
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৬
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিসা বন্ড বা জামানত দেওয়ার শর্তযুক্ত দেশের তালিকা প্রায় তিন গুণ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সর্বশেষ বাংলাদেশসহ আরও ২৫টি দেশকে এই তালিকায় যুক্ত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
এর আগে এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে সাতটি দেশকে ভিসা বন্ডের আওতায় আনা হয়েছিল। নতুন সংযোজনের ফলে মঙ্গলবার পর্যন্ত তালিকাভুক্ত দেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮টি। পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর বেশিরভাগই আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার। বাংলাদেশের পাশাপাশি এতে রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল ও উগান্ডাসহ একাধিক দেশ। দেশভেদে এই নীতির কার্যকর হওয়ার তারিখ ভিন্ন হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারীরা যদি বি-১/বি-২ (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিসার জন্য যোগ্য হন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের সময় তাদের ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২.৩১ টাকা হিসাবে)।
ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে কনস্যুলার অফিসার বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করবেন। আবেদনকারীদের মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বন্ড প্রদানে সম্মতি জানাতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসারের নির্দেশনা ছাড়া আগাম কোনো অর্থ জমা না দিতে সতর্ক করেছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট।
এই ভিসা বন্ড নীতি একটি পাইলট কর্মসূচির আওতায় গত আগস্টে প্রথম চালু করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার হার বেশি, মূলত সেসব দেশকেই এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।
বন্ড ফেরত পাওয়ার শর্ত
স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়, ভিসা বন্ড স্থায়ীভাবে কেটে রাখা হবে না। এটি একটি ফেরতযোগ্য জামানত। নিচের পরিস্থিতিতে বন্ডের টাকা ফেরত পাওয়া যাবে অনুমোদিত সময়ের মধ্যে বা তার আগেই যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে, ভিসা পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ না করলে বা মার্কিন বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা দেওয়া হলে।
তবে কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন অথবা সেখানে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করেন (যেমন রাজনৈতিক আশ্রয় বা অ্যাসাইলাম), তাহলে বন্ডের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।
নির্দিষ্ট তিন বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ বাধ্যতামূলক
ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশি যাত্রীরা কেবল নিম্নোক্ত বিমানবন্দরগুলো দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন। সেগুলো হলো- বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ও ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট।
এই নির্ধারিত পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে প্রবেশ বা বের হলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে, যা বন্ড ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করবে।
ভিসা বন্ড কী
ভিসা বন্ড হলো একটি আর্থিক নিশ্চয়তা, যা সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে কিছু দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে নেওয়া হয়—যাতে তারা ভিসার শর্ত, বিশেষ করে অনুমোদিত থাকার সময়সীমা মেনে চলেন।
প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে হাজারো বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও কর্মীকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে। অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে সেটিকে ভিসা ওভারস্টে হিসেবে গণ্য করা হয়।
এই নতুন নিয়মের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিসা বন্ড বা জামানত দেওয়ার শর্তযুক্ত দেশের তালিকা প্রায় তিন গুণ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সর্বশেষ বাংলাদেশসহ আরও ২৫টি দেশকে এই তালিকায় যুক্ত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
এর আগে এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে সাতটি দেশকে ভিসা বন্ডের আওতায় আনা হয়েছিল। নতুন সংযোজনের ফলে মঙ্গলবার পর্যন্ত তালিকাভুক্ত দেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮টি। পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর বেশিরভাগই আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার। বাংলাদেশের পাশাপাশি এতে রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল ও উগান্ডাসহ একাধিক দেশ। দেশভেদে এই নীতির কার্যকর হওয়ার তারিখ ভিন্ন হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারীরা যদি বি-১/বি-২ (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিসার জন্য যোগ্য হন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের সময় তাদের ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২.৩১ টাকা হিসাবে)।
ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে কনস্যুলার অফিসার বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করবেন। আবেদনকারীদের মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বন্ড প্রদানে সম্মতি জানাতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসারের নির্দেশনা ছাড়া আগাম কোনো অর্থ জমা না দিতে সতর্ক করেছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট।
এই ভিসা বন্ড নীতি একটি পাইলট কর্মসূচির আওতায় গত আগস্টে প্রথম চালু করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার হার বেশি, মূলত সেসব দেশকেই এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।
বন্ড ফেরত পাওয়ার শর্ত
স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়, ভিসা বন্ড স্থায়ীভাবে কেটে রাখা হবে না। এটি একটি ফেরতযোগ্য জামানত। নিচের পরিস্থিতিতে বন্ডের টাকা ফেরত পাওয়া যাবে অনুমোদিত সময়ের মধ্যে বা তার আগেই যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে, ভিসা পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ না করলে বা মার্কিন বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা দেওয়া হলে।
তবে কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন অথবা সেখানে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করেন (যেমন রাজনৈতিক আশ্রয় বা অ্যাসাইলাম), তাহলে বন্ডের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।
নির্দিষ্ট তিন বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ বাধ্যতামূলক
ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশি যাত্রীরা কেবল নিম্নোক্ত বিমানবন্দরগুলো দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন। সেগুলো হলো- বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ও ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট।
এই নির্ধারিত পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে প্রবেশ বা বের হলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে, যা বন্ড ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করবে।
ভিসা বন্ড কী
ভিসা বন্ড হলো একটি আর্থিক নিশ্চয়তা, যা সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে কিছু দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে নেওয়া হয়—যাতে তারা ভিসার শর্ত, বিশেষ করে অনুমোদিত থাকার সময়সীমা মেনে চলেন।
প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে হাজারো বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও কর্মীকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে। অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে সেটিকে ভিসা ওভারস্টে হিসেবে গণ্য করা হয়।
এই নতুন নিয়মের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০২
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির ভেতরে আটকেপড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রা অবশেষে গন্তব্যের পথে যাত্রা শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে যুদ্ধবিরতির পর জাহাজটি নোঙর তুলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) মালিকানাধীন জাহাজটির সর্বশেষ অবস্থানের তথ্য অনুযায়ী দুপুর ১২টার দিকে এটি সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে যাত্রা করে দাম্মাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জাহাজটিতে ৩৭ হাজার টন ফসফেট আছে বলে জানা গেছে।
বিএসসি সূত্র জানায়, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে জাহাজটি। পরে কাতারের একটি বন্দর থেকে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়।
তবে এর পরদিনই ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিভিন্ন হামলার ফলে সামুদ্রিক নৌযান চলাচলেও ঝুঁকি বাড়ে।
এ অবস্থায় ১১ মার্চ জেবেল আলী বন্দরে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে যাওয়ার পূর্বনির্ধারিত সূচি বাতিল করে বিএসসি। ঝুঁকি বিবেচনায় জাহাজটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য হয় জাহাজটি।
পরবর্তীতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আবারও যাত্রা শুরু করে এমভি বাংলার জয়যাত্রা। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের পথে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫০
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানকে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না।’
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে।’
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কে জানে কী হবে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব, যা বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবশেষে অবসান ঘটবে।’
নিজের পোস্টের শেষে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের মহান জনগণের ওপর সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হোক!’
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। দাবি মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: আল জাজিরা
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চরম উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়ে নতুন এক হুঙ্কার দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য তেহরানকে দেওয়া সময়সীমা ঘনিয়ে আসার মুহূর্তে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘আজ রাতেই একটি পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যেতে পারে, যা আর কখনোই ফিরে আসবে না।’
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত এটিই হতে যাচ্ছে। তবে এখন যেহেতু আমাদের হাতে সম্পূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে, যেখানে ভিন্ন, আরও স্মার্ট এবং কম উগ্রবাদী চিন্তার মানুষের প্রাধান্য থাকবে, তাই হয়তো বৈপ্লবিক ও চমৎকার কিছু একটা ঘটতে পারে।’
ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘কে জানে কী হবে? আমরা আজ রাতেই তা জানতে পারব, যা বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে যাচ্ছে। ৪৭ বছরের চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং মৃত্যুর অবশেষে অবসান ঘটবে।’
নিজের পোস্টের শেষে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরানের মহান জনগণের ওপর সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হোক!’
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে। দাবি মানা না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্র: আল জাজিরা

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১১
ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২ এপ্রিল একটি তৃতীয় দেশকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়।
শনিবার (৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজকে একটি সূত্র জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র গত ২ এপ্রিল তাদের মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমে ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠায়।’
তবে সংস্থাটির দাবি, ইরান এ বিষয়ে লিখিতভাবে কোনো জবাব দেয়নি। বরং তারা ব্যাপক হামলা অব্যাহত রেখে ‘মাঠ পর্যায়ে’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চলেছে।
সূত্রটি আরও জানায়, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপে একটি মার্কিন সামরিক ডিপোতে হামলার খবরে এই প্রচেষ্টা আরও বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালায়। এতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২ এপ্রিল একটি তৃতীয় দেশকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহার করে এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়।
শনিবার (৩ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজকে একটি সূত্র জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র গত ২ এপ্রিল তাদের মিত্র দেশগুলোর মাধ্যমে ইরানের কাছে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠায়।’
তবে সংস্থাটির দাবি, ইরান এ বিষয়ে লিখিতভাবে কোনো জবাব দেয়নি। বরং তারা ব্যাপক হামলা অব্যাহত রেখে ‘মাঠ পর্যায়ে’ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চলেছে।
সূত্রটি আরও জানায়, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। বিশেষ করে কুয়েতের বুবিয়ান দ্বীপে একটি মার্কিন সামরিক ডিপোতে হামলার খবরে এই প্রচেষ্টা আরও বাড়ানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালায়। এতে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.