পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাহিন নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ওই প্রবাসীর ছেলে নাইমের (২২) পায়ে গুলি করে ডাকাত দল। এছাড়া নাইমের মা রুমা বেগম (৪০) এবং তার স্ত্রীর হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়। শিশু তাসফির (২) মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সবাইকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
রুমা বেগম জানান, তার স্বামী মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। রাতের খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আড়াইটা থেকে ৩টার দিকে পাঁচ-ছয় জনের ডাকাতদল জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। বাইরে ডাকাতদলের আরও কয়েকজন সদস্য ছিল। পরে সবাইকে হাত ও পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করে এবং নাইমের স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় নাইম বাধা দিলে তার পায়ের হাটুর ওপরে গুলি করে। এরপর তার শিশু সন্তান তাসফির মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করে নিয়ে যায়।
ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:২৭
পটুয়াখালীর বাউফলে গভীর রাতে এক গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আতিকুল ইসলাম নামে এক যুব জামায়াত নেতাকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রকূল গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত আতিকুল ইসলাম উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়ন যুব জামায়াতেরমসেক্রেটারি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী ওই গৃহবধূর স্বামী বুধবার তার শ্বশুরবাড়িতে যান। গভীর রাতে ওই গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করেন যুব জামায়াত নেতা আতিক। এ সময় ওই গৃহবধূর শ্বশুর টের পেয়ে চিৎকার দেন। তখন আশেপাশের লোকজন এসে তাদের আটক করেন। খবর পেয়ে আতিকের স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে চড়-থাপ্পড় মেরে তাকে নিয়ে যান।
গৃহবধূর শ্বশুর আমির হোসেন হাওলাদার বলেন,‘আতিক কিছুদিন আগে আমার পুত্রবধূর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। বুধবার রাতে আমার চিৎকার শুনে পুত্রবধূর ঘর থেকে বের হয়ে কাঁপতে থাকেন আতিক। এরপর লুঙ্গি পরিবর্তন করে দ্রুত প্যান্ট পরেন। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাদের আটক করেন।’এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আতিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
সূর্যমণি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘আতিক দলের কোন পদে আছেন তা আমি জানি না। তবে তিনি জামায়াত করেন, এটা সঠিক। বুধবার রাতে আতিককে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে গ্রামবাসী।’
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে একজন অবহিত করেন। বিস্তারিত না জেনে কোনো কিছু বলতে পারছি না।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই। পুলিশ যাওয়ার আগেই বিষয়টি নিস্পত্তি হয়ে গেছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে গভীর রাতে এক গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আতিকুল ইসলাম নামে এক যুব জামায়াত নেতাকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রকূল গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত আতিকুল ইসলাম উপজেলার সূর্যমণি ইউনিয়ন যুব জামায়াতেরমসেক্রেটারি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী ওই গৃহবধূর স্বামী বুধবার তার শ্বশুরবাড়িতে যান। গভীর রাতে ওই গৃহবধূর ঘরে প্রবেশ করেন যুব জামায়াত নেতা আতিক। এ সময় ওই গৃহবধূর শ্বশুর টের পেয়ে চিৎকার দেন। তখন আশেপাশের লোকজন এসে তাদের আটক করেন। খবর পেয়ে আতিকের স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে চড়-থাপ্পড় মেরে তাকে নিয়ে যান।
গৃহবধূর শ্বশুর আমির হোসেন হাওলাদার বলেন,‘আতিক কিছুদিন আগে আমার পুত্রবধূর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। বুধবার রাতে আমার চিৎকার শুনে পুত্রবধূর ঘর থেকে বের হয়ে কাঁপতে থাকেন আতিক। এরপর লুঙ্গি পরিবর্তন করে দ্রুত প্যান্ট পরেন। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাদের আটক করেন।’এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আতিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
সূর্যমণি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘আতিক দলের কোন পদে আছেন তা আমি জানি না। তবে তিনি জামায়াত করেন, এটা সঠিক। বুধবার রাতে আতিককে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করেছে গ্রামবাসী।’
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে একজন অবহিত করেন। বিস্তারিত না জেনে কোনো কিছু বলতে পারছি না।’
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই। পুলিশ যাওয়ার আগেই বিষয়টি নিস্পত্তি হয়ে গেছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩৬
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) বিজয়-২৪ হলে র্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অনুষদের শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিজয়-২৪ হলে র্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
রেজিস্ট্রার দপ্তরের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন, দায়ীদের শনাক্ত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সুপারিশ দিতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
কমিটিতে হলের প্রভোস্ট, সহকারী প্রভোস্ট ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের রাখা হয়েছে। তারা ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তদন্ত করে প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন দেবেন।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ক্যাম্পাসে র্যাগিং সম্পূর্ণ বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) বিজয়-২৪ হলে র্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অনুষদের শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বিজয়-২৪ হলে র্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
রেজিস্ট্রার দপ্তরের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন, দায়ীদের শনাক্ত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে সুপারিশ দিতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
কমিটিতে হলের প্রভোস্ট, সহকারী প্রভোস্ট ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের রাখা হয়েছে। তারা ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তদন্ত করে প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন দেবেন।
এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ক্যাম্পাসে র্যাগিং সম্পূর্ণ বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫৮
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি ও কোটি টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মোখলেছুর রহমান নামে এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, নাসির উদ্দিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে একই পদে একই স্থানে কর্মরত থেকে স্থানীয়ভাবে শক্তিশালী প্রভাব বলয় গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার সুযোগে তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে নিজের আত্মীয়-স্বজনদের সম্পৃক্ত করে সরকারি অর্থ আত্মসাত করছেন বলে অভিযোগকারীর দাবি।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় মদনপুরা ও কেশবপুর ইউনিয়নে প্রায় ৫০টি প্রকল্প নিজের ও আত্মীয়দের নামে বেনামে নিয়ন্ত্রণ করছেন নাসির উদ্দিন। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এছাড়া উপজেলা কমপে¬ক্স সংলগ্ন পুকুরে মাছ ধরার টিকিট বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সাবেক এক ইউএনওর সময় খাস জমি বরাদ্দকে কেন্দ্র করে ঘুষ বাণিজ্যে জড়িত ছিলেন নাসির উদ্দিন এবং এসব কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
অভিযোগকারীর দাবি, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নাসির উদ্দিন বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার নামে পটুয়াখালী শহরের তিতাস মোড়ে একটি ফ্ল্যাট, বরিশালে বাড়ি এবং বাউফলের নাজিরপুর এলাকায় জমি ক্রয়ের তথ্য অভিযোগে উলে¬খ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালকসহ সংশি¬ষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন বলেন, আমার উপর যে অভিযোগ আনা হয়েছে এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট। একটি মহল আমাকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত অভিযুক্ত নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি ও কোটি টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে মোখলেছুর রহমান নামে এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, নাসির উদ্দিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে একই পদে একই স্থানে কর্মরত থেকে স্থানীয়ভাবে শক্তিশালী প্রভাব বলয় গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘদিন একই কর্মস্থলে থাকার সুযোগে তিনি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে নিজের আত্মীয়-স্বজনদের সম্পৃক্ত করে সরকারি অর্থ আত্মসাত করছেন বলে অভিযোগকারীর দাবি।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় মদনপুরা ও কেশবপুর ইউনিয়নে প্রায় ৫০টি প্রকল্প নিজের ও আত্মীয়দের নামে বেনামে নিয়ন্ত্রণ করছেন নাসির উদ্দিন। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এছাড়া উপজেলা কমপে¬ক্স সংলগ্ন পুকুরে মাছ ধরার টিকিট বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, সাবেক এক ইউএনওর সময় খাস জমি বরাদ্দকে কেন্দ্র করে ঘুষ বাণিজ্যে জড়িত ছিলেন নাসির উদ্দিন এবং এসব কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
অভিযোগকারীর দাবি, এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নাসির উদ্দিন বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার নামে পটুয়াখালী শহরের তিতাস মোড়ে একটি ফ্ল্যাট, বরিশালে বাড়ি এবং বাউফলের নাজিরপুর এলাকায় জমি ক্রয়ের তথ্য অভিযোগে উলে¬খ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। অভিযোগের অনুলিপি স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালকসহ সংশি¬ষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নাসির উদ্দিন বলেন, আমার উপর যে অভিযোগ আনা হয়েছে এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট। একটি মহল আমাকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত অভিযুক্ত নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।’

১৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩৪
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাহিন নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ওই প্রবাসীর ছেলে নাইমের (২২) পায়ে গুলি করে ডাকাত দল। এছাড়া নাইমের মা রুমা বেগম (৪০) এবং তার স্ত্রীর হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়। শিশু তাসফির (২) মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সবাইকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
রুমা বেগম জানান, তার স্বামী মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। রাতের খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আড়াইটা থেকে ৩টার দিকে পাঁচ-ছয় জনের ডাকাতদল জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। বাইরে ডাকাতদলের আরও কয়েকজন সদস্য ছিল। পরে সবাইকে হাত ও পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করে এবং নাইমের স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় নাইম বাধা দিলে তার পায়ের হাটুর ওপরে গুলি করে। এরপর তার শিশু সন্তান তাসফির মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করে নিয়ে যায়।
ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
১৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৫৩
১৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪০
১৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩৭
১৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩৪