
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২১
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ অদলবদলের প্রস্তাব দিয়েছে, এমন প্রতিবেদনের মধ্যে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড নিশ্চিত করেছে যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) আয়ারল্যান্ডের ম্যাচ শ্রীলঙ্কা থেকে সরাচ্ছে না। তারা চায় না ভারতে গিয়ে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলতে।
ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইটি ক্রিকবাজকে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত আশ্বাস পেয়েছি যে মূল সূচি থেকে আমাদের ম্যাচগুলো সরানো হবে না। আমরা নিশ্চিতভাবেই গ্রুপ পর্ব শ্রীলঙ্কায় খেলব।
আয়ারল্যান্ড গ্রুপ ‘বি’-তে রয়েছে সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে ও ওমানের সঙ্গে। এই গ্রুপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ক্যান্ডি ও কলম্বোতে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ রয়েছে গ্রুপ ‘সি’-তে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, নেপাল ও ইতালি। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ভারত সফরে যেতে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো বর্তমানে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
গতকাল শনিবার ঢাকায় আইসিসির সঙ্গে এক বৈঠকে বিসিবি সম্ভাব্য সমাধান হিসেবে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ অদলবদলের প্রস্তাব তোলে, যা বাস্তবায়ন করা হলে তুলনামূলকভাবে কম লজিস্টিক পরিবর্তন লাগবে।
বিসিবি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ন্যূনতম লজিস্টিক সমন্বয়ের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশকে অন্য একটি গ্রুপে স্থানান্তরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
একই সঙ্গে বিসিবি খেলোয়াড়, সমর্থক, গণমাধ্যমকর্মী ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করে। বিসিবি ও আইসিসি উভয় পক্ষই বিষয়টি নিয়ে আগামী দিনগুলোতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে।
আইসিসি প্রতিনিধিদলে ছিলেন ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ, যিনি সরাসরি উপস্থিত ছিলেন, এবং ইভেন্টস ও কর্পোরেট কমিউনিকেশনের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনা, যিনি ভিসা জটিলতার কারণে ভার্চুয়ালি যোগ দেন।
বিসিবির পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ, ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম, নিরাপত্তা প্রধান (অব.) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম ফরহাদ এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী।
চলতি মাসের শুরুতে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার পর উদ্ভূত নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত থেকে তাদের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানায়।
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ অদলবদলের প্রস্তাব দিয়েছে, এমন প্রতিবেদনের মধ্যে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড নিশ্চিত করেছে যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) আয়ারল্যান্ডের ম্যাচ শ্রীলঙ্কা থেকে সরাচ্ছে না। তারা চায় না ভারতে গিয়ে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলতে।
ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইটি ক্রিকবাজকে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত আশ্বাস পেয়েছি যে মূল সূচি থেকে আমাদের ম্যাচগুলো সরানো হবে না। আমরা নিশ্চিতভাবেই গ্রুপ পর্ব শ্রীলঙ্কায় খেলব।
আয়ারল্যান্ড গ্রুপ ‘বি’-তে রয়েছে সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে ও ওমানের সঙ্গে। এই গ্রুপের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ক্যান্ডি ও কলম্বোতে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ রয়েছে গ্রুপ ‘সি’-তে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, নেপাল ও ইতালি। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ভারত সফরে যেতে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো বর্তমানে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
গতকাল শনিবার ঢাকায় আইসিসির সঙ্গে এক বৈঠকে বিসিবি সম্ভাব্য সমাধান হিসেবে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ অদলবদলের প্রস্তাব তোলে, যা বাস্তবায়ন করা হলে তুলনামূলকভাবে কম লজিস্টিক পরিবর্তন লাগবে।
বিসিবি এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ন্যূনতম লজিস্টিক সমন্বয়ের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশকে অন্য একটি গ্রুপে স্থানান্তরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
একই সঙ্গে বিসিবি খেলোয়াড়, সমর্থক, গণমাধ্যমকর্মী ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ পুনর্ব্যক্ত করে। বিসিবি ও আইসিসি উভয় পক্ষই বিষয়টি নিয়ে আগামী দিনগুলোতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে।
আইসিসি প্রতিনিধিদলে ছিলেন ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ, যিনি সরাসরি উপস্থিত ছিলেন, এবং ইভেন্টস ও কর্পোরেট কমিউনিকেশনের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনা, যিনি ভিসা জটিলতার কারণে ভার্চুয়ালি যোগ দেন।
বিসিবির পক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ, ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম, নিরাপত্তা প্রধান (অব.) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম ফরহাদ এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী।
চলতি মাসের শুরুতে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার পর উদ্ভূত নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ৪ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত থেকে তাদের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানায়।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৮
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ঘিরে কথিত পুলিশি হেনস্তার ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটার। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নাঈম হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে একটি ঘটনার মুখোমুখি হন। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয় এবং সেখানে অসদাচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তিনি লেখেন, নাঈমের সঙ্গে যা ঘটেছে তা অগ্রহণযোগ্য এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ ঘটনা তাকে ব্যথিত করেছে এবং নাঈমের পাশে থাকার বার্তা দেন।
পেসার তাসকিন আহমেদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাসও নাঈমের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে একজন সতীর্থকে যেতে দেখা কষ্টের এবং দেশের কোনো নাগরিকেরই এমন আচরণের মুখোমুখি হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের প্রত্যাশা জানান তিনি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্যকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ঘিরে কথিত পুলিশি হেনস্তার ঘটনায় উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় দলের কয়েকজন ক্রিকেটার। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব।
অভিযোগ অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ শেষে চট্টগ্রামে ফেরার পথে নাঈম হাসান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে একটি ঘটনার মুখোমুখি হন। পরে তাকে থানায় নেওয়া হয় এবং সেখানে অসদাচরণের শিকার হওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তিনি লেখেন, নাঈমের সঙ্গে যা ঘটেছে তা অগ্রহণযোগ্য এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, এ ঘটনা তাকে ব্যথিত করেছে এবং নাঈমের পাশে থাকার বার্তা দেন।
পেসার তাসকিন আহমেদও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ টি টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক লিটন দাসও নাঈমের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে একজন সতীর্থকে যেতে দেখা কষ্টের এবং দেশের কোনো নাগরিকেরই এমন আচরণের মুখোমুখি হওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের প্রত্যাশা জানান তিনি।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিক প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসেবে এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্যকে খুলশী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৮ জুন, ২০২৬ ২০:০৮
১৯৯০ সালে বাংলাদেশের একটি অনূর্ধ্ব-১৪ দল ‘বাংলা একাদশ’ নামে ইউরোপে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ ও গথিয়া কাপে অংশ নেয় বলে বিভিন্ন আলোচনায় উল্লেখ পাওয়া যায়। ওই সময়ের একটি ঘটনার বিষয়ে দাবি করা হয় যে, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের বিপক্ষে ৭–০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের গণমাধ্যম উপদেষ্টা তৌহিদ ফিরোজ এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে জানান, ডেনমার্কে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ এবং সুইডেনে অনুষ্ঠিত গথিয়া কাপ বিশ্বের তরুণ ফুটবলারদের অন্যতম বড় আসর হিসেবে পরিচিত।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই প্রতিযোগিতায় ‘বাংলা একাদশ’ নামের বাংলাদেশের যুব দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের মুখোমুখি হয়ে ৭–০ গোলের ব্যবধানে জয় পায়।
তিনি আরও দাবি করেন, ব্রাজিলের কিশোর ফুটবলাররা তাদের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি পরে মাঠে নেমেছিল এবং ম্যাচটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শুধু এই ম্যাচই নয়, টুর্নামেন্টে আরও কয়েকটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষেও বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বলে তখনকার কিছু সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ পাওয়া যায়।
তবে ফুটবল ইতিহাস ও জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রাজিলের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল ব্যবধানে জয় পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ১৯৩৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার ৮–৪ গোলের জয় এবং ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির ৭–১ গোলের জয়।
তবে বাংলাদেশের এই ৭–০ জয়ের গল্পটি জাতীয় দলের কোনো ম্যাচ নয়—এটি একটি আন্তর্জাতিক যুব টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অনূর্ধ্ব-১৪ পর্যায়ের দলের একটি ম্যাচকে ঘিরে আলোচিত দাবি। ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এত বড় ব্যবধানে হার বা জয় বিরল হওয়ায় ঘটনাটি এখনও অনেকের কৌতূহলের বিষয় হয়ে আছে।
১৯৯০ সালে বাংলাদেশের একটি অনূর্ধ্ব-১৪ দল ‘বাংলা একাদশ’ নামে ইউরোপে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ ও গথিয়া কাপে অংশ নেয় বলে বিভিন্ন আলোচনায় উল্লেখ পাওয়া যায়। ওই সময়ের একটি ঘটনার বিষয়ে দাবি করা হয় যে, টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের বিপক্ষে ৭–০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের গণমাধ্যম উপদেষ্টা তৌহিদ ফিরোজ এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে জানান, ডেনমার্কে অনুষ্ঠিত ডানা কাপ এবং সুইডেনে অনুষ্ঠিত গথিয়া কাপ বিশ্বের তরুণ ফুটবলারদের অন্যতম বড় আসর হিসেবে পরিচিত।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, ওই প্রতিযোগিতায় ‘বাংলা একাদশ’ নামের বাংলাদেশের যুব দল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের মুখোমুখি হয়ে ৭–০ গোলের ব্যবধানে জয় পায়।
তিনি আরও দাবি করেন, ব্রাজিলের কিশোর ফুটবলাররা তাদের ঐতিহ্যবাহী হলুদ জার্সি পরে মাঠে নেমেছিল এবং ম্যাচটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শুধু এই ম্যাচই নয়, টুর্নামেন্টে আরও কয়েকটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষেও বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বলে তখনকার কিছু সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ পাওয়া যায়।
তবে ফুটবল ইতিহাস ও জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রাজিলের বিপক্ষে এক ম্যাচে ৭ বা তার বেশি গোল ব্যবধানে জয় পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ১৯৩৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার ৮–৪ গোলের জয় এবং ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জার্মানির ৭–১ গোলের জয়।
তবে বাংলাদেশের এই ৭–০ জয়ের গল্পটি জাতীয় দলের কোনো ম্যাচ নয়—এটি একটি আন্তর্জাতিক যুব টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অনূর্ধ্ব-১৪ পর্যায়ের দলের একটি ম্যাচকে ঘিরে আলোচিত দাবি। ফুটবল ইতিহাসে ব্রাজিলের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এত বড় ব্যবধানে হার বা জয় বিরল হওয়ায় ঘটনাটি এখনও অনেকের কৌতূহলের বিষয় হয়ে আছে।

০৪ জুন, ২০২৬ ১২:৪০
আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী নেপালকে ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। এর আগে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।
বুধবার (০৩ জুন) গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও অলিম্পিক গোল আর শেষ মুহূর্তের চমৎকার ফিনিশিংয়ে জয় ছিনিয়ে নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের চার বছরের গৌরবময় রাজত্ব টিকে রইল, আর এক ধাপ দূরে রইল শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে নেপাল। শুরুতেই নেপালের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে নেপালকে এগিয়ে নেন গীতা রানা। দীপা শাহির দারুণ ক্রসে কেবল পায়ের টোকা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
প্রথমার্ধের ঠিক শেষ সময়ে মাঠে দেখা গেল জাদুকরী এক মুহূর্ত। পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে এক অবিশ্বাস্য গোল করে বসেন। ফুটবল পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘অলিম্পিক গোল’। সরাসরি কর্নার থেকে বল জালে জড়িয়ে তিনি বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান এবং এই গোলের পর মাঠে নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সাবিনারা।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ১২ মিনিট আগে অর্থাৎ ৭৮ মিনিটে লিড নেওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন সাগরিকা। কিন্তু তার নেওয়া জোরালো শটটি নেপাল অধিনায়ক তথা গোলরক্ষক সুব্বা লাফিয়ে উঠে দারুণভাবে ঘুষি মেরে ফিরিয়ে দেন। তবে সেই সুযোগ মিসের হতাশা কাটাতে বেশি সময় নেননি সাগরিকা। ম্যাচের ৮১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিনি। পেছনে নেপালের দুজন ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও তাদের ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন সাগরিকা।
সাগরিকার এই জয়সূচক গোলেই শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল লাল-সবুজ বাহিনী।
বরিশাল টাইমস
আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী নেপালকে ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। এর আগে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।
বুধবার (০৩ জুন) গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও অলিম্পিক গোল আর শেষ মুহূর্তের চমৎকার ফিনিশিংয়ে জয় ছিনিয়ে নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের চার বছরের গৌরবময় রাজত্ব টিকে রইল, আর এক ধাপ দূরে রইল শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে নেপাল। শুরুতেই নেপালের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে নেপালকে এগিয়ে নেন গীতা রানা। দীপা শাহির দারুণ ক্রসে কেবল পায়ের টোকা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
প্রথমার্ধের ঠিক শেষ সময়ে মাঠে দেখা গেল জাদুকরী এক মুহূর্ত। পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে এক অবিশ্বাস্য গোল করে বসেন। ফুটবল পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘অলিম্পিক গোল’। সরাসরি কর্নার থেকে বল জালে জড়িয়ে তিনি বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান এবং এই গোলের পর মাঠে নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সাবিনারা।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ১২ মিনিট আগে অর্থাৎ ৭৮ মিনিটে লিড নেওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন সাগরিকা। কিন্তু তার নেওয়া জোরালো শটটি নেপাল অধিনায়ক তথা গোলরক্ষক সুব্বা লাফিয়ে উঠে দারুণভাবে ঘুষি মেরে ফিরিয়ে দেন। তবে সেই সুযোগ মিসের হতাশা কাটাতে বেশি সময় নেননি সাগরিকা। ম্যাচের ৮১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিনি। পেছনে নেপালের দুজন ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও তাদের ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন সাগরিকা।
সাগরিকার এই জয়সূচক গোলেই শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল লাল-সবুজ বাহিনী।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.