ছবি- সংগৃহীত
পিরোজপুরের জিয়ানগরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ আজিজুল হক ঘরামি (৩৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের ঢেপসাবুনিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আজিজুল একই ইউনিয়নের পশ্চিম বালিপাড়া গ্রামের মো. ইউসুফ আলী ঘরামির ছেলে।
জানা গেছে, আজিজুল হক ঘরামি ওই এলাকায় দীর্ঘদিন মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন। খবর পেয়ে সোমবার রাতে ইন্দুরকানী থানা উপপরিদর্শক (এস আই) মো. ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে এসআই শাহিনুর রহমান, এসআই সঞ্জিব ঢালী, এসআই রবিউল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আজিজুলকে গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয়রা জানান, মাদক ব্যবসায়ী আজিজুল পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেও এমন মাদক ব্যবসায়ী এলাকায় আরও রয়েছে। তাদেরও গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা। মাদক নির্মূলে পুলিশের অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. মোহব্বাত খান আজ মঙ্গলবার সকালে এই প্রতিবেদককে জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারি আজিজুলের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমরা সবসময় সোচ্চার ছিলাম, আছি এবং থাকব। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই থানায় কোনো ধরনের অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
বরিশাল টাইমস

০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:২৩
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মো. আবুল মল্লিক (৫৫) নামে এক অসহায় চা দোকানির লাশ নিজের দোকানের ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নের কামারকাঠি ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আবুল মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি অনেক সময় অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। পাশাপাশি সংসারে ছিল চরম অভাব-অনটন। একসময় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করলেও প্রায় পাঁচ বছর ধরে অসুস্থ থাকায় সেই কাজ করতে পারতেন না। পরে ধারদেনা করে বাড়ির সামনে একটি ছোট চায়ের দোকান দেন। তবে দোকান থেকেও সংসারের অভাব দূর হয়নি।
নিহতের মেয়ের জামাই আবীর হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার আবুল মল্লিককে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। প্রতিদিনের মতো রাতে তিনি নিজের চা দোকানেই ঘুমিয়ে ছিলেন। বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় তাকে ডাকতে যান স্বজনরা। একপর্যায়ে দোকানের ফাঁক দিয়ে গলায় লাইলনের রশি পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. হারুন বলেন, আবুল মল্লিক অত্যন্ত অসহায় ছিলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পাশাপাশি সংসারে অভাব থাকায় তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের অনেক সময় ভিক্ষা করে সংসার চালাতে হয়েছে। গতকালও তাকে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে বলে জানান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে মো. আবুল মল্লিক (৫৫) নামে এক অসহায় চা দোকানির লাশ নিজের দোকানের ভেতর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নের কামারকাঠি ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আবুল মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি অনেক সময় অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। পাশাপাশি সংসারে ছিল চরম অভাব-অনটন। একসময় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করলেও প্রায় পাঁচ বছর ধরে অসুস্থ থাকায় সেই কাজ করতে পারতেন না। পরে ধারদেনা করে বাড়ির সামনে একটি ছোট চায়ের দোকান দেন। তবে দোকান থেকেও সংসারের অভাব দূর হয়নি।
নিহতের মেয়ের জামাই আবীর হোসেন জানান, গত মঙ্গলবার আবুল মল্লিককে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। প্রতিদিনের মতো রাতে তিনি নিজের চা দোকানেই ঘুমিয়ে ছিলেন। বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় তাকে ডাকতে যান স্বজনরা। একপর্যায়ে দোকানের ফাঁক দিয়ে গলায় লাইলনের রশি পেঁচানো অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. হারুন বলেন, আবুল মল্লিক অত্যন্ত অসহায় ছিলেন। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পাশাপাশি সংসারে অভাব থাকায় তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের অনেক সময় ভিক্ষা করে সংসার চালাতে হয়েছে। গতকালও তাকে হাতে রশি নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে বলে জানান তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ২২:২৯
পিরোজপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ইসলামের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে পিরোজপুর শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় এলাকায় শহীদ ওমর ফারুক কিন্ডারগার্টেনের পেছনে একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন- স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ওই কক্ষে অষ্টম শ্রেণির প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে কোচিং করাচ্ছিলেন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর সুযোগ নেই। এছাড়া পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় বর্তমানে জেলার সব ধরনের কোচিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে ওই শিক্ষক নিয়মিত কোচিং করাচ্ছেন এমন তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে আসে। পরে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের জন্য সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
হামলার শিকার চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত বলেন, সরকারি আইন অমান্য করে আরাফাতুর রহমান নামে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য করছেন এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমিসহ আমার দুই সহকর্মী সাংবাদিকদের ওপরে শিক্ষক আরাফাতুর রহমান অতর্কিত হামলা চালান। এসময় তিনি আমাদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি এবং আমাদের সাথে কোনো কথা বলতে চাননি। তিনি তার কোচিং সেন্টারের পিয়ন ও কিছু শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করেন। আমরা কোনোমতে সেখান থেকে বের হয়ে চলে আসি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আরাফাত ইসলামকে ঘটনার সত্যতা জানতে মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করে ঘটনার বিষয় কোনো বক্তব্য দেননি। ব্যস্ত আছি বলে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে আবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবর তালুকদার বলেন, ১০-১৫ দিন আগেই স্কুলের সকল শিক্ষককে কোচিং না করানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমার জানামতে আমার স্কুলের সকল শিক্ষক এই নির্দেশনা মেনে চলছে কিন্তু কোচিং বিষয়ে সাংবাদিকরা নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে শিক্ষকের সাথে একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমাদের বিদ্যালয়ের সভাপতি পিরোজপুর জেলা প্রশাসক (আবু সাঈদ) তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, কোচিং সংক্রান্ত নিউজ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক শিক্ষক কর্তৃক আক্রমণের শিকার হয়েছে, এরকম একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং পরিচালনার অভিযোগ তদন্ত এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ইসলামের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে পিরোজপুর শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় এলাকায় শহীদ ওমর ফারুক কিন্ডারগার্টেনের পেছনে একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন- স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাত ওই কক্ষে অষ্টম শ্রেণির প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে কোচিং করাচ্ছিলেন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর সুযোগ নেই। এছাড়া পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় বর্তমানে জেলার সব ধরনের কোচিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে ওই শিক্ষক নিয়মিত কোচিং করাচ্ছেন এমন তথ্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে আসে। পরে তথ্য সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের জন্য সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।
হামলার শিকার চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত বলেন, সরকারি আইন অমান্য করে আরাফাতুর রহমান নামে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য করছেন এমন একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে আমিসহ আমার দুই সহকর্মী সাংবাদিকদের ওপরে শিক্ষক আরাফাতুর রহমান অতর্কিত হামলা চালান। এসময় তিনি আমাদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি এবং আমাদের সাথে কোনো কথা বলতে চাননি। তিনি তার কোচিং সেন্টারের পিয়ন ও কিছু শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমাদের আটকানোর চেষ্টা করেন। আমরা কোনোমতে সেখান থেকে বের হয়ে চলে আসি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আরাফাত ইসলামকে ঘটনার সত্যতা জানতে মুঠো ফোনে ফোন দিলে তিনি ফোনটা রিসিভ করে ঘটনার বিষয় কোনো বক্তব্য দেননি। ব্যস্ত আছি বলে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে আবার ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবর তালুকদার বলেন, ১০-১৫ দিন আগেই স্কুলের সকল শিক্ষককে কোচিং না করানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমার জানামতে আমার স্কুলের সকল শিক্ষক এই নির্দেশনা মেনে চলছে কিন্তু কোচিং বিষয়ে সাংবাদিকরা নিউজ সংগ্রহ করতে গেলে শিক্ষকের সাথে একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমাদের বিদ্যালয়ের সভাপতি পিরোজপুর জেলা প্রশাসক (আবু সাঈদ) তার নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, কোচিং সংক্রান্ত নিউজ করতে গিয়ে তিন সাংবাদিক শিক্ষক কর্তৃক আক্রমণের শিকার হয়েছে, এরকম একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং পরিচালনার অভিযোগ তদন্ত এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩৩
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় মাকে খুন করার অভিযোগে সুজন বালা (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সুজন বালাকে আদালতে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, ভাত রান্না নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে মায়ের মাথায় কাঠের ডাসা দিয়ে আঘাত করেন সুজন বালা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কানন বালা (৬৫) নামে ওই নারীর মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মৃত সুনীল বালার স্ত্রী কানন বালার সঙ্গে তার ছেলে সুজন বালার ভাত রান্না নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তাদের মধ্যে ঝগড়া চলার একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সুজন ক্ষিপ্ত হয়ে দরজায় ব্যবহৃত কাঠের ডাসা দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন।
পরদিন ভোরে কানন বালাকে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কানন বালার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই প্রদীপ মিস্ত্রী বাদী হয়ে সোমবার (১৭ আগস্ট) কাউখালী থানায় ভাগনে সুজন বালাকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলার পর ওইদিন গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে সুজন বালাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কাউখালী থানার পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) এবাদ আলী বরিশালটাইমসকে বলেন, কানন বালার ভাই বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলার পর সোমবার রাতে আসামি সুজন বালাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় মাকে খুন করার অভিযোগে সুজন বালা (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সুজন বালাকে আদালতে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, ভাত রান্না নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে মায়ের মাথায় কাঠের ডাসা দিয়ে আঘাত করেন সুজন বালা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কানন বালা (৬৫) নামে ওই নারীর মৃত্যু হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মৃত সুনীল বালার স্ত্রী কানন বালার সঙ্গে তার ছেলে সুজন বালার ভাত রান্না নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তাদের মধ্যে ঝগড়া চলার একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সুজন ক্ষিপ্ত হয়ে দরজায় ব্যবহৃত কাঠের ডাসা দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন।
পরদিন ভোরে কানন বালাকে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কানন বালার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই প্রদীপ মিস্ত্রী বাদী হয়ে সোমবার (১৭ আগস্ট) কাউখালী থানায় ভাগনে সুজন বালাকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলার পর ওইদিন গভীর রাতে নিজ বাড়ি থেকে সুজন বালাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কাউখালী থানার পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) এবাদ আলী বরিশালটাইমসকে বলেন, কানন বালার ভাই বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলার পর সোমবার রাতে আসামি সুজন বালাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

০২ জুন, ২০২৬ ১৩:০৫
পিরোজপুরের জিয়ানগরে ৩০ পিস ইয়াবাসহ আজিজুল হক ঘরামি (৩৮) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের ঢেপসাবুনিয়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আজিজুল একই ইউনিয়নের পশ্চিম বালিপাড়া গ্রামের মো. ইউসুফ আলী ঘরামির ছেলে।
জানা গেছে, আজিজুল হক ঘরামি ওই এলাকায় দীর্ঘদিন মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন। খবর পেয়ে সোমবার রাতে ইন্দুরকানী থানা উপপরিদর্শক (এস আই) মো. ইসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে এসআই শাহিনুর রহমান, এসআই সঞ্জিব ঢালী, এসআই রবিউল ইসলামসহ পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আজিজুলকে গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয়রা জানান, মাদক ব্যবসায়ী আজিজুল পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেও এমন মাদক ব্যবসায়ী এলাকায় আরও রয়েছে। তাদেরও গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা। মাদক নির্মূলে পুলিশের অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. মোহব্বাত খান আজ মঙ্গলবার সকালে এই প্রতিবেদককে জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারি আজিজুলের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে আমরা সবসময় সোচ্চার ছিলাম, আছি এবং থাকব। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই থানায় কোনো ধরনের অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
বরিশাল টাইমস
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬