
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৩
বরিশাল -৪ হিজলা উপজেলায় ধানের শীর্ষের মনোনীত প্রার্থী মোঃ রাজিব আহসানের নির্বাচনী জনসভা শেষ হয়েছে। সোমবার বিকাল চারটায় উপজেলা পরিষদ মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ধানের শীর্ষের মনোনীত প্রার্থী মোঃ রাজিব আহসান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান অলিউদ্দিন সুমন সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিএনপি'র নেতৃবৃন্দ।
হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন। নির্বাচনী জনসভায় অংশ গ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধো, শিক্ষক, এডভোকেট, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জনসভায় রাজিব আহসান উপজেলার নানাবিধ সমস্যা কথা তুলে ধরে তিনি বলেন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা নিরসনে কাজ করার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন হিজলা উপজেলায় সরকারি পরিষদ, হাসপাতাল, অডিটরিয়াম, বিনোদন পার্ক, খেলার মাঠ সহ অনেক কিছুই নেই।এই উপজেলাকে অবহেলিত বলা হয়।
তিনি বলেন আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আর অবহেলিত শব্দ থাকবে না। যোগাযোগ ব্যবস্থায় বহুমুখী পরিকল্পনা রয়েছে।একটি দল জান্নাতের টিকিট ছাড়া আপনাদের কিছু বলতে পারবে না ইনশাআল্লাহ বিএনপির ক্ষমতায় আসলে আপনাদের আর অবহেলিত থাকবে না।
বরিশাল -৪ হিজলা উপজেলায় ধানের শীর্ষের মনোনীত প্রার্থী মোঃ রাজিব আহসানের নির্বাচনী জনসভা শেষ হয়েছে। সোমবার বিকাল চারটায় উপজেলা পরিষদ মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ধানের শীর্ষের মনোনীত প্রার্থী মোঃ রাজিব আহসান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান মোঃ শহিদুল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক দেওয়ান অলিউদ্দিন সুমন সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিএনপি'র নেতৃবৃন্দ।
হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন। নির্বাচনী জনসভায় অংশ গ্রহণ করেন মুক্তিযুদ্ধো, শিক্ষক, এডভোকেট, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জনসভায় রাজিব আহসান উপজেলার নানাবিধ সমস্যা কথা তুলে ধরে তিনি বলেন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা নিরসনে কাজ করার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন হিজলা উপজেলায় সরকারি পরিষদ, হাসপাতাল, অডিটরিয়াম, বিনোদন পার্ক, খেলার মাঠ সহ অনেক কিছুই নেই।এই উপজেলাকে অবহেলিত বলা হয়।
তিনি বলেন আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আর অবহেলিত শব্দ থাকবে না। যোগাযোগ ব্যবস্থায় বহুমুখী পরিকল্পনা রয়েছে।একটি দল জান্নাতের টিকিট ছাড়া আপনাদের কিছু বলতে পারবে না ইনশাআল্লাহ বিএনপির ক্ষমতায় আসলে আপনাদের আর অবহেলিত থাকবে না।

২৩ জুন, ২০২৬ ১২:৫১

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৪
বিভিন্নভাবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউল আহসানের মামলায় আমরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছি। কারণ আসামিপক্ষের আইনজীবী প্যানেলে রয়েছেন তারই বোন নাজনীন নাহার। তিনি প্রত্যেক তারিখেই কোনো না কোনো অজুহাতে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করেন। কখনও আইনজীবীর অসুস্থতা বা মৃত্যু, আবার কখনও বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আর্জি জানাচ্ছেন। বিচার বিলম্বিত করতে এভাবেই শুনানির কার্যক্রম স্থগিত করতে চাইছেন এই আইনজীবী। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলায় রোববার (২১ জুন) একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন ট্রাইব্যুনাল। জেরার জন্য আজকের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু জিয়াউল আহসানের পক্ষে তিন-চারটি আবেদন করেন আইনজীবী নাজনীন নাহার। এর মধ্যে আমরা একটি ছাড়া বাকিগুলোর বিরোধিতা করেছি। অর্থাৎ আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাওয়া হয়েছে, যা একজন আইনজীবীর অধিকার। পরে এ ব্যাপারে অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল। তবে বাকি আবেদনগুলো একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক ছি়ল।
আমিনুল ইসলাম বলেন, নানান প্রক্রিয়ায় গুমের মামলাটি বিলম্বিত করতে চায় আসামিপক্ষ। তারা ট্রাইব্যুনালে এসে শুধু সময় চাইতে থাকেন। এটা খুব ভালো লক্ষণ নয়। তবে পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, আগামী তারিখ থেকে জিয়াউল আহসানের যেকোনো কলাকৌশল বা পদক্ষেপ তথা তার আইনজীবীরা যদি কোনো অসৎ উদ্দেশে আবেদন দিয়ে কালক্ষেপণ করতে চান, তাহলে আরও কঠোরভাবে আমরা আপত্তি জানাবো।’

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ব্র্যাকের উদ্যোগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের জন্য সেবা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে বরিশালে একটি অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে বরিশাল ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের সহযোগিতায় এ ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়।
ব্র্যাক ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর রিসান রেজা মোঃ সাহেদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের রিজিওনাল ম্যানেজার নিশাত তাসনিম লিজা একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা বিষয়ক জরিপের ফলাফল, সরকারি সেবাসমূহের পরিচিতি এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পরে অংশগ্রহণকারীরা এ বিষয়ে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।
ডায়লগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ ও সারভাইভারদের জন্য দ্রুত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগ নির্ধারণ বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ননিশাত তাসনিম লিজা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন
বলেন, “নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে হলে সচেতনতা বাড়াতে হবে। নারীদেরকে কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষার যেমন ব্যবস্থা করতে হবে তেমনি পরিবার থেকেও কন্যা শিশুর যত্ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা যাতে দ্রুত ও সহজে সেবা পায়, সেজন্য বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “সহিংসতা প্রতিরোধে আইন ও আইনের প্রয়োগ হলেও সহিংসতা প্রত্যাশিতভাবে কেন কমছে এটা নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন। নারী ও কন্যা শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনা মোকাবেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে এনজিও-র কাজের সাথে সরকারী কাজের সমন্বয়কে আরও জোরদার করতে হবে।"
সরকারি সেবার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা অফিস এ কে এম আকতারুজ্জাম তালুকদার বলেন, “তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক মূল্যবোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। যুবসমাজকে এ বিষয়ে সম্পৃক্ত করতে হবে।”
জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মেহেরুন নাহার মুন্নি বলেন, “নারী ও শিশুদের জন্য সরকার বিভিন্ন সেবা ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব সেবার বিষয়ে সাধারণ মানুষের জানাশোনা বাড়ানো গেলে ভুক্তভোগীরা আরও সহজে সহায়তা পাবে। প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে হবে”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন ব্র্যাকের রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক জনাব বিভাষ চন্দ্র তরফদার। ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচির জেলা প্রধানগণ, স্বপ্নসারথী দলের সদস্য, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
পরে অনুষ্ঠিত মুক্ত আলোচনায় জেলার কন্যাশিশু, কিশোরী ও নারীদের অনিরাপত্তার বর্তমান পরিস্থিতির উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, অধিকাংশ সহিংসতার ঘটনার সঙ্গে মাদকসেবীরা জড়িত। এছাড়া সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নারীরা সাইবার বুলিংয়েরও শিকার হচ্ছেন।
বক্তারা বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মাদকের বিস্তার রোধের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরে অভিভাবক, শিক্ষক এবং সচেতন নাগরিকদের মূল্যবোধ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
ব্র্যাকের উদ্যোগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের জন্য সেবা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে বরিশালে একটি অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে বরিশাল ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের সহযোগিতায় এ ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়।
ব্র্যাক ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর রিসান রেজা মোঃ সাহেদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের রিজিওনাল ম্যানেজার নিশাত তাসনিম লিজা একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা বিষয়ক জরিপের ফলাফল, সরকারি সেবাসমূহের পরিচিতি এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পরে অংশগ্রহণকারীরা এ বিষয়ে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।
ডায়লগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ ও সারভাইভারদের জন্য দ্রুত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগ নির্ধারণ বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ননিশাত তাসনিম লিজা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন
বলেন, “নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে হলে সচেতনতা বাড়াতে হবে। নারীদেরকে কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষার যেমন ব্যবস্থা করতে হবে তেমনি পরিবার থেকেও কন্যা শিশুর যত্ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা যাতে দ্রুত ও সহজে সেবা পায়, সেজন্য বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “সহিংসতা প্রতিরোধে আইন ও আইনের প্রয়োগ হলেও সহিংসতা প্রত্যাশিতভাবে কেন কমছে এটা নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন। নারী ও কন্যা শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনা মোকাবেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে এনজিও-র কাজের সাথে সরকারী কাজের সমন্বয়কে আরও জোরদার করতে হবে।"
সরকারি সেবার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা অফিস এ কে এম আকতারুজ্জাম তালুকদার বলেন, “তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক মূল্যবোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। যুবসমাজকে এ বিষয়ে সম্পৃক্ত করতে হবে।”
জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মেহেরুন নাহার মুন্নি বলেন, “নারী ও শিশুদের জন্য সরকার বিভিন্ন সেবা ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব সেবার বিষয়ে সাধারণ মানুষের জানাশোনা বাড়ানো গেলে ভুক্তভোগীরা আরও সহজে সহায়তা পাবে। প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে হবে”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন ব্র্যাকের রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক জনাব বিভাষ চন্দ্র তরফদার। ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচির জেলা প্রধানগণ, স্বপ্নসারথী দলের সদস্য, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
পরে অনুষ্ঠিত মুক্ত আলোচনায় জেলার কন্যাশিশু, কিশোরী ও নারীদের অনিরাপত্তার বর্তমান পরিস্থিতির উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, অধিকাংশ সহিংসতার ঘটনার সঙ্গে মাদকসেবীরা জড়িত। এছাড়া সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নারীরা সাইবার বুলিংয়েরও শিকার হচ্ছেন।
বক্তারা বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মাদকের বিস্তার রোধের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরে অভিভাবক, শিক্ষক এবং সচেতন নাগরিকদের মূল্যবোধ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
বিভিন্নভাবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে জিয়াউল আহসানের মামলায় আমরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছি। কারণ আসামিপক্ষের আইনজীবী প্যানেলে রয়েছেন তারই বোন নাজনীন নাহার। তিনি প্রত্যেক তারিখেই কোনো না কোনো অজুহাতে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করেন। কখনও আইনজীবীর অসুস্থতা বা মৃত্যু, আবার কখনও বিভিন্ন কাগজপত্র চেয়ে ট্রাইব্যুনালে আর্জি জানাচ্ছেন। বিচার বিলম্বিত করতে এভাবেই শুনানির কার্যক্রম স্থগিত করতে চাইছেন এই আইনজীবী। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলায় রোববার (২১ জুন) একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন ট্রাইব্যুনাল। জেরার জন্য আজকের দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু জিয়াউল আহসানের পক্ষে তিন-চারটি আবেদন করেন আইনজীবী নাজনীন নাহার। এর মধ্যে আমরা একটি ছাড়া বাকিগুলোর বিরোধিতা করেছি। অর্থাৎ আসামির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাওয়া হয়েছে, যা একজন আইনজীবীর অধিকার। পরে এ ব্যাপারে অনুমতি দেন ট্রাইব্যুনাল। তবে বাকি আবেদনগুলো একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক ছি়ল।
আমিনুল ইসলাম বলেন, নানান প্রক্রিয়ায় গুমের মামলাটি বিলম্বিত করতে চায় আসামিপক্ষ। তারা ট্রাইব্যুনালে এসে শুধু সময় চাইতে থাকেন। এটা খুব ভালো লক্ষণ নয়। তবে পরিষ্কার করে বলতে চাই যে, আগামী তারিখ থেকে জিয়াউল আহসানের যেকোনো কলাকৌশল বা পদক্ষেপ তথা তার আইনজীবীরা যদি কোনো অসৎ উদ্দেশে আবেদন দিয়ে কালক্ষেপণ করতে চান, তাহলে আরও কঠোরভাবে আমরা আপত্তি জানাবো।’
স্থানীয় বিএনপির ৪ নেতার নাম প্রস্তাব। বিভিন্ন মাধ্যমে চলছে লবিং-তদবির। আলোচনায় আরও অর্ধডজন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে হচ্ছে এনিয়ে সরব আলোচনা চলছে। স্থানীয় বিএনপির শীর্ষসারির ৪ নেতার নাম ইতিমধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির আরও অন্তত অর্ধডজন নেতা একই পদে আসীন হতে চাইছেন। পদপ্রত্যাশিরা বিভিন্ন মাধ্যমে বিএনপির হাইকমান্ডে লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সরকারের তরফ থেকে কবে নাগাদ ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ চেয়ারম্যান মনোনীত করা হবে তা স্থানীয় বা কেন্দ্রীয় বিএনপির দায়িত্বশীল নেতৃত্ব নিশ্চিত বলতে পারছেন না। এর আগে গত সপ্তাহে বরিশাল বাদে দেশের ৮টি শহরে সরকার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় সরকার।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এর পরপরই গুঞ্জন ছড়িয়েছে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জন্য একজন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হবে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অর্ধডজন নেতাকর্মী বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হতে আগ্রহী হলেও আলোচনায় আছেন বিএনপির নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, একই কমিটির নির্বাহী সদস্য এবায়েদুল হক চান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন এবং মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদ। এ জন্য লবিং, তদবিরও চালাচ্ছেন বিএনপির দায়িত্বশীল কয়েক নেতা।
উল্লেখিত নেতৃত্বসারির নেতাদের মধ্যেকার কে হচ্ছেন বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তা বিএনপির কেন্দ্রীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতাও নিশ্চিত করতে পারছেন না। কিন্তু বলছেন, এটি একমাত্র বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করছে। তিনি যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে মনোনীত করা হতে পারে।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকায় বিষয়টি নিয়ে পদপ্রত্যাশীরাও বিস্তর মন্তব্য করতে চাইছেন না। কেউ কেউ এনিয়ে মিডিয়ায় কথা বলতেও ভয় পাচ্ছেন, কারণ কি বলতে গিয়ে আবার বিরাগভাজন হয়ে পড়েন।
মহানগর বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদার বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী। তিনি চেয়ারটি পেতে কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন, এমনকি লবি-তদবিরও চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই নেতা বলছেন, এই নগরের পরিবেশের সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়নে এমন একজন চেয়ারম্যান দরকার, যিনি শহরের বাসিন্দা এবং এই শহরের মানুষকে চেনেন-জানেন।
কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহও একই পদে আসীন হতে চাইছেন। গোপনে তিনিও লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, কোনো পদ-পদবির আকাঙ্খা করেন না। তবে সরকার মনোনীত করলে তার আপত্তি থাকবে না, বরং গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। পদপ্রত্যাশী বাকি নেতাদের বক্তব্যও অনুরূপ। সকলে সমান্তরালভাবে লবিং-তদবির করে গেলেও বলছেন, তাদের নেতা তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কেমন চরিত্রের হবে- এই বিষয়টি নিয়ে শহরবাসীও চিন্তায় আছেন। কদিন পুর্বে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এনিয়ে আলোচনাও হয়। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে উঠে আসে বিগত সময়ে বরিশাল নগরের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কাহিনী, যা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে অন্তত একজন যোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান রাখা হয়।
নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে মন্তব্য করেন বরিশালের সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক কাজী মিজানুর রহমান ফিরোজ। এই সমাজকর্মী বলেন, এটি সরকারের অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ। ভবন নির্মাণ, পরিবেশ রক্ষা এ দপ্তরের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যিনি বরিশাল সম্পর্কে জানেন, ভাবেন এবং বরিশালের খেলার মাঠ, জলাশয় রক্ষা করবেন, এমন একজন ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা উচিৎ।
বাসদের বরিশাল জেলা সমন্বয়ক তরুণ নারী নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, বরিশালবাসীর স্বার্থে একজন দক্ষ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এবং জনবান্ধব চেয়ারম্যান সরকারের নিয়োগ দেওয়া জরুরি। যদি এর ব্যত্তয় হয় তাহলে বরিশালবাসী দুর্ভোগে থাকতে হবে।
বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ নিলু রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘সৎ-পরিচ্ছন্ন এমন একজন ব্যক্তিকে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান করা উচিৎ। অতীতে জনপ্রতিনিধিরা মহাসড়ক দখল করে পার্ক করেছেন, যা জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছে। সেই ধরনের প্রকল্প কীর্তনখোলা তীরের বাসিন্দারা আর দেখতে চান না, মন্তব্য করেন তিনি।
বরিশালবাসীর প্রত্যাশার সাথে বিএনপির হাইকমান্ড একমত পোষণ করেছে বলে দলটির দায়িত্বশীল এক নেতা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে ওই নেতা জানিয়েছেন, আলোচনায় যে ৪/৫ জন আছেন তাদের মধ্যেকার একজনকে মনোনীত করা হতে পারে। এবং শিগগিরই সেই নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তবে কে লবিংয়ে এগিয়ে আছেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি আর কথা না বাড়িয়ে বলছেন অপেক্ষা করুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর আস্থা রাখুন।’
স্থানীয় বিএনপির ৪ নেতার নাম প্রস্তাব। বিভিন্ন মাধ্যমে চলছে লবিং-তদবির। আলোচনায় আরও অর্ধডজন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে হচ্ছে এনিয়ে সরব আলোচনা চলছে। স্থানীয় বিএনপির শীর্ষসারির ৪ নেতার নাম ইতিমধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বিএনপির আরও অন্তত অর্ধডজন নেতা একই পদে আসীন হতে চাইছেন। পদপ্রত্যাশিরা বিভিন্ন মাধ্যমে বিএনপির হাইকমান্ডে লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সরকারের তরফ থেকে কবে নাগাদ ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ চেয়ারম্যান মনোনীত করা হবে তা স্থানীয় বা কেন্দ্রীয় বিএনপির দায়িত্বশীল নেতৃত্ব নিশ্চিত বলতে পারছেন না। এর আগে গত সপ্তাহে বরিশাল বাদে দেশের ৮টি শহরে সরকার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয় সরকার।
চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এর পরপরই গুঞ্জন ছড়িয়েছে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জন্য একজন চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হবে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অর্ধডজন নেতাকর্মী বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান হতে আগ্রহী হলেও আলোচনায় আছেন বিএনপির নির্বাহী সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, একই কমিটির নির্বাহী সদস্য এবায়েদুল হক চান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক, সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহিন এবং মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মীর জাহিদুল কবির জাহিদ। এ জন্য লবিং, তদবিরও চালাচ্ছেন বিএনপির দায়িত্বশীল কয়েক নেতা।
উল্লেখিত নেতৃত্বসারির নেতাদের মধ্যেকার কে হচ্ছেন বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তা বিএনপির কেন্দ্রীয় একাধিক দায়িত্বশীল নেতাও নিশ্চিত করতে পারছেন না। কিন্তু বলছেন, এটি একমাত্র বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করছে। তিনি যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে মনোনীত করা হতে পারে।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকায় বিষয়টি নিয়ে পদপ্রত্যাশীরাও বিস্তর মন্তব্য করতে চাইছেন না। কেউ কেউ এনিয়ে মিডিয়ায় কথা বলতেও ভয় পাচ্ছেন, কারণ কি বলতে গিয়ে আবার বিরাগভাজন হয়ে পড়েন।
মহানগর বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদার বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদপ্রত্যাশী। তিনি চেয়ারটি পেতে কেন্দ্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন, এমনকি লবি-তদবিরও চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই নেতা বলছেন, এই নগরের পরিবেশের সুরক্ষা, টেকসই উন্নয়নে এমন একজন চেয়ারম্যান দরকার, যিনি শহরের বাসিন্দা এবং এই শহরের মানুষকে চেনেন-জানেন।
কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রহমাতুল্লাহও একই পদে আসীন হতে চাইছেন। গোপনে তিনিও লবিং-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, কোনো পদ-পদবির আকাঙ্খা করেন না। তবে সরকার মনোনীত করলে তার আপত্তি থাকবে না, বরং গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করবেন। পদপ্রত্যাশী বাকি নেতাদের বক্তব্যও অনুরূপ। সকলে সমান্তরালভাবে লবিং-তদবির করে গেলেও বলছেন, তাদের নেতা তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন।
বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কেমন চরিত্রের হবে- এই বিষয়টি নিয়ে শহরবাসীও চিন্তায় আছেন। কদিন পুর্বে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এনিয়ে আলোচনাও হয়। সেখানে আলোচনার একপর্যায়ে উঠে আসে বিগত সময়ে বরিশাল নগরের অপরিকল্পিত উন্নয়নের কাহিনী, যা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে অন্তত একজন যোগ্য মানুষকে দায়িত্ব দেওয়ার আহ্বান রাখা হয়।
নগরের পরিকল্পিত উন্নয়নে ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে মন্তব্য করেন বরিশালের সাধারণ নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক কাজী মিজানুর রহমান ফিরোজ। এই সমাজকর্মী বলেন, এটি সরকারের অনুমোদিত কর্তৃপক্ষ। ভবন নির্মাণ, পরিবেশ রক্ষা এ দপ্তরের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যিনি বরিশাল সম্পর্কে জানেন, ভাবেন এবং বরিশালের খেলার মাঠ, জলাশয় রক্ষা করবেন, এমন একজন ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান করা উচিৎ।
বাসদের বরিশাল জেলা সমন্বয়ক তরুণ নারী নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, বরিশালবাসীর স্বার্থে একজন দক্ষ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এবং জনবান্ধব চেয়ারম্যান সরকারের নিয়োগ দেওয়া জরুরি। যদি এর ব্যত্তয় হয় তাহলে বরিশালবাসী দুর্ভোগে থাকতে হবে।
বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ও স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ নিলু রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘সৎ-পরিচ্ছন্ন এমন একজন ব্যক্তিকে বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান করা উচিৎ। অতীতে জনপ্রতিনিধিরা মহাসড়ক দখল করে পার্ক করেছেন, যা জনদুর্ভোগ বাড়িয়েছে। সেই ধরনের প্রকল্প কীর্তনখোলা তীরের বাসিন্দারা আর দেখতে চান না, মন্তব্য করেন তিনি।
বরিশালবাসীর প্রত্যাশার সাথে বিএনপির হাইকমান্ড একমত পোষণ করেছে বলে দলটির দায়িত্বশীল এক নেতা নিশ্চিত করেন। নামপ্রকাশ না করার শর্তে ওই নেতা জানিয়েছেন, আলোচনায় যে ৪/৫ জন আছেন তাদের মধ্যেকার একজনকে মনোনীত করা হতে পারে। এবং শিগগিরই সেই নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তবে কে লবিংয়ে এগিয়ে আছেন এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি আর কথা না বাড়িয়ে বলছেন অপেক্ষা করুন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর আস্থা রাখুন।’