
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোট থেকে ডা. মাহমুদা আলম মিতুকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ মে ভোটের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী সদস্য (এমপি) হিসেবে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। একই প্রক্রিয়ায় জোটভুক্ত অন্যান্য দল থেকেও প্রার্থীদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল, যাচাই-বাছাই ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল।
জোটভিত্তিক বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি ও তাদের মিত্ররা ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য ১টি সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জামায়াত তাদের কোটা থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতুকে মনোনয়ন দিয়েছে। একই সঙ্গে জাগপার পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানের মনোনয়নও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সরাসরি ভোটে নয়, বরং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়। সাধারণ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলো নির্দিষ্ট সংখ্যক সংরক্ষিত আসন পায় এবং সেই অনুযায়ী নারী প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়। মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা বরাদ্দকৃত আসনের সমান হলে নির্বাচন কমিশন তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে।
জানা যায়, ডা. মাহমুদা আলম মিতুর পৈতৃক বাড়ি ঝালকাঠি-১ আসনের কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কৈখালী গ্রামে। তার দাদা আমজাদ হোসেন তিনবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। শৈশব ও শিক্ষাজীবনের একটি বড় অংশ কেটেছে ঝালকাঠি ও বরিশালে। শৌলজালিয়া হাই স্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি অর্জনের পর বেতাগী ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করেন। পরে ঢাকায় শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন।
মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই তিনি ঝালকাঠি-১ এলাকায় তরুণদের কর্মসংস্থান, নারীর নিরাপত্তা, শিক্ষা উন্নয়ন ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করে আসছেন। ‘কেয়ার অব মিতু’ নামের একটি সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
ডা. মিতু বলেন, ‘শৈশবের স্বপ্ন ও মানুষের সেবা করার ইচ্ছা থেকেই তিনি এই পর্যায়ে এসেছেন। চিকিৎসক হিসেবে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, জরুরি চিকিৎসা এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চান তিনি। পাশাপাশি ঝালকাঠিকে একটি নিরাপদ, শিক্ষিত ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ১১ দলীয় জোট থেকে ডা. মাহমুদা আলম মিতুকে চূড়ান্তভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ মে ভোটের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী সদস্য (এমপি) হিসেবে নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। একই প্রক্রিয়ায় জোটভুক্ত অন্যান্য দল থেকেও প্রার্থীদের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ মে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২১ এপ্রিল, যাচাই-বাছাই ২২ ও ২৩ এপ্রিল, আপিল নিষ্পত্তি ২৭ ও ২৮ এপ্রিল এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৩০ এপ্রিল।
জোটভিত্তিক বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি ও তাদের মিত্ররা ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য ১টি সংরক্ষিত নারী আসন নির্ধারিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জামায়াত তাদের কোটা থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতুকে মনোনয়ন দিয়েছে। একই সঙ্গে জাগপার পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধানের মনোনয়নও চূড়ান্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সরাসরি ভোটে নয়, বরং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়। সাধারণ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলো নির্দিষ্ট সংখ্যক সংরক্ষিত আসন পায় এবং সেই অনুযায়ী নারী প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়। মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা বরাদ্দকৃত আসনের সমান হলে নির্বাচন কমিশন তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে।
জানা যায়, ডা. মাহমুদা আলম মিতুর পৈতৃক বাড়ি ঝালকাঠি-১ আসনের কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কৈখালী গ্রামে। তার দাদা আমজাদ হোসেন তিনবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। শৈশব ও শিক্ষাজীবনের একটি বড় অংশ কেটেছে ঝালকাঠি ও বরিশালে। শৌলজালিয়া হাই স্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি অর্জনের পর বেতাগী ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করেন। পরে ঢাকায় শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন।
মনোনয়ন পাওয়ার আগে থেকেই তিনি ঝালকাঠি-১ এলাকায় তরুণদের কর্মসংস্থান, নারীর নিরাপত্তা, শিক্ষা উন্নয়ন ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করে আসছেন। ‘কেয়ার অব মিতু’ নামের একটি সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
ডা. মিতু বলেন, ‘শৈশবের স্বপ্ন ও মানুষের সেবা করার ইচ্ছা থেকেই তিনি এই পর্যায়ে এসেছেন। চিকিৎসক হিসেবে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, জরুরি চিকিৎসা এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করতে চান তিনি। পাশাপাশি ঝালকাঠিকে একটি নিরাপদ, শিক্ষিত ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।’

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৯
দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আনুপাতিক হারে বাড়ছে মৃত্যুও। তাই হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২২ হাজার। আর হাম ও উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ২১৩ শিশুর।
গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে ১২ এপ্রিল ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা দেওয়া শুরু করে সরকার।
গত শুক্রবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে ম্যাসিভভাবে হামের টিকার কার্যক্রম শুরু হবে। দেশে কোনো টিকার ঘাটতি নেই, তাই অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান দেওয়া যাবে না।
তবে চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু হামের কারণে মৃত্যুর রেকর্ড নেই, যে শিশুরা মারা যাচ্ছে তাদের হামের সঙ্গে রয়েছে শরীরের অন্যান্য জটিলতা।
হাম হলে ভয় বা আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দেশব্যাপী প্রাদুর্ভাব কমাতে ঘরে ঘরে টিকা কার্যক্রম সফল করার তাগিদ দেন তারা। চিকিৎসকরা বলেন, এর জন্য সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে অভিভাবকদের। শিশুকে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে পুষ্টিকর খাবারের।
দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আনুপাতিক হারে বাড়ছে মৃত্যুও। তাই হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২২ হাজার। আর হাম ও উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ২১৩ শিশুর।
গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে ১২ এপ্রিল ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা দেওয়া শুরু করে সরকার।
গত শুক্রবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে ম্যাসিভভাবে হামের টিকার কার্যক্রম শুরু হবে। দেশে কোনো টিকার ঘাটতি নেই, তাই অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান দেওয়া যাবে না।
তবে চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু হামের কারণে মৃত্যুর রেকর্ড নেই, যে শিশুরা মারা যাচ্ছে তাদের হামের সঙ্গে রয়েছে শরীরের অন্যান্য জটিলতা।
হাম হলে ভয় বা আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দেশব্যাপী প্রাদুর্ভাব কমাতে ঘরে ঘরে টিকা কার্যক্রম সফল করার তাগিদ দেন তারা। চিকিৎসকরা বলেন, এর জন্য সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে অভিভাবকদের। শিশুকে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে পুষ্টিকর খাবারের।

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৪
কিশোরগঞ্জে বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়েছে। এর ফলে জনজীবনে ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে অটোরিকশার ব্যাটারি একটানা চার্জ দিতে না পেরে বিপাকে চালকরা। অনেক গাড়ির ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেছে। আবার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার খরচও বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে যাত্রীদের ভাড়ার ওপর।
হোসেনপুর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া এলাকার অটোচালক মুখলেছুর রহমান জানান, তারা একটি গ্যারেজে একসঙ্গে অন্তত ১০০ চালক তাদের গাড়ির ব্যাটারি চার্জ দিতে পারতেন। এখন ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণে ৪০টির মতো ব্যাটারি চার্জ দেওয়া যাচ্ছে।
একটি ব্যাটারি একটানা ৮ ঘণ্টা চার্জ দিতে হয়। কিন্তু হোসেনপুর পৌর এলাকায় দিনে ৬ ঘণ্টা, রাতে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে। আবার গ্রাম এলাকায় দিনে ও রাতে চার ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে। এতে একটি ব্যাটারি দুই দফায় চার্জ দিতে হয়।
একটি ব্যাটারির দাম ৪০ হাজার থেকে ৮৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে জানিয়ে মুখলেছুর রহমান বলেন, ‘ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে গাড়ি চালাব কী করে? আর গাড়ি না চললে তো সংসার চলবে না।’
এসব কারণে সড়কে অটোরিকশা কমে গেছে। আবার ব্যাটারি চার্জের খরচও বেড়েছে। একটি ব্যাটারি চার্জ দিতে আগে নেওয়া হতো ৮০ টাকা। এখন নেওয়া হচ্ছে ১২০ টাকা। যে কারণে ভাড়াও বাড়াতে হয়েছে বলে জানান মুখলেছুরসহ অন্য অটোরিকশা চালকরা।
গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা শহরের ব্যস্ততম স্টেশন রোড এলাকায় দেখা যায়, আগের তুলনায় অটোরিকশা ৩০ শতাংশও চলছে না। আগে দুপুরের দিকে অটোরিকশার চাপে পথচারীরা সহজে রাস্তা পার হতে পারতেন না। এখন সড়ক প্রায় ফাঁকা।
জানা গেছে, পিডিবি এবং পল্লী বিদ্যুতে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ জানান, কিশোরগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে সাড়ে ২৪ মেগাওয়াট।
পাওয়া যাচ্ছে ২০ মেগাওয়াট। গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকার ফিডারে লোডশোডিং তুলনামূলক কম। তবে জ্বালানি সংকটে গত বৃহস্পতিবার থেকে সব জায়গায় পালাক্রমে টানা এক ঘণ্টা লোডশেডিং করার জন্য সরকার থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতের মহাব্যবস্থাপক মো. আতিকুজ্জামান জানান, কিশোরগঞ্জের পল্লী বিদ্যুতে ৯০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৬০ মেগাওয়াটের মতো। যে কারণে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জে বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়েছে। এর ফলে জনজীবনে ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে অটোরিকশার ব্যাটারি একটানা চার্জ দিতে না পেরে বিপাকে চালকরা। অনেক গাড়ির ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেছে। আবার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার খরচও বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে যাত্রীদের ভাড়ার ওপর।
হোসেনপুর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া এলাকার অটোচালক মুখলেছুর রহমান জানান, তারা একটি গ্যারেজে একসঙ্গে অন্তত ১০০ চালক তাদের গাড়ির ব্যাটারি চার্জ দিতে পারতেন। এখন ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণে ৪০টির মতো ব্যাটারি চার্জ দেওয়া যাচ্ছে।
একটি ব্যাটারি একটানা ৮ ঘণ্টা চার্জ দিতে হয়। কিন্তু হোসেনপুর পৌর এলাকায় দিনে ৬ ঘণ্টা, রাতে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে। আবার গ্রাম এলাকায় দিনে ও রাতে চার ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে। এতে একটি ব্যাটারি দুই দফায় চার্জ দিতে হয়।
একটি ব্যাটারির দাম ৪০ হাজার থেকে ৮৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে জানিয়ে মুখলেছুর রহমান বলেন, ‘ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে গাড়ি চালাব কী করে? আর গাড়ি না চললে তো সংসার চলবে না।’
এসব কারণে সড়কে অটোরিকশা কমে গেছে। আবার ব্যাটারি চার্জের খরচও বেড়েছে। একটি ব্যাটারি চার্জ দিতে আগে নেওয়া হতো ৮০ টাকা। এখন নেওয়া হচ্ছে ১২০ টাকা। যে কারণে ভাড়াও বাড়াতে হয়েছে বলে জানান মুখলেছুরসহ অন্য অটোরিকশা চালকরা।
গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা শহরের ব্যস্ততম স্টেশন রোড এলাকায় দেখা যায়, আগের তুলনায় অটোরিকশা ৩০ শতাংশও চলছে না। আগে দুপুরের দিকে অটোরিকশার চাপে পথচারীরা সহজে রাস্তা পার হতে পারতেন না। এখন সড়ক প্রায় ফাঁকা।
জানা গেছে, পিডিবি এবং পল্লী বিদ্যুতে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ জানান, কিশোরগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে সাড়ে ২৪ মেগাওয়াট।
পাওয়া যাচ্ছে ২০ মেগাওয়াট। গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকার ফিডারে লোডশোডিং তুলনামূলক কম। তবে জ্বালানি সংকটে গত বৃহস্পতিবার থেকে সব জায়গায় পালাক্রমে টানা এক ঘণ্টা লোডশেডিং করার জন্য সরকার থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতের মহাব্যবস্থাপক মো. আতিকুজ্জামান জানান, কিশোরগঞ্জের পল্লী বিদ্যুতে ৯০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৬০ মেগাওয়াটের মতো। যে কারণে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মোহনপুর এলাকায় ছয় বছর বয়সী শিশু নিশাত জাহান হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন।
নিহত শিশুর পরিবার জানায়, গত ১৫ এপ্রিল দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে চিপস কিনতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় নিশাত। পরে ১৭ এপ্রিল বাড়ির পাশের ঝোপ থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির মা আকলিমা আক্তার শনিবার (১৮ এপ্রিল) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই দিন বিকেলে প্রতিবেশী অটোরিকশা চালক মো. ইছা মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পিবিআই জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে ইছা মিয়া হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। তিনি স্বীকার করেন, শিশুটিকে নিয়ে তিনি বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করেন এবং পরে নির্জন স্থানে নিয়ে যান।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হলে এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ার আশঙ্কায় তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন এবং তার ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করেন।
এ ব্যাপারে শিশুটির নানা লোকমান হোসেন জানান, নাতনির সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, এমন ঘটনা যেন আর কোনো শিশুর সঙ্গে না ঘটে। আমরা তার বিচার দাবি করছি। ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত ঘাতকের ক্ষমা নেই।
এ ঘটনায় পিবিআই পুলিশ সুপার শচীন চাকমা জানান, ঘাতক শিশুটিকে নিয়ে যে সব জায়গায় গিয়েছে, আমরা সবগুলো স্পট পরিদর্শন করেছি। মূলত সে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ এবং ঘটনাটি শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জেনে ফেলার ভয়েই তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দি করে ঝোপের মাঝে ফেলে দেয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মোহনপুর এলাকায় ছয় বছর বয়সী শিশু নিশাত জাহান হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন।
নিহত শিশুর পরিবার জানায়, গত ১৫ এপ্রিল দুপুরে নিজ বাড়ি থেকে চিপস কিনতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় নিশাত। পরে ১৭ এপ্রিল বাড়ির পাশের ঝোপ থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির মা আকলিমা আক্তার শনিবার (১৮ এপ্রিল) ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই দিন বিকেলে প্রতিবেশী অটোরিকশা চালক মো. ইছা মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পিবিআই জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে ইছা মিয়া হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। তিনি স্বীকার করেন, শিশুটিকে নিয়ে তিনি বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করেন এবং পরে নির্জন স্থানে নিয়ে যান।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে ধর্ষণের চেষ্টা ব্যর্থ হলে এবং বিষয়টি জানাজানি হওয়ার আশঙ্কায় তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন এবং তার ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করেন।
এ ব্যাপারে শিশুটির নানা লোকমান হোসেন জানান, নাতনির সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, এমন ঘটনা যেন আর কোনো শিশুর সঙ্গে না ঘটে। আমরা তার বিচার দাবি করছি। ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত ঘাতকের ক্ষমা নেই।
এ ঘটনায় পিবিআই পুলিশ সুপার শচীন চাকমা জানান, ঘাতক শিশুটিকে নিয়ে যে সব জায়গায় গিয়েছে, আমরা সবগুলো স্পট পরিদর্শন করেছি। মূলত সে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ এবং ঘটনাটি শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জেনে ফেলার ভয়েই তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে মরদেহ বস্তাবন্দি করে ঝোপের মাঝে ফেলে দেয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৬
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৮
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩১
১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৯