
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৫
নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করার লক্ষে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘পূজা যেমন শান্তিপূর্ণ হয়েছে, নির্বাচনও শান্তিপূর্ণ হবে।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ হয় সে লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।
তিনি জানান, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে সেনাবাহিনীর ১ লাখ, পুলিশের দেড় লাখ, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিজিবির ৩৭ হাজার, র্যাবের ১০ হাজার, কোস্ট গার্ডের প্রায় ৫ হাজার এবং আনসারের প্রায় ৬ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড এবং নেভির সংখ্যা আগের থেকে বাড়ানো হয়েছে।
সভায় উপদেষ্টা বলেন, অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এবার নির্বাচনে বিএনসিসিও নিয়োগ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ বা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়ন করা হচ্ছে। সেখানে বডি ক্যামেরা এবং সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করা হচ্ছে। আর ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) কর্তৃক প্রণীত ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’ তো থাকছেই। গত দুর্গাপূজায়ও এ অ্যাপের মাধ্যমে আমরা সাফল্য পেয়েছি। সুতরাং, কেউ কোনো ধরনের অপতৎপরতা ঘটানোর চেষ্টা করলে পার পাবে না।
নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এদেশের আপামর জনসাধারণ ও রাজনৈতিকদলসহ সর্বমহলের প্রত্যাশা অনেক আর সেই প্রত্যাশা পূরণে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব আপনাদের কাঁধে।
আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে এমন এক মানদণ্ড স্থাপিত হবে, যা শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হবে। তিনি এসময় কর্মকর্তাদের সামান্যতম ভুল বা বিচ্যুতি যাতে নির্বাচন তথা দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে না পারে এবং জনগণের আস্থা হারাতে না পারে সেদিকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো আপোস করা হবে না। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। ভোটের আগে, ভোটের দিন এবং ভোট পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনাদের সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব প্রদর্শন করতে হবে। নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পরিবেশ এমন উন্নত করতে হবে যাতে সবাই আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আসতে পারে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন আইজিপি বাহারুল, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমু এবং বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের সকল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বরিশাল বিভাগের প্রতিনিধিরা এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল উপ-পুলিশ কমিশনার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করার লক্ষে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘পূজা যেমন শান্তিপূর্ণ হয়েছে, নির্বাচনও শান্তিপূর্ণ হবে।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ হয় সে লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।
তিনি জানান, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে সেনাবাহিনীর ১ লাখ, পুলিশের দেড় লাখ, নৌবাহিনীর ৫ হাজার, বিজিবির ৩৭ হাজার, র্যাবের ১০ হাজার, কোস্ট গার্ডের প্রায় ৫ হাজার এবং আনসারের প্রায় ৬ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড এবং নেভির সংখ্যা আগের থেকে বাড়ানো হয়েছে।
সভায় উপদেষ্টা বলেন, অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এবার নির্বাচনে বিএনসিসিও নিয়োগ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ বা অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়ন করা হচ্ছে। সেখানে বডি ক্যামেরা এবং সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে। ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড মোতায়েন করা হচ্ছে। আর ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) কর্তৃক প্রণীত ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ-২০২৬’ তো থাকছেই। গত দুর্গাপূজায়ও এ অ্যাপের মাধ্যমে আমরা সাফল্য পেয়েছি। সুতরাং, কেউ কোনো ধরনের অপতৎপরতা ঘটানোর চেষ্টা করলে পার পাবে না।
নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে উপদেষ্টা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এদেশের আপামর জনসাধারণ ও রাজনৈতিকদলসহ সর্বমহলের প্রত্যাশা অনেক আর সেই প্রত্যাশা পূরণে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব আপনাদের কাঁধে।
আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে এমন এক মানদণ্ড স্থাপিত হবে, যা শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হবে। তিনি এসময় কর্মকর্তাদের সামান্যতম ভুল বা বিচ্যুতি যাতে নির্বাচন তথা দেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে না পারে এবং জনগণের আস্থা হারাতে না পারে সেদিকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো আপোস করা হবে না। জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। ভোটের আগে, ভোটের দিন এবং ভোট পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনাদের সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব প্রদর্শন করতে হবে। নির্বাচনের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পরিবেশ এমন উন্নত করতে হবে যাতে সবাই আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আসতে পারে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন আইজিপি বাহারুল, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমু এবং বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
এছাড়া বরিশাল বিভাগের সকল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বরিশাল বিভাগের প্রতিনিধিরা এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল উপ-পুলিশ কমিশনার ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৬
দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল সফর ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। তাঁর আগমনকে ঘিরে শহরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বরিশালে জনসভা করে তিনি যে বার্তা দেবেন, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
বরিশালবাসীর স্মৃতিতে এখনো জ্বলজ্বল করছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। ১৯৭৯ সালে বরিশাল সার্কিট হাউজে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বরিশাল বিভাগ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৩ সালে বিভাগ হিসেবে বরিশালের উদ্বোধন করেন বেগম জিয়া।
তার শাসনামলেই বরিশাল বিমানবন্দর চালু, বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার, সার্কিট হাউজ, জেলা জজ আদালত ভবন, মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বহু স্থাপনা গড়ে ওঠে।
ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাস আবিষ্কার হয় ১৯৯৫ সালে। যদিও আজও সেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়নি। একইভাবে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক, দপদপিয়া সেতু, গাবখান সেতু, বেকুঠিয়া ফেরিঘাট, কুয়াকাটা পর্যটন মোটেল দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ও পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।
কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এই অঞ্চলে বড় কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ফরিদপুর-বরিশাল-পায়রা-কুয়াকাটা রেললাইন, বরিশালে ইপিজেড, নিয়মিত বিমান ফ্লাইট, চট্টগ্রাম-বরিশাল-যশোর আকাশপথ চালু, কুয়াকাটা সৈকত রক্ষা বাঁধ, বরিশাল বন্দরের নাব্যতা উন্নয়ন—সবই এখনো কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ।
বরিশাল বিএনপির নেতারা বলছেন, এই সফর থেকে একটি শক্ত রাজনৈতিক বার্তা যাবে—দক্ষিণাঞ্চল বিএনপির অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে।
এদিকে গত সোমবার বরিশাল বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, তারেক রহমান দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে অত্যন্ত সজাগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অতীতের মতো এবারও দক্ষিণাঞ্চলে উন্নয়নের নতুন মাইলফলক রচিত হবে।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৪
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদেরকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে বরিশালের বানারীপাড়ায় খেটে খাওয়া কর্মজীবী নারীরা ঝাড়ু মিছিল করেছেন।
মঙ্গলবার ( ৩ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টায় ফেরীঘাট থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ঝাড়ু মিছিলটি বাসস্ট্যান্ড চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এতে শতাধিক নারী অংশগ্রহণ করেন।
মিছিলে তারা জামায়াত ও এর আমিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এসময় বিক্ষুদ্ধ কর্মজীবী নারীরা বলেন, জামায়াতে ইসলাম একটি চরম নারী বিদ্বেষী দল।
এই দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অশালীন কটুক্তি করে সমগ্র নারী সমাজকে হেয় ও অসম্মানিত করেছেন। এর জন্য তাকে জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। তারা এর বিচারও দাবি করেন।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির নারীদেরকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে উজিরপুর উপজেলায়ও নারীরা ঝাড়ু মিছিল করেছেন বলে জানা গেছে।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৬
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল-০৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে রাজনৈতিক মেরুকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খানকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী। ফলে দলটির (ট্রাক মার্কা) নেতারা এখন থেকে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ধানের শীষের প্রার্থী আবুল হোসেন খানের বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ও সভাপতি নুরুল হক নুরের বিশেষ নির্দেশনায় এ ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৬ বছরের আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্য এখন সময়ের দাবি। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সহমত জানিয়েছে এ নির্বাচনী জোট।
সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর নিজে পটুয়াখালী-০৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বাকেরগঞ্জে নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাকেরগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন মিয়া চলমান নির্বাচনী লড়াইয়ে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে তিনি ও তার সমর্থকদের নিয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠে কাজ করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এইচএম হাসান, বরিশাল মহানগর গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা, যুব কেন্দ্রের মানবাধিকার সম্পাদক মিরাজ শিকদার, বাকেরগঞ্জ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি সজল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাঈম রাজ, দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
সমর্থন পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বিএনপি প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান বলেন, তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক শক্তি গণঅধিকার পরিষদ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বাকেরগঞ্জে গণতন্ত্রকামী মানুষের বিজয় সুনিশ্চিত হবে।
দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল সফর ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। তাঁর আগমনকে ঘিরে শহরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বরিশালে জনসভা করে তিনি যে বার্তা দেবেন, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
বরিশালবাসীর স্মৃতিতে এখনো জ্বলজ্বল করছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। ১৯৭৯ সালে বরিশাল সার্কিট হাউজে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বরিশাল বিভাগ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৩ সালে বিভাগ হিসেবে বরিশালের উদ্বোধন করেন বেগম জিয়া।
তার শাসনামলেই বরিশাল বিমানবন্দর চালু, বরিশাল সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার, সার্কিট হাউজ, জেলা জজ আদালত ভবন, মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ বহু স্থাপনা গড়ে ওঠে।
ভোলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাস আবিষ্কার হয় ১৯৯৫ সালে। যদিও আজও সেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়নি। একইভাবে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক, দপদপিয়া সেতু, গাবখান সেতু, বেকুঠিয়া ফেরিঘাট, কুয়াকাটা পর্যটন মোটেল দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ও পর্যটনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।
কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এই অঞ্চলে বড় কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। ফরিদপুর-বরিশাল-পায়রা-কুয়াকাটা রেললাইন, বরিশালে ইপিজেড, নিয়মিত বিমান ফ্লাইট, চট্টগ্রাম-বরিশাল-যশোর আকাশপথ চালু, কুয়াকাটা সৈকত রক্ষা বাঁধ, বরিশাল বন্দরের নাব্যতা উন্নয়ন—সবই এখনো কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ।
বরিশাল বিএনপির নেতারা বলছেন, এই সফর থেকে একটি শক্ত রাজনৈতিক বার্তা যাবে—দক্ষিণাঞ্চল বিএনপির অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে।
এদিকে গত সোমবার বরিশাল বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, তারেক রহমান দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে অত্যন্ত সজাগ। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অতীতের মতো এবারও দক্ষিণাঞ্চলে উন্নয়নের নতুন মাইলফলক রচিত হবে।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদেরকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে বরিশালের বানারীপাড়ায় খেটে খাওয়া কর্মজীবী নারীরা ঝাড়ু মিছিল করেছেন।
মঙ্গলবার ( ৩ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টায় ফেরীঘাট থেকে শুরু হয়ে পৌর শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ঝাড়ু মিছিলটি বাসস্ট্যান্ড চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এতে শতাধিক নারী অংশগ্রহণ করেন।
মিছিলে তারা জামায়াত ও এর আমিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এসময় বিক্ষুদ্ধ কর্মজীবী নারীরা বলেন, জামায়াতে ইসলাম একটি চরম নারী বিদ্বেষী দল।
এই দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অশালীন কটুক্তি করে সমগ্র নারী সমাজকে হেয় ও অসম্মানিত করেছেন। এর জন্য তাকে জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। তারা এর বিচারও দাবি করেন।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির নারীদেরকে কটুক্তি করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে উজিরপুর উপজেলায়ও নারীরা ঝাড়ু মিছিল করেছেন বলে জানা গেছে।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল-০৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে রাজনৈতিক মেরুকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খানকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী। ফলে দলটির (ট্রাক মার্কা) নেতারা এখন থেকে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ধানের শীষের প্রার্থী আবুল হোসেন খানের বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত ও সভাপতি নুরুল হক নুরের বিশেষ নির্দেশনায় এ ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৬ বছরের আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই এবং ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্য এখন সময়ের দাবি। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সহমত জানিয়েছে এ নির্বাচনী জোট।
সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করা হয়, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর নিজে পটুয়াখালী-০৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বাকেরগঞ্জে নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাকেরগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. সালাউদ্দিন মিয়া চলমান নির্বাচনী লড়াইয়ে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে তিনি ও তার সমর্থকদের নিয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠে কাজ করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এইচএম হাসান, বরিশাল মহানগর গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. ফরহাদ হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা, যুব কেন্দ্রের মানবাধিকার সম্পাদক মিরাজ শিকদার, বাকেরগঞ্জ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি সজল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নাঈম রাজ, দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
সমর্থন পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বিএনপি প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান বলেন, তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক শক্তি গণঅধিকার পরিষদ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় বাকেরগঞ্জে গণতন্ত্রকামী মানুষের বিজয় সুনিশ্চিত হবে।
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:৪৮
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৬
০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৩