
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩০
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের জন্য নির্ধারিত ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা বসানোর অভিযোগে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালজুড়ে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে শনাক্ত করেন। পরে তাকে হাসপাতাল পরিচালকসহ অবরুদ্ধ করে রাখেন ক্ষুব্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
টামেক হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুস জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখনো মামলা হয়নি, তবে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমীন গণমাধ্যমকে জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারী চিকিৎসকদের জন্য নির্ধারিত ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা বসানোর অভিযোগে এক ইন্টার্ন চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালজুড়ে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত ইন্টার্ন চিকিৎসক রায়হান কবির ইমনকে শনাক্ত করেন। পরে তাকে হাসপাতাল পরিচালকসহ অবরুদ্ধ করে রাখেন ক্ষুব্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে হেফাজতে নেয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
টামেক হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুস জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখনো মামলা হয়নি, তবে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমীন গণমাধ্যমকে জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২১
একদিনে হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৬ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিশ্চিত হামে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৮৮৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২২৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৯৮ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছয় হাজার ৮৮৩ জন।
একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন চার হাজার ৬৩৫ জন।
মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
একই সময়ে জেলার তালিকাতেও ঢাকায় সর্বোচ্চ ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নিশ্চিত এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের
বরিশাল টাইমস
একদিনে হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ২৩৬ জন এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২৪ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিশ্চিত হামে এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৮৮৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২২৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ৩৯৮ জন।
১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ছয় হাজার ৮৮৩ জন।
একই সময়ে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন চার হাজার ৬৩৫ জন।
মৃত্যুর হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে সবচেয়ে বেশি ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
একই সময়ে জেলার তালিকাতেও ঢাকায় সর্বোচ্চ ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামে নিশ্চিত এক জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ২১ জনের।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃত্যু হয়েছে ১২৮ জনের
বরিশাল টাইমস

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫৮
রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তাকে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এরপর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
মামলার বাদী মো. আশরাফুলের অভিযোগে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে লালবাগ থানার আজিমপুর সরকারি কলোনিতে শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ একাধিক নেতাকে আসামি করা হয়েছে। শিরীন শারমিন চৌধুরী এ মামলার ৩ নম্বর আসামি।
ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং এগুলোর তদন্ত চলছে। ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনও জানান, মামলাগুলো চলমান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। সেই সময় থেকে শিরীন শারমিনকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তিনি ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আসেন এবং ২০১৩ সালে দেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন। টানা তিন মেয়াদে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
রাজধানীর লালবাগে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তাকে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তার দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ (মঙ্গলবার) দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এরপর তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
মামলার বাদী মো. আশরাফুলের অভিযোগে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে লালবাগ থানার আজিমপুর সরকারি কলোনিতে শান্তিপূর্ণ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ একাধিক নেতাকে আসামি করা হয়েছে। শিরীন শারমিন চৌধুরী এ মামলার ৩ নম্বর আসামি।
ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিরীন শারমিনের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং এগুলোর তদন্ত চলছে। ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) এন এম নাসিরুদ্দিনও জানান, মামলাগুলো চলমান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রেক্ষাপটে দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। সেই সময় থেকে শিরীন শারমিনকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তিনি ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে আসেন এবং ২০১৩ সালে দেশের প্রথম নারী স্পিকার নির্বাচিত হন। টানা তিন মেয়াদে তিনি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ২ সেপ্টেম্বর তিনি স্পিকার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৯
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারের একটি বাসা থেকে একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা। তবে সাপটি নির্বিষ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে আটটার দিকে শ্রীমঙ্গল সরকারি হাসপাতাল স্টাফ কোয়ার্টারে শ্রাবণ পালের বাসা থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সাপটি।
জানা যায়, ওই বাসায় একটি কালনাগিনী সাপ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যদেরকে খবর দেওয়া হয়। তারা ঘটনাস্থলে এসে সাপটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, উদ্ধারকৃত কালনাগিনী সাপটি নির্বিষ।
কালনাগিনী মূলত একটি মৃদু বিষধর সাপ, যা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দেখা যায়। লোককাহিনী ও চলচ্চিত্রে একে অত্যন্ত ভয়ংকর ও প্রাণঘাতী হিসেবে চিত্রায়িত করা হলেও বাস্তবে এটি মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।
এরা সাধারণত ২ থেকে ৪.৫ ফুট লম্বা হয়। এদের দেহ সবুজাভ হলুদ রঙের হয় এবং তাতে লাল ও কালো রঙের চমৎকার ডোরাকাটা নকশা থাকে। এটি একটি ক্ষীণ বিষধর সাপ। মানুষের কোনো ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে না।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারের একটি বাসা থেকে একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা। তবে সাপটি নির্বিষ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে আটটার দিকে শ্রীমঙ্গল সরকারি হাসপাতাল স্টাফ কোয়ার্টারে শ্রাবণ পালের বাসা থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সাপটি।
জানা যায়, ওই বাসায় একটি কালনাগিনী সাপ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যদেরকে খবর দেওয়া হয়। তারা ঘটনাস্থলে এসে সাপটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, উদ্ধারকৃত কালনাগিনী সাপটি নির্বিষ।
কালনাগিনী মূলত একটি মৃদু বিষধর সাপ, যা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দেখা যায়। লোককাহিনী ও চলচ্চিত্রে একে অত্যন্ত ভয়ংকর ও প্রাণঘাতী হিসেবে চিত্রায়িত করা হলেও বাস্তবে এটি মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।
এরা সাধারণত ২ থেকে ৪.৫ ফুট লম্বা হয়। এদের দেহ সবুজাভ হলুদ রঙের হয় এবং তাতে লাল ও কালো রঙের চমৎকার ডোরাকাটা নকশা থাকে। এটি একটি ক্ষীণ বিষধর সাপ। মানুষের কোনো ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে না।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.