Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২১ জুন, ২০২৬ ১৮:১৭
ভোলার আলোচিত গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় গ্রেফতার স্বামী, শাশুড়ি ও খালা শাশুড়ির ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রবিবার (২১ জুন) দুপুরে ভোলার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আরিফুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন, নিহত মিতুর স্বামী সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম এবং খালা শাশুড়ি মুক্তা আক্তার। তারা মামলার এজাহারভুক্ত ১, ২ ও ৪ নম্বর আসামি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন ভোলা শহরের উকিলপাড়া এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর স্বামী, শাশুড়ি, ননদসহ শ্বশুরবাড়ির কয়েকজন সদস্য আত্মগোপনে চলে যান।
এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
পরে গত ১৬ জুন রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভোলা র্যাব-৮ ও চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার ব্যারিস্টার কলোনি থেকে সোহাগ, কোহিনূর বেগম ও মুক্তা আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন আদালতে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে আলোচিত এ মৃত্যুর ঘটনায় প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দোষীদের বিচারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।
ভোলার আলোচিত গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় গ্রেফতার স্বামী, শাশুড়ি ও খালা শাশুড়ির ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রবিবার (২১ জুন) দুপুরে ভোলার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আরিফুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন, নিহত মিতুর স্বামী সোহাগ, শাশুড়ি কোহিনূর বেগম এবং খালা শাশুড়ি মুক্তা আক্তার। তারা মামলার এজাহারভুক্ত ১, ২ ও ৪ নম্বর আসামি।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন ভোলা শহরের উকিলপাড়া এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে গৃহবধূ সুমাইয়া আক্তার মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর স্বামী, শাশুড়ি, ননদসহ শ্বশুরবাড়ির কয়েকজন সদস্য আত্মগোপনে চলে যান।
এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই নিহতের বাবা বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
পরে গত ১৬ জুন রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভোলা র্যাব-৮ ও চট্টগ্রাম র্যাব-৭ এর যৌথ অভিযানে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকার ব্যারিস্টার কলোনি থেকে সোহাগ, কোহিনূর বেগম ও মুক্তা আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন আদালতে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে আলোচিত এ মৃত্যুর ঘটনায় প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দোষীদের বিচারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা।

২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:৫২
ভোলার লালমোহন উপজেলায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার অবৈধ পলিথিন জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা। শনিবার দুপুরে পৌরশহরের হাফিজ উদ্দিন অ্যাভিনিউতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাসান স্টোরের গোডাউন থেকে এসব পলিথিন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পলিথিনের পরিমাণ ১ হাজার ৪৪০ কেজি।
কোস্টগার্ড লালমোহন বিসিজি আউটপোস্টের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. ইকরামুল কবীরের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে একইদিন বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হাসান স্টোরের মালিক মো. সাব্বির হোসেনকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক।
এ সময় জব্দকৃত অবৈধ পলিথিন বিনষ্ট করতে ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. তোতা মিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

২০ জুন, ২০২৬ ২০:৫৯
ভোলার লালমোহন উপজেলা থেকে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেয়া ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার লর্ডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের মেঘনা নদীর গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে ট্রলারে করে সার পাচারের কথা ইউএনওকে জানান স্থানীয়রা।
এরপর ইউএনও তাৎক্ষণিক গ্রাম পুলিশ ও পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তবে তাদের পৌঁছানোর আগেই পাচারকারীরা খবর পেয়ে ট্রলারের মধ্যে রাখা ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার রেখে ২টি ট্রাকে করে বাকি সার নিয়ে দ্রুত সরে যান। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মো. আলাউদ্দিন জানান, শুক্রবার রাতে ইউএনও অফিস থেকে জানানো হয় গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে সার পাচার করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে দ্রুত এখানে গিয়ে দেখি ট্রলারের ভেতর ৩১ বস্তা সার ও দুইজন পুলিশ বসে আছেন। শনিবার বিকেলে এসিল্যান্ড স্যার এসে সারগুলো জব্দ করে লালমোহন কৃষি অফিসে নিয়ে যান। ট্রলারটি আমাদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা এই সার এনেছে তা জানা যায়নি এবং ট্রলারের নামও নেই, মালিককেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা মাসুদ খান ও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারে সার পাচার করা হচ্ছে। মাসুদ খান লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের একজন সার ব্যবসায়ী।
সার ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাধে তিনি এবং চেয়ারম্যান মিলে মেঘনা নদী দিয়ে সার পাচার করছেন। এ ব্যাপারে জানতে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা ও সার ব্যবসায়ী মাসুদ খানের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি জানান, আমি গাড়িতে রয়েছি। গাড়ি থেকে নেমে কথা বলবেন বলেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
তবে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া বলেন, সার পাচারের ব্যাপারে আমি সকালে জানতে পেরেছি। আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি পক্ষ শত্রুতা করে আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন। এই পাচারের সঙ্গে এলাকার ও নেয়াখালীর কিছু লোক জড়িত থাকতে পারে।
এলাকার কারা জড়িত তাদের নাম জানতে চাইলে তিনি তাদের পরিচয় বলতে রাজি হননি। এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক জানান, খবর পেয়ে ৩১ বস্তা সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।
সারগুলো উপজেলা কৃষি অফিসের গুদামে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রলারটি স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্যদের জিম্মায় রাখা হয়েছে। একজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বাদি হয়ে এ ঘটনায় মামলা করবেন।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকার অবৈধ পলিথিন জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যরা। শনিবার দুপুরে পৌরশহরের হাফিজ উদ্দিন অ্যাভিনিউতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাসান স্টোরের গোডাউন থেকে এসব পলিথিন জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পলিথিনের পরিমাণ ১ হাজার ৪৪০ কেজি।
কোস্টগার্ড লালমোহন বিসিজি আউটপোস্টের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. ইকরামুল কবীরের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে একইদিন বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হাসান স্টোরের মালিক মো. সাব্বির হোসেনকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক।
এ সময় জব্দকৃত অবৈধ পলিথিন বিনষ্ট করতে ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ভোলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. তোতা মিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ভোলার লালমোহন উপজেলা থেকে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নেয়া ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার লর্ডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের মেঘনা নদীর গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে ট্রলারে করে সার পাচারের কথা ইউএনওকে জানান স্থানীয়রা।
এরপর ইউএনও তাৎক্ষণিক গ্রাম পুলিশ ও পুলিশকে ঘটনাস্থলে পাঠান। তবে তাদের পৌঁছানোর আগেই পাচারকারীরা খবর পেয়ে ট্রলারের মধ্যে রাখা ৩১ বস্তা ইউরিয়া সার রেখে ২টি ট্রাকে করে বাকি সার নিয়ে দ্রুত সরে যান। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ মো. আলাউদ্দিন জানান, শুক্রবার রাতে ইউএনও অফিস থেকে জানানো হয় গাইট্টার খাল এলাকা দিয়ে সার পাচার করা হচ্ছে।
খবর পেয়ে দ্রুত এখানে গিয়ে দেখি ট্রলারের ভেতর ৩১ বস্তা সার ও দুইজন পুলিশ বসে আছেন। শনিবার বিকেলে এসিল্যান্ড স্যার এসে সারগুলো জব্দ করে লালমোহন কৃষি অফিসে নিয়ে যান। ট্রলারটি আমাদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা এই সার এনেছে তা জানা যায়নি এবং ট্রলারের নামও নেই, মালিককেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা মাসুদ খান ও ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারে সার পাচার করা হচ্ছে। মাসুদ খান লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের একজন সার ব্যবসায়ী।
সার ব্যবসায়ী হওয়ার সুবাধে তিনি এবং চেয়ারম্যান মিলে মেঘনা নদী দিয়ে সার পাচার করছেন। এ ব্যাপারে জানতে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের যুবদলের নেতা ও সার ব্যবসায়ী মাসুদ খানের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি জানান, আমি গাড়িতে রয়েছি। গাড়ি থেকে নেমে কথা বলবেন বলেই ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
তবে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া বলেন, সার পাচারের ব্যাপারে আমি সকালে জানতে পেরেছি। আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি পক্ষ শত্রুতা করে আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছেন। এই পাচারের সঙ্গে এলাকার ও নেয়াখালীর কিছু লোক জড়িত থাকতে পারে।
এলাকার কারা জড়িত তাদের নাম জানতে চাইলে তিনি তাদের পরিচয় বলতে রাজি হননি। এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হক জানান, খবর পেয়ে ৩১ বস্তা সার ও একটি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে।
সারগুলো উপজেলা কৃষি অফিসের গুদামে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রলারটি স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্যদের জিম্মায় রাখা হয়েছে। একজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বাদি হয়ে এ ঘটনায় মামলা করবেন।