
২০ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৪৯
ঝালকাঠি পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্রস্থল ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ড। যেখান থেকে প্রতিদিন শতাধিক যাত্রী বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন। বর্তমানে সদরের গুরুত্বপূর্ণ এই বাসস্ট্যান্ডটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। ভাঙাচোরা রাস্তা, যাত্রী ছাউনি না থাকা, সেইসঙ্গে টয়লেটের অভাব—সব মিলিয়ে যেন একটি যন্ত্রণার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে জেলার এই প্রধান বাস টার্মিনালটি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাসস্ট্যান্ডের প্রতিটি প্রান্তে খানাখন্দ ও পানি জমে আছে। কোথাও কোথাও মাটি সরে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত, আবার কোথাও কাদায় পিচ্ছিল হয়ে উঠেছে চলাচলের পথ। এতে যাত্রীদের গাড়িতে ওঠানামা করাও হয়ে পড়ছে কষ্টসাধ্য। বিশেষ করে নারী, শিশু ও প্রবীণদের জন্য এই দুরবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে চরম ভোগান্তির উৎস।
বরিশাগামী এক যাত্রী নাজমা বেগম বলেন, বাসে উঠতে-নামতে গেলে পা রাখার জায়গা নেই। কাদা আর পানি পেরিয়ে কোনোভাবে উঠতে হয়। মাথার ওপর ছাউনি নেই, বৃষ্টি হলে ভিজে যেতে হয়, রোদ হলে পুড়তে হয়। মহিলা আর বাচ্চাদের জন্য অবস্থা আরও খারাপ।
দূরপাল্লার বাস কাউন্টার চালান হিরু হাওলাদার। তিনি বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য বাস দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এখান থেকে চলাচল করে। কিন্তু এই স্ট্যান্ডে যাত্রীদের জন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। ভাঙা রাস্তা, টয়লেটের সংকট-সব মিলে ঢাকাগামী অনেক যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বরিশালের রুপাতলী, নথুল্লাহবাদ থেকে গাড়িতে চড়েন। পৌরসভায় বারবার বলার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি পৌরসভার প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, বর্তমানে ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ডের যে বেহাল অবস্থা, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন না হওয়ায় যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এ অবস্থার সাময়িক স্বস্তি দিতে গত মে মাসে টিআর প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার সংস্কার কাজ করেছি, যাতে টয়লেট রিপেয়ারিংসহ জরুরি কিছু কাজ করা হয়।
তিনি আরও বরেন, এই সাময়িক উদ্যোগ ছাড়াও আমরা বৃহৎ পরিসরের উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। সিটিসিআরপি (উপকূলীয় শহরগুলোর জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা প্রকল্প) প্রকল্পের অধীনে জমি অধিগ্রহণ করে স্ট্যান্ডটির পরিধি বাড়িয়ে একটি আধুনিক বাস টার্মিনালে রূপান্তরের কাজ শুরু হচ্ছে।
স্ট্যান্ডে থাকবে নতুন যাত্রীছাউনি, উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো। এ ছাড়া পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুগন্ধা নদীর ভাঙনের বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে এবং তারা প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ঝালকাঠি বাস স্ট্যান্ডের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। সম্প্রতি পৌরসভা থেকে কিছু কাজ করার কথা জানানো হলেও বাজেটের সঙ্গে কার্যসম্পাদনের সামঞ্জস্য না থাকায় আমি তাদের বিল অনুমোদন করিনি।
এই বাস স্ট্যান্ডটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এখান থেকে ঝালকাঠি জেলা ছাড়াও রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য জেলায় সরাসরি বাস চলাচল করে। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে পানি ও কাঁদার কারণে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমি আশা করি, পৌর কর্তৃপক্ষ দ্রুতই এই স্ট্যান্ডের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
ঝালকাঠি পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্রস্থল ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ড। যেখান থেকে প্রতিদিন শতাধিক যাত্রী বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন। বর্তমানে সদরের গুরুত্বপূর্ণ এই বাসস্ট্যান্ডটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। ভাঙাচোরা রাস্তা, যাত্রী ছাউনি না থাকা, সেইসঙ্গে টয়লেটের অভাব—সব মিলিয়ে যেন একটি যন্ত্রণার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে জেলার এই প্রধান বাস টার্মিনালটি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাসস্ট্যান্ডের প্রতিটি প্রান্তে খানাখন্দ ও পানি জমে আছে। কোথাও কোথাও মাটি সরে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত, আবার কোথাও কাদায় পিচ্ছিল হয়ে উঠেছে চলাচলের পথ। এতে যাত্রীদের গাড়িতে ওঠানামা করাও হয়ে পড়ছে কষ্টসাধ্য। বিশেষ করে নারী, শিশু ও প্রবীণদের জন্য এই দুরবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে চরম ভোগান্তির উৎস।
বরিশাগামী এক যাত্রী নাজমা বেগম বলেন, বাসে উঠতে-নামতে গেলে পা রাখার জায়গা নেই। কাদা আর পানি পেরিয়ে কোনোভাবে উঠতে হয়। মাথার ওপর ছাউনি নেই, বৃষ্টি হলে ভিজে যেতে হয়, রোদ হলে পুড়তে হয়। মহিলা আর বাচ্চাদের জন্য অবস্থা আরও খারাপ।
দূরপাল্লার বাস কাউন্টার চালান হিরু হাওলাদার। তিনি বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য বাস দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এখান থেকে চলাচল করে। কিন্তু এই স্ট্যান্ডে যাত্রীদের জন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। ভাঙা রাস্তা, টয়লেটের সংকট-সব মিলে ঢাকাগামী অনেক যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বরিশালের রুপাতলী, নথুল্লাহবাদ থেকে গাড়িতে চড়েন। পৌরসভায় বারবার বলার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি পৌরসভার প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, বর্তমানে ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ডের যে বেহাল অবস্থা, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন না হওয়ায় যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এ অবস্থার সাময়িক স্বস্তি দিতে গত মে মাসে টিআর প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার সংস্কার কাজ করেছি, যাতে টয়লেট রিপেয়ারিংসহ জরুরি কিছু কাজ করা হয়।
তিনি আরও বরেন, এই সাময়িক উদ্যোগ ছাড়াও আমরা বৃহৎ পরিসরের উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। সিটিসিআরপি (উপকূলীয় শহরগুলোর জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা প্রকল্প) প্রকল্পের অধীনে জমি অধিগ্রহণ করে স্ট্যান্ডটির পরিধি বাড়িয়ে একটি আধুনিক বাস টার্মিনালে রূপান্তরের কাজ শুরু হচ্ছে।
স্ট্যান্ডে থাকবে নতুন যাত্রীছাউনি, উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো। এ ছাড়া পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুগন্ধা নদীর ভাঙনের বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে এবং তারা প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ঝালকাঠি বাস স্ট্যান্ডের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। সম্প্রতি পৌরসভা থেকে কিছু কাজ করার কথা জানানো হলেও বাজেটের সঙ্গে কার্যসম্পাদনের সামঞ্জস্য না থাকায় আমি তাদের বিল অনুমোদন করিনি।
এই বাস স্ট্যান্ডটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এখান থেকে ঝালকাঠি জেলা ছাড়াও রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য জেলায় সরাসরি বাস চলাচল করে। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে পানি ও কাঁদার কারণে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমি আশা করি, পৌর কর্তৃপক্ষ দ্রুতই এই স্ট্যান্ডের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৩

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৯
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া এক নেতাকে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএনপি। ঝালকাঠী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. সৈয়দ হোসেন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অ্যাড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতা হলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. শামসুল আলম।
এতে এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মো. শামসুল আলমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। পরে ২০২৫ সনের ৮ জুন তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে স্ব-পদে বহাল করা হয়েছে।
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া এক নেতাকে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে বিএনপি। ঝালকাঠী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাড. মো. সৈয়দ হোসেন এবং সদস্য সচিব অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেন এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা বিএনপির সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অ্যাড. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতা হলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মো. শামসুল আলম।
এতে এতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে গত ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর মো. শামসুল আলমকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছিল। পরে ২০২৫ সনের ৮ জুন তার আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহারপূর্বক তাকে স্ব-পদে বহাল করা হয়েছে।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪১
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম।
আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা।
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম।
আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু। ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা।
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু।
ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।
জামায়াত জোটের প্রার্থীকে সমর্থন নিয়ে দলীয় সিদ্ধান্তে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসন থেকে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ডা. মাহমুদা মিতু লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। আমার জীবনের প্রথম ভোট ইনশাআল্লাহ দাঁড়িপাল্লায় হবে। কাঁঠালিয়া রাজাপুর আসনে যারা আমাকে ভালোবাসেন আমার পাশে থাকতে চেয়েছেন, তাদেরকে আমার ভাই ফয়জুল হক ভাইয়ের পাশে থাকার দাবি রইল।
এদিকে ওইদিন রাতে (২০ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই জানিয়ে ফেসবুক পেজে আরেকটি পোস্ট করেন ডা. মাহমুদা মিতু।
ওই পোস্টে তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ সমর্থিত জামায়াত ইসলামের মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক ভাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০ দলীয় জোটের জেলা উপজেলার দায়িত্বশীলদের সঙ্গে রাজাপুরে পরিচিতি সমন্বয় সভা। ইনশাআল্লাহ আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) কাঠালিয়ায় থাকব বিকেল ৪টায়। এখান থেকেই আমাদের ১০ দলীয় জোটের কার্যক্রম শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরও বলেন, ঝালকাঠি–১ এর মাটিতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাই। আর ঢাকা ১১-তে শাপলা কলিতে ভোট চাই। পুরো বাংলাদেশে এবার ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের জয় হবে ইনশাআল্লাহ।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.