ করে রাহিম খাতাগুলো থানায় জমা দেন।
রাহিম জানান, বাড়ি আসার পথে বিকেলে রাস্তার পাশে বান্ডেল দেখতে পেয়ে আমি এগুলো বাড়িতে নিয়ে আসি এবং আমার প্রতিবেশী ভাইকে দেখালে নিশ্চিত হই এগুলো পরীক্ষার খাতা। তার পরামর্শে আমি খাতাগুলো থানায় জমা দিই।
এ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান জানান, খাতাগুলো রহিম রাস্তা থেকে পেয়ে থানায় জমা দেয়। আমরা খাতাগুলো পেয়ে শিবপুর উপজেলার ইউএনওকে জানাই। ইউএনও এবং ওসির উপস্থিতিতে পুনরায় সিলগালা করে খাতাগুলো শিবপুর উপজেলা পোস্ট অফিসে জমা দিই। সিলগালা করা তিন প্যাকেটে এসএসসি ভোকেশনাল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা ছিল।
শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. ফারজানা ইয়াসমিন জানান, খবর পেয়ে থানায় গিয়েছি। খাতাগুলো এক পোস্ট অফিস থেকে আরেক পোস্ট অফিসে নিয়ে যাওয়ার পথে ডাক পিয়নের গাড়ি থেকে রাস্তায় পড়ে যায়। খাতাগুলো সিলগালা অবস্থায় অক্ষত ছিল। খাতাগুলো পুনরায় পোস্ট অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।
নরসিংদীর শিবপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাস্তায় পাওয়া গেল এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে শিবপুর থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুরে শাষপুর শহীদ মিনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার পাশে তিন ব্যান্ডেল খাতা পড়ে থাকতে দেখেন রাহিম নামের এক যুবক। পরে ওই যুবক পড়ে থাকা খাতা বাড়িতে নিয়ে যায়।
পরের দিন সোমবার তার বাড়ির পাশের এক ভাইকে দেখালে, খাতাগুলো এসএসসি পরীক্ষার বলে নিশ্চিত হন। পরে যোগাযোগ করে রাহিম খাতাগুলো থানায় জমা দেন।
রাহিম জানান, বাড়ি আসার পথে বিকেলে রাস্তার পাশে বান্ডেল দেখতে পেয়ে আমি এগুলো বাড়িতে নিয়ে আসি এবং আমার প্রতিবেশী ভাইকে দেখালে নিশ্চিত হই এগুলো পরীক্ষার খাতা। তার পরামর্শে আমি খাতাগুলো থানায় জমা দিই।
এ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান জানান, খাতাগুলো রহিম রাস্তা থেকে পেয়ে থানায় জমা দেয়। আমরা খাতাগুলো পেয়ে শিবপুর উপজেলার ইউএনওকে জানাই। ইউএনও এবং ওসির উপস্থিতিতে পুনরায় সিলগালা করে খাতাগুলো শিবপুর উপজেলা পোস্ট অফিসে জমা দিই। সিলগালা করা তিন প্যাকেটে এসএসসি ভোকেশনাল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা ছিল।
শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. ফারজানা ইয়াসমিন জানান, খবর পেয়ে থানায় গিয়েছি। খাতাগুলো এক পোস্ট অফিস থেকে আরেক পোস্ট অফিসে নিয়ে যাওয়ার পথে ডাক পিয়নের গাড়ি থেকে রাস্তায় পড়ে যায়। খাতাগুলো সিলগালা অবস্থায় অক্ষত ছিল। খাতাগুলো পুনরায় পোস্ট অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।

০১ মে, ২০২৬ ১৩:১৯
রংপুরের পীরগাছায় বিয়ের দাবিতে এক যুবদল নেতার বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন দুই সন্তানের জননী এক বিধবা নারী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের বালারদিঘী এলাকায় ওই নেতার বাড়িতে গিয়ে তিনি অবস্থান শুরু করেন। অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম কান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
ওই নারী দাবি করেন, রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তার প্রায় ১৫ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। গত তিনদিন আগে রফিকুল তার বাড়িতে গেলে বিষয়টি তার ছোট ছেলের নজরে আসে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক ও পারিবারিক চাপের মুখে তিনি বিয়ের দাবিতে রফিকুলের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানান, রফিকুল তাকে বিয়ে না করা পর্যন্ত তিনি ওই বাড়ি ছাড়বেন না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী তিন বছর আগে মারা গেছেন। তার দুই ছেলে রয়েছে এবং তারা বিবাহিত। অন্যদিকে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামও বিবাহিত এবং চার কন্যাসন্তানের জনক। প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি রফিকুল ইসলাম অস্বীকার করলেও, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওই নারীকে বিয়ে করতে রাজি আছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল আলিম আলম বলেন, সংগঠনের কোনো নেতার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রংপুরের পীরগাছায় বিয়ের দাবিতে এক যুবদল নেতার বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন দুই সন্তানের জননী এক বিধবা নারী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের বালারদিঘী এলাকায় ওই নেতার বাড়িতে গিয়ে তিনি অবস্থান শুরু করেন। অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম কান্দি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।
ওই নারী দাবি করেন, রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তার প্রায় ১৫ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। গত তিনদিন আগে রফিকুল তার বাড়িতে গেলে বিষয়টি তার ছোট ছেলের নজরে আসে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিক ও পারিবারিক চাপের মুখে তিনি বিয়ের দাবিতে রফিকুলের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানান, রফিকুল তাকে বিয়ে না করা পর্যন্ত তিনি ওই বাড়ি ছাড়বেন না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই নারীর স্বামী তিন বছর আগে মারা গেছেন। তার দুই ছেলে রয়েছে এবং তারা বিবাহিত। অন্যদিকে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলামও বিবাহিত এবং চার কন্যাসন্তানের জনক। প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি রফিকুল ইসলাম অস্বীকার করলেও, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ওই নারীকে বিয়ে করতে রাজি আছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল আলিম আলম বলেন, সংগঠনের কোনো নেতার বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলনজনিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
০১ মে, ২০২৬ ১৮:৫৭
০১ মে, ২০২৬ ১৮:৫৪
০১ মে, ২০২৬ ১৮:৫১
০১ মে, ২০২৬ ১৮:৪৭