
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৪২
বরিশালের গৌরনদীতে কোনো এমবিবিএস ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ ২০ বছর ধরে চোখের চিকিৎসা দিয়ে আসার বিষয়টি নিজেই অকপটে স্বীকার করেছেন মোঃ ইব্রাহিম খলিল (৬০) নামে এক কথিত ডাক্তার।
রোগী দেখার সময় তিনি ফোনে এক চিকিৎসক ‘স্যার’ এর সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন, যা নিয়ে জনমনে গভীর শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভুরঘাটা বাজার সংলগ্ন একটি ফার্মেসিতে সপ্তাহে তিন দিন রোগী দেখেন তিনি। বাকি সময় নিজ বাসা ইল্লায় বসেই রোগীদের চিকিৎসা দেন। চোখের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে রোগীরা তার কাছে আসছেন।
অভিযোগ রয়েছে, রোগীদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিবেদকের হাতে আসা একাধিক প্রেসক্রিপশন পর্যালোচনা করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রমাণও পাওয়া গেছে।
একই সঙ্গে দেখা গেছে, ব্যবহৃত প্রেসক্রিপশন প্যাডের ওপরের অংশে ডান পাশে ইব্রাহিম খলিলের নাম এবং বাম পাশে এফ আর হাবীবের নাম উল্লেখ রয়েছে। এতে চিকিৎসা কার্যক্রমের ধরন ও দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রেসক্রিপশন দেওয়ার পর প্যাডে থাকা এফ আর হাবীবের নাম ও নম্বর মার্কার দিয়ে মুছে ফেলেন ইব্রাহিম খলিল।
এ ছাড়া জানা গেছে, ইব্রাহিম খলিলের ফার্মেসির ড্রাগ লাইসেন্স থাকলেও বাসায় চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাথমিক সেবার বাইরে যাওয়ার কোনো অনুমতি নেই। অথচ তিনি নিয়মিত রোগী দেখে ওষুধ প্রদান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বললে ইব্রাহিম খলিল বলেন, 'আমি এমবিবিএস ডাক্তার না। বাংলাদেশ স্টেট মেডিকেল থেকে প্যারামেডিকেল কোর্স করেছি। রোগী এলে মাঝে মাঝে আমার ‘স্যার’-কে ফোন করি, তিনি যেভাবে চিকিৎসা দিতে বলেন, আমি সেই অনুযায়ী ওষুধ দেই।' তিনি জানান, তার ওই স্যারের নাম এফ আর হাবীব, যিনি ঢাকার একটি আই হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এফ আর হাবীব বলেন,'তিনি মাঝে মাঝে ফোন করেন। তখন কিছু পরামর্শ দিই, তবে সব সময় নয়।'এই দুই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সরাসরি রোগী না দেখে ফোনে পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি নয় বলে মনে করছেন চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে এমন পদ্ধতি রোগীর জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এ ধরনের কার্যক্রম প্রচলিত চিকিৎসা নীতিমালার পরিপন্থী বলেও মত দিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, 'অনেকেই তাকে চিকিৎসক মনে করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কিন্তু তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি চিকিৎসক নন এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, চোখের মতো সংবেদনশীল অঙ্গের চিকিৎসায় সামান্য ভুলও স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে। সরাসরি পরীক্ষা ছাড়া ফোনের মাধ্যমে পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া রোগীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকি রোগীকে অন্ধত্ববরণও করা লাগতে পারে।
এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ ফকরুল ইসলাম মৃধা বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি চিকিৎসা দিলে তা আইনত দণ্ডনীয়।
এ বিষয়ে বরিশালের সিভিল সার্জন এস এম মনজুর-এ-এলাহী বলেন, 'এমবিবিএস ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অডিও বা ভিডিও কলের মাধ্যমেও পল্লী চিকিৎসকের এ ধরনের ওষুধ দেওয়ার অধিকার নেই।
বরিশালের গৌরনদীতে কোনো এমবিবিএস ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ ২০ বছর ধরে চোখের চিকিৎসা দিয়ে আসার বিষয়টি নিজেই অকপটে স্বীকার করেছেন মোঃ ইব্রাহিম খলিল (৬০) নামে এক কথিত ডাক্তার।
রোগী দেখার সময় তিনি ফোনে এক চিকিৎসক ‘স্যার’ এর সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন, যা নিয়ে জনমনে গভীর শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভুরঘাটা বাজার সংলগ্ন একটি ফার্মেসিতে সপ্তাহে তিন দিন রোগী দেখেন তিনি। বাকি সময় নিজ বাসা ইল্লায় বসেই রোগীদের চিকিৎসা দেন। চোখের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দূর-দূরান্ত থেকে রোগীরা তার কাছে আসছেন।
অভিযোগ রয়েছে, রোগীদের বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিবেদকের হাতে আসা একাধিক প্রেসক্রিপশন পর্যালোচনা করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রমাণও পাওয়া গেছে।
একই সঙ্গে দেখা গেছে, ব্যবহৃত প্রেসক্রিপশন প্যাডের ওপরের অংশে ডান পাশে ইব্রাহিম খলিলের নাম এবং বাম পাশে এফ আর হাবীবের নাম উল্লেখ রয়েছে। এতে চিকিৎসা কার্যক্রমের ধরন ও দায়বদ্ধতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রেসক্রিপশন দেওয়ার পর প্যাডে থাকা এফ আর হাবীবের নাম ও নম্বর মার্কার দিয়ে মুছে ফেলেন ইব্রাহিম খলিল।
এ ছাড়া জানা গেছে, ইব্রাহিম খলিলের ফার্মেসির ড্রাগ লাইসেন্স থাকলেও বাসায় চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাথমিক সেবার বাইরে যাওয়ার কোনো অনুমতি নেই। অথচ তিনি নিয়মিত রোগী দেখে ওষুধ প্রদান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে কথা বললে ইব্রাহিম খলিল বলেন, 'আমি এমবিবিএস ডাক্তার না। বাংলাদেশ স্টেট মেডিকেল থেকে প্যারামেডিকেল কোর্স করেছি। রোগী এলে মাঝে মাঝে আমার ‘স্যার’-কে ফোন করি, তিনি যেভাবে চিকিৎসা দিতে বলেন, আমি সেই অনুযায়ী ওষুধ দেই।' তিনি জানান, তার ওই স্যারের নাম এফ আর হাবীব, যিনি ঢাকার একটি আই হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে এফ আর হাবীব বলেন,'তিনি মাঝে মাঝে ফোন করেন। তখন কিছু পরামর্শ দিই, তবে সব সময় নয়।'এই দুই বক্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সরাসরি রোগী না দেখে ফোনে পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি নয় বলে মনে করছেন চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে এমন পদ্ধতি রোগীর জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। এ ধরনের কার্যক্রম প্রচলিত চিকিৎসা নীতিমালার পরিপন্থী বলেও মত দিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, 'অনেকেই তাকে চিকিৎসক মনে করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কিন্তু তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন তিনি চিকিৎসক নন এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, চোখের মতো সংবেদনশীল অঙ্গের চিকিৎসায় সামান্য ভুলও স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে। সরাসরি পরীক্ষা ছাড়া ফোনের মাধ্যমে পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া রোগীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকি রোগীকে অন্ধত্ববরণও করা লাগতে পারে।
এ বিষয়ে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ ফকরুল ইসলাম মৃধা বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি চিকিৎসা দিলে তা আইনত দণ্ডনীয়।
এ বিষয়ে বরিশালের সিভিল সার্জন এস এম মনজুর-এ-এলাহী বলেন, 'এমবিবিএস ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অডিও বা ভিডিও কলের মাধ্যমেও পল্লী চিকিৎসকের এ ধরনের ওষুধ দেওয়ার অধিকার নেই।

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৬
জাটকা রক্ষা অভিযানে যাওয়ার পথে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার মৎস্য অধিদপ্তরের তিন কর্মচারীর ওপর হামলার ঘটনায় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে থানায় মামলা করা হয়েছে।
মৎস্য কর্মকর্তা ওমর সানী বাদী হয়ে উপজেলার চুনারচর গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন গাজীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ১১ জনের বিরুদ্ধে মেহেন্দীগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওমর সানী জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা কার্যালয়ের একটি দল মেঘনা ও কালাবদর নদীর মৎস্য অভয়াশ্রমে জাটকা ইলিশ রক্ষায় অভিযানের প্রস্তুতি নেয়। এ লক্ষ্যে একটি দল মেহেন্দীগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় অবস্থান করছিল।
ওই দলে যোগ দিতে মাঠ সহকারী আব্দুল্লাহ আল সিয়াম, মো. নাজিম উদ্দিন ও মো. শামীম মোটরসাইকেলযোগে লঞ্চঘাটের দিকে রওনা দেন।
পথে বালুমহাল এলাকার নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামের কাছে পৌঁছলে মোহাম্মদ হোসেন গাজী ও আলমগীর সরদারের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল থামিয়ে তিন কর্মচারীকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। এসময় মৎস্য অধিদপ্তরের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ভাঙচুর করা হয়।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে মৎস্য দপ্তরের দলের অন্য সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় আহত তিনজনকে উদ্ধার করে রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মামলার এজাহারে মোহাম্মদ হোসেন গাজী, আলমগীর সরদার, জহির মাতুব্বর, মোস্তফা আকন, কবির আকন, সবুজ বেপারী, শহিদ বেপারী, সাইফুল মুন্সী, মান্নান ফকির, রবিউল মুন্সী, জামাল চৌকিদার, সুমন সরদার ও মামুন সরদারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিন উদ্দিন বলেন, হামলার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ২৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:২৩
বরিশালে জাটকাবিরোধী অভিযানে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরের তিন কর্মচারী।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা সদরের পুরাতন স্টিমারঘাট সংলগ্ন বালুমহাল স্টেডিয়ামের কাছে এ হামলা হয়।
খবর পেয়ে মৎস্য দপ্তরের অভিযানিক দলের অন্য কর্মকর্তারা রক্তাক্ত জখম অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট নাজিম উদ্দিন, মো. শামীম ও সিয়াম হোসেনকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলাকারীরা মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযানিক দলের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ব্যাপক ভাঙচুর করেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেহেন্দীগঞ্জ মৎস্য অধিদপ্তরের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট নাজিম উদ্দিন জানান, রাতে স্পিডবোট নিয়ে নদীতে জাটকাবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য তাদের একটি দল স্টিমার ঘাট এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
তারা ওই দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য মোটরসাইকেলযোগে স্টিমার ঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।
পথে তারা বালুমহাল স্টেডিয়ামের সন্নিকটে পৌঁছলে তাদের মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। একপর্যায়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে স্থানীয় মোহাম্মদ হোসেন গাজি, আলমগীর সর্দার ও জহির মাতুব্বরের নির্দেশে তাদের ২০/২৫ জন সহযোগী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।
হামলায় তারা তিনজন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, উল্লিখিত ব্যক্তিদের হুকুমে তাদের সহযোগী মোস্তফা আকন, কবির হোসেন, সবুজ ব্যাপারী, শহিদ ব্যাপারী, সাইফুল মুন্সী, মান্নান ফকির, জসিম সর্দার, রবিউল মুন্সী, জামাল চৌকিদার, সুমন সর্দার, জহির মাতব্বরসহ তাদের ২০/২৫ জন সহযোগী এ হামলা চালিয়েছে। এসময় তাদের (নাজিম উদ্দিন) ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোমিন উদ্দিন জানান, হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, হামলার ঘটনার মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর আগে মোহাম্মদ হোসেন গাজি, আলমগীর সর্দার ও জহির মাতুব্বরের নির্দেশে মৎস্য অধিদপ্তরের তিনটি স্পিডবোটের পাওয়ার ক্যাবল কেটে দিয়ে তিন লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়েছিল।
বরিশাল টাইমস

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৪
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ঘুরতে আসা এক প্রেমিক যুগলের ওপর হামলা, ছিনতাই এবং তরুণীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার স্টিমারঘাট সংলগ্ন নির্মাণাধীন মিনি স্টেডিয়ামে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযুক্ত যুবকের নাম ইয়াছিন হাওলাদার (২৫)। তিনি পৌরসভার ৭ নম্বর বদরপুর গ্রামের আবুল হোসেন হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, ওই প্রেমিক যুগল স্টিমারঘাট এলাকায় ঘুরতে গেলে ইয়াছিন হাওলাদার তাদের কাছে গিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। একপর্যায়ে তিনি প্রেমিক ও প্রেমিকাকে মারধর করেন এবং প্রেমিকের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন।
পরে প্রেমিক কিছুটা দূরে সরে গেলে অভিযুক্ত যুবক তরুণীকে জোর করে নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তরুণীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় অভিযুক্তকে স্থানীয়রা আটক করলেও পরে তিনি পালিয়ে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী যুগলকে নিরাপদে নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মেহেন্দিগঞ্জ থানার ওসি মোমিন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তারা জেনেছেন। তবে এখনো ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
জাটকা রক্ষা অভিযানে যাওয়ার পথে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার মৎস্য অধিদপ্তরের তিন কর্মচারীর ওপর হামলার ঘটনায় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে থানায় মামলা করা হয়েছে।
মৎস্য কর্মকর্তা ওমর সানী বাদী হয়ে উপজেলার চুনারচর গ্রামের মোহাম্মদ হোসেন গাজীসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ১১ জনের বিরুদ্ধে মেহেন্দীগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওমর সানী জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা কার্যালয়ের একটি দল মেঘনা ও কালাবদর নদীর মৎস্য অভয়াশ্রমে জাটকা ইলিশ রক্ষায় অভিযানের প্রস্তুতি নেয়। এ লক্ষ্যে একটি দল মেহেন্দীগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় অবস্থান করছিল।
ওই দলে যোগ দিতে মাঠ সহকারী আব্দুল্লাহ আল সিয়াম, মো. নাজিম উদ্দিন ও মো. শামীম মোটরসাইকেলযোগে লঞ্চঘাটের দিকে রওনা দেন।
পথে বালুমহাল এলাকার নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামের কাছে পৌঁছলে মোহাম্মদ হোসেন গাজী ও আলমগীর সরদারের নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল থামিয়ে তিন কর্মচারীকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। এসময় মৎস্য অধিদপ্তরের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ভাঙচুর করা হয়।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে মৎস্য দপ্তরের দলের অন্য সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় আহত তিনজনকে উদ্ধার করে রাতেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মামলার এজাহারে মোহাম্মদ হোসেন গাজী, আলমগীর সরদার, জহির মাতুব্বর, মোস্তফা আকন, কবির আকন, সবুজ বেপারী, শহিদ বেপারী, সাইফুল মুন্সী, মান্নান ফকির, রবিউল মুন্সী, জামাল চৌকিদার, সুমন সরদার ও মামুন সরদারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মেহেন্দীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিন উদ্দিন বলেন, হামলার খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ২৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে জাটকাবিরোধী অভিযানে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরের তিন কর্মচারী।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা সদরের পুরাতন স্টিমারঘাট সংলগ্ন বালুমহাল স্টেডিয়ামের কাছে এ হামলা হয়।
খবর পেয়ে মৎস্য দপ্তরের অভিযানিক দলের অন্য কর্মকর্তারা রক্তাক্ত জখম অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট নাজিম উদ্দিন, মো. শামীম ও সিয়াম হোসেনকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলাকারীরা মৎস্য অধিদপ্তরের অভিযানিক দলের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ব্যাপক ভাঙচুর করেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মেহেন্দীগঞ্জ মৎস্য অধিদপ্তরের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট নাজিম উদ্দিন জানান, রাতে স্পিডবোট নিয়ে নদীতে জাটকাবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য তাদের একটি দল স্টিমার ঘাট এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
তারা ওই দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য মোটরসাইকেলযোগে স্টিমার ঘাটের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।
পথে তারা বালুমহাল স্টেডিয়ামের সন্নিকটে পৌঁছলে তাদের মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। একপর্যায়ে মোটরসাইকেল থামিয়ে স্থানীয় মোহাম্মদ হোসেন গাজি, আলমগীর সর্দার ও জহির মাতুব্বরের নির্দেশে তাদের ২০/২৫ জন সহযোগী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালায়।
হামলায় তারা তিনজন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, উল্লিখিত ব্যক্তিদের হুকুমে তাদের সহযোগী মোস্তফা আকন, কবির হোসেন, সবুজ ব্যাপারী, শহিদ ব্যাপারী, সাইফুল মুন্সী, মান্নান ফকির, জসিম সর্দার, রবিউল মুন্সী, জামাল চৌকিদার, সুমন সর্দার, জহির মাতব্বরসহ তাদের ২০/২৫ জন সহযোগী এ হামলা চালিয়েছে। এসময় তাদের (নাজিম উদ্দিন) ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোমিন উদ্দিন জানান, হামলার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, হামলার ঘটনার মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।
এদিকে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এর আগে মোহাম্মদ হোসেন গাজি, আলমগীর সর্দার ও জহির মাতুব্বরের নির্দেশে মৎস্য অধিদপ্তরের তিনটি স্পিডবোটের পাওয়ার ক্যাবল কেটে দিয়ে তিন লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করা হয়েছিল।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় ঘুরতে আসা এক প্রেমিক যুগলের ওপর হামলা, ছিনতাই এবং তরুণীকে জোর করে তুলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার স্টিমারঘাট সংলগ্ন নির্মাণাধীন মিনি স্টেডিয়ামে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযুক্ত যুবকের নাম ইয়াছিন হাওলাদার (২৫)। তিনি পৌরসভার ৭ নম্বর বদরপুর গ্রামের আবুল হোসেন হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, ওই প্রেমিক যুগল স্টিমারঘাট এলাকায় ঘুরতে গেলে ইয়াছিন হাওলাদার তাদের কাছে গিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। একপর্যায়ে তিনি প্রেমিক ও প্রেমিকাকে মারধর করেন এবং প্রেমিকের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে তাকে সেখান থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন।
পরে প্রেমিক কিছুটা দূরে সরে গেলে অভিযুক্ত যুবক তরুণীকে জোর করে নির্মাণাধীন স্টেডিয়ামের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
তরুণীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় অভিযুক্তকে স্থানীয়রা আটক করলেও পরে তিনি পালিয়ে যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী যুগলকে নিরাপদে নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মেহেন্দিগঞ্জ থানার ওসি মোমিন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তারা জেনেছেন। তবে এখনো ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪২
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৫
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৯
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩০