
০১ মে, ২০২৬ ১৮:০৪
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের নলশ্রী গ্রামে হাবিবুর রহমান মোল্লা (৫০) নামের এক জেলের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকালে ঘটে যাওয়া এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উত্তেজনা চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে হাবিবুর রহমান মোল্লাকে পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগের তীর উঠেছে তার স্ত্রী সেলিনা বেগম ও ছেলে সাগরের বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীর দাবি, রাতের আঁধারে তাকে মারধর ও নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। গ্রামবাসীরা জানান, নিহতের নাক, মুখমন্ডল ও ঘাড়
সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও নির্যাতনের স্পষ্ট চিহ্ন দেখা গেছে। শুক্রবার সকালে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে নলশ্রী গ্রামে শোকের পাশাপাশি ক্ষোভেরও সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মজিবুর রহমান ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় হাবিবুর রহমানের স্ত্রী ও ছেলেকে জিঙ্গাসাবাদের জন্য আটক এবং ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায়
এদিন দুপুরে বরিশাল জেলা সহকারি পুলিশ সুপার ( সার্কেল) সৌমেন সরকার বানারীপাড়া থানায় আসেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং তার স্ত্রী ও ছেলেকে থানায় এনে জিঙ্গাসাবাদ করা হচ্ছে। এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের নলশ্রী গ্রামে হাবিবুর রহমান মোল্লা (৫০) নামের এক জেলের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকালে ঘটে যাওয়া এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উত্তেজনা চলছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে হাবিবুর রহমান মোল্লাকে পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগের তীর উঠেছে তার স্ত্রী সেলিনা বেগম ও ছেলে সাগরের বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীর দাবি, রাতের আঁধারে তাকে মারধর ও নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। গ্রামবাসীরা জানান, নিহতের নাক, মুখমন্ডল ও ঘাড়
সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত ও নির্যাতনের স্পষ্ট চিহ্ন দেখা গেছে। শুক্রবার সকালে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে নলশ্রী গ্রামে শোকের পাশাপাশি ক্ষোভেরও সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মজিবুর রহমান ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় হাবিবুর রহমানের স্ত্রী ও ছেলেকে জিঙ্গাসাবাদের জন্য আটক এবং ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায়
এদিন দুপুরে বরিশাল জেলা সহকারি পুলিশ সুপার ( সার্কেল) সৌমেন সরকার বানারীপাড়া থানায় আসেন। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং তার স্ত্রী ও ছেলেকে থানায় এনে জিঙ্গাসাবাদ করা হচ্ছে। এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

০১ মে, ২০২৬ ১৯:৪২
আন্তর্জাতিক শ্রম দিবসের দিনই জীবিকার সন্ধানে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসা হলো না এক শ্রমজীবী মানুষের। বরিশালের উজিরপুরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মোঃ আলমগীর (৩০) নামে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১ মে ২০২৬) দুপুরে উপজেলার সাকরাল বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমগীর বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রমজানকাঠি গ্রামের আঃ মালেক বেপারীর ছেলে। পরিবার-পরিজনের ভরণপোষণের দায়িত্ব তার কাঁধেই ছিল। প্রতিদিনের মতো সেদিনও জীবিকার তাগিদে ভ্যান নিয়ে বের হয়েছিলেন তিনি—কিন্তু সেই যাত্রাই হয়ে উঠল জীবনের শেষ যাত্রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে আলমগীর মালবাহী ভ্যান নিয়ে সাকরাল বাজার সংলগ্ন একটি ব্রিজের ঢালে উঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। মুহূর্তের মধ্যেই ভ্যানটি উল্টে যায় এবং তিনি নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি—চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর প্রায় ২টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। শ্রম দিবসের দিন এমন মর্মান্তিক মৃত্যু স্থানীয়দের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে।
এ বিষয়ে উজিরপুর থানা পুলিশ জানায়, এটি একটি দুর্ঘটনা। ঘটনাটি তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক শ্রম দিবসের দিনই জীবিকার সন্ধানে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসা হলো না এক শ্রমজীবী মানুষের। বরিশালের উজিরপুরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মোঃ আলমগীর (৩০) নামে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১ মে ২০২৬) দুপুরে উপজেলার সাকরাল বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমগীর বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রমজানকাঠি গ্রামের আঃ মালেক বেপারীর ছেলে। পরিবার-পরিজনের ভরণপোষণের দায়িত্ব তার কাঁধেই ছিল। প্রতিদিনের মতো সেদিনও জীবিকার তাগিদে ভ্যান নিয়ে বের হয়েছিলেন তিনি—কিন্তু সেই যাত্রাই হয়ে উঠল জীবনের শেষ যাত্রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে আলমগীর মালবাহী ভ্যান নিয়ে সাকরাল বাজার সংলগ্ন একটি ব্রিজের ঢালে উঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। মুহূর্তের মধ্যেই ভ্যানটি উল্টে যায় এবং তিনি নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি—চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর প্রায় ২টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। শ্রম দিবসের দিন এমন মর্মান্তিক মৃত্যু স্থানীয়দের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে।
এ বিষয়ে উজিরপুর থানা পুলিশ জানায়, এটি একটি দুর্ঘটনা। ঘটনাটি তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

০১ মে, ২০২৬ ১৮:৫৪
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন হিজলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে শ্রমিক সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৯টায় উপজেলা সদর বাসস্ট্যান্ড শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের হিজলা উপজেলা সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর সঞ্চালনায় শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বরিশাল জেলা অর্থ সম্পাদক মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেডারেশনের হিজলা উপজেলা উপদেষ্টা মাওলানা হারুন অর রশিদ ও বড়জালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক সাহে আলম চৌধুরী সামু। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের উপজেলা সহ সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন, উপজেলা অর্থ সম্পাদক মোঃ আব্দুল কাদের, গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ, হিজলা গৌরবদী ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ শিবলী নুমান, রিক্সা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম, জেলে শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও সমাবেশে ফেডারেশনের উপজেলা, ইউনিয়ন ও ট্রেড ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পেশার শ্রমিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশ শেষে প্রায় দুই শতাধিক ভ্যান নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক ও হিজলা-বরিশাল-ঢাকা মহা সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাউরিয়া বাজারে গিয়ে শেষ হয়।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন হিজলা উপজেলা শাখার উদ্যোগে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে শ্রমিক সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৯টায় উপজেলা সদর বাসস্ট্যান্ড শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের হিজলা উপজেলা সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর সঞ্চালনায় শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বরিশাল জেলা অর্থ সম্পাদক মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেডারেশনের হিজলা উপজেলা উপদেষ্টা মাওলানা হারুন অর রশিদ ও বড়জালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাবেক সাহে আলম চৌধুরী সামু। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের উপজেলা সহ সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন, উপজেলা অর্থ সম্পাদক মোঃ আব্দুল কাদের, গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ আবুল কালাম আজাদ, হিজলা গৌরবদী ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ শিবলী নুমান, রিক্সা-ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কাশেম, জেলে শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন হোসেন প্রমুখ। এছাড়াও সমাবেশে ফেডারেশনের উপজেলা, ইউনিয়ন ও ট্রেড ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পেশার শ্রমিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশ শেষে প্রায় দুই শতাধিক ভ্যান নিয়ে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক ও হিজলা-বরিশাল-ঢাকা মহা সড়ক প্রদক্ষিণ করে কাউরিয়া বাজারে গিয়ে শেষ হয়।

০১ মে, ২০২৬ ১৮:৫১
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের উমারের পাড় গ্রামে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমির পাকা ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে অভিযুক্ত মোঃ শহীদসহ তার সহযোগীরা উক্ত জমির ধান কেটে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। খবর পেয়ে অভিযোগকারী মোঃ ছালাম সরকারি জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি বানারীপাড়া থানায় অবহিত করেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম বিষয়টি লবণসাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ফয়জুল আলম অভিযুক্তদের একজন মাসুদ রানার (৩০) সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করেন এবং ধান কাটতে নিষেধ করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশ উপেক্ষা করে মাসুদ রানা পুনরায় ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে যান।
প্রসঙ্গত, বরিশাল বানারীপাড়া সিভিল জজ আদালতে দায়েরকৃত একটি মামলার প্রেক্ষিতে বাদীপক্ষ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ১/২ বিধি ও ১৫১ ধারার আওতায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। আদালত বিবাদীপক্ষের বিরুদ্ধে “শোকজ”সহ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
মামলায় মোঃ ছালাম বাদী হয়ে মোঃ শহীদসহ মোট ৫৫ জনকে বিবাদী করেছেন। বিরোধীয় জমির পরিমাণ ২ একর ৫৫ শতাংশ, যা উমারের পাড় মৌজার বিভিন্ন খতিয়ান ও দাগভুক্ত জমির অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মোঃ ছালাম অভিযোগ করে জানান, বিবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছে। সর্বশেষ আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ধান কেটে নেওয়ার ঘটনায় তিনি চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”
বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের উমারের পাড় গ্রামে আদালতের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমির পাকা ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে অভিযুক্ত মোঃ শহীদসহ তার সহযোগীরা উক্ত জমির ধান কেটে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। খবর পেয়ে অভিযোগকারী মোঃ ছালাম সরকারি জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে বিষয়টি বানারীপাড়া থানায় অবহিত করেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম বিষয়টি লবণসাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ফয়জুল আলম অভিযুক্তদের একজন মাসুদ রানার (৩০) সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করেন এবং ধান কাটতে নিষেধ করেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশ উপেক্ষা করে মাসুদ রানা পুনরায় ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে যান।
প্রসঙ্গত, বরিশাল বানারীপাড়া সিভিল জজ আদালতে দায়েরকৃত একটি মামলার প্রেক্ষিতে বাদীপক্ষ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৯ আদেশের ১/২ বিধি ও ১৫১ ধারার আওতায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। আদালত বিবাদীপক্ষের বিরুদ্ধে “শোকজ”সহ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
মামলায় মোঃ ছালাম বাদী হয়ে মোঃ শহীদসহ মোট ৫৫ জনকে বিবাদী করেছেন। বিরোধীয় জমির পরিমাণ ২ একর ৫৫ শতাংশ, যা উমারের পাড় মৌজার বিভিন্ন খতিয়ান ও দাগভুক্ত জমির অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী মোঃ ছালাম অভিযোগ করে জানান, বিবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছে। সর্বশেষ আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ধান কেটে নেওয়ার ঘটনায় তিনি চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”
বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।