বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যার সাথে রোগী মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের দুইটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ছয়টি সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২৪ জন ব্যক্তি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মে) দুপুরে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃত্যু রোগীদের মধ্যে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পিরোজপুরের নেছারাবাদ এলাকার বাসিন্দা ইসরাত জাহান (২০), বরগুনা হাসাতালে চিকিৎসাধীন চাঁন মিয়া (৭৫) ও গোশাই দাস (৮৫) নামের দুইজন মারা গেছেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মাসের শুরু থেকে বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে শুরু করেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ২ হাজার ৪৮৬ জন।
বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩২৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে সাত জনের। এরমধ্যে বরগুনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বরগুনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৩৫৪ জন। আর মৃত সাত জনের মধ্যে পাঁচ জনই বরগুনার।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, বৃষ্টি বাড়লেই আতঙ্ক বেড়ে যায়। কারণ বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হয়। তখন মশার বিস্তার বেড়ে যায়। এতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। তবে এবার বিষয়টি ভিন্ন। কারন বৃষ্টি ছাড়াও ডেঙ্গু তার প্রভাব বিস্তার করছে। এর বড় কারন অসচেতনতা।
তিনি আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালে যতো রোগী ভর্তি হয়েছে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। কারণ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকে ভর্তি হওয়াসহ অনেক রোগী বাসা বাড়িতেও চিকিৎসা নিয়েছে। যার হিসেবে আমাদের কাছে নেই। সেই সংখ্যা থাকলে সবাই বুঝতো ডেঙ্গু কতোটা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।
ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, আমাদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার মতো সামর্থ্য রয়েছে। সবাই মিলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হলে সকলের সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই দাবি করে তিনি বলেন, মশা যেন জন্ম নিতে পারে এমন সব জায়গা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

২০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:২১
বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভাগে নতুন করে ১৯১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার।
মৃত দুই নারীই ঝালকাঠি জেলার বাসিন্দা। তাদের একজন রাশিদা বেগম (৬২)। তিনি নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা গ্রামের বাসিন্দা। অপর নারী রেক্সনা (৪৫) রাজাপুর উপজেলার বাসিন্দা।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৫ হাজার ৭১৩ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ৯৮৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭০০ জন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার জানান, বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা নেওয়ার চেয়ে আগেভাগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সক্ষমতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। রোগীর চাপ সক্ষমতার বাইরে চলে গেলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। একই সঙ্গে মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
বরিশাল বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভাগে নতুন করে ১৯১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার।
মৃত দুই নারীই ঝালকাঠি জেলার বাসিন্দা। তাদের একজন রাশিদা বেগম (৬২)। তিনি নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা গ্রামের বাসিন্দা। অপর নারী রেক্সনা (৪৫) রাজাপুর উপজেলার বাসিন্দা।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৫ হাজার ৭১৩ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ৯৮৫ জন। বর্তমানে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭০০ জন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ জন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. রেফায়েতুল হায়দার জানান, বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন, রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা নেওয়ার চেয়ে আগেভাগে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সক্ষমতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। রোগীর চাপ সক্ষমতার বাইরে চলে গেলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। একই সঙ্গে মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

২০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৫২
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরও পাঁচজন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার ও পুলিশের কর্মকর্তারা।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে রাজশাহীগামী আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। বাসটি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছিল। অন্যদিকে ট্রাকটি কুড়িগ্রাম থেকে পাবনার দিকে যাচ্ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদের উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাটোর জেনারেল হাসপাতাল এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনায় বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বাসচালক সোহেল রানা (৪০), রাজশাহীর বাগমারার আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের আট বছর বয়সী তাসফিয়া খাতুন এবং শরীয়তপুরের জাজিরা এলাকার কয়েকজন বাসযাত্রী। বাকিদের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নাটোর জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হায়াতকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।’
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনে সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আরও পাঁচজন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটোরের জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার ও পুলিশের কর্মকর্তারা।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে রাজশাহীগামী আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। বাসটি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছিল। অন্যদিকে ট্রাকটি কুড়িগ্রাম থেকে পাবনার দিকে যাচ্ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদের উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাটোর জেনারেল হাসপাতাল এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুর্ঘটনায় বাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বাসচালক সোহেল রানা (৪০), রাজশাহীর বাগমারার আনোয়ার হক (৩০), পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের আট বছর বয়সী তাসফিয়া খাতুন এবং শরীয়তপুরের জাজিরা এলাকার কয়েকজন বাসযাত্রী। বাকিদের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নাটোর জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হায়াতকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে। কমিটিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফুল হক। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর জানা যাবে।’

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০১
সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুরের ভরাট করা অংশ থেকে বালু সরিয়ে জলাশয়টি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কলেজ অধ্যক্ষকে সাত কর্মদিবসের সময় বেঁধে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয় থেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
নগরীর উত্তর মল্লিক রোডে অবস্থিত কলেজটির পুকুরে রাতের আঁধারে ট্রাকে করে বালু ফেলে ভরাট করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বালু অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
কলেজ কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকট নিরসনে ওই জমিতে ১০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। এ জন্য মাটির পরীক্ষা বা সয়েল টেস্টও করা হয়। সেই কাজের অংশ হিসেবে ডোবার একাংশে বালু ফেলা শুরু হয়েছিল। পরিবেশ অধিদপ্তর আপত্তি জানানোর পর কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন বলেন, সরকারি বরিশাল কলেজে আবাসিক ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমছে। এ পরিস্থিতিতে কলেজের প্রবেশমুখে মসজিদসংলগ্ন এক একর জমির অর্ধেক অংশে ছাত্রাবাস নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
তিনি দাবি করেন, ডোবার অর্ধেক আগেই ভরাট করা হয়েছে। বাকি অংশে ক্লিনিকের বর্জ্য ও আশপাশের বাসিন্দাদের ফেলা ময়লায় মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ডোবাটি ভরাট করে টিন-কাঠের আবাসন নির্মাণ করা হলে অন্তত ২৫ শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা করা যেত।
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, জলাধার হিসেবে চিহ্নিত জমির শ্রেণি পরিবর্তন বা ভরাটের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি হলেও নির্ধারিত জলাশয় ইচ্ছামতো ভরাটের সুযোগ নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগের সমন্বয়কারী লিংকন বায়েন বলেন, বরিশালে জলাশয় রক্ষায় আদালতেও মামলা হয়েছে। সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সদস্য কবি হেনরী স্বপন বলেন, এর আগেও একাধিকবার সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। নাগরিকদের আন্দোলনের কারণে সেসব উদ্যোগ সফল হয়নি।
এদিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, নিয়ম না মেনেই কলেজ কর্তৃপক্ষ পুকুরে বালু ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেছিল। খবর পেয়ে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।
এখন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে ভরাট করা বালু সরিয়ে পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কথা রয়েছে।'
সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুরের ভরাট করা অংশ থেকে বালু সরিয়ে জলাশয়টি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কলেজ অধ্যক্ষকে সাত কর্মদিবসের সময় বেঁধে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয় থেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জমির মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।
নগরীর উত্তর মল্লিক রোডে অবস্থিত কলেজটির পুকুরে রাতের আঁধারে ট্রাকে করে বালু ফেলে ভরাট করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীনের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বালু অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
কলেজ কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের আবাসনসংকট নিরসনে ওই জমিতে ১০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। এ জন্য মাটির পরীক্ষা বা সয়েল টেস্টও করা হয়। সেই কাজের অংশ হিসেবে ডোবার একাংশে বালু ফেলা শুরু হয়েছিল। পরিবেশ অধিদপ্তর আপত্তি জানানোর পর কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন বলেন, সরকারি বরিশাল কলেজে আবাসিক ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমছে। এ পরিস্থিতিতে কলেজের প্রবেশমুখে মসজিদসংলগ্ন এক একর জমির অর্ধেক অংশে ছাত্রাবাস নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
তিনি দাবি করেন, ডোবার অর্ধেক আগেই ভরাট করা হয়েছে। বাকি অংশে ক্লিনিকের বর্জ্য ও আশপাশের বাসিন্দাদের ফেলা ময়লায় মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। ডোবাটি ভরাট করে টিন-কাঠের আবাসন নির্মাণ করা হলে অন্তত ২৫ শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা করা যেত।
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, জলাধার হিসেবে চিহ্নিত জমির শ্রেণি পরিবর্তন বা ভরাটের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি হলেও নির্ধারিত জলাশয় ইচ্ছামতো ভরাটের সুযোগ নেই। বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগের সমন্বয়কারী লিংকন বায়েন বলেন, বরিশালে জলাশয় রক্ষায় আদালতেও মামলা হয়েছে। সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) সদস্য কবি হেনরী স্বপন বলেন, এর আগেও একাধিকবার সরকারি বরিশাল কলেজের পুকুর ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। নাগরিকদের আন্দোলনের কারণে সেসব উদ্যোগ সফল হয়নি।
এদিকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, নিয়ম না মেনেই কলেজ কর্তৃপক্ষ পুকুরে বালু ফেলে ভরাটের কাজ শুরু করেছিল। খবর পেয়ে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।
এখন পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৫ অক্টোবরের মধ্যে ভরাট করা বালু সরিয়ে পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কথা রয়েছে।'

১২ জুন, ২০২৫ ১৬:৪৬
বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যার সাথে রোগী মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের দুইটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ছয়টি সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২৪ জন ব্যক্তি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মে) দুপুরে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃত্যু রোগীদের মধ্যে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পিরোজপুরের নেছারাবাদ এলাকার বাসিন্দা ইসরাত জাহান (২০), বরগুনা হাসাতালে চিকিৎসাধীন চাঁন মিয়া (৭৫) ও গোশাই দাস (৮৫) নামের দুইজন মারা গেছেন।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মাসের শুরু থেকে বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে শুরু করেছে। চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে ২ হাজার ৪৮৬ জন।
বর্তমানে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৩২৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে সাত জনের। এরমধ্যে বরগুনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বরগুনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৩৫৪ জন। আর মৃত সাত জনের মধ্যে পাঁচ জনই বরগুনার।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, বৃষ্টি বাড়লেই আতঙ্ক বেড়ে যায়। কারণ বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হয়। তখন মশার বিস্তার বেড়ে যায়। এতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। তবে এবার বিষয়টি ভিন্ন। কারন বৃষ্টি ছাড়াও ডেঙ্গু তার প্রভাব বিস্তার করছে। এর বড় কারন অসচেতনতা।
তিনি আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালে যতো রোগী ভর্তি হয়েছে প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। কারণ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিকে ভর্তি হওয়াসহ অনেক রোগী বাসা বাড়িতেও চিকিৎসা নিয়েছে। যার হিসেবে আমাদের কাছে নেই। সেই সংখ্যা থাকলে সবাই বুঝতো ডেঙ্গু কতোটা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।
ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, আমাদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার মতো সামর্থ্য রয়েছে। সবাই মিলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হলে সকলের সচেতন হওয়ার বিকল্প নেই দাবি করে তিনি বলেন, মশা যেন জন্ম নিতে পারে এমন সব জায়গা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন হতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:২০
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১১
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৫৮