মাদক বিক্রয়, জমি দখল করে আত্মসাৎ, জোর করে যুবতী মেয়েকে তুলে নিয়ে আটকে রেখে চাঁদা আদায় সহ বিভিন্ন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে একজনকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। গ্রেফতার আসামি হলেন উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কাকড়াবুনিয়া গ্রামের আঃ লতিফ মৃধা এর পুত্র মোঃ রাসেল মৃধা (৪০)।
মির্জাগঞ্জ সেনা ক্যাম্প ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটকের পর টাকা আদায়, প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে জোরপূর্বক মেয়েকে তুলে নিয়ে চাঁদা আদায়, চাঁদা না দেওয়ায় মারধর, দোকান থেকে বাকিতে মালামাল নিয়ে মূল্য না দেওয়া এবং পাওনা টাকা চাইলে হুমকি-লাঞ্ছনার অভিযোগ রয়েছে রাসেল মৃধার বিরুদ্ধে।
এসব কর্মকাণ্ডে এলাকার সাধারণ মানুষ সবসময় আতঙ্কে থাকেন, কিন্তু ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না। গত বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টা ৪৫ মিনিটের দিকে কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিন কাকড়াবুনিয়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় তাঁর কাছ থেকে ২ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ৬১ হাজার ৪০৯ টাকা ও মাদক বিক্রি কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল সেট জব্দ করা হয়।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নজরুল ইসলাম জানান, গ্রেফতার রাসেল মৃধার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও গ্রেফতার আসামীর পিসি এন্ড পিআর যাচাইকালে তাঁর বিরুদ্ধে পটুয়াখালীর বাউফল থানায় একটি মামলা পাওয়া গেছে। তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:২৬
পটুয়াখালীর পায়রা নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের চান্দখালী, খেঁজুরতলা ও কালীচন্নাসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। কয়েক দিনের বিরূপ আবহাওয়া, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত এবং ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যে নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার। হঠাৎ করে নদীর পানি ঢুকে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, পায়রা নদীর ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে অবিরত পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এতে বসতবাড়ির আঙিনা, ফসলের মাঠ ও বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক বাড়ির উঠানে হাঁটুসমান পানি জমেছে। পানির স্রোতে ভেসে গেছে বিভিন্ন কৃষিজ ফসল ও গাছপালা।
স্থানীয়রা জানান, পায়রা নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় প্রবল জোয়ারের পানি দ্রুতগতিতে লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এরই মধ্যে অনেক বসতঘর ও মসজিদে পানি ঢুকে পড়েছে। রান্নাঘর তলিয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার রান্না করতে পারছেন না। কেউ কেউ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
বেড়িবাঁধ ভেঙে যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত হয়েছে। বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচলকারী মানুষকে এখন পানি মাড়িয়ে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যেতে হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি পানিবন্দি পরিবারগুলো খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি সহায়তার সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন।
চান্দখালী গ্রামের বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, ‘এই বাঁধের রাস্তা দিয়া আমরা চলাচল করতাম। এখন সব ভাইঙ্গা গ্যাছে। তাই পানির মধ্যে দিয়া ভিজ্জা এপার-ওপার চলাচল করি আমরা।’
চান্দখালী গ্রামের মো. কবির বলেন, ‘বাঁধ ভাইঙ্গা এত পানি উঠছে যে আমাগো মসজিদেও পানি উঠছে। এখানে নামাজ আদায় করাও সম্ভব হইতেছে না। আমাগো রান্নাঘরও তলাইয়া গেছে। এ কারণে খাবারও রান্না করা যাচ্ছে না। আমরা খুবই কষ্টে আছি। সরকারের কাছে দ্রুত পাইলিংয়ের মাধ্যমে বেড়িবাঁধ মেরামতের দাবি জানাই।’
এদিকে ফসলের মাঠ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরাও। পানির স্রোতে অনেক গাছপালা উপড়ে গেছে এবং সদ্য রোপণ করা ধানের চারাসহ বিভিন্ন কৃষিজ ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
চান্দখালী গ্রামের কৃষক মোশারেফ হোসেন বলেন, ‘কয়দিন আগে আমরা রোয়া (ধানের চারা) রুইছি (রোপণ করেছি)। হঠাৎ বেড়িবাঁধ ভাইঙ্গা যাইয়া শো শো করে পানি আইয়া আমাগো ক্ষেতে ঢুকছে। এহন সব রোয়া তলাইয়া গ্যাছে। পুরা ক্ষেত নষ্ট হইয়া গ্যাছে।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, পায়রা নদীর তীরবর্তী এ বেড়িবাঁধটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হয়নি। ফলে নদীতে পানি বাড়লেই ভাঙন দেখা দেয় এবং বাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশের আশঙ্কা তৈরি হয়।
স্থানীয়রা দ্রুত ভাঙা বেড়িবাঁধ সংস্কার করে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘পায়রা নদীকেন্দ্রিক আমাদের একটি স্টাডি চলমান আছে। ওই স্টাডি রিপোর্টের মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত। রিপোর্টটি পাওয়ার পরে আমরা পায়রা নদীকেন্দ্রিক প্রকল্প দাখিল করব।’
এদিকে পটুয়াখালীর পায়রা নদীর ভাঙন ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। নদীভাঙনে সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের চান্দখালী, খেঁজুরতলা, কালীচন্না, মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের নন্দীপাড়া, ছোটবিঘাই ইউনিয়নের ভাজনা, তুষখালীর ভুতুমিয়া, মাটিভাঙ্গা এলাকার ফুলতলা এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলার পিঁপড়াখালীসহ নদীতীরবর্তী প্রায় ১৫টি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধ ও বেড়িবাঁধ সংস্কারে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সামনে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি, কৃষিজমি, রাস্তাঘাট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।
পটুয়াখালীর পায়রা নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের চান্দখালী, খেঁজুরতলা ও কালীচন্নাসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। কয়েক দিনের বিরূপ আবহাওয়া, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত এবং ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যে নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে শতাধিক পরিবার। হঠাৎ করে নদীর পানি ঢুকে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, পায়রা নদীর ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে অবিরত পানি লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এতে বসতবাড়ির আঙিনা, ফসলের মাঠ ও বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক বাড়ির উঠানে হাঁটুসমান পানি জমেছে। পানির স্রোতে ভেসে গেছে বিভিন্ন কৃষিজ ফসল ও গাছপালা।
স্থানীয়রা জানান, পায়রা নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় প্রবল জোয়ারের পানি দ্রুতগতিতে লোকালয়ে প্রবেশ করছে। এরই মধ্যে অনেক বসতঘর ও মসজিদে পানি ঢুকে পড়েছে। রান্নাঘর তলিয়ে যাওয়ায় অনেক পরিবার রান্না করতে পারছেন না। কেউ কেউ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
বেড়িবাঁধ ভেঙে যোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত হয়েছে। বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচলকারী মানুষকে এখন পানি মাড়িয়ে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যেতে হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি পানিবন্দি পরিবারগুলো খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি সহায়তার সংকটে পড়ার আশঙ্কা করছেন।
চান্দখালী গ্রামের বাসিন্দা মাকসুদা বেগম বলেন, ‘এই বাঁধের রাস্তা দিয়া আমরা চলাচল করতাম। এখন সব ভাইঙ্গা গ্যাছে। তাই পানির মধ্যে দিয়া ভিজ্জা এপার-ওপার চলাচল করি আমরা।’
চান্দখালী গ্রামের মো. কবির বলেন, ‘বাঁধ ভাইঙ্গা এত পানি উঠছে যে আমাগো মসজিদেও পানি উঠছে। এখানে নামাজ আদায় করাও সম্ভব হইতেছে না। আমাগো রান্নাঘরও তলাইয়া গেছে। এ কারণে খাবারও রান্না করা যাচ্ছে না। আমরা খুবই কষ্টে আছি। সরকারের কাছে দ্রুত পাইলিংয়ের মাধ্যমে বেড়িবাঁধ মেরামতের দাবি জানাই।’
এদিকে ফসলের মাঠ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরাও। পানির স্রোতে অনেক গাছপালা উপড়ে গেছে এবং সদ্য রোপণ করা ধানের চারাসহ বিভিন্ন কৃষিজ ফসল পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
চান্দখালী গ্রামের কৃষক মোশারেফ হোসেন বলেন, ‘কয়দিন আগে আমরা রোয়া (ধানের চারা) রুইছি (রোপণ করেছি)। হঠাৎ বেড়িবাঁধ ভাইঙ্গা যাইয়া শো শো করে পানি আইয়া আমাগো ক্ষেতে ঢুকছে। এহন সব রোয়া তলাইয়া গ্যাছে। পুরা ক্ষেত নষ্ট হইয়া গ্যাছে।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, পায়রা নদীর তীরবর্তী এ বেড়িবাঁধটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও স্থায়ীভাবে সংস্কার করা হয়নি। ফলে নদীতে পানি বাড়লেই ভাঙন দেখা দেয় এবং বাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশের আশঙ্কা তৈরি হয়।
স্থানীয়রা দ্রুত ভাঙা বেড়িবাঁধ সংস্কার করে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘পায়রা নদীকেন্দ্রিক আমাদের একটি স্টাডি চলমান আছে। ওই স্টাডি রিপোর্টের মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত। রিপোর্টটি পাওয়ার পরে আমরা পায়রা নদীকেন্দ্রিক প্রকল্প দাখিল করব।’
এদিকে পটুয়াখালীর পায়রা নদীর ভাঙন ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। নদীভাঙনে সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের চান্দখালী, খেঁজুরতলা, কালীচন্না, মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের নন্দীপাড়া, ছোটবিঘাই ইউনিয়নের ভাজনা, তুষখালীর ভুতুমিয়া, মাটিভাঙ্গা এলাকার ফুলতলা এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলার পিঁপড়াখালীসহ নদীতীরবর্তী প্রায় ১৫টি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধ ও বেড়িবাঁধ সংস্কারে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সামনে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি, কৃষিজমি, রাস্তাঘাট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৩২
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় বজ্রপাতে তপন শিকারী (৩৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের পশ্চিম কাচারিকান্দা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তপন শিকারী একই গ্রামের অনিল শিকারীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির পশ্চিম পাশে নিজের জমিতে বীজ বপন করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তপন শিকারীর মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন রতনদী তালতলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (মেম্বার) মিজান দেওয়ান।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ইমতিয়াজ আহম্মেদ জানান, বজ্রপাতে মৃত্যু হলে লাশ পরিবারের কাছেই হস্তান্তর করা হবে।
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় বজ্রপাতে তপন শিকারী (৩৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের পশ্চিম কাচারিকান্দা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তপন শিকারী একই গ্রামের অনিল শিকারীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির পশ্চিম পাশে নিজের জমিতে বীজ বপন করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তপন শিকারীর মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন রতনদী তালতলী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (মেম্বার) মিজান দেওয়ান।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ইমতিয়াজ আহম্মেদ জানান, বজ্রপাতে মৃত্যু হলে লাশ পরিবারের কাছেই হস্তান্তর করা হবে।

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:২২
পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি রেকর্ডীয় রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরাও করে চাষাবাদের অভিযোগে তা অপসারণে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে উপজেলা ভূমি অফিস। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাঠালতলা থেকে তহশিল অফিসের মাঝামাঝি সরকারি রাস্তাটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো মো. সাইফুল ইসলাম ও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকার বাসিন্দা শাহজাহান প্যাদা, তার স্ত্রী ডেইজি বেগম ও ছেলে রামিম প্যাদা সরকারি রাস্তার ওপর বাঁশের বেড়া দিয়ে চাষাবাদ শুরু করেন। এতে স্থানীয়দের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় সরকারি লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গাজী সোহরাব হোসেন উপজেলা ভূমি অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শাহজাহান প্যাদাকে সাত দিনের মধ্যে রাস্তা থেকে বাঁশের বেড়া অপসারণের নির্দেশ দেন।
অভিযোগের বিষয়ে শাহজাহান প্যাদা বলেন, ‘আমাদের জমি সরকার নিয়েছে, কিন্তু কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তাই রাস্তায় বেড়া দিয়েছি। অন্য জায়গা দিয়ে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করব, তবে ওই জায়গা দিয়ে রাস্তা দেব না।’
উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি রাস্তা থেকে বেড়া অপসারণ না করলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি রাস্তা দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত বেড়া অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি রেকর্ডীয় রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরাও করে চাষাবাদের অভিযোগে তা অপসারণে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে উপজেলা ভূমি অফিস। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাঠালতলা থেকে তহশিল অফিসের মাঝামাঝি সরকারি রাস্তাটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো মো. সাইফুল ইসলাম ও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকার বাসিন্দা শাহজাহান প্যাদা, তার স্ত্রী ডেইজি বেগম ও ছেলে রামিম প্যাদা সরকারি রাস্তার ওপর বাঁশের বেড়া দিয়ে চাষাবাদ শুরু করেন। এতে স্থানীয়দের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় সরকারি লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গাজী সোহরাব হোসেন উপজেলা ভূমি অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শাহজাহান প্যাদাকে সাত দিনের মধ্যে রাস্তা থেকে বাঁশের বেড়া অপসারণের নির্দেশ দেন।
অভিযোগের বিষয়ে শাহজাহান প্যাদা বলেন, ‘আমাদের জমি সরকার নিয়েছে, কিন্তু কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তাই রাস্তায় বেড়া দিয়েছি। অন্য জায়গা দিয়ে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করব, তবে ওই জায়গা দিয়ে রাস্তা দেব না।’
উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি রাস্তা থেকে বেড়া অপসারণ না করলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি রাস্তা দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত বেড়া অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

০১ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:১৯
মাদক বিক্রয়, জমি দখল করে আত্মসাৎ, জোর করে যুবতী মেয়েকে তুলে নিয়ে আটকে রেখে চাঁদা আদায় সহ বিভিন্ন অভিযোগে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে একজনকে গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী। গ্রেফতার আসামি হলেন উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ কাকড়াবুনিয়া গ্রামের আঃ লতিফ মৃধা এর পুত্র মোঃ রাসেল মৃধা (৪০)।
মির্জাগঞ্জ সেনা ক্যাম্প ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটকের পর টাকা আদায়, প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে জোরপূর্বক মেয়েকে তুলে নিয়ে চাঁদা আদায়, চাঁদা না দেওয়ায় মারধর, দোকান থেকে বাকিতে মালামাল নিয়ে মূল্য না দেওয়া এবং পাওনা টাকা চাইলে হুমকি-লাঞ্ছনার অভিযোগ রয়েছে রাসেল মৃধার বিরুদ্ধে।
এসব কর্মকাণ্ডে এলাকার সাধারণ মানুষ সবসময় আতঙ্কে থাকেন, কিন্তু ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না। গত বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) রাত সাড়ে ১০ টা ৪৫ মিনিটের দিকে কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের দক্ষিন কাকড়াবুনিয়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় তাঁর কাছ থেকে ২ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির ৬১ হাজার ৪০৯ টাকা ও মাদক বিক্রি কাজে ব্যবহৃত একটি মোবাইল সেট জব্দ করা হয়।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নজরুল ইসলাম জানান, গ্রেফতার রাসেল মৃধার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও গ্রেফতার আসামীর পিসি এন্ড পিআর যাচাইকালে তাঁর বিরুদ্ধে পটুয়াখালীর বাউফল থানায় একটি মামলা পাওয়া গেছে। তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬