
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোট থেকে ডা. মাহমুদা আলম মিতুকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ মে ভোটের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী সদস্য (এমপি) হিসেবে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। একই প্রক্রিয়ায় জোটভুক্ত অন্যান্য দল থেকেও প্রার্থীদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল, যাচাই-বাছাই ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল।
জোটভিত্তিক বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি ও তাদের মিত্ররা ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য ১টি সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জামায়াত তাদের কোটা থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতুকে মনোনয়ন দিয়েছে। একই সঙ্গে জাগপার পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানের মনোনয়নও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সরাসরি ভোটে নয়, বরং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়। সাধারণ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলো নির্দিষ্ট সংখ্যক সংরক্ষিত আসন পায় এবং সেই অনুযায়ী নারী প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়। মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা বরাদ্দকৃত আসনের সমান হলে নির্বাচন কমিশন তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে।
জানা যায়, ডা. মাহমুদা আলম মিতুর পৈতৃক বাড়ি ঝালকাঠি-১ আসনের কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কৈখালী গ্রামে। তার দাদা আমজাদ হোসেন তিনবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। শৈশব ও শিক্ষাজীবনের একটি বড় অংশ কেটেছে ঝালকাঠি ও বরিশালে। শৌলজালিয়া হাই স্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি অর্জনের পর বেতাগী ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করেন। পরে ঢাকায় শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন।
মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই তিনি ঝালকাঠি-১ এলাকায় তরুণদের কর্মসংস্থান, নারীর নিরাপত্তা, শিক্ষা উন্নয়ন ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করে আসছেন। ‘কেয়ার অব মিতু’ নামের একটি সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
ডা. মিতু বলেন, ‘শৈশবের স্বপ্ন ও মানুষের সেবা করার ইচ্ছা থেকেই তিনি এই পর্যায়ে এসেছেন। চিকিৎসক হিসেবে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, জরুরি চিকিৎসা এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চান তিনি। পাশাপাশি ঝালকাঠিকে একটি নিরাপদ, শিক্ষিত ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোট থেকে ডা. মাহমুদা আলম মিতুকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ মে ভোটের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী সদস্য (এমপি) হিসেবে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। একই প্রক্রিয়ায় জোটভুক্ত অন্যান্য দল থেকেও প্রার্থীদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল, যাচাই-বাছাই ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল।
জোটভিত্তিক বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি ও তাদের মিত্ররা ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য ১টি সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জামায়াত তাদের কোটা থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতুকে মনোনয়ন দিয়েছে। একই সঙ্গে জাগপার পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানের মনোনয়নও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সরাসরি ভোটে নয়, বরং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়। সাধারণ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলো নির্দিষ্ট সংখ্যক সংরক্ষিত আসন পায় এবং সেই অনুযায়ী নারী প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়। মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা বরাদ্দকৃত আসনের সমান হলে নির্বাচন কমিশন তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে।
জানা যায়, ডা. মাহমুদা আলম মিতুর পৈতৃক বাড়ি ঝালকাঠি-১ আসনের কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কৈখালী গ্রামে। তার দাদা আমজাদ হোসেন তিনবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। শৈশব ও শিক্ষাজীবনের একটি বড় অংশ কেটেছে ঝালকাঠি ও বরিশালে। শৌলজালিয়া হাই স্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি অর্জনের পর বেতাগী ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করেন। পরে ঢাকায় শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন।
মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই তিনি ঝালকাঠি-১ এলাকায় তরুণদের কর্মসংস্থান, নারীর নিরাপত্তা, শিক্ষা উন্নয়ন ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করে আসছেন। ‘কেয়ার অব মিতু’ নামের একটি সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
ডা. মিতু বলেন, ‘শৈশবের স্বপ্ন ও মানুষের সেবা করার ইচ্ছা থেকেই তিনি এই পর্যায়ে এসেছেন। চিকিৎসক হিসেবে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, জরুরি চিকিৎসা এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চান তিনি। পাশাপাশি ঝালকাঠিকে একটি নিরাপদ, শিক্ষিত ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।’

২০ জুন, ২০২৬ ১২:৫৩
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ উঠেছে আল আমিন (৩৭) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে দৌড়ে ধরে আবারও ধর্ষণ চেষ্টা করে আল আমিন।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে ভিক্টিম শিশুর মা বাদী হয়ে আল আমিনকে অভিযুক্ত করে গফরগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। আল আমিন একই উপজেলার তাইজ উদ্দিনের ছেলে। সে পেশায় মুদি দোকানি।
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগ সুত্র জানায়, ওই শিশু স্থানীয় মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত আল আমিনের দোকানে ১০০ টাকার নোট ভাঙাতে যায়। এসময় খাবারের প্রলোভনে একটি পরিত্যক্ত মাদ্রাসার টিনশেডে নিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে ও ভিডিও ধারণ করে আল আমিন। ধর্ষণ শেষে আল আমিন কাউকে কিছু বললে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। এরপর বিভিন্ন সময় আল আমিন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিত।
এমতাবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে আল আমিন ধর্ষণ করতে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে টানাটানি করে। এসময় আল আমিনের হাত থেকে ছুটে দৌড় দিলে আবারও আল আমিন তাকে ধরার চেষ্টা করে। পরে ওই মাদ্রাসা ছাত্রী দৌড়ে বাড়ি ফিরে মা-বাবার কাছে বিষয়টি জানায়।
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগটি মামলা হিসাবে নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ উঠেছে আল আমিন (৩৭) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে দৌড়ে ধরে আবারও ধর্ষণ চেষ্টা করে আল আমিন।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে ভিক্টিম শিশুর মা বাদী হয়ে আল আমিনকে অভিযুক্ত করে গফরগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। আল আমিন একই উপজেলার তাইজ উদ্দিনের ছেলে। সে পেশায় মুদি দোকানি।
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগ সুত্র জানায়, ওই শিশু স্থানীয় মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত আল আমিনের দোকানে ১০০ টাকার নোট ভাঙাতে যায়। এসময় খাবারের প্রলোভনে একটি পরিত্যক্ত মাদ্রাসার টিনশেডে নিয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে ও ভিডিও ধারণ করে আল আমিন। ধর্ষণ শেষে আল আমিন কাউকে কিছু বললে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। এরপর বিভিন্ন সময় আল আমিন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিত।
এমতাবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে আল আমিন ধর্ষণ করতে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে টানাটানি করে। এসময় আল আমিনের হাত থেকে ছুটে দৌড় দিলে আবারও আল আমিন তাকে ধরার চেষ্টা করে। পরে ওই মাদ্রাসা ছাত্রী দৌড়ে বাড়ি ফিরে মা-বাবার কাছে বিষয়টি জানায়।
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগটি মামলা হিসাবে নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

২০ জুন, ২০২৬ ১২:৩৮
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকায় ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে আমগাছে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাহিন শেখ (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে উপজেলার পাগলা থানার পাঁচভাগ ইউনিয়নের দক্ষিণ হারিনা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মাহিন শেখ ওই গ্রামের নয়ন শেখের ছেলে এবং পাঁচভাগ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত মাহিন শেখ ও তার চাচাতো ভাই ফাহিম ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে ব্রাজিলের পতাকা টাঙানোর জন্য বাড়ির পাশের একটি আমগাছে ওঠে। এ সময় পতাকা টাঙানোর বাঁশটি একপাশে হেলে পড়ে আমগাছের পাশ দিয়ে যাওয়া পল্লী বিদ্যুতের তারে লেগে যায়।
এতে মাহিন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়। এ সময় নিচে থাকা ফাহিমের চিৎকারে স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন ছুটে এসে মাহিনকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহিনকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকায় ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে আমগাছে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাহিন শেখ (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে উপজেলার পাগলা থানার পাঁচভাগ ইউনিয়নের দক্ষিণ হারিনা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মাহিন শেখ ওই গ্রামের নয়ন শেখের ছেলে এবং পাঁচভাগ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত মাহিন শেখ ও তার চাচাতো ভাই ফাহিম ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে ব্রাজিলের পতাকা টাঙানোর জন্য বাড়ির পাশের একটি আমগাছে ওঠে। এ সময় পতাকা টাঙানোর বাঁশটি একপাশে হেলে পড়ে আমগাছের পাশ দিয়ে যাওয়া পল্লী বিদ্যুতের তারে লেগে যায়।
এতে মাহিন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়। এ সময় নিচে থাকা ফাহিমের চিৎকারে স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন ছুটে এসে মাহিনকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহিনকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

২০ জুন, ২০২৬ ১২:২৯
মাদকমুক্ত সমাজের বার্তা নিয়ে বাংলাদেশ ভ্রমণে এসে সাতকানিয়ায় হেনস্তার শিকার হয়েছেন নেপালি তরুণ বিশ্বাস রয়। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এক সিএনজি চালকের অসদাচরণের শিকার হন তিনি।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, এক সিএনজিচালক বিশ্বাস রয়ের সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ করছেন। এ ঘটনায় নেটিজেনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন বিদেশি পর্যটকের সঙ্গে এমন আচরণ দেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করেছে।
বিশ্বাস রয় নেপালের ইলাম জেলার বাসিন্দা। তিনি গত ১৮ মে নেপাল থেকে সাইকেল ভ্রমণ শুরু করে বাংলাদেশে আসেন এবং মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
সাতকানিয়া থানার ওসি জানান, ভিডিওটি পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত সিএনজিচালককে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে কাজ করছে পুলিশ।
মাদকমুক্ত সমাজের বার্তা নিয়ে বাংলাদেশ ভ্রমণে এসে সাতকানিয়ায় হেনস্তার শিকার হয়েছেন নেপালি তরুণ বিশ্বাস রয়। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এক সিএনজি চালকের অসদাচরণের শিকার হন তিনি।
এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, এক সিএনজিচালক বিশ্বাস রয়ের সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ করছেন। এ ঘটনায় নেটিজেনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একজন বিদেশি পর্যটকের সঙ্গে এমন আচরণ দেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করেছে।
বিশ্বাস রয় নেপালের ইলাম জেলার বাসিন্দা। তিনি গত ১৮ মে নেপাল থেকে সাইকেল ভ্রমণ শুরু করে বাংলাদেশে আসেন এবং মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
সাতকানিয়া থানার ওসি জানান, ভিডিওটি পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং অভিযুক্ত সিএনজিচালককে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে কাজ করছে পুলিশ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২০ জুন, ২০২৬ ১২:৫৩
২০ জুন, ২০২৬ ১২:৩৮
২০ জুন, ২০২৬ ১২:২৯
২০ জুন, ২০২৬ ১২:২২