
০৩ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পিরোজপুরের কাউখালীতে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় প্রথম শ্রেণির নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র। কিন্তু এটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে গণপূর্ত বিভাগ ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শুরু করে। কেন্দ্রটি নির্মাণে ৯০ লাখ টাকা ব্যয় হলেও অফিসের যন্ত্রপাতির হিসেব এখনো অজানাই রয়ে গেছে।
মূল ভবনের নির্মাণ শেষ হয় ২০১২ সালে এবং হস্তান্তর করা হয় ২০১৬ সালে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে কিছু সীমিত জনবল নিয়োগ দেওয়া হলেও তারা নিয়মিত অফিসে আসেন না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। নির্মাণের ৫ বছর পর আনসার নিয়োগ দেওয়া হলেও ছয় বছরেও প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো কার্যকর জনবল নিয়োগ হয়নি। এমনকি যে আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তারও দেখা মেলে না নিয়মিত।
সম্প্রতি সরেজমিনে সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রটির মূল ফটকে তালা ঝুলছে। পাশের পকেট গেট থেকে অফিসে প্রবেশ করে দেখা যায় অফিস থাকলেও নেই সেবা, নেই কর্মচারীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রমের কোনো চিহ্ন। অফিস কক্ষগুলোতে বসার টেবিল সরিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিছানা, আর অফিসের আসবাবপত্র রাখা হয়েছে বাইরে। অফিস কক্ষে দড়ি টানিয়ে শুকানো হচ্ছে জামা কাপড়, চলছে রান্নাবান্নাও।
অফিস কক্ষগুলো যেন রীতিমতো একটি আবাসিক হোটেলে রূপ নিয়েছে। যেসব যন্ত্রপাতি প্রাথমিকভাবে বসানো হয়েছিল, সেগুলো এখন অব্যবহৃত।
সরকারি দপ্তরের এমন দায়সারা মনোভাব এবং অনিয়মের কারণে এই কেন্দ্রটি কার্যকারিতার বাইরে চলে গেছে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। তারা জানান, অফিসটির কর্মচারীদের দেখা যায় ‘কালেভদ্রে’। তাদের দাবি, অবিলম্বে কেন্দ্রটি সক্রিয় করে নৌরুটে যাতায়াতকারীদের সঠিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হোক।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মারুফ হোসেন বলেন, ‘সাত থেকে আট বছর ধরে আমি এখানে বসবাস করছি। কিন্তু আমি কখনো সামনের গেট পর্যন্ত খুলতে দেখি নাই। মাঝে মধ্যে দুজন আনসারকে দেখা যায়। আবহাওয়া অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আমার চোখে পরে নাই।’
রিয়াদুল ইসলাম নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘এই পথে প্রতিদিন যাতায়াত করি। কখনো এই অফিসের কোনো কার্যক্রম দেখি নাই। পিরোজপুর জেলার একমাত্র আবহাওয়া অফিসটি আমাদের খুব প্রয়োজন।’
ব্যবসায়ী সোয়াইব সিদ্দিক বলেন, ‘পিরোজপুর জেলা মূলত একটি উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদীবেষ্টিত এলাকা। এখানে একটি আবহাওয়া অফিস আছে, কিন্তু আমরা কখনো এর কোনো সুফল পাইনি। এই অফিসে কোনো কার্যক্রম হয় না, কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও আসে না। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যাতে অনতিবিলম্বে অফিসটির কার্যক্রম শুরু করা হয়।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ঢাকা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে কাউখালী একটি কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে। এখান থেকে দুটি নদী দুই রুটে বিভক্ত হয়েছে। একটি বরিশাল হয়ে ঢাকা এবং অন্যটি স্বরূপকাঠী হয়ে সন্ধ্যা নদী দিয়ে ঢাকা। ফলে এই জায়গাটিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র থাকার প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে নির্মিত অফিসটির এমন বেহাল অবস্থা দেখে হতাশ স্থানীয়রা বলছেন, সরকার কোটি টাকা ব্যয় করলেও বাস্তবে কোনো সেবা মেলে না এখানে। বরং অফিসটা যেন এক পরিত্যক্ত ভবন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাজেদুল হক বলেন, ‘আগের বিষয়ে কিছু জানি না। তবে, গতবছরের নভেম্বরের ৫ তারিখ থেকে আমি এখানে যোগদানের পর থেকে নিয়মিত অফিস চলছে। যত রকমের যন্ত্রপাতি আছে, সেগুলো নিয়মিত সংগ্রহ করছি। তবে কিছু কিছু যন্ত্রপাতি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ আছে। সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
অফিস কক্ষে বিছানা রাখার বিষয়ে মাজেদুল হক বলেন, ‘আমাদের যেহেতু ২৪ ঘণ্টা অফিস করতে হয়। সেজন্য রাতে যে থাকবেন, তার বিশ্রামের জন্য এটা তৈরি করা হয়েছে। তার বাইরে কিছু নয়।’
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: পিরোজপুরের কাউখালীতে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় প্রথম শ্রেণির নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র। কিন্তু এটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে গণপূর্ত বিভাগ ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রটির নির্মাণ কাজ শুরু করে। কেন্দ্রটি নির্মাণে ৯০ লাখ টাকা ব্যয় হলেও অফিসের যন্ত্রপাতির হিসেব এখনো অজানাই রয়ে গেছে।
মূল ভবনের নির্মাণ শেষ হয় ২০১২ সালে এবং হস্তান্তর করা হয় ২০১৬ সালে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে কিছু সীমিত জনবল নিয়োগ দেওয়া হলেও তারা নিয়মিত অফিসে আসেন না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। নির্মাণের ৫ বছর পর আনসার নিয়োগ দেওয়া হলেও ছয় বছরেও প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো কার্যকর জনবল নিয়োগ হয়নি। এমনকি যে আনসার সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তারও দেখা মেলে না নিয়মিত।
সম্প্রতি সরেজমিনে সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রটির মূল ফটকে তালা ঝুলছে। পাশের পকেট গেট থেকে অফিসে প্রবেশ করে দেখা যায় অফিস থাকলেও নেই সেবা, নেই কর্মচারীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রমের কোনো চিহ্ন। অফিস কক্ষগুলোতে বসার টেবিল সরিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিছানা, আর অফিসের আসবাবপত্র রাখা হয়েছে বাইরে। অফিস কক্ষে দড়ি টানিয়ে শুকানো হচ্ছে জামা কাপড়, চলছে রান্নাবান্নাও।
অফিস কক্ষগুলো যেন রীতিমতো একটি আবাসিক হোটেলে রূপ নিয়েছে। যেসব যন্ত্রপাতি প্রাথমিকভাবে বসানো হয়েছিল, সেগুলো এখন অব্যবহৃত।
সরকারি দপ্তরের এমন দায়সারা মনোভাব এবং অনিয়মের কারণে এই কেন্দ্রটি কার্যকারিতার বাইরে চলে গেছে বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা। তারা জানান, অফিসটির কর্মচারীদের দেখা যায় ‘কালেভদ্রে’। তাদের দাবি, অবিলম্বে কেন্দ্রটি সক্রিয় করে নৌরুটে যাতায়াতকারীদের সঠিক আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হোক।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মারুফ হোসেন বলেন, ‘সাত থেকে আট বছর ধরে আমি এখানে বসবাস করছি। কিন্তু আমি কখনো সামনের গেট পর্যন্ত খুলতে দেখি নাই। মাঝে মধ্যে দুজন আনসারকে দেখা যায়। আবহাওয়া অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আমার চোখে পরে নাই।’
রিয়াদুল ইসলাম নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘এই পথে প্রতিদিন যাতায়াত করি। কখনো এই অফিসের কোনো কার্যক্রম দেখি নাই। পিরোজপুর জেলার একমাত্র আবহাওয়া অফিসটি আমাদের খুব প্রয়োজন।’
ব্যবসায়ী সোয়াইব সিদ্দিক বলেন, ‘পিরোজপুর জেলা মূলত একটি উপকূলীয় অঞ্চল এবং নদীবেষ্টিত এলাকা। এখানে একটি আবহাওয়া অফিস আছে, কিন্তু আমরা কখনো এর কোনো সুফল পাইনি। এই অফিসে কোনো কার্যক্রম হয় না, কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও আসে না। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যাতে অনতিবিলম্বে অফিসটির কার্যক্রম শুরু করা হয়।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ঢাকা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে কাউখালী একটি কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে। এখান থেকে দুটি নদী দুই রুটে বিভক্ত হয়েছে। একটি বরিশাল হয়ে ঢাকা এবং অন্যটি স্বরূপকাঠী হয়ে সন্ধ্যা নদী দিয়ে ঢাকা। ফলে এই জায়গাটিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র থাকার প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে নির্মিত অফিসটির এমন বেহাল অবস্থা দেখে হতাশ স্থানীয়রা বলছেন, সরকার কোটি টাকা ব্যয় করলেও বাস্তবে কোনো সেবা মেলে না এখানে। বরং অফিসটা যেন এক পরিত্যক্ত ভবন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নৌ আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্রর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাজেদুল হক বলেন, ‘আগের বিষয়ে কিছু জানি না। তবে, গতবছরের নভেম্বরের ৫ তারিখ থেকে আমি এখানে যোগদানের পর থেকে নিয়মিত অফিস চলছে। যত রকমের যন্ত্রপাতি আছে, সেগুলো নিয়মিত সংগ্রহ করছি। তবে কিছু কিছু যন্ত্রপাতি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ আছে। সে বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
অফিস কক্ষে বিছানা রাখার বিষয়ে মাজেদুল হক বলেন, ‘আমাদের যেহেতু ২৪ ঘণ্টা অফিস করতে হয়। সেজন্য রাতে যে থাকবেন, তার বিশ্রামের জন্য এটা তৈরি করা হয়েছে। তার বাইরে কিছু নয়।’

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাধারণ ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে পিরোজপুরে প্রচারণামূলক কর্মসূচি পালন করছে জেলা তথ্য অফিস। ‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় মঙ্গলবার দিনব্যাপী ট্রাকযোগে ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সুরে সুরে সচেতনতা একটি সুসজ্জিত ট্রাককে অস্থায়ী মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করে স্থানীয় লোকসংগীত শিল্পীরা গান ও বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভোট প্রদানের গুরুত্ব এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করছেন। পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসহ শহরের প্রধান প্রধান গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানটি প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে শিল্পীরা দেহতত্ত্ব, দেশাত্মবোধক এবং নির্বাচনী সচেতনতামূলক গান পরিবেশন করেন। প্রচারণার মূল লক্ষ্য ছিল ‘গণভোট ২০২৬’ এবং একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ।
অতিথিবৃন্দ ও আয়োজন পিরোজপুর জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক পরীক্ষিৎ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদুর রহমান মামুন। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী তথ্য অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
প্রশাসনের বক্তব্য জেলা তথ্য অফিসার পরীক্ষিৎ চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচনের বার্তা সহজে পৌঁছে দিতেই এই সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গানের মাধ্যমে তথ্য দিলে তা মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাউল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নেন। এ সময় ট্রাকের চারপাশ জুড়ে সাধারণ পথচারী ও দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
ব্যানার ও পোস্টারে সজ্জিত এই ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ থেকে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, যেন তাঁরা নির্ভয়ে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। জেলা তথ্য অফিসের এই সৃজনশীল উদ্যোগকে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ সাধুবাদ জানিয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাধারণ ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে পিরোজপুরে প্রচারণামূলক কর্মসূচি পালন করছে জেলা তথ্য অফিস। ‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় মঙ্গলবার দিনব্যাপী ট্রাকযোগে ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সুরে সুরে সচেতনতা একটি সুসজ্জিত ট্রাককে অস্থায়ী মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করে স্থানীয় লোকসংগীত শিল্পীরা গান ও বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভোট প্রদানের গুরুত্ব এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করছেন। পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসহ শহরের প্রধান প্রধান গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানটি প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে শিল্পীরা দেহতত্ত্ব, দেশাত্মবোধক এবং নির্বাচনী সচেতনতামূলক গান পরিবেশন করেন। প্রচারণার মূল লক্ষ্য ছিল ‘গণভোট ২০২৬’ এবং একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ।
অতিথিবৃন্দ ও আয়োজন পিরোজপুর জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক পরীক্ষিৎ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদুর রহমান মামুন। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী তথ্য অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
প্রশাসনের বক্তব্য জেলা তথ্য অফিসার পরীক্ষিৎ চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচনের বার্তা সহজে পৌঁছে দিতেই এই সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গানের মাধ্যমে তথ্য দিলে তা মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাউল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নেন। এ সময় ট্রাকের চারপাশ জুড়ে সাধারণ পথচারী ও দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
ব্যানার ও পোস্টারে সজ্জিত এই ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ থেকে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, যেন তাঁরা নির্ভয়ে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। জেলা তথ্য অফিসের এই সৃজনশীল উদ্যোগকে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ সাধুবাদ জানিয়েছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৩
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন মহিলা দল নেত্রী।
এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি তার ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন।
সুলতানা রাজিয়া নেছারাবাদ উপজেলা মহিলা দলের সদস্য ও জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব। নির্বাচনী সেন্টারের খরচ না পেয়ে হতাশ হয়ে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৩ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাজিয়া লেখেন, ‘জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি, গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলাম। সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করেছি। আর ক্ষমতা নাই। কারো কোনো সহযোগিতা পাইনি।’
সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘আমি নিজের টাকা-পয়সা খরচ করে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করেছি। এখন আর পারছি না। আমাদের কোনো খরচ দেওয়া হচ্ছে না। তাই অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে স্বেচ্ছায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তবে যতদিন বেঁচে আছি, বিএনপি করে যাব।’
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দীন তালুকদার বলেন, ‘সে সৈকত সাহেবের লোক। আমি এত পারি না।’
নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেন, ‘মূলত সব ইউনিয়ন থেকে মহিলা নেত্রীদের একটি তালিকা ও কাগজপত্র দিতে হবে। এরপর ন্যূনতম একটি সেন্টার খরচ দেওয়া হবে। হয়ত কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন মহিলা দল নেত্রী।
এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি তার ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন।
সুলতানা রাজিয়া নেছারাবাদ উপজেলা মহিলা দলের সদস্য ও জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব। নির্বাচনী সেন্টারের খরচ না পেয়ে হতাশ হয়ে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৩ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাজিয়া লেখেন, ‘জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি, গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলাম। সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করেছি। আর ক্ষমতা নাই। কারো কোনো সহযোগিতা পাইনি।’
সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘আমি নিজের টাকা-পয়সা খরচ করে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করেছি। এখন আর পারছি না। আমাদের কোনো খরচ দেওয়া হচ্ছে না। তাই অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে স্বেচ্ছায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তবে যতদিন বেঁচে আছি, বিএনপি করে যাব।’
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দীন তালুকদার বলেন, ‘সে সৈকত সাহেবের লোক। আমি এত পারি না।’
নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেন, ‘মূলত সব ইউনিয়ন থেকে মহিলা নেত্রীদের একটি তালিকা ও কাগজপত্র দিতে হবে। এরপর ন্যূনতম একটি সেন্টার খরচ দেওয়া হবে। হয়ত কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।’

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৯
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মোঃ রাইয়ান মল্লিক (৫) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার দিনগত রাত ১২টার দিকে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাইয়ান ভান্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের প্রবাসি রাসেল মল্লিক এর ছেলে। শিশুটি স্থানীয় পশারিবুনীয়া আফছারিয়া নূরানী কিন্ডার গার্টেন এ শিশু শ্রেণিতে পড়ালেখা করত। পরিবারের অভিযোগ প্রতিপক্ষ চাচা আব্দুল কাদের মল্লিক শিশুটিকে হত্যার পর লাশ খড়ের গাদায় লুকিয়ে রেখেছে।
থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, গত শনিবার শিশু রাইয়ান সকলের অগোচরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। খুঁজে না পেয়ে শিশুটির মা তন্নী আক্তার ভান্ডারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ভান্ডারিয়া থানা পুিলশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
এঘটনায় নিহত শিশুর মা তন্নী আক্তার বাদি হয়ে ভা-ারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মোঃ রাইয়ান মল্লিক (৫) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার দিনগত রাত ১২টার দিকে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাইয়ান ভান্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের প্রবাসি রাসেল মল্লিক এর ছেলে। শিশুটি স্থানীয় পশারিবুনীয়া আফছারিয়া নূরানী কিন্ডার গার্টেন এ শিশু শ্রেণিতে পড়ালেখা করত। পরিবারের অভিযোগ প্রতিপক্ষ চাচা আব্দুল কাদের মল্লিক শিশুটিকে হত্যার পর লাশ খড়ের গাদায় লুকিয়ে রেখেছে।
থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, গত শনিবার শিশু রাইয়ান সকলের অগোচরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। খুঁজে না পেয়ে শিশুটির মা তন্নী আক্তার ভান্ডারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ভান্ডারিয়া থানা পুিলশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
এঘটনায় নিহত শিশুর মা তন্নী আক্তার বাদি হয়ে ভা-ারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.