Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৬
শিশুদের মধ্যেও শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কোন আয়োজনের যেন কমতি নেই। বিভিন্ন পারা মহল্লায় প্রতি বছর এ দিনে শিশুরা নানা আয়োজন করে দিনটি উদযাপন করে।
এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল নগরীর রসুলপুর কলোনিতে প্রায় ১৫টি শহীদ মিনার তৈরি করেছে শিশুরা। বেশ কয়েকটি গ্ৰুপে ভাগ হয়ে শিশুরা এই শহীদ মিনারগুলো তৈরি করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহীদ মিনার তৈরির বিষয়টি নিয়ে শিশুদের অভিভাবকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ উদ্দীপনার।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আগের দিন থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি বিকেল পর্যন্ত নগরীর রসুলপুর কলোনিতে ছিল এই উৎসাহ উদ্দীপনা।
কোন কোন জায়গায় শিশুদের উদ্যোগে পাঁচ টাকা দশ টাকা করে চাঁদা তুলে ও ঘরে ঘরে থেকে চাল-ঢাল উঠিয়ে আয়োজন করা হয় খিচুড়ির।
আবার রান্না শেষে বিতরণ করা হয় সবার মাঝে। এমন আয়োজন প্রতিবছর করা হয় বলে জানান এক শিশুর অভিভাবক।
সাকিব নামের এক শিশুর মা মনোয়ারা বেগম বলেন, বেশ কিছু বছর ধরেই এই আয়োজন করা হচ্ছে এই কলোনিতে।
একুশে ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে এই কলোনির সবার মাঝে অন্য রকম এক আনন্দ বিরাজ করে। আর এ আয়োজনে শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।
জানা গেছে, এই পুরো আয়োজনকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। তারা শহীদ মিনার নির্মাণ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করে থাকে। ফলে শিশুরাও তাদের কাজে পায় ভিন্ন এক অনুভূতি।
স্থানীয়রা জানান, মূলত ১০-১২ বছর আগে শহীদ মিনার নির্মাণের এমন আয়োজনের উদ্যোগ নেয় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী।
তার হাত ধরেই এই কলোনিতে এমন আয়োজন শুরু হয়। এরপর থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি মানেই কীর্তনখোলা নদীর তীরে রসুলপুর কলোনিতে ভিন্ন এক আয়োজন। পুরো আয়োজনটি শিশু কেন্দ্রীক হলেও ছোট-বড় সবাই এতে সহায়তা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা চুন্নু বলেন, শিশুরা শহীদ মিনার নির্মাণের এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য একুশে ফেব্রুয়ারির এক সপ্তাহ আগে থেকেই টাকা জমাতে শুরু করে। সেই জমানো টাকা দিয়ে গাঁদা ফুল ও রঙিন কাগজ কিনে সাজায় শহীদ মিনার।
লাবনী নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী বলেন, মনীষা আপা আমাদের এই শহীদ মিনার দেখে পুরস্কার দেয়। শুধু পুরস্কার নয় শহীদ মিনার সম্পর্কেও ধারণা দেয়।
লাবনীর মা বলেন, আমার মেয়ে তার বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে রঙ্গিন কাগজ, রং ও কাঠের গুড়া কিনে এনে শহীদ মিনার বানিয়েছে। সে বানাতে পেরে বেশ খুশি। তার ভালো লাগা আমাদের কাছেও ভালো লাগছে।
সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা কমিটির বর্তমান সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শিশুদের উৎসাহ দিতেই ১৩ বছর ধরে এমন আয়োজন।
কলোনির শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ছাড়াও ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। তার এই আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, রসুলপুর কলোনি এটি দারিদ্র্য এলাকা, এখানকার শিশুরা প্রতিকূল পরিবেশে বেড়ে ওঠে। এখানে মাদকের, সন্ত্রাসের বিস্তার রয়েছে এবং নানা ধরনের অন্ধকার জগতের হাতছানি এলাকাগুলোতে রয়েছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মানসিক বিকাশ, বেড়ে ওঠা, দেশপ্রেম সৃষ্টির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শিশুদের মধ্যেও শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কোন আয়োজনের যেন কমতি নেই। বিভিন্ন পারা মহল্লায় প্রতি বছর এ দিনে শিশুরা নানা আয়োজন করে দিনটি উদযাপন করে।
এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল নগরীর রসুলপুর কলোনিতে প্রায় ১৫টি শহীদ মিনার তৈরি করেছে শিশুরা। বেশ কয়েকটি গ্ৰুপে ভাগ হয়ে শিশুরা এই শহীদ মিনারগুলো তৈরি করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহীদ মিনার তৈরির বিষয়টি নিয়ে শিশুদের অভিভাবকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ উদ্দীপনার।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আগের দিন থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি বিকেল পর্যন্ত নগরীর রসুলপুর কলোনিতে ছিল এই উৎসাহ উদ্দীপনা।
কোন কোন জায়গায় শিশুদের উদ্যোগে পাঁচ টাকা দশ টাকা করে চাঁদা তুলে ও ঘরে ঘরে থেকে চাল-ঢাল উঠিয়ে আয়োজন করা হয় খিচুড়ির।
আবার রান্না শেষে বিতরণ করা হয় সবার মাঝে। এমন আয়োজন প্রতিবছর করা হয় বলে জানান এক শিশুর অভিভাবক।
সাকিব নামের এক শিশুর মা মনোয়ারা বেগম বলেন, বেশ কিছু বছর ধরেই এই আয়োজন করা হচ্ছে এই কলোনিতে।
একুশে ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে এই কলোনির সবার মাঝে অন্য রকম এক আনন্দ বিরাজ করে। আর এ আয়োজনে শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।
জানা গেছে, এই পুরো আয়োজনকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। তারা শহীদ মিনার নির্মাণ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করে থাকে। ফলে শিশুরাও তাদের কাজে পায় ভিন্ন এক অনুভূতি।
স্থানীয়রা জানান, মূলত ১০-১২ বছর আগে শহীদ মিনার নির্মাণের এমন আয়োজনের উদ্যোগ নেয় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী।
তার হাত ধরেই এই কলোনিতে এমন আয়োজন শুরু হয়। এরপর থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি মানেই কীর্তনখোলা নদীর তীরে রসুলপুর কলোনিতে ভিন্ন এক আয়োজন। পুরো আয়োজনটি শিশু কেন্দ্রীক হলেও ছোট-বড় সবাই এতে সহায়তা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা চুন্নু বলেন, শিশুরা শহীদ মিনার নির্মাণের এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য একুশে ফেব্রুয়ারির এক সপ্তাহ আগে থেকেই টাকা জমাতে শুরু করে। সেই জমানো টাকা দিয়ে গাঁদা ফুল ও রঙিন কাগজ কিনে সাজায় শহীদ মিনার।
লাবনী নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী বলেন, মনীষা আপা আমাদের এই শহীদ মিনার দেখে পুরস্কার দেয়। শুধু পুরস্কার নয় শহীদ মিনার সম্পর্কেও ধারণা দেয়।
লাবনীর মা বলেন, আমার মেয়ে তার বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে রঙ্গিন কাগজ, রং ও কাঠের গুড়া কিনে এনে শহীদ মিনার বানিয়েছে। সে বানাতে পেরে বেশ খুশি। তার ভালো লাগা আমাদের কাছেও ভালো লাগছে।
সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা কমিটির বর্তমান সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শিশুদের উৎসাহ দিতেই ১৩ বছর ধরে এমন আয়োজন।
কলোনির শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ছাড়াও ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। তার এই আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, রসুলপুর কলোনি এটি দারিদ্র্য এলাকা, এখানকার শিশুরা প্রতিকূল পরিবেশে বেড়ে ওঠে। এখানে মাদকের, সন্ত্রাসের বিস্তার রয়েছে এবং নানা ধরনের অন্ধকার জগতের হাতছানি এলাকাগুলোতে রয়েছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মানসিক বিকাশ, বেড়ে ওঠা, দেশপ্রেম সৃষ্টির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

২৫ মে, ২০২৬ ২৩:৫৭
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’

২৫ মে, ২০২৬ ২১:১২
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'

২৫ মে, ২০২৬ ২১:০৬
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বরিশালের হিজলায় ঝড়ে নৌকাডুবিতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার (২৫ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় এক দুর্ঘটনায় তাঁরা নিখোঁজ হন। আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটে যাওয়ার সময় আটজন যাত্রী, জেলে কার্ডের ৫০০ কেজি চালসহ একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও ৩ জনের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সোমবার রাতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে হিজলা ফায়ার সার্ভিস, থানা ও নৌ পুলিশ স্থানীয়দের সহায়তায় নদীতে ব্যাপক তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালায়। হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার ধুলখোলা গ্রামের জাফর জোমাদ্দারের ছেলে নুর ইসলাম জোমাদ্দার (৪৫), নুর ইসলাম জোমাদ্দারের ছেলে মো. ইব্রাহিম (১২) এবং হামিদ বিশ্বাসের ছেলে মো. হারুন বিশ্বাস (৪৫)।
হিজলা নৌ পুলিশ জানায়, আজ বিকেলে জেলে কার্ডের সরকারি ৫০০ কেজি চাল নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা আলীগঞ্জ খেয়াঘাট থেকে ধুলখোলা খেয়াঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। নৌকাটিতে চালের পাশাপাশি আটজন যাত্রীও ছিল। নৌকাটি হিজলা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে।
বাতাসের তীব্রতা ও ঢেউয়ের কারণে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ডুবে যায়। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পরপরই কাছাকাছি থাকা স্থানীয় জেলেরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে নদী থেকে পাঁচজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করলেও তিনজন নিখোঁজ হয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা থানা-পুলিশ, নৌ পুলিশ এবং হিজলা ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান শুরু করে।
হিজলা নৌ পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের জানান, নৌকাডুবির ঘটনায় তিনজন নিখোঁজ হয়েছেন। সোমবার রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাঁদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। স্থানীয় জেলেদের সহায়তায় প্রশাসনের উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।’
কীর্তনখোলা নদীর তীরবর্তী ‘ত্রিশ গোডাউন’ এলাকায় ট্রলার মাঝিদের সিন্ডিকেট ও পর্যটক হয়রানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ‘জাস্টিস অব দ্যা পিস’ এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ।
ভ্রমণপিপাসুদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং দুর্ব্যবহারের বিষয়টি এই বিচারকের নজরে এলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের এভাবে ঠকানো স্পষ্টত ‘ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন’ এর চরম লঙ্ঘন।
শুধু আদেশই দেননি, সংশ্লিষ্টদের ডেকে সতর্ক করেছেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারকের নির্দেশের পরই বদলে গেছে ত্রিশ গোডাউন ঘাটের চিত্র। এখন নৌকাঘাটেই শোভা পাচ্ছে নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা।
ত্রিশ গোডাউনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী সাদ্দাম কিবরিয়া বলেন, 'আগে মাঝিরা মুখ দেখে ভাড়া চাইত। প্রতিবাদ করলে দল বেঁধে এসে অপমান করত। ঘাটে ভাড়ার তালিকা দেখে স্বস্তি লাগছে।'
পরিবার নিয়ে আসা ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন বলেন বলেন, 'আগে এখানে এসে মাঝিদের সাথে দরদাম করতে গিয়ে মেজাজটাই খারাপ হয়ে যেত। কোনো দরাদরি নেই, তালিকায় যা লেখা, তা-ই দিচ্ছি।'
বিচারক এস, এম, শরিয়ত উল্লাহ’র এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বরিশালের স্থানীয় সুশীল সমাজ ও পরিবেশবাদী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। তাদের মতে, পর্যটন নগরী হিসেবে বরিশালের ভাবমূর্তি রক্ষায় এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের আইন কানুন অনেক আছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ দূর করতে তার প্রয়োগ দেখা যায় খুব কম। একজন ম্যাজিস্ট্রেট যখন নিজের স্ব-প্রণোদিত ক্ষমতায় নৈরাজ্য থামান, তখন আইনের প্রতি মানুষের আস্থা শতগুণ বেড়ে যায়। বরিশালের অন্যান্য সেক্টরেও এমন দৃশ্যমান তদারকি চলুক।'
বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে মোট ১ হাজার ৩৭৮ জন কর্মীকে এ উপহার দেওয়া হয়।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে বরিশাল নগর ভবনের নগর মিলনায়তনে (অডিটোরিয়াম) আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপহার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
তিনি বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাদের এ পরিশ্রমের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে এই উপহার প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি পর্যায়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং কর্মীদের কল্যাণে বর্তমান প্রশাসন কাজ করছে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, সাবেক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার, শাহ্ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপুসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।