
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৬
শিশুদের মধ্যেও শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কোন আয়োজনের যেন কমতি নেই। বিভিন্ন পারা মহল্লায় প্রতি বছর এ দিনে শিশুরা নানা আয়োজন করে দিনটি উদযাপন করে।
এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল নগরীর রসুলপুর কলোনিতে প্রায় ১৫টি শহীদ মিনার তৈরি করেছে শিশুরা। বেশ কয়েকটি গ্ৰুপে ভাগ হয়ে শিশুরা এই শহীদ মিনারগুলো তৈরি করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহীদ মিনার তৈরির বিষয়টি নিয়ে শিশুদের অভিভাবকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ উদ্দীপনার।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আগের দিন থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি বিকেল পর্যন্ত নগরীর রসুলপুর কলোনিতে ছিল এই উৎসাহ উদ্দীপনা।
কোন কোন জায়গায় শিশুদের উদ্যোগে পাঁচ টাকা দশ টাকা করে চাঁদা তুলে ও ঘরে ঘরে থেকে চাল-ঢাল উঠিয়ে আয়োজন করা হয় খিচুড়ির।
আবার রান্না শেষে বিতরণ করা হয় সবার মাঝে। এমন আয়োজন প্রতিবছর করা হয় বলে জানান এক শিশুর অভিভাবক।
সাকিব নামের এক শিশুর মা মনোয়ারা বেগম বলেন, বেশ কিছু বছর ধরেই এই আয়োজন করা হচ্ছে এই কলোনিতে।
একুশে ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে এই কলোনির সবার মাঝে অন্য রকম এক আনন্দ বিরাজ করে। আর এ আয়োজনে শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।
জানা গেছে, এই পুরো আয়োজনকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। তারা শহীদ মিনার নির্মাণ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করে থাকে। ফলে শিশুরাও তাদের কাজে পায় ভিন্ন এক অনুভূতি।
স্থানীয়রা জানান, মূলত ১০-১২ বছর আগে শহীদ মিনার নির্মাণের এমন আয়োজনের উদ্যোগ নেয় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী।
তার হাত ধরেই এই কলোনিতে এমন আয়োজন শুরু হয়। এরপর থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি মানেই কীর্তনখোলা নদীর তীরে রসুলপুর কলোনিতে ভিন্ন এক আয়োজন। পুরো আয়োজনটি শিশু কেন্দ্রীক হলেও ছোট-বড় সবাই এতে সহায়তা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা চুন্নু বলেন, শিশুরা শহীদ মিনার নির্মাণের এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য একুশে ফেব্রুয়ারির এক সপ্তাহ আগে থেকেই টাকা জমাতে শুরু করে। সেই জমানো টাকা দিয়ে গাঁদা ফুল ও রঙিন কাগজ কিনে সাজায় শহীদ মিনার।
লাবনী নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী বলেন, মনীষা আপা আমাদের এই শহীদ মিনার দেখে পুরস্কার দেয়। শুধু পুরস্কার নয় শহীদ মিনার সম্পর্কেও ধারণা দেয়।
লাবনীর মা বলেন, আমার মেয়ে তার বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে রঙ্গিন কাগজ, রং ও কাঠের গুড়া কিনে এনে শহীদ মিনার বানিয়েছে। সে বানাতে পেরে বেশ খুশি। তার ভালো লাগা আমাদের কাছেও ভালো লাগছে।
সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা কমিটির বর্তমান সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শিশুদের উৎসাহ দিতেই ১৩ বছর ধরে এমন আয়োজন।
কলোনির শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ছাড়াও ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। তার এই আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, রসুলপুর কলোনি এটি দারিদ্র্য এলাকা, এখানকার শিশুরা প্রতিকূল পরিবেশে বেড়ে ওঠে। এখানে মাদকের, সন্ত্রাসের বিস্তার রয়েছে এবং নানা ধরনের অন্ধকার জগতের হাতছানি এলাকাগুলোতে রয়েছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মানসিক বিকাশ, বেড়ে ওঠা, দেশপ্রেম সৃষ্টির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শিশুদের মধ্যেও শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কোন আয়োজনের যেন কমতি নেই। বিভিন্ন পারা মহল্লায় প্রতি বছর এ দিনে শিশুরা নানা আয়োজন করে দিনটি উদযাপন করে।
এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল নগরীর রসুলপুর কলোনিতে প্রায় ১৫টি শহীদ মিনার তৈরি করেছে শিশুরা। বেশ কয়েকটি গ্ৰুপে ভাগ হয়ে শিশুরা এই শহীদ মিনারগুলো তৈরি করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহীদ মিনার তৈরির বিষয়টি নিয়ে শিশুদের অভিভাবকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ উদ্দীপনার।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আগের দিন থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি বিকেল পর্যন্ত নগরীর রসুলপুর কলোনিতে ছিল এই উৎসাহ উদ্দীপনা।
কোন কোন জায়গায় শিশুদের উদ্যোগে পাঁচ টাকা দশ টাকা করে চাঁদা তুলে ও ঘরে ঘরে থেকে চাল-ঢাল উঠিয়ে আয়োজন করা হয় খিচুড়ির।
আবার রান্না শেষে বিতরণ করা হয় সবার মাঝে। এমন আয়োজন প্রতিবছর করা হয় বলে জানান এক শিশুর অভিভাবক।
সাকিব নামের এক শিশুর মা মনোয়ারা বেগম বলেন, বেশ কিছু বছর ধরেই এই আয়োজন করা হচ্ছে এই কলোনিতে।
একুশে ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে এই কলোনির সবার মাঝে অন্য রকম এক আনন্দ বিরাজ করে। আর এ আয়োজনে শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।
জানা গেছে, এই পুরো আয়োজনকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। তারা শহীদ মিনার নির্মাণ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করে থাকে। ফলে শিশুরাও তাদের কাজে পায় ভিন্ন এক অনুভূতি।
স্থানীয়রা জানান, মূলত ১০-১২ বছর আগে শহীদ মিনার নির্মাণের এমন আয়োজনের উদ্যোগ নেয় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী।
তার হাত ধরেই এই কলোনিতে এমন আয়োজন শুরু হয়। এরপর থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি মানেই কীর্তনখোলা নদীর তীরে রসুলপুর কলোনিতে ভিন্ন এক আয়োজন। পুরো আয়োজনটি শিশু কেন্দ্রীক হলেও ছোট-বড় সবাই এতে সহায়তা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা চুন্নু বলেন, শিশুরা শহীদ মিনার নির্মাণের এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য একুশে ফেব্রুয়ারির এক সপ্তাহ আগে থেকেই টাকা জমাতে শুরু করে। সেই জমানো টাকা দিয়ে গাঁদা ফুল ও রঙিন কাগজ কিনে সাজায় শহীদ মিনার।
লাবনী নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী বলেন, মনীষা আপা আমাদের এই শহীদ মিনার দেখে পুরস্কার দেয়। শুধু পুরস্কার নয় শহীদ মিনার সম্পর্কেও ধারণা দেয়।
লাবনীর মা বলেন, আমার মেয়ে তার বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে রঙ্গিন কাগজ, রং ও কাঠের গুড়া কিনে এনে শহীদ মিনার বানিয়েছে। সে বানাতে পেরে বেশ খুশি। তার ভালো লাগা আমাদের কাছেও ভালো লাগছে।
সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা কমিটির বর্তমান সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শিশুদের উৎসাহ দিতেই ১৩ বছর ধরে এমন আয়োজন।
কলোনির শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ছাড়াও ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। তার এই আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, রসুলপুর কলোনি এটি দারিদ্র্য এলাকা, এখানকার শিশুরা প্রতিকূল পরিবেশে বেড়ে ওঠে। এখানে মাদকের, সন্ত্রাসের বিস্তার রয়েছে এবং নানা ধরনের অন্ধকার জগতের হাতছানি এলাকাগুলোতে রয়েছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মানসিক বিকাশ, বেড়ে ওঠা, দেশপ্রেম সৃষ্টির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৫
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারের সময় বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ারের কর্মীকে অপহরণ-নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশের আবেদনের প্রেক্ষাপটে মুখ্য মহানগর হাকিম মো. জহির উদ্দিন এ আদেশ দিয়েছেন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুর রহমান। এই মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বরিশাল ৫ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনের মহাজোট প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. রুহুল আমিন, একাদশ সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, উপ-কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া, বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার, পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল আহম্মেদ, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই রাসেল মিয়া, এএসআই এরফান হোসেন মিদুল, এএসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ মিলন বিশ্বাস, এএসআই মেহেদি হাসান মোল্লা এবং কনস্টেবল ফয়জুল।
বাদী যুবদল নেতা পলাশ অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার কোনো নেতাকর্মী নিয়ে প্রচারে যেতে পারেননি।
তখন বিএনপির প্রার্থীর সার্বক্ষণিক কার্যক্রমে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। সেই নির্বাচনের কদিন আগে ২৬ ডিসেম্বর দুপুরে সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন বাজারে লিফলেট বিতরণ করে বরিশাল নগরীতে সমাবেশে অংশ নিতে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ারসহ নেতাকর্মীরা রওনা দেন। তখন তিন দিক থেকে তাদের স্পিডবোটে ধাওয়া করা হয়।
একপর্যায়ে বিশ্বাসের হাট এলাকায় পৌঁছলে নদীর ভিতর থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ তাকে অপহরণ করে। পরে চোখ বেঁধে একটি অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে আটকে রাখে। এবং সেখানে তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন করে। এমনকি পরবর্তীতে বন্দর থানায় নিয়ে তাকে তিনটি মামলার আসামি করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে একই বছরের ১০ নভেম্বর বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি অভিযোগ করেছিলেন বাদী বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশ। তৎকালীন আদালত মামলাটিকে বন্দর থানা পুলিশের কাছে পাঠিয়ে এফআইআর করার নির্দেশ দেন।
বন্দর থানা পুলিশ মামলাটি তদন্তে গিয়ে দেখে ঘটনাস্থলটি বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানার আওতায় পড়েছে। পরবর্তীতে বন্দর থানা পুলিশ এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। আদালত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন। ‘স্বৈরশাসন’ বহাল থাকায় নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে এতদিন মামলা করেননি বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন যুবদল নেতা মশিউর।’
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারের সময় বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ারের কর্মীকে অপহরণ-নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশের আবেদনের প্রেক্ষাপটে মুখ্য মহানগর হাকিম মো. জহির উদ্দিন এ আদেশ দিয়েছেন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুর রহমান। এই মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বরিশাল ৫ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনের মহাজোট প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. রুহুল আমিন, একাদশ সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, উপ-কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া, বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার, পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল আহম্মেদ, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই রাসেল মিয়া, এএসআই এরফান হোসেন মিদুল, এএসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ মিলন বিশ্বাস, এএসআই মেহেদি হাসান মোল্লা এবং কনস্টেবল ফয়জুল।
বাদী যুবদল নেতা পলাশ অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার কোনো নেতাকর্মী নিয়ে প্রচারে যেতে পারেননি।
তখন বিএনপির প্রার্থীর সার্বক্ষণিক কার্যক্রমে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। সেই নির্বাচনের কদিন আগে ২৬ ডিসেম্বর দুপুরে সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন বাজারে লিফলেট বিতরণ করে বরিশাল নগরীতে সমাবেশে অংশ নিতে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ারসহ নেতাকর্মীরা রওনা দেন। তখন তিন দিক থেকে তাদের স্পিডবোটে ধাওয়া করা হয়।
একপর্যায়ে বিশ্বাসের হাট এলাকায় পৌঁছলে নদীর ভিতর থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ তাকে অপহরণ করে। পরে চোখ বেঁধে একটি অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে আটকে রাখে। এবং সেখানে তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন করে। এমনকি পরবর্তীতে বন্দর থানায় নিয়ে তাকে তিনটি মামলার আসামি করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে একই বছরের ১০ নভেম্বর বরিশাল সদর আসনের সাবেক এমপি ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে নালিশি অভিযোগ করেছিলেন বাদী বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশ। তৎকালীন আদালত মামলাটিকে বন্দর থানা পুলিশের কাছে পাঠিয়ে এফআইআর করার নির্দেশ দেন।
বন্দর থানা পুলিশ মামলাটি তদন্তে গিয়ে দেখে ঘটনাস্থলটি বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানার আওতায় পড়েছে। পরবর্তীতে বন্দর থানা পুলিশ এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। আদালত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সেই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশকে মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেন। ‘স্বৈরশাসন’ বহাল থাকায় নিজেদের নিরাপত্তার কথা ভেবে এতদিন মামলা করেননি বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন যুবদল নেতা মশিউর।’

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩৯
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সরকার সারাদেশ ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে। যা শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। তারই অংশ হিসেবে বরিশালে খাল পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করা হলো।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি। এ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, একইসাথে বনায়নের অংশ হিসেবে গাছ রোপন কর্মসূচিও শুরু করা হয়েছে। আগামীতে এই কাজ আরও তরান্বিত করা হবে।
তথ্য মন্ত্রী বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে, তৎকালীন সময়ে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির যে সুফল ঘটেছিল, তা আজ প্রমাণিত সত্য। পরবর্তীতে খালগুলো মরে যাওয়ার কারণে কৃষি উৎপাদন যে ব্যাহত হয়েছে তাও প্রমাণিত হয়েছে। ফলে সেই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে খাল খন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে জোয়ার ভাটার পানি সরাসরি কৃষকের জমিতে পৌঁছে যাবে বলেও জানান তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আমরা কোনো দলীয় সরকার অথবা দলীয় রাষ্ট্র গঠন করবো না। আমরা জনগণের সরকার গঠন করবো। নির্বাচিত হলে আমরা সরকার থাকবো, না হলে সরকার থাকবো না, কিন্তু নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবো।
এসময় বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কাপলাতলি খালের পূনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
Reneta
আমলা ও পুলিশকে জনগণর জন্য কাজ করার পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে বলেও জানান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সরকার সারাদেশ ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে। যা শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। তারই অংশ হিসেবে বরিশালে খাল পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করা হলো।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি। এ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, একইসাথে বনায়নের অংশ হিসেবে গাছ রোপন কর্মসূচিও শুরু করা হয়েছে। আগামীতে এই কাজ আরও তরান্বিত করা হবে।
তথ্য মন্ত্রী বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে, তৎকালীন সময়ে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির যে সুফল ঘটেছিল, তা আজ প্রমাণিত সত্য। পরবর্তীতে খালগুলো মরে যাওয়ার কারণে কৃষি উৎপাদন যে ব্যাহত হয়েছে তাও প্রমাণিত হয়েছে। ফলে সেই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে খাল খন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে জোয়ার ভাটার পানি সরাসরি কৃষকের জমিতে পৌঁছে যাবে বলেও জানান তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আমরা কোনো দলীয় সরকার অথবা দলীয় রাষ্ট্র গঠন করবো না। আমরা জনগণের সরকার গঠন করবো। নির্বাচিত হলে আমরা সরকার থাকবো, না হলে সরকার থাকবো না, কিন্তু নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেবো।
এসময় বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কাপলাতলি খালের পূনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
Reneta
আমলা ও পুলিশকে জনগণর জন্য কাজ করার পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে বলেও জানান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৪০
বরিশালের বাবুগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
একুশের প্রথম প্রহরে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে বাবুগঞ্জ উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। এসময় উপজেলা প্রশাসন ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাবুগঞ্জ ও এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ, বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, রাশেদ খান মেনন মডেল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাবুগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি প্রভাতফেরি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘুরে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অমর একুশের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার, বাবুগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক ইকবাল কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বাবুগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী জায়েদ খান।
এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রউফ, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ইমামুল হক আলীম, মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুস সালেহীন, উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়দা আখতার, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, তথ্যআপা প্রকল্প কর্মকর্তা জিনিয়া আফরিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবদুল করিম হাওলাদার প্রমুখসহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে উপজেলা শিশু একাডেমির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু একটি তারিখ নয়, এটা বাঙালির স্বাধিকার, গৌরব ও আত্মমর্যাদার এক প্রতীক। পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষ তাদের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিলেও আমরাই একমাত্র গৌরবান্বিত জাতি, যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়ে মাতৃভাষাকে বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠিত করেছি। আমাদের একুশে ফেব্রুয়ারি আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। সিয়েরা লিওনে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটা আমাদের জন্য বিরল সম্মান এবং গৌরবের। তাই বাংলা ভাষার মর্যাদাকে সমুন্নত রেখে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক এবং শুদ্ধভাবে বাংলা বানান লেখা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনোযোগী হতে হবে।'
বরিশালের বাবুগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
একুশের প্রথম প্রহরে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে বাবুগঞ্জ উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। এসময় উপজেলা প্রশাসন ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাবুগঞ্জ ও এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ, বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, রাশেদ খান মেনন মডেল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাবুগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি প্রভাতফেরি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘুরে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অমর একুশের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার, বাবুগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক ইকবাল কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বাবুগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী জায়েদ খান।
এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রউফ, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ইমামুল হক আলীম, মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুস সালেহীন, উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়দা আখতার, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, তথ্যআপা প্রকল্প কর্মকর্তা জিনিয়া আফরিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবদুল করিম হাওলাদার প্রমুখসহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে উপজেলা শিশু একাডেমির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু একটি তারিখ নয়, এটা বাঙালির স্বাধিকার, গৌরব ও আত্মমর্যাদার এক প্রতীক। পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষ তাদের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিলেও আমরাই একমাত্র গৌরবান্বিত জাতি, যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়ে মাতৃভাষাকে বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠিত করেছি। আমাদের একুশে ফেব্রুয়ারি আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। সিয়েরা লিওনে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটা আমাদের জন্য বিরল সম্মান এবং গৌরবের। তাই বাংলা ভাষার মর্যাদাকে সমুন্নত রেখে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক এবং শুদ্ধভাবে বাংলা বানান লেখা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনোযোগী হতে হবে।'
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.