
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৪
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে হাবিবুর রহমান হেলালী নামে এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে থানায় নিয়ে যান। এ সময় তাঁর কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের দাবি, এটি ‘ষড়যন্ত্র’।
আজ বুধবার সকালে উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুপুরে ওই জামায়াত নেতাকে আটক করে থানায় আনা হয়।
আটক হাবিবুর রহমান হেলালী উপজেলার ধামঘর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির। তাঁর বাড়িও সেখানে। তিনি উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক।
স্থানীয় লোকজনের দাবি, আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ করছিলেন হাবিবুর রহমান হেলালী। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে ১ হাজার টাকার দুটি বান্ডিলে নগদ ২ লাখ টাকাসহ হাবিবুর রহমান হেলালীকে আটক করে মুরাদনগর থানায় নেওয়া হয়।
আটকের পর অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিবুর রহমান হেলালী দাবি করেন, তাঁর কাছে এত টাকা ছিল না। নির্বাচনী কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত জামায়াতে ইসলামীর এজেন্টদের খাবার খরচের জন্য অল্প কিছু টাকা ছিল। তাঁর গাড়িতে জোর করে অতিরিক্ত টাকা রেখে বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।
একই দাবি করেছেন মুরাদনগর উপজেলা জামায়াতের আমির আ ন ম ইলিয়াস। আজ দুপুরে তিনি বলেন, ‘ওই ইউনিয়নে আমাদের দায়িত্বশীল তেমন কেউ না থাকায় ধামঘর ইউনিয়নের হাবিবুর রহমান হেলালীকে ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ সকালে তিনি আমাদের নির্বাচনী এজেন্টদের কাছে যাচ্ছিলেন। এমন সময় স্থানীয় লোকজনের নামে মূলত বিএনপির লোকজন তাঁকে আটক করে। কিন্তু তাঁর সঙ্গে টাকা ছিল না। যারা তাঁকে আটক করেছে, তারাই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একটি বাজারের ব্যাগে দুই লাখ টাকা ভরে ব্যাগটি হাবিবুর রহমান হেলালীর গাড়ির পেছনের মালামাল রাখার জায়গায় রেখে দেয়। বিষয়টি পুরোপুরি তাদের ষড়যন্ত্র। জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।’
তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা জামায়াত নেতার এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন ও বানোয়াট’ বলে দাবি করেছেন। মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘জামায়াত কুমিল্লা-৩ আসনের প্রতিটি এলাকায় এভাবে টাকা বিতরণ করে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে। তারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করে উল্টো মিথ্যাচার করছে। আজ সকালে একটি এলাকায় টাকা বিতরণের সময় তাদের একজনকে হাতেনাতে আটক করেন স্থানীয় লোকজন। আমাদের মনে হয়, জামায়াত ভোটের পরিবেশ নষ্ট করে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে।’
আজ বেলা ৩টার দিকে মুরাদনগর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমান বলেন, ‘টাকা বিতরণের খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। এরপর ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। যেহেতু ওই ব্যক্তিকে টাকা বিতরণের সময় হাতেনাতে আটক করতে পারেননি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, এ জন্য আমরা বিষয়টি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।’
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে ভোটে লড়ছেন ৯ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি আসনটির পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য। আর ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ইউসুফ সোহেল।’
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণের অভিযোগে হাবিবুর রহমান হেলালী নামে এক জামায়াত নেতাকে আটক করেছেন স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে থানায় নিয়ে যান। এ সময় তাঁর কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। তবে স্থানীয় জামায়াত নেতাদের দাবি, এটি ‘ষড়যন্ত্র’।
আজ বুধবার সকালে উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের নেয়ামতকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুপুরে ওই জামায়াত নেতাকে আটক করে থানায় আনা হয়।
আটক হাবিবুর রহমান হেলালী উপজেলার ধামঘর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির। তাঁর বাড়িও সেখানে। তিনি উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক।
স্থানীয় লোকজনের দাবি, আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ করছিলেন হাবিবুর রহমান হেলালী। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব হাছান খাঁন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে ১ হাজার টাকার দুটি বান্ডিলে নগদ ২ লাখ টাকাসহ হাবিবুর রহমান হেলালীকে আটক করে মুরাদনগর থানায় নেওয়া হয়।
আটকের পর অভিযোগ অস্বীকার করে হাবিবুর রহমান হেলালী দাবি করেন, তাঁর কাছে এত টাকা ছিল না। নির্বাচনী কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনরত জামায়াতে ইসলামীর এজেন্টদের খাবার খরচের জন্য অল্প কিছু টাকা ছিল। তাঁর গাড়িতে জোর করে অতিরিক্ত টাকা রেখে বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।
একই দাবি করেছেন মুরাদনগর উপজেলা জামায়াতের আমির আ ন ম ইলিয়াস। আজ দুপুরে তিনি বলেন, ‘ওই ইউনিয়নে আমাদের দায়িত্বশীল তেমন কেউ না থাকায় ধামঘর ইউনিয়নের হাবিবুর রহমান হেলালীকে ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আজ সকালে তিনি আমাদের নির্বাচনী এজেন্টদের কাছে যাচ্ছিলেন। এমন সময় স্থানীয় লোকজনের নামে মূলত বিএনপির লোকজন তাঁকে আটক করে। কিন্তু তাঁর সঙ্গে টাকা ছিল না। যারা তাঁকে আটক করেছে, তারাই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে একটি বাজারের ব্যাগে দুই লাখ টাকা ভরে ব্যাগটি হাবিবুর রহমান হেলালীর গাড়ির পেছনের মালামাল রাখার জায়গায় রেখে দেয়। বিষয়টি পুরোপুরি তাদের ষড়যন্ত্র। জামায়াতে ইসলামী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয়।’
তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা জামায়াত নেতার এই দাবিকে ‘ভিত্তিহীন ও বানোয়াট’ বলে দাবি করেছেন। মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘জামায়াত কুমিল্লা-৩ আসনের প্রতিটি এলাকায় এভাবে টাকা বিতরণ করে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট করছে। তারা ভোটের পরিবেশ নষ্ট করে উল্টো মিথ্যাচার করছে। আজ সকালে একটি এলাকায় টাকা বিতরণের সময় তাদের একজনকে হাতেনাতে আটক করেন স্থানীয় লোকজন। আমাদের মনে হয়, জামায়াত ভোটের পরিবেশ নষ্ট করে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে।’
আজ বেলা ৩টার দিকে মুরাদনগর উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুর রহমান বলেন, ‘টাকা বিতরণের খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। এরপর ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। যেহেতু ওই ব্যক্তিকে টাকা বিতরণের সময় হাতেনাতে আটক করতে পারেননি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, এ জন্য আমরা বিষয়টি জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছি। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।’
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে ভোটে লড়ছেন ৯ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি আসনটির পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য। আর ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ইউসুফ সোহেল।’
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:৫১
২২ জুন, ২০২৬ ২২:৩১
২২ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
২২ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫২
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.