
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:৩২
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতায় অংশ নেওয়া দলগুলোর সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা। মঞ্চে জামায়াত আমিরের পাশে চেয়ার নির্ধারিত থাকলেও আসেননি চরমোনাই পীর।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তারা অংশ না নেওয়ায় বিলম্বিত হয় সংবাদ সম্মেলন।
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আজকে সংবাদ সম্মেলনে যাওয়া হচ্ছে না। জোটে থাকার বিষয় আগামীকাল পুরোপুরি বলা যাবে।
এর মধ্যে আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। শুক্রবার বিকেল ৩টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচনী সমঝোতা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতায় অংশ নেওয়া দলগুলোর সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা। মঞ্চে জামায়াত আমিরের পাশে চেয়ার নির্ধারিত থাকলেও আসেননি চরমোনাই পীর।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তারা অংশ না নেওয়ায় বিলম্বিত হয় সংবাদ সম্মেলন।
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আজকে সংবাদ সম্মেলনে যাওয়া হচ্ছে না। জোটে থাকার বিষয় আগামীকাল পুরোপুরি বলা যাবে।
এর মধ্যে আগামীকাল সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। শুক্রবার বিকেল ৩টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাচনী সমঝোতা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

০৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৫
হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত ও সারজিস কিন্তু সব সময় চেয়েছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকুক। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হোক সেটা চেয়েছিল কিন্তু গণঅভ্যুত্থান হোক সেটা চায়নি। এর প্রমাণ ১৯ জুলাই, সেই সময় তারা তো মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপ করে আসল। এরপরে আরও অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেই হাসনাত আব্দুল্লাহ পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন করল।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এরকম হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুর্বলতা থাকার কারণে ওই দুর্বলতা ঢাকার জন্য পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন।’
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ এমন একজন ব্যক্তি যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কী ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন সে বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বইয়ে উল্লেখ করা আছে।’
তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইটি যদি আপনি পড়েন সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে হাসনাত এবং সারজিস আলম তারা দুইজন সেনাবাহিনীর গাড়িতে চড়ে তারা বঙ্গভবনে যাচ্ছিলেন। সেসময় আমরা তাদেরকে বলি তোমরা যদি গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাছে না আসো তাহলে তোমাদেরকে জাতীয় বেইমান আখ্যায়িত করা হবে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘ভেতরের আলোচনা তো আসলে প্রকাশ্যে আনা ঠিক না তার পরও বলি এনসিপির মধ্যে তাদের নিয়ে নানান ধরনের গুঞ্জন ছিল এখন যদিও রাজনীতি করার স্বার্থে সেগুলো নেই।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত ও সারজিস কিন্তু সব সময় চেয়েছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকুক। তারা কোটা সংস্কার আন্দোলন সফল হোক সেটা চেয়েছিল কিন্তু গণঅভ্যুত্থান হোক সেটা চায়নি। এর প্রমাণ ১৯ জুলাই, সেই সময় তারা তো মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপ করে আসল। এরপরে আরও অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেই হাসনাত আব্দুল্লাহ পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন করল।’
তিনি বলেন, ‘বিষয়টা এরকম হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দুর্বলতা থাকার কারণে ওই দুর্বলতা ঢাকার জন্য পরবর্তী সময় আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলন।’
রাশেদ খান বলেন, ‘হাসনাত আব্দুল্লাহ এমন একজন ব্যক্তি যিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কী ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা রেখেছেন সে বিষয়ে আসিফ মাহমুদের বইয়ে উল্লেখ করা আছে।’
তিনি বলেন, ‘আসিফ মাহমুদের বইটি যদি আপনি পড়েন সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা আছে হাসনাত এবং সারজিস আলম তারা দুইজন সেনাবাহিনীর গাড়িতে চড়ে তারা বঙ্গভবনে যাচ্ছিলেন। সেসময় আমরা তাদেরকে বলি তোমরা যদি গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাছে না আসো তাহলে তোমাদেরকে জাতীয় বেইমান আখ্যায়িত করা হবে।’
রাশেদ খান বলেন, ‘ভেতরের আলোচনা তো আসলে প্রকাশ্যে আনা ঠিক না তার পরও বলি এনসিপির মধ্যে তাদের নিয়ে নানান ধরনের গুঞ্জন ছিল এখন যদিও রাজনীতি করার স্বার্থে সেগুলো নেই।’

০১ মে, ২০২৬ ১৭:২৬
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু।
একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত ঠিকানা প্রকাশ হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই উদ্বেগের কথা জানান তিনি।
পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লিখেছেন, ‘একজন প্রার্থীর বাসার পূর্ণ ঠিকানা এভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া কতটা যৌক্তিক? খুব ভালোবেসেই একজন বাসার নিচে এসে কল দিলো।
কিন্তু এত অবাক হয়েছি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। নির্বাচন কমিশনের ওপেন করে দেওয়া ঠিকানা দেখে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কল দিয়েছেন।’ মিতু বলেন, ‘প্রথমবার মনোনয়ন নেওয়ার সময়ও তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তখন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এটি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম্যাট অনুযায়ী করা হয়।
’
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাসায় আমার সন্তান আছে, আমার মা আছেন। আমি নিজে অধিকাংশ সময় বাসায় থাকি না। এই বাস্তবতায় আমার ঠিকানাটি এভাবে প্রকাশিত হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
তিনি আরো দাবি করেন, তাকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ বার বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই কথা এভাবে বলতে চাই না সিম্প্যাথির জন্য না, কিন্তু বাসার ঠিকানা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত তথ্য, যা এভাবে প্রকাশ করা উচিত নয়।’
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘গতকাল রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা হয়তো অন্য কোনো কারণে ছিল কিন্তু আমার মানসিক অস্থিরতা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। আমি প্রায়ই রাত ১১/১২টায় বাসায় ঢুকি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘যে দেশে ৫-১০ হাজার টাকায় মানুষ খুন হয়, খুন তো ডাল ভাতের মতো, সে দেশে এমন বিষয়কে সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত অবশ্যই। মাহমুদা আলম মিতু অভিযোগ করেন, আগেও বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তা গুরুত্ব পায়নি।
তিনি বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পরই কেবল বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, নিয়ম পরিবর্তনের কথা আসে। কিন্তু যার জীবনে দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবন তো শেষ।’ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দাবি জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি এই নিয়ম দ্রুত পরিবর্তনের আহ্বান জানান।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ বাসার ঠিকানা প্রকাশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা আলম মিতু।
একই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত ঠিকানা প্রকাশ হওয়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানিয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এই উদ্বেগের কথা জানান তিনি।
পোস্টে এনসিপির এই নেত্রী লিখেছেন, ‘একজন প্রার্থীর বাসার পূর্ণ ঠিকানা এভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া কতটা যৌক্তিক? খুব ভালোবেসেই একজন বাসার নিচে এসে কল দিলো।
কিন্তু এত অবাক হয়েছি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। নির্বাচন কমিশনের ওপেন করে দেওয়া ঠিকানা দেখে বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কল দিয়েছেন।’ মিতু বলেন, ‘প্রথমবার মনোনয়ন নেওয়ার সময়ও তিনি বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তখন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এটি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ফরম্যাট অনুযায়ী করা হয়।
’
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাসায় আমার সন্তান আছে, আমার মা আছেন। আমি নিজে অধিকাংশ সময় বাসায় থাকি না। এই বাস্তবতায় আমার ঠিকানাটি এভাবে প্রকাশিত হওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
তিনি আরো দাবি করেন, তাকে অন্তত ২০ থেকে ২৫ বার বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এই কথা এভাবে বলতে চাই না সিম্প্যাথির জন্য না, কিন্তু বাসার ঠিকানা নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত তথ্য, যা এভাবে প্রকাশ করা উচিত নয়।’
এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘গতকাল রাতে বাসায় ঢোকার সময় দেখি দুইজন মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা হয়তো অন্য কোনো কারণে ছিল কিন্তু আমার মানসিক অস্থিরতা শুরু হয়ে গিয়েছিলো। আমি প্রায়ই রাত ১১/১২টায় বাসায় ঢুকি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘যে দেশে ৫-১০ হাজার টাকায় মানুষ খুন হয়, খুন তো ডাল ভাতের মতো, সে দেশে এমন বিষয়কে সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত অবশ্যই। মাহমুদা আলম মিতু অভিযোগ করেন, আগেও বিষয়টি নিয়ে কথা বললেও তা গুরুত্ব পায়নি।
তিনি বলেন, ‘কোনো দুর্ঘটনা ঘটার পরই কেবল বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়, নিয়ম পরিবর্তনের কথা আসে। কিন্তু যার জীবনে দুর্ঘটনা ঘটে তার জীবন তো শেষ।’ প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দাবি জানিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি এই নিয়ম দ্রুত পরিবর্তনের আহ্বান জানান।

০১ মে, ২০২৬ ১৬:৫৩
অন্তবর্তী সরকারের প্রধান ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নাহিদ ইসলামরা রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে পছন্দের লোককে বসাতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। তিনি বলেন, ‘ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ওই রাষ্ট্রপতির অধীনেই শপথ নিতে হয়েছে তাদের সবাইকে।’ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টে আনিস আলমগীর লেখেন, ‘নাহিদ ইসলামরা চেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে নিজেদের পছন্দের কাউকে সেই পদে বসাতে। ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ওই রাষ্ট্রপতির অধীনেই শপথ নিতে হয়েছে পালের গোদা মোহাম্মদ ইউনূসসহ তাদের সবাইকে।’
তিনি লেখেন, ‘‘রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাও করা হয়েছে- উদ্দেশ্য তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া, উগ্র ইসলামী রাষ্ট্র বানানো।
সেখানেও ব্যর্থতা- সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে। তারা চেয়েছিলেন ডক্টর ইউনুসের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ জারি করতে- সেই আগ্রহ ইউনূসেরও ছিল। কিন্তু আইনি ভিত্তি না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির কাছেই যেতে হয়েছে- আসিফ নজরুলের মাধ্যমে, কারণ ততক্ষণে রাষ্ট্রপতি নাহিদদের আপত্তির অজুহাতে স্বাক্ষর করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
আনিস আলমগীর লেখেন, ‘তিন বছর ধরে রাষ্ট্রপতি তার পদে বহাল আছেন। তিনি মেয়াদ পূর্ণ করবেন কি না- সেটি রাষ্ট্রপতি ও বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। বিরোধীদলের দাবিতে রাষ্ট্রপতি সরে যাবেন- এটি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কারণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সরকারের কোনো মৌলিক বিরোধ নেই- বরং অভ্যন্তরীণভাবে কিছু সিনিয়র ব্যক্তির রাষ্ট্রপতি হওয়ার আকাঙ্ক্ষাই এখানে আলোচনার কেন্দ্র।’
তিনি লেখেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করে সংসদে ব্যক্তি আক্রমণ, অসভ্য ভাষায় বক্তৃতা দেওয়া সমর্থনযোগ্য নয়- কারণ সেখানে লাগামহীন অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকেন না।
রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন- তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করলে শেষ পর্যন্ত দুর্বল হয় রাষ্ট্রই।’
অন্তবর্তী সরকারের প্রধান ড. ইউনূসের নেতৃত্বে নাহিদ ইসলামরা রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে পছন্দের লোককে বসাতে চেয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। তিনি বলেন, ‘ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ওই রাষ্ট্রপতির অধীনেই শপথ নিতে হয়েছে তাদের সবাইকে।’ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টে আনিস আলমগীর লেখেন, ‘নাহিদ ইসলামরা চেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে সরিয়ে নিজেদের পছন্দের কাউকে সেই পদে বসাতে। ব্যর্থ হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ওই রাষ্ট্রপতির অধীনেই শপথ নিতে হয়েছে পালের গোদা মোহাম্মদ ইউনূসসহ তাদের সবাইকে।’
তিনি লেখেন, ‘‘রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবিতে বঙ্গভবন ঘেরাও করা হয়েছে- উদ্দেশ্য তাদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া, উগ্র ইসলামী রাষ্ট্র বানানো।
সেখানেও ব্যর্থতা- সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের কারণে। তারা চেয়েছিলেন ডক্টর ইউনুসের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ জারি করতে- সেই আগ্রহ ইউনূসেরও ছিল। কিন্তু আইনি ভিত্তি না থাকায় তা সম্ভব হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির কাছেই যেতে হয়েছে- আসিফ নজরুলের মাধ্যমে, কারণ ততক্ষণে রাষ্ট্রপতি নাহিদদের আপত্তির অজুহাতে স্বাক্ষর করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
আনিস আলমগীর লেখেন, ‘তিন বছর ধরে রাষ্ট্রপতি তার পদে বহাল আছেন। তিনি মেয়াদ পূর্ণ করবেন কি না- সেটি রাষ্ট্রপতি ও বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়। বিরোধীদলের দাবিতে রাষ্ট্রপতি সরে যাবেন- এটি বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কারণ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সরকারের কোনো মৌলিক বিরোধ নেই- বরং অভ্যন্তরীণভাবে কিছু সিনিয়র ব্যক্তির রাষ্ট্রপতি হওয়ার আকাঙ্ক্ষাই এখানে আলোচনার কেন্দ্র।’
তিনি লেখেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবি করে সংসদে ব্যক্তি আক্রমণ, অসভ্য ভাষায় বক্তৃতা দেওয়া সমর্থনযোগ্য নয়- কারণ সেখানে লাগামহীন অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতি উপস্থিত থাকেন না।
রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তি নন- তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করলে শেষ পর্যন্ত দুর্বল হয় রাষ্ট্রই।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.