
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৯
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা নদীতে নিষিদ্ধ বেহুন্তি ও সূক্ষ্ম ফাঁসের জাল ব্যবহার করে অবাধে গুঁড়ো (পোনা) মাছ আহরণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ছোট আকারের মাছ নির্বিচারে ধরায় নদীর প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
জানা গেছে, প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পায়রা নদীর পাঙ্গাশিয়ার রাজগঞ্জ, আলগির হাজিরহাট, আঙ্গারিয়ার বাহেরচর ও জলিশার জেলেপাড়াসহ বিভিন্ন পয়েন্টে জাল পেতে গুঁড়ো মাছ ধরা হচ্ছে।
ধরা পড়া মাছ স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি মাছের খাদ্য ও পোলট্রি ফিড তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বড় হওয়ার আগেই নিধন হচ্ছে বলে জানান সচেতন মহল।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের নজরদারি দুর্বল থাকায় এ প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। মৎস্য আইনে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার ও পোনা মাছ আহরণ দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও তা কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। এতে ভবিষ্যতে নদীতে মাছের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অভিযান চলমান রয়েছে এবং তা আরও জোরদার করা হবে। অবৈধ জাল জব্দসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নদীর জীববৈচিত্র্য ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাই।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা নদীতে নিষিদ্ধ বেহুন্তি ও সূক্ষ্ম ফাঁসের জাল ব্যবহার করে অবাধে গুঁড়ো (পোনা) মাছ আহরণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ছোট আকারের মাছ নির্বিচারে ধরায় নদীর প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
জানা গেছে, প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পায়রা নদীর পাঙ্গাশিয়ার রাজগঞ্জ, আলগির হাজিরহাট, আঙ্গারিয়ার বাহেরচর ও জলিশার জেলেপাড়াসহ বিভিন্ন পয়েন্টে জাল পেতে গুঁড়ো মাছ ধরা হচ্ছে।
ধরা পড়া মাছ স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি মাছের খাদ্য ও পোলট্রি ফিড তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বড় হওয়ার আগেই নিধন হচ্ছে বলে জানান সচেতন মহল।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের নজরদারি দুর্বল থাকায় এ প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। মৎস্য আইনে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার ও পোনা মাছ আহরণ দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও তা কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। এতে ভবিষ্যতে নদীতে মাছের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, অভিযান চলমান রয়েছে এবং তা আরও জোরদার করা হবে। অবৈধ জাল জব্দসহ দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নদীর জীববৈচিত্র্য ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাই।

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৮
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬। ২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বরিশালে দেশের ৩৩তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়” এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
২০১২ সালে মাত্র ৪টি অনুষদের ৬টি বিভাগের ৪০০ শিক্ষার্থী নিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পেরিয়ে ১৬ বছরে পদার্পণ করেছে দক্ষিণ বঙ্গের বাতিঘর নামে পরিচিত এ বিশ্ববিদ্যালয়।
দিবসটি উপলক্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নানা কর্মসূচির আয়োজন করে। সকাল সাড়ে ১০ টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে জাতীয় সংগীত ও বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করেন।
এসময় উপাচার্য সকলকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় সকলকে সাথে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান। উদ্বোধন শেষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আনন্দ র্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. রাহাত হোসাইন ফয়সালসহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিতে বিভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন ডিপার্টমেন্টের আলাদা ব্যানার এবং বিভিন্ন প্লেকার্ড লক্ষ্য করা গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর সামনে থেকে শুরু হয়ে র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়।
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬। ২০১১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বরিশালে দেশের ৩৩তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়” এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
২০১২ সালে মাত্র ৪টি অনুষদের ৬টি বিভাগের ৪০০ শিক্ষার্থী নিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি। প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পেরিয়ে ১৬ বছরে পদার্পণ করেছে দক্ষিণ বঙ্গের বাতিঘর নামে পরিচিত এ বিশ্ববিদ্যালয়।
দিবসটি উপলক্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নানা কর্মসূচির আয়োজন করে। সকাল সাড়ে ১০ টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে জাতীয় সংগীত ও বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করেন।
এসময় উপাচার্য সকলকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় সকলকে সাথে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান। উদ্বোধন শেষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালি।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলমের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত আনন্দ র্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. রাহাত হোসাইন ফয়সালসহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিতে বিভিন্ন ভিন্ন ভিন্ন ডিপার্টমেন্টের আলাদা ব্যানার এবং বিভিন্ন প্লেকার্ড লক্ষ্য করা গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন-১ এর সামনে থেকে শুরু হয়ে র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়।

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৩৯
পটুয়াখালীর মহিপুরে কেয়ার মডেল হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিয়ামের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল হাসপাতালে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়।
এ সময় হাসপাতালের গ্লাস আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হঠাৎ হামলায় হাসপাতালের রোগী ও স্টাফদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা দিকবিদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন।
আহত সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম শাওন অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ীক লেনদেনে দুই হাজার টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে সিয়াম মাহমুদ আকরাম, মো. বাপ্পী, ইসমাইল, রিফাত পারভেজ, আব্দুল্লাহ, সৌরভ, ইমরান, আরিফ, জয়ানালসহ কয়েকজন তার ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। পরে তিনি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গেলে দ্বিতীয় দফায় হামলার শিকার হন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন গ্লাস ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
অভিযুক্ত সিয়াম বলেন, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল ও কামরুল তাদের কয়েকজনকে মারধর করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে হাসপাতালে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কেয়ার মডেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান বলেন, হঠাৎ ১০-১২ জন যুবক হাসপাতালে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। এতে রোগী ও স্টাফরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন, বিএনপিতে সন্ত্রাসীদের কোনো স্থান নেই। হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শামীম আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মহিপুরে কেয়ার মডেল হাসপাতালে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিয়ামের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল হাসপাতালে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়।
এ সময় হাসপাতালের গ্লাস আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হঠাৎ হামলায় হাসপাতালের রোগী ও স্টাফদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা দিকবিদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন।
আহত সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক কামরুল ইসলাম শাওন অভিযোগ করেন, ব্যবসায়ীক লেনদেনে দুই হাজার টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে সিয়াম মাহমুদ আকরাম, মো. বাপ্পী, ইসমাইল, রিফাত পারভেজ, আব্দুল্লাহ, সৌরভ, ইমরান, আরিফ, জয়ানালসহ কয়েকজন তার ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। পরে তিনি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গেলে দ্বিতীয় দফায় হামলার শিকার হন। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন গ্লাস ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
অভিযুক্ত সিয়াম বলেন, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল ও কামরুল তাদের কয়েকজনকে মারধর করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে হাসপাতালে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কেয়ার মডেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান বলেন, হঠাৎ ১০-১২ জন যুবক হাসপাতালে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। এতে রোগী ও স্টাফরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন, বিএনপিতে সন্ত্রাসীদের কোনো স্থান নেই। হাসপাতাল ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শামীম আহমেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল টাইমস

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৪
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকায় চুরির চেষ্টাকালে হাতেনাতে এক কিশোরকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে একই এলাকায় এক রাতে সাতটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা রাতের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক ছিলেন। শুক্রবার রাতে থানা ব্রিজসংলগ্ন একটি মুদি দোকানের টিনের বেড়া কেটে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে আকাশ (১৩) নামের কিশোর।
পাশের দোকানের এক ব্যবসায়ী শব্দ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। স্থানীয়রা ভেতরে কেউ অবস্থান করছে বুঝে দোকানের তালা ভেঙে কিশোরকে আটক করেন। আটক কিশোর আকাশের সঙ্গে নাহিদ নামের আরেকজন ছিল। তাদের বাড়ি লাউকাঠী আবাসন এলাকায়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে সহস্রাধিক ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে জড়ো হন। আগের চুরির ঘটনার ক্ষুব্ধ জনতা আটক কিশোরকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করলে উপস্থিত সংবাদকর্মী ও ছাত্রদল নেতাসহ কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি কিশোরকে রক্ষা করে পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুমকী থানার ওসি সেলিম উদ্দিন জানান, আটক কিশোরকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তার আগের চুরির ঘটনায় সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ এলাকায় বারবার চুরি হওয়ার কারণে তারা আতঙ্কিত। তারা দাবি করেছেন, সংঘবদ্ধ চক্র শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়বে। এ ছাড়া রাতের নিরাপত্তা জোরদার ও পুলিশের নিয়মিত টহলের দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার থানা ব্রিজ এলাকায় চুরির চেষ্টাকালে হাতেনাতে এক কিশোরকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে একই এলাকায় এক রাতে সাতটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা রাতের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক ছিলেন। শুক্রবার রাতে থানা ব্রিজসংলগ্ন একটি মুদি দোকানের টিনের বেড়া কেটে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে আকাশ (১৩) নামের কিশোর।
পাশের দোকানের এক ব্যবসায়ী শব্দ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। স্থানীয়রা ভেতরে কেউ অবস্থান করছে বুঝে দোকানের তালা ভেঙে কিশোরকে আটক করেন। আটক কিশোর আকাশের সঙ্গে নাহিদ নামের আরেকজন ছিল। তাদের বাড়ি লাউকাঠী আবাসন এলাকায়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে সহস্রাধিক ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে জড়ো হন। আগের চুরির ঘটনার ক্ষুব্ধ জনতা আটক কিশোরকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করলে উপস্থিত সংবাদকর্মী ও ছাত্রদল নেতাসহ কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি কিশোরকে রক্ষা করে পুলিশে খবর দেন।
পুলিশ অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুমকী থানার ওসি সেলিম উদ্দিন জানান, আটক কিশোরকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তার আগের চুরির ঘটনায় সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ এলাকায় বারবার চুরি হওয়ার কারণে তারা আতঙ্কিত। তারা দাবি করেছেন, সংঘবদ্ধ চক্র শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে ব্যবসা পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়বে। এ ছাড়া রাতের নিরাপত্তা জোরদার ও পুলিশের নিয়মিত টহলের দাবি জানান।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.