
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫০
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানকে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না।’
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে।’
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কে জানে কী হবে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব, যা বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবশেষে অবসান ঘটবে।’
নিজের পোস্টের শেষে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের মহান জনগণের ওপর সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হোক!’
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। দাবি মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানকে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না।’
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে।’
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কে জানে কী হবে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব, যা বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবশেষে অবসান ঘটবে।’
নিজের পোস্টের শেষে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের মহান জনগণের ওপর সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হোক!’
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। দাবি মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: আল জাজিরা

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১১
ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২ এপ্রিল একটি তৃতীয় দেশকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়।
শনিবার (৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজকে একটি সূত্র জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র গত ২ এপ্রিল তাদের মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমে ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠায়।’
তবে সংস্থাটির দাবি, ইরান এ বিষয়ে লিখিতভাবে কোনো জবাব দেয়নি। বরং তারা ব্যাপক হামলা অব্যাহত রেখে ‘মাঠ পর্যায়ে’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চলেছে।
সূত্রটি আরও জানায়, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপে একটি মার্কিন সামরিক ডিপোতে হামলার খবরে এই প্রচেষ্টা আরও বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালায়। এতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১০
ইরানে প্রবেশ করে অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্স। দেশটির আকাশসীমায় একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারে অভিযান চালাতে দেশটিতে প্রবেশ করেছে তারা। শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) রাতে এ অভিযান শুরু হয়েছে। শনিবার (০৪ এপ্রিল) দ্য টেলিগ্রাফের বরাতে ইয়াহু নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান একটি এফ-১৫ স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এতে থাকা দুই ক্রু সদস্য নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের উদ্ধারে দ্রুত তৎপরতা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
উদ্ধার অভিযানে দুটি সামরিক হেলিকপ্টার ও নিম্ন উচ্চতায় উড়ন্ত জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান অংশ নেয়। তবে ইরানি বাহিনীর গুলিতে উভয় হেলিকপ্টারই ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যদিও তারা নিরাপদে ইরাকের দিকে ফিরে যেতে সক্ষম হয়।
দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর একজন মার্কিন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা গেলেও অন্যজনের অবস্থান এখনো অজানা। ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যমে তাকে খুঁজে বের করতে তল্লাশি চালানোর দৃশ্য প্রচার করা হয়েছে এবং তাকে ধরিয়ে দিলে পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানের দফায় দফায় হামলায় টিকতে না পেরে প্রাণ বাঁচাতে এবার সাগরে ঝাঁপ দিলেন মার্কিন যুদ্ধবিমানের এক পাইলট। এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দুই ক্রুকে উদ্ধার করতে গিয়ে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হয় এ-১০ মডেলের একটি বিমান। পরে প্রাণে বাঁচতে বিমানটির পাইলট সাগরে ঝাঁপ দেন।
সিবিএসের এক প্রতিবেদনে দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়, বিধ্বস্ত এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের দুই পাইলটের একজনকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও দুটি মার্কিন বিমান ইরানের হামলার মুখে পড়ে। এ সময় এ-১০ ওয়ারথগ যুদ্ধবিমানটি আক্রান্ত হলে পাইলট সাগরে ঝাঁপ দেন। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া অভিযানে থাকা দুটি হেলিকপ্টারের একটিতে ছোট অস্ত্র থেকে গুলি চালানো হয়েছে। এতে হেলিকপ্টারটির কয়েকজন ক্রু আহত হন। তবে সেটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে। এফ-১৫ই বিমানের দ্বিতীয় পাইলটের খোঁজে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:১৬
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২ এপ্রিল একটি তৃতীয় দেশকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়।
শনিবার (৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজকে একটি সূত্র জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র গত ২ এপ্রিল তাদের মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমে ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠায়।’
তবে সংস্থাটির দাবি, ইরান এ বিষয়ে লিখিতভাবে কোনো জবাব দেয়নি। বরং তারা ব্যাপক হামলা অব্যাহত রেখে ‘মাঠ পর্যায়ে’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চলেছে।
সূত্রটি আরও জানায়, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপে একটি মার্কিন সামরিক ডিপোতে হামলার খবরে এই প্রচেষ্টা আরও বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালায়। এতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইরানে প্রবেশ করে অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্স। দেশটির আকাশসীমায় একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারে অভিযান চালাতে দেশটিতে প্রবেশ করেছে তারা। শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) রাতে এ অভিযান শুরু হয়েছে। শনিবার (০৪ এপ্রিল) দ্য টেলিগ্রাফের বরাতে ইয়াহু নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান একটি এফ-১৫ স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। এতে থাকা দুই ক্রু সদস্য নিরাপদে বের হয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের উদ্ধারে দ্রুত তৎপরতা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
উদ্ধার অভিযানে দুটি সামরিক হেলিকপ্টার ও নিম্ন উচ্চতায় উড়ন্ত জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান অংশ নেয়। তবে ইরানি বাহিনীর গুলিতে উভয় হেলিকপ্টারই ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যদিও তারা নিরাপদে ইরাকের দিকে ফিরে যেতে সক্ষম হয়।
দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর একজন মার্কিন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা গেলেও অন্যজনের অবস্থান এখনো অজানা। ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যমে তাকে খুঁজে বের করতে তল্লাশি চালানোর দৃশ্য প্রচার করা হয়েছে এবং তাকে ধরিয়ে দিলে পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ইরানের দফায় দফায় হামলায় টিকতে না পেরে প্রাণ বাঁচাতে এবার সাগরে ঝাঁপ দিলেন মার্কিন যুদ্ধবিমানের এক পাইলট। এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের দুই ক্রুকে উদ্ধার করতে গিয়ে ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হয় এ-১০ মডেলের একটি বিমান। পরে প্রাণে বাঁচতে বিমানটির পাইলট সাগরে ঝাঁপ দেন।
সিবিএসের এক প্রতিবেদনে দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়, বিধ্বস্ত এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানের দুই পাইলটের একজনকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও দুটি মার্কিন বিমান ইরানের হামলার মুখে পড়ে। এ সময় এ-১০ ওয়ারথগ যুদ্ধবিমানটি আক্রান্ত হলে পাইলট সাগরে ঝাঁপ দেন। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া অভিযানে থাকা দুটি হেলিকপ্টারের একটিতে ছোট অস্ত্র থেকে গুলি চালানো হয়েছে। এতে হেলিকপ্টারটির কয়েকজন ক্রু আহত হন। তবে সেটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে। এফ-১৫ই বিমানের দ্বিতীয় পাইলটের খোঁজে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবে বাংলাদেশেও জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইনডিপেনডেন্ট’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে জ্বালানিশূন্য হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বেশিরভাগ জাহাজের জন্য বন্ধ থাকা হরমুজ প্রণালি ইরান ফের খুলে দেবে কি না, তা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যে তেলের দাম অনেক বেড়ে গেছে। পারস্য উপসাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্তকারী এই প্রণালি দিয়েই এশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশ পরিবাহিত হয়।
সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের বাংলাদেশ তার জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশের জন্য আমদানির ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানিতে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায় বাংলাদেশ যানবাহনের জন্য জ্বালানি রেশন, ডিজেল বিক্রিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দিয়েছে। মোটরসাইকেল আরোহী এবং বিভিন্ন পরিবহনের চালকরা সীমিত পরিমাণ জ্বালানি পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে সারা রাত অপেক্ষা করছেন। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার পর বেশ কিছু ফিলিং স্টেশন বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে তাদের গেট বন্ধ করে দিয়েছে, আর জ্বালানি সরবরাহকারী পাম্পগুলো নীল প্লাস্টিকে মুড়িয়ে রাখা হয়েছে, যা সরবরাহ সংকটের তীব্রতাকেই প্রতিফলিত করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর বাইরের এলাকাগুলোতে এই সংকট আরও প্রকট; সেখানে এক থেকে দুই লিটারের প্লাস্টিকের বোতলে অনানুষ্ঠানিকভাবে অনেক বেশি দামে জ্বালানি বিক্রি হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নবনির্বাচিত সরকার এই পরিস্থিতির একটি সমাধান খুঁজে বের করতে হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন ক্রমবর্ধমান জ্বালানি খরচ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর প্রচণ্ড চাপ এবং এই জ্বালানি সংকটের মধ্যে প্রথম দেশ হিসেবে জ্বালানি সরবরাহ শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার মুখোমুখি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে প্রায় ৮০ হাজার টন অপরিশোধিত তেল মজুত ছিল, যা দেশকে মাত্র দুই সপ্তাহের কিছু বেশি সময় সচল রাখতে সক্ষম। ডিজেলের মজুদের অবস্থাও প্রায় একই রকম। ঢাকা এখন সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, অ্যাঙ্গোলা ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে জ্বালানি আমদানিতে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছে। রাশিয়া থেকে ৬ লাখ টন ডিজেল আমদানির জন্য ভারত যে ধরনের ছাড় পেয়েছে, বাংলাদেশও যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অনুরূপ সুবিধা চেয়ে আবেদন করেছে।
বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের এক কর্মকর্তা দ্য ইনডিপেনডেন্টকে বলেন, ‘পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। স্পট মার্কেট থেকে কেনাকাটা আমাদের কোষাগার শূন্য করে দিচ্ছে, কিন্তু সরকারের কিছু করার নেই। আমাদের হাতে ১০ দিনেরও কম সময়ের মজুত আছে।’
দেশের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ চড়া দামে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সংগ্রহের জন্য ব্যয়বহুল স্পট মার্কেটের দিকে ঝুঁকেছে। দুই দিনের প্রচেষ্টায় সরকারি জ্বালানি সংস্থা পেট্রোবাংলা বুধবার ১ মার্চের তুলনায় প্রায় ২.৫ গুণ বেশি দামে দুটি এলএনজি কার্গো নিশ্চিত করেছে।
বিশেষজ্ঞরা এই সংকট ঘনীভূত হওয়ার জন্য অনানুষ্ঠানিক সিন্ডিকেটগুলোকেও দায়ী করছেন, যারা জ্বালানি মজুত করছে। বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন বলেন, ‘আমরা সীমিত সরবরাহ পাচ্ছি এবং পাম্পগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।’ তিনি ইনডিপেনডেন্টকে বলেন, ‘পাম্পগুলোতে চরম বিশৃঙ্খলা চলছে। অকটেন বা পেট্রোল না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হওয়া ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের হাতে আমাদের কর্মীরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন। মানুষের জ্বালানি মজুত বন্ধ করা উচিত। যেহেতু প্রতিটি যানবাহনের জন্য সীমিত পরিমাণ বরাদ্দ করা হয়েছে, চালকরা তাদের বাইকের ট্যাংক খালি করে আবারও লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। আমরা আমাদের পাম্প এবং কর্মীদের সুরক্ষার জন্য সরকারকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছি।’
গ্লোবাল থিঙ্ক ট্যাংক ‘ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস’-এর প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, ‘আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতার কারণে এশিয়ায় বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হতে পারে। বাংলাদেশ তার প্রাথমিক জ্বালানির ৬২ শতাংশেরও বেশি আমদানির ওপর নির্ভর করে। তাই কোনো ব্যাঘাত ঘটলে তা শেষ পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে।’
তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে কোম্পানিগুলো হয় উচ্চমূল্যে জ্বালানি কিনবে অথবা সরবরাহ কমিয়ে দেবে, যার ফলে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং লোডশেডিং শুরু হবে। তার মতে, সরকারের উচিত করোনা মহামারির সময়ের পরীক্ষিত ব্যবস্থা অনুসরণে জ্বালানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া, যেমন—যেসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত আর্থিক লেনদেনের প্রয়োজন নেই তাদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাসা থেকে কাজের নির্দেশ দেওয়া।’
এদিকে, বাংলাদেশি এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে দ্য টেলিগ্রাফ বলেছে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ‘কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ কার্যত অচল হয়ে যেতে পারে।’
তবে বিশ্লেষকদের এমন শঙ্কার বিপরীতে বাংলাদেশ সরকার দাবি করেছে, ‘বাংলাদেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই।’ জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—এই মুহূর্তে বাংলাদেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। প্রকৃতপক্ষে আমরা গত বছরের তুলনায় সরবরাহ বাড়িয়েছি।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবে বাংলাদেশেও জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইনডিপেনডেন্ট’ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে জ্বালানিশূন্য হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বেশিরভাগ জাহাজের জন্য বন্ধ থাকা হরমুজ প্রণালি ইরান ফের খুলে দেবে কি না, তা নিয়ে ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যে তেলের দাম অনেক বেড়ে গেছে। পারস্য উপসাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্তকারী এই প্রণালি দিয়েই এশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশ পরিবাহিত হয়।
সাড়ে ১৭ কোটি মানুষের বাংলাদেশ তার জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশের জন্য আমদানির ওপর নির্ভর করে উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানিতে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটায় বাংলাদেশ যানবাহনের জন্য জ্বালানি রেশন, ডিজেল বিক্রিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দিয়েছে। মোটরসাইকেল আরোহী এবং বিভিন্ন পরিবহনের চালকরা সীমিত পরিমাণ জ্বালানি পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে সারা রাত অপেক্ষা করছেন। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার পর বেশ কিছু ফিলিং স্টেশন বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে তাদের গেট বন্ধ করে দিয়েছে, আর জ্বালানি সরবরাহকারী পাম্পগুলো নীল প্লাস্টিকে মুড়িয়ে রাখা হয়েছে, যা সরবরাহ সংকটের তীব্রতাকেই প্রতিফলিত করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর বাইরের এলাকাগুলোতে এই সংকট আরও প্রকট; সেখানে এক থেকে দুই লিটারের প্লাস্টিকের বোতলে অনানুষ্ঠানিকভাবে অনেক বেশি দামে জ্বালানি বিক্রি হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নবনির্বাচিত সরকার এই পরিস্থিতির একটি সমাধান খুঁজে বের করতে হিমশিম খাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন ক্রমবর্ধমান জ্বালানি খরচ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর প্রচণ্ড চাপ এবং এই জ্বালানি সংকটের মধ্যে প্রথম দেশ হিসেবে জ্বালানি সরবরাহ শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার মুখোমুখি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে প্রায় ৮০ হাজার টন অপরিশোধিত তেল মজুত ছিল, যা দেশকে মাত্র দুই সপ্তাহের কিছু বেশি সময় সচল রাখতে সক্ষম। ডিজেলের মজুদের অবস্থাও প্রায় একই রকম। ঢাকা এখন সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, অ্যাঙ্গোলা ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করে জ্বালানি আমদানিতে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছে। রাশিয়া থেকে ৬ লাখ টন ডিজেল আমদানির জন্য ভারত যে ধরনের ছাড় পেয়েছে, বাংলাদেশও যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অনুরূপ সুবিধা চেয়ে আবেদন করেছে।
বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের এক কর্মকর্তা দ্য ইনডিপেনডেন্টকে বলেন, ‘পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। স্পট মার্কেট থেকে কেনাকাটা আমাদের কোষাগার শূন্য করে দিচ্ছে, কিন্তু সরকারের কিছু করার নেই। আমাদের হাতে ১০ দিনেরও কম সময়ের মজুত আছে।’
দেশের গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ চড়া দামে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সংগ্রহের জন্য ব্যয়বহুল স্পট মার্কেটের দিকে ঝুঁকেছে। দুই দিনের প্রচেষ্টায় সরকারি জ্বালানি সংস্থা পেট্রোবাংলা বুধবার ১ মার্চের তুলনায় প্রায় ২.৫ গুণ বেশি দামে দুটি এলএনজি কার্গো নিশ্চিত করেছে।
বিশেষজ্ঞরা এই সংকট ঘনীভূত হওয়ার জন্য অনানুষ্ঠানিক সিন্ডিকেটগুলোকেও দায়ী করছেন, যারা জ্বালানি মজুত করছে। বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রতন বলেন, ‘আমরা সীমিত সরবরাহ পাচ্ছি এবং পাম্পগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।’ তিনি ইনডিপেনডেন্টকে বলেন, ‘পাম্পগুলোতে চরম বিশৃঙ্খলা চলছে। অকটেন বা পেট্রোল না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হওয়া ক্ষুব্ধ গ্রাহকদের হাতে আমাদের কর্মীরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন। মানুষের জ্বালানি মজুত বন্ধ করা উচিত। যেহেতু প্রতিটি যানবাহনের জন্য সীমিত পরিমাণ বরাদ্দ করা হয়েছে, চালকরা তাদের বাইকের ট্যাংক খালি করে আবারও লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। আমরা আমাদের পাম্প এবং কর্মীদের সুরক্ষার জন্য সরকারকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছি।’
গ্লোবাল থিঙ্ক ট্যাংক ‘ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস’-এর প্রধান জ্বালানি বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, ‘আমদানি করা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতার কারণে এশিয়ায় বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হতে পারে। বাংলাদেশ তার প্রাথমিক জ্বালানির ৬২ শতাংশেরও বেশি আমদানির ওপর নির্ভর করে। তাই কোনো ব্যাঘাত ঘটলে তা শেষ পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে।’
তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে কোম্পানিগুলো হয় উচ্চমূল্যে জ্বালানি কিনবে অথবা সরবরাহ কমিয়ে দেবে, যার ফলে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং লোডশেডিং শুরু হবে। তার মতে, সরকারের উচিত করোনা মহামারির সময়ের পরীক্ষিত ব্যবস্থা অনুসরণে জ্বালানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া, যেমন—যেসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত আর্থিক লেনদেনের প্রয়োজন নেই তাদের জন্য ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাসা থেকে কাজের নির্দেশ দেওয়া।’
এদিকে, বাংলাদেশি এক কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে দ্য টেলিগ্রাফ বলেছে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে ‘কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ কার্যত অচল হয়ে যেতে পারে।’
তবে বিশ্লেষকদের এমন শঙ্কার বিপরীতে বাংলাদেশ সরকার দাবি করেছে, ‘বাংলাদেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই।’ জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—এই মুহূর্তে বাংলাদেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। প্রকৃতপক্ষে আমরা গত বছরের তুলনায় সরবরাহ বাড়িয়েছি।’