বরিশালের মুলাদীতে ছয় বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসাশিক্ষক ও মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হেলাল উদ্দীন (২১) নামে ওই শিক্ষককে আটক করে গণপিটুনি দেন স্থানীয়রা। পরে মাদ্রাসা ও মসজিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির শর্তে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
হেলাল উদ্দীন পটুয়াখালীর মহিপুর উপজেলার চাদলী গ্রামের ফারুক হোসেন হাওলাদারের ছেলে। তিনি মুলাদীর একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতার পাশাপাশি রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টার দিকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে ছয় বছরের ওই ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণ ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে হেলাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার রাতে এশার নামাজ শেষে স্থানীয় কয়েকজন হেলাল উদ্দীনকে রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদ থেকে আটক করেন। পরে তাকে খালাশিরচর বাংলাবাজার এলাকার একটি মসজিদের দোতলায় নিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
খবর পেয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা সেখানে গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে মাদ্রাসা ও মসজিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির শর্তে মুচলেকা নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই রাতেই তাকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
মাদ্রাসার প্রধান মোহতামিম মাওলানা ইউসুফ আলী বলেন, অভিযোগ ওঠার পর রোববার রাতেই হেলাল উদ্দীনকে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদের মুসল্লি আবুল কালাম হাওলাদার বলেন, শিশুর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে এশার নামাজের পর কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে যান। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
মুলাদী থানার ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ কিংবা শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৯
গ্রাহকদের উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে বরিশালে নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার (জিপিসি) চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। ডিজিটাল-ফার্স্ট সেবা, আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে সেন্টারটি সাজানো হয়েছে।
বরিশালের বগুড়া রোডে স্থাপিত নতুন এ সেন্টার থেকে বরিশাল সদর ও আশপাশের এলাকার গ্রাহক, ব্যবসায়ী ও অংশীদাররা গ্রামীণফোনের বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান, সার্কেল বিজনেস হেড (খুলনা) মো. আহসান হাবিব, হেড অব কাস্টমার সার্ভিস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স আবদুল্লা আল মাহমুদ এবং গ্রামীণফোন সেন্টার পার্টনার (বরিশাল) কাজী সাফায়াত হোসেন। অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের অন্যান্য কর্মকর্তা, সেন্টার এজেন্ট, গ্রাহক ও স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
নদী, কৃষি ও পেয়ারা বাগানের ঐতিহ্যের সঙ্গে বরিশালের নিজস্ব পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে নতুন সেন্টারটির নকশা করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার নিশ্চিত করে আধুনিক ও টেকসই পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।
সেন্টারটিতে গ্রাহকরা এক ছাদের নিচে গ্রামীণফোনের বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা, ডিজিটাল সল্যুশন এবং আধুনিক প্রযুক্তিপণ্য পাবেন। গ্রাহকদের জন্য সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় সেবা নিশ্চিত করতে এতে অত্যাধুনিক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও রাখা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান বলেন, ‘গ্রাহক অভিজ্ঞতা শুধু আমরা কোথায় সেবা দিচ্ছি, তা নয়; বরং আমরা তাদের জীবনকে কতটা সহজ, মানসম্মত ও সংযুক্ত করতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, মানুষের জীবন যত বেশি অনলাইননির্ভর হচ্ছে, গ্রাহকদের জন্য শক্তিশালী ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার দায়িত্বও তত বাড়ছে। যাতে তারা আরও আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তার সঙ্গে ডিজিটাল দুনিয়ায় বিচরণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই গ্রামীণফোন কাজ করছে।
ফারহা নাজ জামান আরও বলেন, বরিশালের নতুন গ্রামীণফোন সেন্টারটি এই ভাবনার বাস্তব প্রতিফলন। এখানে আধুনিক ও ডিজিটাল পরিবেশে গ্রাহকরা একই সঙ্গে পণ্য, সেবা এবং ডিজিটাল ও সিকিউরিটি সল্যুশন পাবেন।
তার ভাষ্য, বরিশালের মানুষের কাছে এ ধরনের সেবা পৌঁছে দিতে পেরে গ্রামীণফোন গর্বিত। নতুন সেন্টারটি সবার জন্য সহজলভ্য, আধুনিক ও টেকসই সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রামীণফোনের ধারাবাহিক বিনিয়োগের অংশ। একই সঙ্গে স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও এর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
গ্রাহকদের উন্নত ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে বরিশালে নতুন গ্রামীণফোন সেন্টার (জিপিসি) চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। ডিজিটাল-ফার্স্ট সেবা, আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে সেন্টারটি সাজানো হয়েছে।
বরিশালের বগুড়া রোডে স্থাপিত নতুন এ সেন্টার থেকে বরিশাল সদর ও আশপাশের এলাকার গ্রাহক, ব্যবসায়ী ও অংশীদাররা গ্রামীণফোনের বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান, সার্কেল বিজনেস হেড (খুলনা) মো. আহসান হাবিব, হেড অব কাস্টমার সার্ভিস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স আবদুল্লা আল মাহমুদ এবং গ্রামীণফোন সেন্টার পার্টনার (বরিশাল) কাজী সাফায়াত হোসেন। অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের অন্যান্য কর্মকর্তা, সেন্টার এজেন্ট, গ্রাহক ও স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
নদী, কৃষি ও পেয়ারা বাগানের ঐতিহ্যের সঙ্গে বরিশালের নিজস্ব পরিচয়কে প্রাধান্য দিয়ে নতুন সেন্টারটির নকশা করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার নিশ্চিত করে আধুনিক ও টেকসই পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।
সেন্টারটিতে গ্রাহকরা এক ছাদের নিচে গ্রামীণফোনের বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা, ডিজিটাল সল্যুশন এবং আধুনিক প্রযুক্তিপণ্য পাবেন। গ্রাহকদের জন্য সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় সেবা নিশ্চিত করতে এতে অত্যাধুনিক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাও রাখা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামান বলেন, ‘গ্রাহক অভিজ্ঞতা শুধু আমরা কোথায় সেবা দিচ্ছি, তা নয়; বরং আমরা তাদের জীবনকে কতটা সহজ, মানসম্মত ও সংযুক্ত করতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি বলেন, মানুষের জীবন যত বেশি অনলাইননির্ভর হচ্ছে, গ্রাহকদের জন্য শক্তিশালী ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার দায়িত্বও তত বাড়ছে। যাতে তারা আরও আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তার সঙ্গে ডিজিটাল দুনিয়ায় বিচরণ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই গ্রামীণফোন কাজ করছে।
ফারহা নাজ জামান আরও বলেন, বরিশালের নতুন গ্রামীণফোন সেন্টারটি এই ভাবনার বাস্তব প্রতিফলন। এখানে আধুনিক ও ডিজিটাল পরিবেশে গ্রাহকরা একই সঙ্গে পণ্য, সেবা এবং ডিজিটাল ও সিকিউরিটি সল্যুশন পাবেন।
তার ভাষ্য, বরিশালের মানুষের কাছে এ ধরনের সেবা পৌঁছে দিতে পেরে গ্রামীণফোন গর্বিত। নতুন সেন্টারটি সবার জন্য সহজলভ্য, আধুনিক ও টেকসই সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রামীণফোনের ধারাবাহিক বিনিয়োগের অংশ। একই সঙ্গে স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও এর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:২২
বরিশালের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই ভাইকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে গৌরনদী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন বন্দর সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. পারভেজ হোসেন তুহিন (৩১) ও তার ছোট ভাই তামিম হোসেন (২৮)।
ডিবি পুলিশ জানায়, ডিবির ওসি মোহাম্মদ শামুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, এসআই আল হেলাল, এসআই হানিফ মোল্লা, এএসআই রফিকুল ইসলামসহ একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় দুই ভাইকে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে আটক করা হয়।
পরে তাদের শরীর তল্লাশি করে সর্বমোট ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ডিবি সূত্র আরও জানায়, আটক পারভেজ হোসেন তুহিনের বিরুদ্ধে আগেও মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় দুই ভাইকে আসামি করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তাদের আদালতে পাঠানো হবে।’
বরিশালের গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই ভাইকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে গৌরনদী মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন বন্দর সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. পারভেজ হোসেন তুহিন (৩১) ও তার ছোট ভাই তামিম হোসেন (২৮)।
ডিবি পুলিশ জানায়, ডিবির ওসি মোহাম্মদ শামুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, এসআই আল হেলাল, এসআই হানিফ মোল্লা, এএসআই রফিকুল ইসলামসহ একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় দুই ভাইকে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে আটক করা হয়।
পরে তাদের শরীর তল্লাশি করে সর্বমোট ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। ডিবি সূত্র আরও জানায়, আটক পারভেজ হোসেন তুহিনের বিরুদ্ধে আগেও মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। মামলায় দুই ভাইকে আসামি করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তাদের আদালতে পাঠানো হবে।’

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৩০
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লার পারিবারিক জমি দখল করে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বরিশালের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বানারীপাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার কথা জানালেও তা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন মঞ্জু মোল্লা।
তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত মো. আলী হোসেন ও তাঁর ছেলে মো. আতিকুর রহমান রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমিতে নির্মাণকাজ চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে থানায় যোগাযোগ করেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর।
তবে অভিযুক্ত আতিকুর রহমানের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমির মালিক তাঁর বাবা। দীর্ঘদিন মঞ্জু মোল্লা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তাঁদের জমি দখল করে রেখেছিলেন। এখন তাঁরা নিজেদের জমি দখলে নিয়েছেন।
গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা জানান, তাঁদের বাড়িসংলগ্ন জেএল ৪২ নম্বর খতিয়ানের এসএ ৫৯৪ ও ৫৯১ নম্বর খতিয়ানের হাল ৫৯৭ ও ৫৮৯ নম্বর দাগ থেকে ২০১৭ সালের শেষ দিকে প্রায় তিন শতক জমি কেনেন তাঁরা। এরপর থেকে জমিটি তাঁরা ভোগদখল করে আসছেন।
মঞ্জু মোল্লার ভাষ্য, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে আলী হোসেন ও তাঁর ছেলে লোকজন নিয়ে ওই জমিতে গিয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ও আশপাশের লোকজন বাধা দিলে তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।
এরপর গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আতিকুর রহমান দেশীয় অস্ত্রধারী কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই জমিতে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থিতাবস্থা জারির নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর শুক্রবার সকালে বানারীপাড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) অজয় সিকদার ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার বিষয়ে নোটিশ দেন। কিন্তু এরপরও আতিকুর রহমান ও তাঁর বাবা নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ মঞ্জু মোল্লার।
মঞ্জু মোল্লা জানান, আদালতের আদেশ জারির পরও নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি জানিয়ে বানারীপাড়া থানার পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা শতদল মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু পরিদর্শক ‘ওপর মহলের চাপ রয়েছে’ বলে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন এবং নির্মাণকাজ বন্ধ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত আতিকুর রহমান বলেন, ‘ওই জমির মালিক আমার বাবা। এত বছর মঞ্জু মোল্লা নিজের ক্ষমতা বলে আমাদের জমি দখল করে রেখেছিলেন। এখন আমরা আমাদের জমি দখলে নিয়েছি।’ আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান সরকারি কাজে বানারীপাড়ার বাইরে থাকায় তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, বর্তমানে থানার ওসির দায়িত্বে রয়েছেন পরিদর্শক শতদল মজুমদার।
শতদল মজুমদার বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আতিকুর রহমান ও তাঁর বাবাকে স্থিতাবস্থার বিষয়টি জানিয়ে এসেছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতেও তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরও নির্মাণকাজ চলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওপর মহলের চাপ রয়েছে। বিধায় আমরা অন্য কিছু করতে পারছি না।’
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লার পারিবারিক জমি দখল করে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বরিশালের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বানারীপাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার কথা জানালেও তা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন মঞ্জু মোল্লা।
তাঁর অভিযোগ, স্থানীয় বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত মো. আলী হোসেন ও তাঁর ছেলে মো. আতিকুর রহমান রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমিতে নির্মাণকাজ চালাচ্ছেন। এ বিষয়ে থানায় যোগাযোগ করেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর।
তবে অভিযুক্ত আতিকুর রহমানের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমির মালিক তাঁর বাবা। দীর্ঘদিন মঞ্জু মোল্লা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তাঁদের জমি দখল করে রেখেছিলেন। এখন তাঁরা নিজেদের জমি দখলে নিয়েছেন।
গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা জানান, তাঁদের বাড়িসংলগ্ন জেএল ৪২ নম্বর খতিয়ানের এসএ ৫৯৪ ও ৫৯১ নম্বর খতিয়ানের হাল ৫৯৭ ও ৫৮৯ নম্বর দাগ থেকে ২০১৭ সালের শেষ দিকে প্রায় তিন শতক জমি কেনেন তাঁরা। এরপর থেকে জমিটি তাঁরা ভোগদখল করে আসছেন।
মঞ্জু মোল্লার ভাষ্য, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে আলী হোসেন ও তাঁর ছেলে লোকজন নিয়ে ওই জমিতে গিয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ও আশপাশের লোকজন বাধা দিলে তাঁরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।
এরপর গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আতিকুর রহমান দেশীয় অস্ত্রধারী কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই জমিতে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থিতাবস্থা জারির নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর শুক্রবার সকালে বানারীপাড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) অজয় সিকদার ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার বিষয়ে নোটিশ দেন। কিন্তু এরপরও আতিকুর রহমান ও তাঁর বাবা নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ মঞ্জু মোল্লার।
মঞ্জু মোল্লা জানান, আদালতের আদেশ জারির পরও নির্মাণকাজ বন্ধ হয়নি জানিয়ে বানারীপাড়া থানার পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা শতদল মজুমদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু পরিদর্শক ‘ওপর মহলের চাপ রয়েছে’ বলে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন এবং নির্মাণকাজ বন্ধ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন।
অভিযুক্ত আতিকুর রহমান বলেন, ‘ওই জমির মালিক আমার বাবা। এত বছর মঞ্জু মোল্লা নিজের ক্ষমতা বলে আমাদের জমি দখল করে রেখেছিলেন। এখন আমরা আমাদের জমি দখলে নিয়েছি।’ আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মাণকাজ চালানোর অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান সরকারি কাজে বানারীপাড়ার বাইরে থাকায় তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলা সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, বর্তমানে থানার ওসির দায়িত্বে রয়েছেন পরিদর্শক শতদল মজুমদার।
শতদল মজুমদার বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আতিকুর রহমান ও তাঁর বাবাকে স্থিতাবস্থার বিষয়টি জানিয়ে এসেছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখতেও তাঁদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরও নির্মাণকাজ চলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ওপর মহলের চাপ রয়েছে। বিধায় আমরা অন্য কিছু করতে পারছি না।’

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫৩
বরিশালের মুলাদীতে ছয় বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসাশিক্ষক ও মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হেলাল উদ্দীন (২১) নামে ওই শিক্ষককে আটক করে গণপিটুনি দেন স্থানীয়রা। পরে মাদ্রাসা ও মসজিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির শর্তে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
হেলাল উদ্দীন পটুয়াখালীর মহিপুর উপজেলার চাদলী গ্রামের ফারুক হোসেন হাওলাদারের ছেলে। তিনি মুলাদীর একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতার পাশাপাশি রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টার দিকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে ছয় বছরের ওই ছাত্রীর সঙ্গে অশালীন আচরণ ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে হেলাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার রাতে এশার নামাজ শেষে স্থানীয় কয়েকজন হেলাল উদ্দীনকে রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদ থেকে আটক করেন। পরে তাকে খালাশিরচর বাংলাবাজার এলাকার একটি মসজিদের দোতলায় নিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
খবর পেয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা সেখানে গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে মাদ্রাসা ও মসজিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির শর্তে মুচলেকা নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই রাতেই তাকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
মাদ্রাসার প্রধান মোহতামিম মাওলানা ইউসুফ আলী বলেন, অভিযোগ ওঠার পর রোববার রাতেই হেলাল উদ্দীনকে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রাঘুয়া শরীফ বাড়ি জামে মসজিদের মুসল্লি আবুল কালাম হাওলাদার বলেন, শিশুর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগে এশার নামাজের পর কয়েকজন তাকে ধরে নিয়ে যান। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
মুলাদী থানার ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ কিংবা শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় থানায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৫৩
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:১৯
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৯
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৩৮