ডাস্টার দিয়ে পিটিয়ে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দৃশ্য দেখে শুধু উপজেলা নয় জেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, গত রোববার (৯ নভেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে শ্রেণিকক্ষ ও বাহিরে ছোটাছুটি করছিল কিছু শিক্ষার্থী। এ সময় স্কুলের প্রধান শিক্ষক সপ্তম শ্রেণির কক্ষে প্রবেশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের শাসন করতে শুরু করে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখেন। দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সামনের টেবিলে বসে থাকা এক ছাত্রীর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ডাস্টার দিয়ে বেধড়ক আঘাত করতে থাকেন তিনি। এতে তার মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। পরে তিনি টিস্যু দিয়ে রক্ত মুছে দেন। রক্ত ঝরলেও তখনো শিক্ষার্থীকে কান ছাড়তে দেননি ওই শিক্ষক। পরে অন্য একজন শিক্ষার্থীকে দিয়ে ক্লাশের মেঝেতে পড়ে থাকা রক্ত মুছে ফেলেন।
আহত ছাত্রীর বাবা মুজিবুর রহমান বলেন, আমার মেয়েকে অমানবিকভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন প্রধান শিক্ষক। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। বিষয়টি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে জানিয়েছি।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একজন শিক্ষক কর্তৃক কোমলমতি শিক্ষার্থীকে এমন নির্যাতন মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সুনামগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম সাঈদ বলেন, এই যুগে এমনভাবে শিক্ষার্থীকে আঘাত করা গুরুতর অন্যায়। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রধান শিক্ষক যেভাবে রাগে ফুঁসছিলেন তাতে আরও বড় ঘটনা ঘটতে পারত। এরকম শিক্ষককে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি।
এ বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
সুনামগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। আমরা অভিভাবককে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বরকত উল্লাহ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৮
সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের একটি ফ্ল্যাট জব্দ ও সেখানে থাকা মালামালের তালিকা তৈরির কার্যক্রম চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল এ অভিযান শুরু করে। অভিযানে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্তিচিত করেন।
তিনি জানান, মিরপুর ডিওএইচএসের ৩১ নম্বর সড়কের ৫৪১ নম্বর প্লটের এল-৩ নম্বর ফ্ল্যাটে অভিযান চলছে। ফ্ল্যাটটি জব্দ করার পাশাপাশি সেখানে থাকা আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী ও অন্যান্য মালামালের তালিকা তৈরি করছেন দুদকের কর্মকর্তারা।
তবে অভিযান চলমান থাকায় ফ্ল্যাটটিতে কী পরিমাণ সম্পদ বা কী ধরনের মালামাল পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।’
সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের একটি ফ্ল্যাট জব্দ ও সেখানে থাকা মালামালের তালিকা তৈরির কার্যক্রম চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (২৯ জুলাই) দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল এ অভিযান শুরু করে। অভিযানে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্তিচিত করেন।
তিনি জানান, মিরপুর ডিওএইচএসের ৩১ নম্বর সড়কের ৫৪১ নম্বর প্লটের এল-৩ নম্বর ফ্ল্যাটে অভিযান চলছে। ফ্ল্যাটটি জব্দ করার পাশাপাশি সেখানে থাকা আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রী ও অন্যান্য মালামালের তালিকা তৈরি করছেন দুদকের কর্মকর্তারা।
তবে অভিযান চলমান থাকায় ফ্ল্যাটটিতে কী পরিমাণ সম্পদ বা কী ধরনের মালামাল পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।’

২৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:৫৭
রাজধানী ঢাকার মিরপুর ১৩ নম্বরে যুবদল নেতাসহ দুইজন গুলিবিদ্ধি হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফরুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান এবং বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গোলাগুলির ঘটনায় অস্ত্রধারী একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
মিরপুর ১৩ নম্বরের বাসিন্দা ও বিএনপির কর্মী মো. সুজন সাংবাদিকদের জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে যুবদল নেতা হাফিজুরসহ ৭ থেকে ৮ জন ওই এলাকায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় হঠাৎ ৩ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমানের শরীরে ২টি গুলি লাগে।
কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোলাগুলির ঘটনায় দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
রাজধানী ঢাকার মিরপুর ১৩ নম্বরে যুবদল নেতাসহ দুইজন গুলিবিদ্ধি হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাফরুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান এবং বিএনপি কর্মী মো. ইউসুফ। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
গোলাগুলির ঘটনায় অস্ত্রধারী একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
মিরপুর ১৩ নম্বরের বাসিন্দা ও বিএনপির কর্মী মো. সুজন সাংবাদিকদের জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে যুবদল নেতা হাফিজুরসহ ৭ থেকে ৮ জন ওই এলাকায় আড্ডা দিচ্ছিলেন। ওই সময় হঠাৎ ৩ জন অস্ত্রধারী ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমানের শরীরে ২টি গুলি লাগে।
কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোলাগুলির ঘটনায় দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:০৫
শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি পদত্যাগ করেন। পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী, দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছি। যদি প্রয়োজন হয়।’
একইভাবে ডেপুটি স্পিকারও শপথের সময় স্পিকারের শপথ নিয়ে রাখেন বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস তালুকদারসহ সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি পদত্যাগ করেন। পদ শূন্য হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী, দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে হাফিজ উদ্দিন নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেদিন আমি স্পিকার হিসেবে শপথ নিয়েছি, সেদিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছি। যদি প্রয়োজন হয়।’
একইভাবে ডেপুটি স্পিকারও শপথের সময় স্পিকারের শপথ নিয়ে রাখেন বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস তালুকদারসহ সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১২ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:০০
ডাস্টার দিয়ে পিটিয়ে বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দৃশ্য দেখে শুধু উপজেলা নয় জেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, গত রোববার (৯ নভেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে শ্রেণিকক্ষ ও বাহিরে ছোটাছুটি করছিল কিছু শিক্ষার্থী। এ সময় স্কুলের প্রধান শিক্ষক সপ্তম শ্রেণির কক্ষে প্রবেশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের শাসন করতে শুরু করে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখেন। দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সামনের টেবিলে বসে থাকা এক ছাত্রীর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে ডাস্টার দিয়ে বেধড়ক আঘাত করতে থাকেন তিনি। এতে তার মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। পরে তিনি টিস্যু দিয়ে রক্ত মুছে দেন। রক্ত ঝরলেও তখনো শিক্ষার্থীকে কান ছাড়তে দেননি ওই শিক্ষক। পরে অন্য একজন শিক্ষার্থীকে দিয়ে ক্লাশের মেঝেতে পড়ে থাকা রক্ত মুছে ফেলেন।
আহত ছাত্রীর বাবা মুজিবুর রহমান বলেন, আমার মেয়েকে অমানবিকভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন প্রধান শিক্ষক। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। বিষয়টি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে জানিয়েছি।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, একজন শিক্ষক কর্তৃক কোমলমতি শিক্ষার্থীকে এমন নির্যাতন মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সুনামগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম সাঈদ বলেন, এই যুগে এমনভাবে শিক্ষার্থীকে আঘাত করা গুরুতর অন্যায়। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রধান শিক্ষক যেভাবে রাগে ফুঁসছিলেন তাতে আরও বড় ঘটনা ঘটতে পারত। এরকম শিক্ষককে জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি।
এ বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
সুনামগঞ্জ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। আমরা অভিভাবককে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বরকত উল্লাহ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৩৮
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৬
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৪
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৬