
২৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৪৮
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশালের ৬টি আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঢাকায় তলব করা হয়েছে। আগামী ২৭ অক্টোবর সোমবার এসব নেতার রাজধানীর বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্য নেতারা এসব প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নেবেন। ইতোমধ্যেই প্রত্যেক প্রার্থীর ভোটার আইডি কার্ড ও এক কপি ছবি পাঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল একটি সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
তবে গোয়েন্দা সংস্থা ও দলীয় রিপোর্টের ভিত্তিতে এরই মধ্যে জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থীদের নাম প্রাথমিকভাবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি সূত্রটির। এর মধ্যে কেবল বরিশাল-১ আসনের প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
কেন্দ্রীয় বিএনপির সূত্রটি জানায়, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে প্রার্থীর মনোনয়ন প্রায় চূড়ান্ত। কোনো কোনো আসনে একাধিক প্রার্থীর নাম রয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে চূড়ান্ত করা হবে। এর মধ্যে বরিশালের আসনগুলোর মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থীর খসড়া তালিকা করা হয়েছে। বড় ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটলে এ তালিকার পরিবর্তন হবে না।
সূত্রটি আরও জানায়, বরিশাল-১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার (অ্যাব)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দীন স্বপন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম স্বজল মনোনয়নপ্রত্যাশী।
এদের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দীন স্বপন আলোচনায় আছেন। তাদের মধ্যে যে কেউ মনোনয়ন পাবেন বলে দাবি সূত্রটির।
বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) সংসদীয় আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পান প্রয়াত বিএনপি নেতা সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল হক জামাল এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দীন আহম্মেদ সান্টু। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নির্বাচনে এ আসনে আবারো বিএনপির মনোনয়ন পাচ্ছেন এস সরফুদ্দীন আহম্মেদ সান্টু। প্রাথমিক খসড়া তালিকায় তার নাম রয়েছে বলে জানা যায়।
এছাড়া আসনটিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশবিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু, বিএনপি নেতা কর্নেল (অব.) আনোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য দুলাল হোসেন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদ মাহমুদ জুয়েল, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক লায়ন আক্তার সেন্টু মনোনয়নপ্রত্যাশী। আগামী সোমবার মনোনয়নপ্রত্যাশী এসব নেতাকে ঢাকায় ডাকা হয়েছে।
বরিশাল-৩ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জয়নাল আবেদীন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে জয়নাল আবেদীনের নাম চূড়ান্ত বলে জানা গেছে। এ আসনে তিনিই মনোনয়ন পাচ্ছেন বলে দাবি সূত্রটির। এ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সত্তার খান, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান আসাদ মনোনয়নপ্রত্যাশী।
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) সংসদীয় আসনে ২০০৮ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে মেজবাহ উদ্দীন ফরহাদ বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পান। তবে আগামী নির্বাচনে খসড়া প্রার্থীর তালিকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসানের নাম চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এ আসনে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহউদ্দীন ফরহাদ, বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য নেতা অ্যাডভোকেট এম হেলাল উদ্দীন, সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল খালেক হাওলাদার, বরিশাল জেলা (উত্তর) বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মো. শহিদুল্লাহ।
বরিশালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে পরিচিত বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার এবারও মনোনয়ন পাচ্ছেন বলে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে। খসড়া তালিকায় তার নাম রয়েছে। এ লক্ষেই সম্প্রতি সরোয়ারের বলয়ের নেতাদের দিয়েই সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মনোনয়নপ্রত্যাশী মজিবর রহমান সরোয়ারসহ অন্যদের জেলা মহানগর বিএনপি নেতাদের কেন্দ্রে ডেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া এ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাবেক সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (পদ স্থগিত) এক সময়ের তুখোড় নেত্রী অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক জেলা এিনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাছরিন আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী। এসব নেতাকেও ডাকা হয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
বরিশাল-৬ বাকেরগঞ্জ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বাক আবুল হোসেন খান আবারও এ আসন থেকে মনোনয়ন পাচ্ছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রাথমিক খসড়া তালিকায় তার নাম রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি। তবে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা ও বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান রাজন মনোনয়ন পেতে এখনো প্রাণপণ চেষ্টা করছেন।
এছাড়া কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক লায়ন নুরুল ইসলাম খান মাসুদ, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি স্টেট বিএনপির সাবেক সভাপতি সোলায়মান সেরনিয়াবাত নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী।
এদিকে সূত্র জানায়, বরিশাল বিভাগের ২১ আসনের মধ্যে ১৮টিতে প্রার্থী তালিকা ১ থেকে ২ জনের মধ্যে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান জানান, আগামী ২৭ অক্টোবর মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি নেতাদের ঢাকায় ডাকা হয়েছে। দলের জন্য যারা নিবেদিতপ্রাণ তাদের মনোনয়ন দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ইতোমধ্যেই বিভিন্নভাবে তিনি প্রার্থীদের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন। তবে যারা আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে ছিলেন, দলের সঙ্গে কখনো বেইমানি করেননি, এমন যোগ্য নেতারাই এবার মনোনয়ন পাবেন বলে দাবি করেন তিনি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশালের ৬টি আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের ঢাকায় তলব করা হয়েছে। আগামী ২৭ অক্টোবর সোমবার এসব নেতার রাজধানীর বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্য নেতারা এসব প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নেবেন। ইতোমধ্যেই প্রত্যেক প্রার্থীর ভোটার আইডি কার্ড ও এক কপি ছবি পাঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল একটি সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
তবে গোয়েন্দা সংস্থা ও দলীয় রিপোর্টের ভিত্তিতে এরই মধ্যে জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থীদের নাম প্রাথমিকভাবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি সূত্রটির। এর মধ্যে কেবল বরিশাল-১ আসনের প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
কেন্দ্রীয় বিএনপির সূত্রটি জানায়, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে প্রার্থীর মনোনয়ন প্রায় চূড়ান্ত। কোনো কোনো আসনে একাধিক প্রার্থীর নাম রয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে চূড়ান্ত করা হবে। এর মধ্যে বরিশালের আসনগুলোর মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থীর খসড়া তালিকা করা হয়েছে। বড় ধরনের কোনো ঘটনা না ঘটলে এ তালিকার পরিবর্তন হবে না।
সূত্রটি আরও জানায়, বরিশাল-১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার (অ্যাব)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দীন স্বপন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম স্বজল মনোনয়নপ্রত্যাশী।
এদের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জহির উদ্দীন স্বপন আলোচনায় আছেন। তাদের মধ্যে যে কেউ মনোনয়ন পাবেন বলে দাবি সূত্রটির।
বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) সংসদীয় আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পান প্রয়াত বিএনপি নেতা সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল হক জামাল এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দীন আহম্মেদ সান্টু। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নির্বাচনে এ আসনে আবারো বিএনপির মনোনয়ন পাচ্ছেন এস সরফুদ্দীন আহম্মেদ সান্টু। প্রাথমিক খসড়া তালিকায় তার নাম রয়েছে বলে জানা যায়।
এছাড়া আসনটিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশবিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু, বিএনপি নেতা কর্নেল (অব.) আনোয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য দুলাল হোসেন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদ মাহমুদ জুয়েল, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক লায়ন আক্তার সেন্টু মনোনয়নপ্রত্যাশী। আগামী সোমবার মনোনয়নপ্রত্যাশী এসব নেতাকে ঢাকায় ডাকা হয়েছে।
বরিশাল-৩ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জয়নাল আবেদীন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে জয়নাল আবেদীনের নাম চূড়ান্ত বলে জানা গেছে। এ আসনে তিনিই মনোনয়ন পাচ্ছেন বলে দাবি সূত্রটির। এ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সত্তার খান, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান আসাদ মনোনয়নপ্রত্যাশী।
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) সংসদীয় আসনে ২০০৮ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে মেজবাহ উদ্দীন ফরহাদ বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পান। তবে আগামী নির্বাচনে খসড়া প্রার্থীর তালিকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসানের নাম চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এ আসনে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহউদ্দীন ফরহাদ, বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য নেতা অ্যাডভোকেট এম হেলাল উদ্দীন, সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুল খালেক হাওলাদার, বরিশাল জেলা (উত্তর) বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মো. শহিদুল্লাহ।
বরিশালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে পরিচিত বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার এবারও মনোনয়ন পাচ্ছেন বলে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে। খসড়া তালিকায় তার নাম রয়েছে। এ লক্ষেই সম্প্রতি সরোয়ারের বলয়ের নেতাদের দিয়েই সদর উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মনোনয়নপ্রত্যাশী মজিবর রহমান সরোয়ারসহ অন্যদের জেলা মহানগর বিএনপি নেতাদের কেন্দ্রে ডেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া এ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাবেক সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (পদ স্থগিত) এক সময়ের তুখোড় নেত্রী অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাছের মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক জেলা এিনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাছরিন আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী। এসব নেতাকেও ডাকা হয়েছে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
বরিশাল-৬ বাকেরগঞ্জ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বাক আবুল হোসেন খান আবারও এ আসন থেকে মনোনয়ন পাচ্ছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রাথমিক খসড়া তালিকায় তার নাম রয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি। তবে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা ও বরিশাল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান রাজন মনোনয়ন পেতে এখনো প্রাণপণ চেষ্টা করছেন।
এছাড়া কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক লায়ন নুরুল ইসলাম খান মাসুদ, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি স্টেট বিএনপির সাবেক সভাপতি সোলায়মান সেরনিয়াবাত নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী।
এদিকে সূত্র জানায়, বরিশাল বিভাগের ২১ আসনের মধ্যে ১৮টিতে প্রার্থী তালিকা ১ থেকে ২ জনের মধ্যে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান জানান, আগামী ২৭ অক্টোবর মনোনয়নপ্রত্যাশী বিএনপি নেতাদের ঢাকায় ডাকা হয়েছে। দলের জন্য যারা নিবেদিতপ্রাণ তাদের মনোনয়ন দেবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ইতোমধ্যেই বিভিন্নভাবে তিনি প্রার্থীদের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছেন। তবে যারা আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে ছিলেন, দলের সঙ্গে কখনো বেইমানি করেননি, এমন যোগ্য নেতারাই এবার মনোনয়ন পাবেন বলে দাবি করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.