
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৬
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিসা বন্ড বা জামানত দেওয়ার শর্তযুক্ত দেশের তালিকা প্রায় তিন গুণ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সর্বশেষ বাংলাদেশসহ আরও ২৫টি দেশকে এই তালিকায় যুক্ত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
এর আগে এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে সাতটি দেশকে ভিসা বন্ডের আওতায় আনা হয়েছিল। নতুন সংযোজনের ফলে মঙ্গলবার পর্যন্ত তালিকাভুক্ত দেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮টি। পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর বেশিরভাগই আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার। বাংলাদেশের পাশাপাশি এতে রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল ও উগান্ডাসহ একাধিক দেশ। দেশভেদে এই নীতির কার্যকর হওয়ার তারিখ ভিন্ন হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারীরা যদি বি-১/বি-২ (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিসার জন্য যোগ্য হন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের সময় তাদের ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২.৩১ টাকা হিসাবে)।
ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে কনস্যুলার অফিসার বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করবেন। আবেদনকারীদের মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বন্ড প্রদানে সম্মতি জানাতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসারের নির্দেশনা ছাড়া আগাম কোনো অর্থ জমা না দিতে সতর্ক করেছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট।
এই ভিসা বন্ড নীতি একটি পাইলট কর্মসূচির আওতায় গত আগস্টে প্রথম চালু করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার হার বেশি, মূলত সেসব দেশকেই এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।
বন্ড ফেরত পাওয়ার শর্ত
স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়, ভিসা বন্ড স্থায়ীভাবে কেটে রাখা হবে না। এটি একটি ফেরতযোগ্য জামানত। নিচের পরিস্থিতিতে বন্ডের টাকা ফেরত পাওয়া যাবে অনুমোদিত সময়ের মধ্যে বা তার আগেই যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে, ভিসা পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ না করলে বা মার্কিন বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা দেওয়া হলে।
তবে কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন অথবা সেখানে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করেন (যেমন রাজনৈতিক আশ্রয় বা অ্যাসাইলাম), তাহলে বন্ডের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।
নির্দিষ্ট তিন বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ বাধ্যতামূলক
ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশি যাত্রীরা কেবল নিম্নোক্ত বিমানবন্দরগুলো দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন। সেগুলো হলো- বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ও ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট।
এই নির্ধারিত পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে প্রবেশ বা বের হলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে, যা বন্ড ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করবে।
ভিসা বন্ড কী
ভিসা বন্ড হলো একটি আর্থিক নিশ্চয়তা, যা সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে কিছু দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে নেওয়া হয়—যাতে তারা ভিসার শর্ত, বিশেষ করে অনুমোদিত থাকার সময়সীমা মেনে চলেন।
প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে হাজারো বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও কর্মীকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে। অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে সেটিকে ভিসা ওভারস্টে হিসেবে গণ্য করা হয়।
এই নতুন নিয়মের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিসা বন্ড বা জামানত দেওয়ার শর্তযুক্ত দেশের তালিকা প্রায় তিন গুণ বাড়িয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। সর্বশেষ বাংলাদেশসহ আরও ২৫টি দেশকে এই তালিকায় যুক্ত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
এর আগে এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে সাতটি দেশকে ভিসা বন্ডের আওতায় আনা হয়েছিল। নতুন সংযোজনের ফলে মঙ্গলবার পর্যন্ত তালিকাভুক্ত দেশের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮টি। পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর বেশিরভাগই আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার। বাংলাদেশের পাশাপাশি এতে রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল ও উগান্ডাসহ একাধিক দেশ। দেশভেদে এই নীতির কার্যকর হওয়ার তারিখ ভিন্ন হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর পাসপোর্টধারীরা যদি বি-১/বি-২ (ব্যবসা ও পর্যটন) ভিসার জন্য যোগ্য হন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের সময় তাদের ৫ হাজার, ১০ হাজার অথবা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সর্বোচ্চ বন্ডের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২.৩১ টাকা হিসাবে)।
ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে কনস্যুলার অফিসার বন্ডের অঙ্ক নির্ধারণ করবেন। আবেদনকারীদের মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বন্ড প্রদানে সম্মতি জানাতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসারের নির্দেশনা ছাড়া আগাম কোনো অর্থ জমা না দিতে সতর্ক করেছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট।
এই ভিসা বন্ড নীতি একটি পাইলট কর্মসূচির আওতায় গত আগস্টে প্রথম চালু করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, যেসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার হার বেশি, মূলত সেসব দেশকেই এই কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।
বন্ড ফেরত পাওয়ার শর্ত
স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়, ভিসা বন্ড স্থায়ীভাবে কেটে রাখা হবে না। এটি একটি ফেরতযোগ্য জামানত। নিচের পরিস্থিতিতে বন্ডের টাকা ফেরত পাওয়া যাবে অনুমোদিত সময়ের মধ্যে বা তার আগেই যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে, ভিসা পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ না করলে বা মার্কিন বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা দেওয়া হলে।
তবে কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন অথবা সেখানে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করেন (যেমন রাজনৈতিক আশ্রয় বা অ্যাসাইলাম), তাহলে বন্ডের অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।
নির্দিষ্ট তিন বিমানবন্দর দিয়ে প্রবেশ বাধ্যতামূলক
ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি বিমানবন্দর নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশি যাত্রীরা কেবল নিম্নোক্ত বিমানবন্দরগুলো দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন। সেগুলো হলো- বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ও ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট।
এই নির্ধারিত পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে প্রবেশ বা বের হলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে, যা বন্ড ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করবে।
ভিসা বন্ড কী
ভিসা বন্ড হলো একটি আর্থিক নিশ্চয়তা, যা সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে কিছু দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে নেওয়া হয়—যাতে তারা ভিসার শর্ত, বিশেষ করে অনুমোদিত থাকার সময়সীমা মেনে চলেন।
প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে হাজারো বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও কর্মীকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে। অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে সেটিকে ভিসা ওভারস্টে হিসেবে গণ্য করা হয়।
এই নতুন নিয়মের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২০
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৭
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৯
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২৮

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২৩:৪৭
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ইরানের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘ইরান যদি অনুরোধ করে তাহলে আমরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করব। তাদের ধ্বংস করার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট।’
এরই মধ্যে তার এ মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা রাতে তেহরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্রের দাবি, অভিযান শুরুর পর থেকে ইরানের ১ হাজার ২৫০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
এদিকে ইরানে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সংঘর্ষের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষের বক্তব্যে উত্তেজনা প্রশমনের কোনো ইঙ্গিত মেলেনি।
রিয়াদের অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস জানিয়েছে, তারা দুবায়ের একটি এলাকায় হামলা চালিয়েছে, যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছিল। প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থলে মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যসহ বহু সেনা উপস্থিত ছিলেন। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এ দাবির সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি।
বরিশাল টাইমস
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এর মধ্যেই উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ইরানের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘ইরান যদি অনুরোধ করে তাহলে আমরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করব। তাদের ধ্বংস করার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট।’
এরই মধ্যে তার এ মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।
ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা রাতে তেহরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্রের দাবি, অভিযান শুরুর পর থেকে ইরানের ১ হাজার ২৫০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।
এদিকে ইরানে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সংঘর্ষের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উভয় পক্ষের বক্তব্যে উত্তেজনা প্রশমনের কোনো ইঙ্গিত মেলেনি।
রিয়াদের অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরান। হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস জানিয়েছে, তারা দুবায়ের একটি এলাকায় হামলা চালিয়েছে, যেখানে মার্কিন সেনারা অবস্থান করছিল। প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থলে মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যসহ বহু সেনা উপস্থিত ছিলেন। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এ দাবির সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি।
বরিশাল টাইমস

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০০
ওমান উপসাগরে ইরানের নৌবাহিনীর ১১টি জাহাজ টহল দিচ্ছিল। সবগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)।
আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দু’দিন আগেও ওমান উপসাগরে ইরানের ১১টি যুদ্ধজাহাজ টহল দিয়ে বেড়াচ্ছিল। গতকাল সোমবার সবগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে। ওমান উপসাগরে এখন ইরানের কোনো যুদ্ধজাহাজ নেই।”
আরও বলা হয়েছে, “গত কয়েক দশক ধরে ওমান উপসাগরে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোতে হামলা এবং হয়রানি করে আসছিল ইরান। সেসব দিন শেষ হয়ে গেছে। আর ফিরবে না।”
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি
ওমান উপসাগরে ইরানের নৌবাহিনীর ১১টি জাহাজ টহল দিচ্ছিল। সবগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)।
আজ মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা সেই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দু’দিন আগেও ওমান উপসাগরে ইরানের ১১টি যুদ্ধজাহাজ টহল দিয়ে বেড়াচ্ছিল। গতকাল সোমবার সবগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে। ওমান উপসাগরে এখন ইরানের কোনো যুদ্ধজাহাজ নেই।”
আরও বলা হয়েছে, “গত কয়েক দশক ধরে ওমান উপসাগরে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোতে হামলা এবং হয়রানি করে আসছিল ইরান। সেসব দিন শেষ হয়ে গেছে। আর ফিরবে না।”
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

০২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:০১
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। নেতানিয়াহুর কার্যালয় ছাড়াও ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদরদপ্তরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান।
সোমবার (২ মার্চ) আইআরজিসির এক বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আইআরজিসি বলেছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এবং ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ড বলেছে, ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং তাদের বিমানবাহিনীর কমান্ডারের সদরদপ্তরে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে আইআরজিসি।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। নেতানিয়াহুর কার্যালয় ছাড়াও ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদরদপ্তরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান।
সোমবার (২ মার্চ) আইআরজিসির এক বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আইআরজিসি বলেছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় এবং ইসরায়েলি বিমানবাহিনী প্রধানের সদর দপ্তরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বিপ্লবী গার্ড বলেছে, ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং তাদের বিমানবাহিনীর কমান্ডারের সদরদপ্তরে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি খাইবার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে আইআরজিসি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.