
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৪
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী মাত্র পাঁচজন। শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যত বন্ধ, আর স্কুলের পাশেই গড়ে উঠেছে গরুর খামার।
উপজেলার দীর্ঘা ইউনিয়নের দক্ষিণ দীর্ঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষগুলোর বেশির ভাগই অচল অবস্থায় রয়েছে। কিছু কক্ষ তালাবদ্ধ, কোথাও ধুলাবালি জমে আছে, আবার কোথাও নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকতে দেখা যায়। একটি কক্ষে এলোমেলোভাবে কয়েকটি বেঞ্চ পড়ে রয়েছে। পুরো বিদ্যালয়ে শিক্ষাদানের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি।
বিদ্যালয়ের পাশেই গড়ে ওঠা গরুর খামারের কারণে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এটি শিক্ষার্থীদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। তাদের দাবি, বিদ্যালয়ের লাইব্রেরির চেয়েও গরুর গোয়ালঘরটি বেশি পরিচ্ছন্ন।
এ ছাড়া গত রোববার (১২ এপ্রিল) বৈশাখী উৎসব উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি ছুটি থাকলেও ওই বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে, যা বিধিবহির্ভূত বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী অর্পণ ঘরামী জানায়, তাদের শ্রেণিতে শিক্ষার্থী মাত্র দুজন। প্রথম শ্রেণিতে একজন থাকলেও অন্য শ্রেণিগুলোতে কোনো শিক্ষার্থী নেই। সে অভিযোগ করে, শিক্ষকরা প্রতিদিনই দেরিতে আসেন এবং আগেভাগেই চলে যান।
বিদ্যালয়ের দপ্তরির দায়িত্বে থাকা মিত নামের এক নারী বলেন, বিদ্যালয় খোলা না বন্ধ—তা তিনি জানেন না; প্রতিদিনের মতো সেদিনও তিনি পতাকা উত্তোলন করেছেন। তিনি আরও জানান, স্থানীয় এক ব্যক্তি বিদ্যালয়ের ভেতরে গরুর খামার গড়ে তুলেছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বনানীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শামিম হাসান বলেন, ছুটির দিনে পতাকা উত্তোলনের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। তিনি নিজে বিদ্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করবেন বলেও জানান।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাকিম বলেন, ছুটির দিনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে বিদ্যালয় বন্ধ রাখা পতাকার অবমাননার শামিল। এ ঘটনায় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের পাশে গরুর খামার ও শিক্ষার্থী স্বল্পতার বিষয়েও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দীর্ঘদিন ধরে এমন অব্যবস্থাপনা চললেও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। দ্রুত বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
ছবি: সংগৃহীত
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। বিদ্যালয়ে চারজন শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী মাত্র পাঁচজন। শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যত বন্ধ, আর স্কুলের পাশেই গড়ে উঠেছে গরুর খামার।
উপজেলার দীর্ঘা ইউনিয়নের দক্ষিণ দীর্ঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষগুলোর বেশির ভাগই অচল অবস্থায় রয়েছে। কিছু কক্ষ তালাবদ্ধ, কোথাও ধুলাবালি জমে আছে, আবার কোথাও নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকতে দেখা যায়। একটি কক্ষে এলোমেলোভাবে কয়েকটি বেঞ্চ পড়ে রয়েছে। পুরো বিদ্যালয়ে শিক্ষাদানের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি।
বিদ্যালয়ের পাশেই গড়ে ওঠা গরুর খামারের কারণে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এটি শিক্ষার্থীদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। তাদের দাবি, বিদ্যালয়ের লাইব্রেরির চেয়েও গরুর গোয়ালঘরটি বেশি পরিচ্ছন্ন।
এ ছাড়া গত রোববার (১২ এপ্রিল) বৈশাখী উৎসব উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি ছুটি থাকলেও ওই বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে, যা বিধিবহির্ভূত বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী অর্পণ ঘরামী জানায়, তাদের শ্রেণিতে শিক্ষার্থী মাত্র দুজন। প্রথম শ্রেণিতে একজন থাকলেও অন্য শ্রেণিগুলোতে কোনো শিক্ষার্থী নেই। সে অভিযোগ করে, শিক্ষকরা প্রতিদিনই দেরিতে আসেন এবং আগেভাগেই চলে যান।
বিদ্যালয়ের দপ্তরির দায়িত্বে থাকা মিত নামের এক নারী বলেন, বিদ্যালয় খোলা না বন্ধ—তা তিনি জানেন না; প্রতিদিনের মতো সেদিনও তিনি পতাকা উত্তোলন করেছেন। তিনি আরও জানান, স্থানীয় এক ব্যক্তি বিদ্যালয়ের ভেতরে গরুর খামার গড়ে তুলেছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বনানীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শামিম হাসান বলেন, ছুটির দিনে পতাকা উত্তোলনের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। তিনি নিজে বিদ্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করবেন বলেও জানান।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাকিম বলেন, ছুটির দিনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে বিদ্যালয় বন্ধ রাখা পতাকার অবমাননার শামিল। এ ঘটনায় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের পাশে গরুর খামার ও শিক্ষার্থী স্বল্পতার বিষয়েও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দীর্ঘদিন ধরে এমন অব্যবস্থাপনা চললেও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। দ্রুত বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৫
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩০
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:১০
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৫

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৫
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ভুয়া চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ক্লিনিকের মালিকসহ দুইজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) উপজেলার সাফা বাজার এলাকায় পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সাফা বাজারে অবস্থিত ‘মনির হোসেন সার্জিক্যাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এ দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম চলছিল। বিশেষ করে ভুয়া চিকিৎসকের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। ঘটনাস্থলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ক্লিনিকের মালিক মনির হোসেনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ভুয়া চিকিৎসক পরিচয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়া পি. সি. বর্মনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং চিকিৎসা খাতে প্রতারণা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ভুয়া চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ক্লিনিকের মালিকসহ দুইজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) উপজেলার সাফা বাজার এলাকায় পরিচালিত অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, সাফা বাজারে অবস্থিত ‘মনির হোসেন সার্জিক্যাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’-এ দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম চলছিল। বিশেষ করে ভুয়া চিকিৎসকের মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। ঘটনাস্থলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত ক্লিনিকের মালিক মনির হোসেনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে ভুয়া চিকিৎসক পরিচয়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়া পি. সি. বর্মনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত দেবনাথ বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং চিকিৎসা খাতে প্রতারণা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৭
পিরোজপুরে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে এক নারীর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় প্রতারক চক্র। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার সাধনা ব্রিজ সংলগ্ন সাগর স্টোরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী হোসনে আরা (৫৫) জানান, দুইজন অজ্ঞাত প্রতারক চক্রের সদস্য কথোপকথনের একপর্যায়ে তাকে বিভ্রান্ত করে। পরে তারা তথাকথিত ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে নগদ টাকা, সোনার কানের দুল ও গলার চেইন নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ হাসান জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইসহ প্রয়োজনীয় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পিরোজপুরে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে এক নারীর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় প্রতারক চক্র। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার সাধনা ব্রিজ সংলগ্ন সাগর স্টোরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী হোসনে আরা (৫৫) জানান, দুইজন অজ্ঞাত প্রতারক চক্রের সদস্য কথোপকথনের একপর্যায়ে তাকে বিভ্রান্ত করে। পরে তারা তথাকথিত ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে নগদ টাকা, সোনার কানের দুল ও গলার চেইন নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ হাসান জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইসহ প্রয়োজনীয় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২১
বিভিন্ন পত্রিকায় ‘মঠবাড়িয়ায় সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে লুটপাটের রাজত্ব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনকে শোকজ করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার স্বাক্ষরিত শোকজের একটি নোটিশ ইতোমধ্যে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ আত্মসাৎ ও নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় টেস্টে অকৃতকার্য ছাত্রীদের ফরম পূরণে মেধা তালিকায় নাম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং অফিস খরচ বাবৎ রসিদ ছাড়াই প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতিটি বিষয়ে ১০০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি নিয়ম বর্হিভূত খণ্ডকালীন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের বেতন ৩০০ টাকা করে প্রতি শিক্ষার্থী কাছ থেকে আদায় করে।
এদিকে ২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ব্যাচের নিকট থেকে কোচিং করানোর কথা বলে তিন হাজার করে টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোচিং না করিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিভাবক মোস্তাফিজুর রহামন ফিরোজ অভিযোগ করেন। এ ছাড়াও গত ৩ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য উপবৃত্তির টাকাও বিতরণ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পরিবর্তে ‘রবিন স্টোর’ নামক একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে ড্রেস ও জুতা কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেন।
ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকলেও সেখানে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নেই। এমনকি বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও আঙিনা এতটাই নোংরা যে ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।
প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। অবিলম্বে এই দুর্নীতির তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েও সরকারি ও জাতীয় দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি ও ২৬ মার্চ তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসেননি। এমন কি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ ব্যাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়নি।
পরে উপজেলা বিএনপির সদস্য নিজামুল কবির মিরাজ তাকে (প্রধান শিক্ষক) মুঠোফেনে কল করে প্রতিষ্ঠানে আনেন। এতে রাষ্ট্রের প্রতি এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ ব্যাপরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের মুখোমুখি হয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. রুহুল আমিন দুলাল বলেছিলেন, সরকারি দিবসে প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আকলিমা আকতার বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সকল অভিযোগের বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক আখতার হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তিনি সঠিক জবাব দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিভিন্ন পত্রিকায় ‘মঠবাড়িয়ায় সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে লুটপাটের রাজত্ব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনকে শোকজ করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার স্বাক্ষরিত শোকজের একটি নোটিশ ইতোমধ্যে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ আত্মসাৎ ও নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় টেস্টে অকৃতকার্য ছাত্রীদের ফরম পূরণে মেধা তালিকায় নাম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং অফিস খরচ বাবৎ রসিদ ছাড়াই প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতিটি বিষয়ে ১০০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি নিয়ম বর্হিভূত খণ্ডকালীন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের বেতন ৩০০ টাকা করে প্রতি শিক্ষার্থী কাছ থেকে আদায় করে।
এদিকে ২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ব্যাচের নিকট থেকে কোচিং করানোর কথা বলে তিন হাজার করে টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোচিং না করিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিভাবক মোস্তাফিজুর রহামন ফিরোজ অভিযোগ করেন। এ ছাড়াও গত ৩ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য উপবৃত্তির টাকাও বিতরণ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পরিবর্তে ‘রবিন স্টোর’ নামক একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে ড্রেস ও জুতা কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেন।
ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকলেও সেখানে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নেই। এমনকি বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও আঙিনা এতটাই নোংরা যে ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।
প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। অবিলম্বে এই দুর্নীতির তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েও সরকারি ও জাতীয় দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি ও ২৬ মার্চ তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসেননি। এমন কি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ ব্যাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়নি।
পরে উপজেলা বিএনপির সদস্য নিজামুল কবির মিরাজ তাকে (প্রধান শিক্ষক) মুঠোফেনে কল করে প্রতিষ্ঠানে আনেন। এতে রাষ্ট্রের প্রতি এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ ব্যাপরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের মুখোমুখি হয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. রুহুল আমিন দুলাল বলেছিলেন, সরকারি দিবসে প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আকলিমা আকতার বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সকল অভিযোগের বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক আখতার হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তিনি সঠিক জবাব দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.