ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৫০
রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসে বঙ্গভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব শুরু করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
মির্জা ফখরুল ইসলামের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ইউনুছ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার বেলা ১১টার দিকে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। সেখানে নির্ধারিত আনুষ্ঠানিকতা শেষে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এদিন থেকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গভবনে তার নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হলো।
এর আগে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে তার দায়িত্ব গ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়।
শপথের পরদিন শনিবার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে।
এর আগে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ৮৮ ভোট পান।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম কর্মদিবসে বঙ্গভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব শুরু করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী তাকে অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
মির্জা ফখরুল ইসলামের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ইউনুছ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রোববার বেলা ১১টার দিকে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। সেখানে নির্ধারিত আনুষ্ঠানিকতা শেষে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এদিন থেকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গভবনে তার নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হলো।
এর আগে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে তার দায়িত্ব গ্রহণ আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়।
শপথের পরদিন শনিবার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে।
এর আগে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ৮৮ ভোট পান।

২১ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৭
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় আরও চারজন যুক্ত হচ্ছেন। শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে দরবার হলে মন্ত্রিসভার নতুন চার সদস্যকে শপথ পড়াবেন নতুন রাষ্ট্রপতি। শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ সূত্র নিশ্চিত করেছে মন্ত্রিসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এমপি, জাতীয় পাটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন যুক্ত হচ্ছেন।
মন্ত্রিপরিষদ সূত্রে জানা গেছে, বিমান মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়েও রদবদল হতে পারে।
এদিকে রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনের দরবার হল প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সব আয়োজন শেষ হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করছে।’
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এই শপথ অনুষ্ঠানে বারোশ অধিক অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নবনির্বাচিত দরবার হলে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নেবেন। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন।
রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণ কার্ডে বলা হয়েছে, সন্ধ্যায় সাড়ে ৭টায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি দরবার হলে আগমণ করবেন। জাতীয় সঙ্গীত ও কোরআন তিলাওয়াতের পর মাননীয় স্পিকার রাষ্ট্রপতির শপথ পরিচালনা করবেন।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে ৫ পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। এই নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল অলি আহমদ।
রাষ্ট্রপতির এই ভোটে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনের মধ্য ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে বঙ্গভবনের বাসিন্দা হচ্ছেন বিএনপির দুর্দিনের কাণ্ডারি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভোট গণনা শেষে বিকালে সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দীন।
রাতে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকায় সেবারই ভোট নেওয়া হয়েছিল। এর ৩৫ বছর পর একাধিক প্রার্থী থাকায় রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় আরও চারজন যুক্ত হচ্ছেন। শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে দরবার হলে মন্ত্রিসভার নতুন চার সদস্যকে শপথ পড়াবেন নতুন রাষ্ট্রপতি। শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ সূত্র নিশ্চিত করেছে মন্ত্রিসভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এমপি, জাতীয় পাটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন যুক্ত হচ্ছেন।
মন্ত্রিপরিষদ সূত্রে জানা গেছে, বিমান মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়েও রদবদল হতে পারে।
এদিকে রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য বঙ্গভবনের দরবার হল প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সব আয়োজন শেষ হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করছে।’
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এই শপথ অনুষ্ঠানে বারোশ অধিক অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নবনির্বাচিত দরবার হলে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ নেবেন। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন।
রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো আমন্ত্রণ কার্ডে বলা হয়েছে, সন্ধ্যায় সাড়ে ৭টায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি দরবার হলে আগমণ করবেন। জাতীয় সঙ্গীত ও কোরআন তিলাওয়াতের পর মাননীয় স্পিকার রাষ্ট্রপতির শপথ পরিচালনা করবেন।
গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন আওয়ামী লীগ আমলে নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিন। পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে ৫ পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। এই নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল অলি আহমদ।
রাষ্ট্রপতির এই ভোটে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এই নির্বাচনের মধ্য ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের উত্তরসূরি হিসেবে বঙ্গভবনের বাসিন্দা হচ্ছেন বিএনপির দুর্দিনের কাণ্ডারি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভোট গণনা শেষে বিকালে সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দীন।
রাতে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সংসদীয় পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকায় সেবারই ভোট নেওয়া হয়েছিল। এর ৩৫ বছর পর একাধিক প্রার্থী থাকায় রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৮
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভোট গণনা শেষে জাতীয় সংসদে ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশন এ এম এম নাসির উদ্দিন।
সিইসির তথ্য অনুযায়ী, ৩৪৩টি ভোট বৈধ হয়েছে। এর মধ্যে ২৫৫ ভোট পেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্য প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
তিনি জানান, মোট ভোটার ৩৪৯ জন। ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন সংসদ সদস্য।
এদিন দুপুরে ভোটগ্রহণ শুরু হলে প্রথমে ভোট দেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এরপর ভোট দেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট দেন।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগামীকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ গ্রহণ করবেন।’
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভোট গণনা শেষে জাতীয় সংসদে ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশন এ এম এম নাসির উদ্দিন।
সিইসির তথ্য অনুযায়ী, ৩৪৩টি ভোট বৈধ হয়েছে। এর মধ্যে ২৫৫ ভোট পেয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্য প্রার্থী অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
তিনি জানান, মোট ভোটার ৩৪৯ জন। ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন সংসদ সদস্য।
এদিন দুপুরে ভোটগ্রহণ শুরু হলে প্রথমে ভোট দেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এরপর ভোট দেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল। এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট দেন।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আগামীকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ গ্রহণ করবেন।’

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০০:৪১
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ২২:২৯
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ২২:০৯
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৪০