
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৫
নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করার লক্ষে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘পূজা যেমন শান্তিপূর্ণ হয়েছে, নির্বাচনও শান্তিপূর্ণ হবে।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ হয় সে লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।
তিনি জানান, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে সেনাবাহিনীর ১ লাখ, পুলিশের দেড় লাখ, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিজিবির ৩৭ হাজার, র্যাবের ১০ হাজার, কোস্ট গার্ডের প্রায় ৫ হাজার এবং আনসারের প্রায় ৬ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড এবং নেভির সংখ্যা আগের থেকে বাড়ানো হয়েছে।
সভায় উপদেষ্টা বলেন, অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এবার নির্বাচনে বিএনসিসিও নিয়োগ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ বা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়ন করা হচ্ছে। সেখানে বডি ক্যামেরা এবং সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করা হচ্ছে। আর ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) কর্তৃক প্রণীত ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’ তো থাকছেই। গত দুর্গাপূজায়ও এ অ্যাপের মাধ্যমে আমরা সাফল্য পেয়েছি। সুতরাং, কেউ কোনো ধরনের অপতৎপরতা ঘটানোর চেষ্টা করলে পার পাবে না।
নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এদেশের আপামর জনসাধারণ ও রাজনৈতিকদলসহ সর্বমহলের প্রত্যাশা অনেক আর সেই প্রত্যাশা পূরণে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব আপনাদের কাঁধে।
আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে এমন এক মানদণ্ড স্থাপিত হবে, যা শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হবে। তিনি এসময় কর্মকর্তাদের সামান্যতম ভুল বা বিচ্যুতি যাতে নির্বাচন তথা দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে না পারে এবং জনগণের আস্থা হারাতে না পারে সেদিকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো আপোস করা হবে না। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। ভোটের আগে, ভোটের দিন এবং ভোট পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনাদের সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব প্রদর্শন করতে হবে। নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পরিবেশ এমন উন্নত করতে হবে যাতে সবাই আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আসতে পারে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন আইজিপি বাহারুল, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমু এবং বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের সকল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বরিশাল বিভাগের প্রতিনিধিরা এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল উপ-পুলিশ কমিশনার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করার লক্ষে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘পূজা যেমন শান্তিপূর্ণ হয়েছে, নির্বাচনও শান্তিপূর্ণ হবে।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ হয় সে লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।
তিনি জানান, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে সেনাবাহিনীর ১ লাখ, পুলিশের দেড় লাখ, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিজিবির ৩৭ হাজার, র্যাবের ১০ হাজার, কোস্ট গার্ডের প্রায় ৫ হাজার এবং আনসারের প্রায় ৬ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড এবং নেভির সংখ্যা আগের থেকে বাড়ানো হয়েছে।
সভায় উপদেষ্টা বলেন, অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এবার নির্বাচনে বিএনসিসিও নিয়োগ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ বা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়ন করা হচ্ছে। সেখানে বডি ক্যামেরা এবং সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করা হচ্ছে। আর ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) কর্তৃক প্রণীত ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’ তো থাকছেই। গত দুর্গাপূজায়ও এ অ্যাপের মাধ্যমে আমরা সাফল্য পেয়েছি। সুতরাং, কেউ কোনো ধরনের অপতৎপরতা ঘটানোর চেষ্টা করলে পার পাবে না।
নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এদেশের আপামর জনসাধারণ ও রাজনৈতিকদলসহ সর্বমহলের প্রত্যাশা অনেক আর সেই প্রত্যাশা পূরণে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব আপনাদের কাঁধে।
আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে এমন এক মানদণ্ড স্থাপিত হবে, যা শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হবে। তিনি এসময় কর্মকর্তাদের সামান্যতম ভুল বা বিচ্যুতি যাতে নির্বাচন তথা দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে না পারে এবং জনগণের আস্থা হারাতে না পারে সেদিকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো আপোস করা হবে না। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। ভোটের আগে, ভোটের দিন এবং ভোট পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনাদের সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব প্রদর্শন করতে হবে। নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পরিবেশ এমন উন্নত করতে হবে যাতে সবাই আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আসতে পারে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন আইজিপি বাহারুল, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমু এবং বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের সকল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বরিশাল বিভাগের প্রতিনিধিরা এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল উপ-পুলিশ কমিশনার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৫
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি ক্লিনিকের এসির ভেতর থেকে প্রায় চার ফুট লম্বা একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। হঠাৎ এ ঘটনায় ক্লিনিকজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সাগরদী এলাকায় অবস্থিত বরিশাল মেডিকেল সার্ভিসেস ক্লিনিকে রোববার দুপুরে একটি এসি খুলে অন্যত্র স্থানান্তরের কাজ করছিলেন কর্মীরা। কাজের একপর্যায়ে এসির ভেতরে সাপ দেখতে পেয়ে তারা চমকে ওঠেন।
এ ঘটনায় ক্লিনিকের কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি দ্রুত উদ্ধারকারীদের জানানো হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা।
দীর্ঘ সময় সতর্কতার সঙ্গে অনুসন্ধান চালিয়ে এসির ভেতর থেকে একটি পূর্ণবয়স্ক কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে এসির বিভিন্ন অংশ খুলে পরীক্ষা করা হয়। সাপটি নিরাপদে বের করার পর ক্লিনিক এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।
বরিশাল মেডিকেল সার্ভিসেস ক্লিনিকের মালিক ডা. এসএম আবুল হাসান বলেন, এসি খুলতে গিয়ে সাপ দেখতে পাওয়ার পর সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে দ্রুত উদ্ধারকারী দলের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর পরিচালক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে প্রায় চার ফুট লম্বা একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়। এটি প্রাপ্তবয়স্ক হলেও মানুষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর নয় বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, ক্লিনিকের পেছনের ঝোপঝাড় থেকে এসির পাইপ বা দেয়ালের ফাঁকা অংশ দিয়ে সাপটি ভেতরে ঢুকে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও কয়েকজন কর্মচারী দুটি সাপ দেখার দাবি করলেও অভিযানে একটি সাপই পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া সাপটি পরে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৩:৪৩
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে এক ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও চারজন। সোমবার (১৫ জুন) সকালে মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের কর্ণপাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল থেকে ঢাকাগামী একটি বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে সংবাদপত্র বহনকারী একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে সংবাদপত্র বহনকারী ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকটির চালকের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় আহত হন আরও চারজন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরিয়ে নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক নিয়ম অমান্য করার প্রবণতাকে তারা এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
১৫ জুন, ২০২৬ ০২:০৪
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি ক্লিনিকের এসির ভেতর থেকে প্রায় চার ফুট লম্বা একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। হঠাৎ এ ঘটনায় ক্লিনিকজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
সাগরদী এলাকায় অবস্থিত বরিশাল মেডিকেল সার্ভিসেস ক্লিনিকে রোববার দুপুরে একটি এসি খুলে অন্যত্র স্থানান্তরের কাজ করছিলেন কর্মীরা। কাজের একপর্যায়ে এসির ভেতরে সাপ দেখতে পেয়ে তারা চমকে ওঠেন।
এ ঘটনায় ক্লিনিকের কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি দ্রুত উদ্ধারকারীদের জানানো হয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা।
দীর্ঘ সময় সতর্কতার সঙ্গে অনুসন্ধান চালিয়ে এসির ভেতর থেকে একটি পূর্ণবয়স্ক কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে এসির বিভিন্ন অংশ খুলে পরীক্ষা করা হয়। সাপটি নিরাপদে বের করার পর ক্লিনিক এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।
বরিশাল মেডিকেল সার্ভিসেস ক্লিনিকের মালিক ডা. এসএম আবুল হাসান বলেন, এসি খুলতে গিয়ে সাপ দেখতে পাওয়ার পর সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে দ্রুত উদ্ধারকারী দলের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর পরিচালক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সতর্কতার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে প্রায় চার ফুট লম্বা একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়। এটি প্রাপ্তবয়স্ক হলেও মানুষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর নয় বলে তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, ক্লিনিকের পেছনের ঝোপঝাড় থেকে এসির পাইপ বা দেয়ালের ফাঁকা অংশ দিয়ে সাপটি ভেতরে ঢুকে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও কয়েকজন কর্মচারী দুটি সাপ দেখার দাবি করলেও অভিযানে একটি সাপই পাওয়া যায়। উদ্ধার হওয়া সাপটি পরে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে এক ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও চারজন। সোমবার (১৫ জুন) সকালে মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের কর্ণপাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল থেকে ঢাকাগামী একটি বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলে সংবাদপত্র বহনকারী একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে সংবাদপত্র বহনকারী ট্রাকটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকটির চালকের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় আহত হন আরও চারজন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরিয়ে নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া ওভারটেকিং এবং ট্রাফিক নিয়ম অমান্য করার প্রবণতাকে তারা এসব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে বরিশালে নতুন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এবং বরগুনা ও পিরোজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
গত মে মাসে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করণীয় সংশ্লিষ্ট আলোচনায় কয়েকজন জেলা প্রশাসক নতুন ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এসব কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়মিতভাবে মন্ত্রিপরিষদে প্রতিবেদন আকারে পাঠাতে হবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো চিঠিতে এসব উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের পর বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাবগুলো সরকারপ্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে উপস্থাপন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট ৬টি সিদ্ধান্ত স্বল্প (এক বছর), মধ্য (তিন বছর) এবং দীর্ঘ (পাঁচ বছর) মেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল ও লালমনিরহাটে ইপিজেড এবং গাজীপুর, বরগুনা ও পিরোজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন অথরিটির (বেপজা) অধীনে দেশে আটটি সরকারি ইপিজেড রয়েছে। এগুলো হলো- ঢাকা, চট্টগ্রাম, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, কর্ণফুলী, আদমজী ও উত্তরা ইপিজেড। কর ও শুল্ক সুবিধায় কাঁচামাল আমদানি এবং উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বিদেশে রপ্তানি সহজ করাই এসব ইপিজেডের প্রধান কাজ।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখার যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, প্রতিবছরই ডিসি সম্মেলনে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রস্তাব আসে। গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এবারও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের জেলা প্রশাসক সেখানে একটি ইপিজেড স্থাপনের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, এখানে এটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকা বা চট্টগ্রামে যেতে হবে না। নতুন শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় দারিদ্র্য কমবে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। পাশাপাশি ঢাকার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরের নিকটবর্তী অবস্থান পণ্য পরিবহনে সহায়ক হবে।
বরগুনার জেলা প্রশাসক উপকূলীয় এ জেলায় একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব দেন। পায়রা বন্দরের নিকটবর্তী হওয়ায় এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি কৌশলগত কেন্দ্র হতে পারে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে সামুদ্রিক সম্পদ প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণ, মৎস্য, কৃষি, শিল্প ও পর্যটন খাতের সমন্বিত উন্নয়নেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে।
পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক সদর উপজেলায় একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব দেন। তিনি প্রস্তাবের স্বপক্ষে যুক্তি দেন, সড়কপথে ঢাকা, খুলনা ও বরিশালের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ এবং নৌপথে চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে সংযোগ থাকায় কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহন সহজ হবে। কাঁচামাল ও শ্রমিকের সহজলভ্যতায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং কৃষি ও মৎস্যভিত্তিক শিল্প গড়ে ওঠার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। উৎপাদিত পণ্য দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে।’
বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে বরিশালে নতুন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এবং বরগুনা ও পিরোজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
গত মে মাসে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করণীয় সংশ্লিষ্ট আলোচনায় কয়েকজন জেলা প্রশাসক নতুন ইপিজেড ও অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এসব কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়মিতভাবে মন্ত্রিপরিষদে প্রতিবেদন আকারে পাঠাতে হবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো চিঠিতে এসব উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠকের পর বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাবগুলো সরকারপ্রধানসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে উপস্থাপন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট ৬টি সিদ্ধান্ত স্বল্প (এক বছর), মধ্য (তিন বছর) এবং দীর্ঘ (পাঁচ বছর) মেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল ও লালমনিরহাটে ইপিজেড এবং গাজীপুর, বরগুনা ও পিরোজপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন অথরিটির (বেপজা) অধীনে দেশে আটটি সরকারি ইপিজেড রয়েছে। এগুলো হলো- ঢাকা, চট্টগ্রাম, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, কর্ণফুলী, আদমজী ও উত্তরা ইপিজেড। কর ও শুল্ক সুবিধায় কাঁচামাল আমদানি এবং উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বিদেশে রপ্তানি সহজ করাই এসব ইপিজেডের প্রধান কাজ।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখার যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, প্রতিবছরই ডিসি সম্মেলনে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রস্তাব আসে। গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এবারও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের জেলা প্রশাসক সেখানে একটি ইপিজেড স্থাপনের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, এখানে এটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে কর্মসংস্থানের জন্য ঢাকা বা চট্টগ্রামে যেতে হবে না। নতুন শিল্পকারখানা গড়ে ওঠায় দারিদ্র্য কমবে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। পাশাপাশি ঢাকার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরের নিকটবর্তী অবস্থান পণ্য পরিবহনে সহায়ক হবে।
বরগুনার জেলা প্রশাসক উপকূলীয় এ জেলায় একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব দেন। পায়রা বন্দরের নিকটবর্তী হওয়ায় এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি কৌশলগত কেন্দ্র হতে পারে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে সামুদ্রিক সম্পদ প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণ, মৎস্য, কৃষি, শিল্প ও পর্যটন খাতের সমন্বিত উন্নয়নেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে।
পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক সদর উপজেলায় একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব দেন। তিনি প্রস্তাবের স্বপক্ষে যুক্তি দেন, সড়কপথে ঢাকা, খুলনা ও বরিশালের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ এবং নৌপথে চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে সংযোগ থাকায় কাঁচামাল ও উৎপাদিত পণ্য পরিবহন সহজ হবে। কাঁচামাল ও শ্রমিকের সহজলভ্যতায় দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং কৃষি ও মৎস্যভিত্তিক শিল্প গড়ে ওঠার মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। উৎপাদিত পণ্য দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে।’