
২০ জুলাই, ২০২৫ ১৭:৪৯
ঝালকাঠি পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্রস্থল ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ড। যেখান থেকে প্রতিদিন শতাধিক যাত্রী বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন। বর্তমানে সদরের গুরুত্বপূর্ণ এই বাসস্ট্যান্ডটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। ভাঙাচোরা রাস্তা, যাত্রী ছাউনি না থাকা, সেইসঙ্গে টয়লেটের অভাব—সব মিলিয়ে যেন একটি যন্ত্রণার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে জেলার এই প্রধান বাস টার্মিনালটি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাসস্ট্যান্ডের প্রতিটি প্রান্তে খানাখন্দ ও পানি জমে আছে। কোথাও কোথাও মাটি সরে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত, আবার কোথাও কাদায় পিচ্ছিল হয়ে উঠেছে চলাচলের পথ। এতে যাত্রীদের গাড়িতে ওঠানামা করাও হয়ে পড়ছে কষ্টসাধ্য। বিশেষ করে নারী, শিশু ও প্রবীণদের জন্য এই দুরবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে চরম ভোগান্তির উৎস।
বরিশাগামী এক যাত্রী নাজমা বেগম বলেন, বাসে উঠতে-নামতে গেলে পা রাখার জায়গা নেই। কাদা আর পানি পেরিয়ে কোনোভাবে উঠতে হয়। মাথার ওপর ছাউনি নেই, বৃষ্টি হলে ভিজে যেতে হয়, রোদ হলে পুড়তে হয়। মহিলা আর বাচ্চাদের জন্য অবস্থা আরও খারাপ।
দূরপাল্লার বাস কাউন্টার চালান হিরু হাওলাদার। তিনি বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য বাস দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এখান থেকে চলাচল করে। কিন্তু এই স্ট্যান্ডে যাত্রীদের জন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। ভাঙা রাস্তা, টয়লেটের সংকট-সব মিলে ঢাকাগামী অনেক যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বরিশালের রুপাতলী, নথুল্লাহবাদ থেকে গাড়িতে চড়েন। পৌরসভায় বারবার বলার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি পৌরসভার প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, বর্তমানে ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ডের যে বেহাল অবস্থা, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন না হওয়ায় যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এ অবস্থার সাময়িক স্বস্তি দিতে গত মে মাসে টিআর প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার সংস্কার কাজ করেছি, যাতে টয়লেট রিপেয়ারিংসহ জরুরি কিছু কাজ করা হয়।
তিনি আরও বরেন, এই সাময়িক উদ্যোগ ছাড়াও আমরা বৃহৎ পরিসরের উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। সিটিসিআরপি (উপকূলীয় শহরগুলোর জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা প্রকল্প) প্রকল্পের অধীনে জমি অধিগ্রহণ করে স্ট্যান্ডটির পরিধি বাড়িয়ে একটি আধুনিক বাস টার্মিনালে রূপান্তরের কাজ শুরু হচ্ছে।
স্ট্যান্ডে থাকবে নতুন যাত্রীছাউনি, উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো। এ ছাড়া পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুগন্ধা নদীর ভাঙনের বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে এবং তারা প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ঝালকাঠি বাস স্ট্যান্ডের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। সম্প্রতি পৌরসভা থেকে কিছু কাজ করার কথা জানানো হলেও বাজেটের সঙ্গে কার্যসম্পাদনের সামঞ্জস্য না থাকায় আমি তাদের বিল অনুমোদন করিনি।
এই বাস স্ট্যান্ডটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এখান থেকে ঝালকাঠি জেলা ছাড়াও রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য জেলায় সরাসরি বাস চলাচল করে। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে পানি ও কাঁদার কারণে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমি আশা করি, পৌর কর্তৃপক্ষ দ্রুতই এই স্ট্যান্ডের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
ঝালকাঠি পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্রস্থল ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ড। যেখান থেকে প্রতিদিন শতাধিক যাত্রী বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করেন। বর্তমানে সদরের গুরুত্বপূর্ণ এই বাসস্ট্যান্ডটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। ভাঙাচোরা রাস্তা, যাত্রী ছাউনি না থাকা, সেইসঙ্গে টয়লেটের অভাব—সব মিলিয়ে যেন একটি যন্ত্রণার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে জেলার এই প্রধান বাস টার্মিনালটি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাসস্ট্যান্ডের প্রতিটি প্রান্তে খানাখন্দ ও পানি জমে আছে। কোথাও কোথাও মাটি সরে গিয়ে তৈরি হয়েছে বড় গর্ত, আবার কোথাও কাদায় পিচ্ছিল হয়ে উঠেছে চলাচলের পথ। এতে যাত্রীদের গাড়িতে ওঠানামা করাও হয়ে পড়ছে কষ্টসাধ্য। বিশেষ করে নারী, শিশু ও প্রবীণদের জন্য এই দুরবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে চরম ভোগান্তির উৎস।
বরিশাগামী এক যাত্রী নাজমা বেগম বলেন, বাসে উঠতে-নামতে গেলে পা রাখার জায়গা নেই। কাদা আর পানি পেরিয়ে কোনোভাবে উঠতে হয়। মাথার ওপর ছাউনি নেই, বৃষ্টি হলে ভিজে যেতে হয়, রোদ হলে পুড়তে হয়। মহিলা আর বাচ্চাদের জন্য অবস্থা আরও খারাপ।
দূরপাল্লার বাস কাউন্টার চালান হিরু হাওলাদার। তিনি বলেন, প্রতিদিন অসংখ্য বাস দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এখান থেকে চলাচল করে। কিন্তু এই স্ট্যান্ডে যাত্রীদের জন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। ভাঙা রাস্তা, টয়লেটের সংকট-সব মিলে ঢাকাগামী অনেক যাত্রীরা ক্ষুব্ধ হয়ে বরিশালের রুপাতলী, নথুল্লাহবাদ থেকে গাড়িতে চড়েন। পৌরসভায় বারবার বলার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি পৌরসভার প্রকৌশলী নাজমুল হাসান বলেন, বর্তমানে ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ডের যে বেহাল অবস্থা, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন না হওয়ায় যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এ অবস্থার সাময়িক স্বস্তি দিতে গত মে মাসে টিআর প্রকল্পের আওতায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার সংস্কার কাজ করেছি, যাতে টয়লেট রিপেয়ারিংসহ জরুরি কিছু কাজ করা হয়।
তিনি আরও বরেন, এই সাময়িক উদ্যোগ ছাড়াও আমরা বৃহৎ পরিসরের উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। সিটিসিআরপি (উপকূলীয় শহরগুলোর জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা প্রকল্প) প্রকল্পের অধীনে জমি অধিগ্রহণ করে স্ট্যান্ডটির পরিধি বাড়িয়ে একটি আধুনিক বাস টার্মিনালে রূপান্তরের কাজ শুরু হচ্ছে।
স্ট্যান্ডে থাকবে নতুন যাত্রীছাউনি, উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা, পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো। এ ছাড়া পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুগন্ধা নদীর ভাঙনের বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে এবং তারা প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নিচ্ছেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ঝালকাঠি বাস স্ট্যান্ডের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। সম্প্রতি পৌরসভা থেকে কিছু কাজ করার কথা জানানো হলেও বাজেটের সঙ্গে কার্যসম্পাদনের সামঞ্জস্য না থাকায় আমি তাদের বিল অনুমোদন করিনি।
এই বাস স্ট্যান্ডটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এখান থেকে ঝালকাঠি জেলা ছাড়াও রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য জেলায় সরাসরি বাস চলাচল করে। কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে পানি ও কাঁদার কারণে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আমি আশা করি, পৌর কর্তৃপক্ষ দ্রুতই এই স্ট্যান্ডের উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০
ঝালকাঠির নলছিটিতে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলি উল্টে ট্রলির মালিক হানিফ মাঝি (৩৮) নিহত ও চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার( ২৪ মে) উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের মানপাশা-খেজুরতলা সড়কের কালিবাড়ি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) আরিফুল আলম।
নিহত হানিফ বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখরকাঠি এলাকার সুলতান মাঝির ছেলে। এ ঘটনায় চালক মো: ইমন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি এলাকার বাসিন্দা। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা বাজার থেকে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলিটি তেল খালাস করে বাখরকাঠি ফেরত যাওয়ার সময় অতিরিক্ত গতির কারনে ট্রলিটি উল্টে যায়। এসময় মালিক হানিফ মাঝি ট্রলির নিচে চাপা পরে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে এবং আহত চালক মো: ইমনকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা
নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আরিফুল আলম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির নলছিটিতে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলি উল্টে ট্রলির মালিক হানিফ মাঝি (৩৮) নিহত ও চালক গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার( ২৪ মে) উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের মানপাশা-খেজুরতলা সড়কের কালিবাড়ি নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) আরিফুল আলম।
নিহত হানিফ বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার বাখরকাঠি এলাকার সুলতান মাঝির ছেলে। এ ঘটনায় চালক মো: ইমন গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরাদি এলাকার বাসিন্দা। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা বাজার থেকে তিন চাকা বিশিষ্ট ট্রলিটি তেল খালাস করে বাখরকাঠি ফেরত যাওয়ার সময় অতিরিক্ত গতির কারনে ট্রলিটি উল্টে যায়। এসময় মালিক হানিফ মাঝি ট্রলির নিচে চাপা পরে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে নলছিটি থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে এবং আহত চালক মো: ইমনকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা
নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত (ওসি) আরিফুল আলম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৯ মে, ২০২৬ ১৯:৫৫
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুরের শাহ মাহমুদিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের আচরণ নিয়ে ক্ষোভের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের অনুসারীরা অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কলেজের ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টো সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিককে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেন। অপরদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেন। এ নিয়ে কলেজ ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভক্তি তৈরি হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন জামাল সিকদারকে সমর্থন দিয়েছেন।
এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে কলেজ মাঠে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়ার পর অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে এমপি তাকে খোঁজ করলে বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
কলেজের এমএলএসএস হায়দার আলী বলেন, দুপুরের দিকে কয়েকজন এসে অধ্যক্ষ স্যারের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। কে বা কারা করেছে আমি জানি না।
শাহ মাহমুদিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমরেশ বৈদ্য বলেন, কমিটিতে যেই আসুক আমরা তার সঙ্গে কাজ করব। বিস্তারিত আর কিছু বলতে পারব না।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো কমিটির সভাপতি পদের জন্য সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিকের নাম মনোনয়ন দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেছেন। আমি সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টোর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। জেলা প্রশাসক বরাবর এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী সুপারিশ পাঠিয়েছি। এ কারণেই আমার অফিস কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদার বলেন, প্রিন্সিপাল এই কলেজ পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। তিনি কলেজ শেষ করে দিয়েছেন। সংবর্ধনার দিন কিছু না বলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে এমপির সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। তার কক্ষে আমি তালা দেইনি, স্থানীয়রা দিয়েছে। এখন এমপি জীবা আমীনা ও শাহাদাৎ ভাইয়ের কোনো নির্দেশনা ছাড়া এই কক্ষ খোলা যাবে না।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাভা রামচন্দ্রপুরের শাহ মাহমুদিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষের আচরণ নিয়ে ক্ষোভের জেরে রোববার (১৭ মে) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের অনুসারীরা অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, কলেজের ম্যনেজিং কমিটির সভাপতি পদে মনোনয়ন নিয়ে আগে থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টো সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিককে সভাপতি হিসেবে মনোনয়ন দেন। অপরদিকে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেন। এ নিয়ে কলেজ ও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভক্তি তৈরি হয়।
স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাদাৎ হোসেন জামাল সিকদারকে সমর্থন দিয়েছেন।
এর মধ্যেই কয়েকদিন আগে কলেজ মাঠে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমীনা আল গাজীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে কলেজ অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়ার পর অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে এমপি তাকে খোঁজ করলে বিষয়টি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
কলেজের এমএলএসএস হায়দার আলী বলেন, দুপুরের দিকে কয়েকজন এসে অধ্যক্ষ স্যারের কক্ষে তালা লাগিয়ে দেয়। কে বা কারা করেছে আমি জানি না।
শাহ মাহমুদিয়া কলেজের সহকারী অধ্যাপক সমরেশ বৈদ্য বলেন, কমিটিতে যেই আসুক আমরা তার সঙ্গে কাজ করব। বিস্তারিত আর কিছু বলতে পারব না।
অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো কমিটির সভাপতি পদের জন্য সাবেক কর কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম মল্লিকের নাম মনোনয়ন দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা পরিষদ প্রশাসক গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদারের নাম প্রস্তাব করেছেন। আমি সংসদ সদস্য ইলেন ভুট্টোর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। জেলা প্রশাসক বরাবর এমপির নির্দেশনা অনুযায়ী সুপারিশ পাঠিয়েছি। এ কারণেই আমার অফিস কক্ষে তালা দেওয়া হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে রিয়াচুল আমিন জামাল সিকদার বলেন, প্রিন্সিপাল এই কলেজ পরিচালনার জন্য যোগ্য নন। তিনি কলেজ শেষ করে দিয়েছেন। সংবর্ধনার দিন কিছু না বলে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করে এমপির সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। তার কক্ষে আমি তালা দেইনি, স্থানীয়রা দিয়েছে। এখন এমপি জীবা আমীনা ও শাহাদাৎ ভাইয়ের কোনো নির্দেশনা ছাড়া এই কক্ষ খোলা যাবে না।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক ও ব্যবসায়ীরা জানান, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস

১৯ মে, ২০২৬ ১৩:০৬
ঝালকাঠির নলছিটিতে লাশ বহনের সময় খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা পিকআপটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
সোমবার (১৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের বকুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাফনের জন্য একটি মৃতদেহ খাটিয়ায় করে নেওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি পিকআপ এসে খাটিয়া ও বহনকারীদের ধাক্কা দেয়। এতে খাটিয়া থেকে লাশ পড়ে যায় এবং চারজন আহত হন।
আহতরা হলেন মৃত ব্যক্তির ছেলে মো. অলিউর ইসলাম, শ্যালক নাছির হোসেন, ভাগ্নে মো. রেজা এবং নাতি। আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে পিকআপটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম জানান, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে যান চলাচল পুনরায় চালু করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে লাশ বহনের সময় খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা পিকআপটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
সোমবার (১৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের বকুলতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাফনের জন্য একটি মৃতদেহ খাটিয়ায় করে নেওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি পিকআপ এসে খাটিয়া ও বহনকারীদের ধাক্কা দেয়। এতে খাটিয়া থেকে লাশ পড়ে যায় এবং চারজন আহত হন।
আহতরা হলেন মৃত ব্যক্তির ছেলে মো. অলিউর ইসলাম, শ্যালক নাছির হোসেন, ভাগ্নে মো. রেজা এবং নাতি। আহতদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে পিকআপটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম জানান, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে যান চলাচল পুনরায় চালু করে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.