
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪১
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ক্ষমতাসীন বিএনপি যদি চায় দায়িত্ব পালন করুন, তাহলে তিনি থাকবেন; আর বিএনপি না চাইলে তিনি নিজেই ‘সম্মানজনকভাবে সরে’ যাবেন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গভবনে দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। গতকাল সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব প্রকাশের পর আজ শেষ অংশ প্রকাশিত হয়েছে।
বিদেশি গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর আর এখানে থাকতে চান না, এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বক্তব্যটি অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। আমি যেভাবে বলেছি, সেটি সেই প্রেক্ষাপটেই বোঝা দরকার। গত ১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে যে রকম মানসিকভাবে চাপ দিয়েছে, নানা ঘটনায় আমাকে অপমানিত করা হয়েছে, সে কারণে আমার মনে এক ধরনের ক্ষোভ জন্মেছিল। তখনই আমি বলেছিলাম, এভাবে রাষ্ট্রপতি থাকা যায় না, চলে যেতে ইচ্ছা করে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনটা জনবিস্ফোরণে রূপ নেয়। সেদিন কেউই আঁচ করতে পারেনি যে কী হতে চলেছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, যখন বিক্ষোভকারীরা গণভবন অভিমুখে, তখন আমাকে জানানো হলো, যে কোনো মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন। ১২টার সময় আমাকে জানানো হলো, উনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন বঙ্গভবনে আসার। এর আগে আমরা আঁচই করতে পারিনি যে আসলে ঘটনা কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে উনি যখন এখানে আসবেন বলছেন এবং হেলিকপ্টারও রেডি, তখন আমরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারি।
তিনি বলেন, এখানে সিকিউরিটি যারা ছিল, সবাই পজিশন নিয়ে নিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানানো হলো, উনি আসছেন না। আসছেন না যখন জেনেছি, তখন আমরাও সতর্ক ছিলাম। কিছুক্ষণ পরেই শুনলাম, উনি দেশ ছেড়েছেন। একসময় জানতে পারলাম, উনি অলরেডি দেশের বাইরে চলে গেছেন। সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহের খুব দ্রুত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সেদিন বিকেল ৩টার দিকে প্রথমে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আমাকে টেলিফোনে সব ঘটনা অবহিত করেন। সশস্ত্র বিভাগ থেকেও আমাকে জানানো হয়। পরে জানানো হলো, ওয়াকার সাহেব সাংবাদিকদের সামনে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে একটা ব্রিফিং দেবেন।
উনি ব্রিফিং দিলেন, আমরা টেলিভিশনে দেখলাম। উনি বললেন, প্রধানমন্ত্রী দেশত্যাগ করেছেন। তো দেশবাসী আশ্বস্ত হলো যে উনি অলরেডি দেশান্তরী হয়েছেন। তারপর আমাকে সেনাপ্রধান ফোন করে জানালেন যে তারা আসছেন। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী প্রধান- তিনজনই বঙ্গভবনে এলেন। এসে আমার সঙ্গে উদ্ভূত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, তখন আমাদের প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা। কী করা যায়, কিভাবে কী হবে- এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করলাম প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা। সিদ্ধান্ত হলো, সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে ডাকা হবে। এই কাজে সেনাবাহিনীর টিম নিযুক্ত ছিল। তারপর উনারা চলে গেলেন। সেনা সদরে দেশের রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে একত্র করা হলো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যেও কেউ কেউ ছিল। তখন যাদের পাওয়া গেছে, তাদেরকে নিয়েই আবার তারা বঙ্গভবনে আসেন। আমরা আবার বৈঠকে বসি। বঙ্গভবনের এই বৈঠকে আমরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। কীভাবে, কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে দেশের মানুষকে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার আয়োজন হয়। আমার সভাপতিত্বে সভা হলো। সেনাপ্রধান সঞ্চালনা করলেন। সেখানে তিনি পুরো পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিলেন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সেই বৈঠকে সম্মিলিতভাবে কয়েকটি প্রস্তাব আসে। বিশেষ করে, মূল তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এগুলো হলো- তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার। যে নামেই ডাকা হোক না কেন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থাকবে অভিন্ন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বললে হয়তো ওয়ান-ইলেভেনের মতো শোনায়।
আবার সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার বললে দীর্ঘমেয়াদি সরকারও হয়ে যেতে পারে। তো, নানা বিবেচনায় আমাদের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা সিদ্ধান্ত নেন যে অন্তর্বর্তী সরকারই গঠন করা উচিত। এই সিদ্ধান্ত হলো আর আমার ওপর দায়িত্ব পড়ল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করার।
আর তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সব ঠিক করবেন সরকারের গঠন প্রণালীটা। এই সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রফেসর আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের কাছে পরিস্থিতির অগ্রগতি তুলে ধরেন। আমাকে ভাষণ দিতে হলো রাত ১১টার সময়। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়া তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হলো। সেনাবাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আলাপ করে এটা করবেন। সেনাবাহিনী থাকবে, সহায়তা করবে সব কিছুতে।
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ক্ষমতাসীন বিএনপি যদি চায় দায়িত্ব পালন করুন, তাহলে তিনি থাকবেন; আর বিএনপি না চাইলে তিনি নিজেই ‘সম্মানজনকভাবে সরে’ যাবেন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গভবনে দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। গতকাল সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব প্রকাশের পর আজ শেষ অংশ প্রকাশিত হয়েছে।
বিদেশি গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর আর এখানে থাকতে চান না, এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বক্তব্যটি অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। আমি যেভাবে বলেছি, সেটি সেই প্রেক্ষাপটেই বোঝা দরকার। গত ১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে যে রকম মানসিকভাবে চাপ দিয়েছে, নানা ঘটনায় আমাকে অপমানিত করা হয়েছে, সে কারণে আমার মনে এক ধরনের ক্ষোভ জন্মেছিল। তখনই আমি বলেছিলাম, এভাবে রাষ্ট্রপতি থাকা যায় না, চলে যেতে ইচ্ছা করে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনটা জনবিস্ফোরণে রূপ নেয়। সেদিন কেউই আঁচ করতে পারেনি যে কী হতে চলেছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, যখন বিক্ষোভকারীরা গণভবন অভিমুখে, তখন আমাকে জানানো হলো, যে কোনো মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন। ১২টার সময় আমাকে জানানো হলো, উনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন বঙ্গভবনে আসার। এর আগে আমরা আঁচই করতে পারিনি যে আসলে ঘটনা কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে উনি যখন এখানে আসবেন বলছেন এবং হেলিকপ্টারও রেডি, তখন আমরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারি।
তিনি বলেন, এখানে সিকিউরিটি যারা ছিল, সবাই পজিশন নিয়ে নিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানানো হলো, উনি আসছেন না। আসছেন না যখন জেনেছি, তখন আমরাও সতর্ক ছিলাম। কিছুক্ষণ পরেই শুনলাম, উনি দেশ ছেড়েছেন। একসময় জানতে পারলাম, উনি অলরেডি দেশের বাইরে চলে গেছেন। সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহের খুব দ্রুত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সেদিন বিকেল ৩টার দিকে প্রথমে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আমাকে টেলিফোনে সব ঘটনা অবহিত করেন। সশস্ত্র বিভাগ থেকেও আমাকে জানানো হয়। পরে জানানো হলো, ওয়াকার সাহেব সাংবাদিকদের সামনে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে একটা ব্রিফিং দেবেন।
উনি ব্রিফিং দিলেন, আমরা টেলিভিশনে দেখলাম। উনি বললেন, প্রধানমন্ত্রী দেশত্যাগ করেছেন। তো দেশবাসী আশ্বস্ত হলো যে উনি অলরেডি দেশান্তরী হয়েছেন। তারপর আমাকে সেনাপ্রধান ফোন করে জানালেন যে তারা আসছেন। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী প্রধান- তিনজনই বঙ্গভবনে এলেন। এসে আমার সঙ্গে উদ্ভূত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, তখন আমাদের প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা। কী করা যায়, কিভাবে কী হবে- এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করলাম প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা। সিদ্ধান্ত হলো, সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে ডাকা হবে। এই কাজে সেনাবাহিনীর টিম নিযুক্ত ছিল। তারপর উনারা চলে গেলেন। সেনা সদরে দেশের রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে একত্র করা হলো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যেও কেউ কেউ ছিল। তখন যাদের পাওয়া গেছে, তাদেরকে নিয়েই আবার তারা বঙ্গভবনে আসেন। আমরা আবার বৈঠকে বসি। বঙ্গভবনের এই বৈঠকে আমরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। কীভাবে, কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে দেশের মানুষকে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার আয়োজন হয়। আমার সভাপতিত্বে সভা হলো। সেনাপ্রধান সঞ্চালনা করলেন। সেখানে তিনি পুরো পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিলেন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সেই বৈঠকে সম্মিলিতভাবে কয়েকটি প্রস্তাব আসে। বিশেষ করে, মূল তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এগুলো হলো- তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার। যে নামেই ডাকা হোক না কেন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থাকবে অভিন্ন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বললে হয়তো ওয়ান-ইলেভেনের মতো শোনায়।
আবার সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার বললে দীর্ঘমেয়াদি সরকারও হয়ে যেতে পারে। তো, নানা বিবেচনায় আমাদের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা সিদ্ধান্ত নেন যে অন্তর্বর্তী সরকারই গঠন করা উচিত। এই সিদ্ধান্ত হলো আর আমার ওপর দায়িত্ব পড়ল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করার।
আর তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সব ঠিক করবেন সরকারের গঠন প্রণালীটা। এই সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রফেসর আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের কাছে পরিস্থিতির অগ্রগতি তুলে ধরেন। আমাকে ভাষণ দিতে হলো রাত ১১টার সময়। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়া তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হলো। সেনাবাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আলাপ করে এটা করবেন। সেনাবাহিনী থাকবে, সহায়তা করবে সব কিছুতে।

২৬ মে, ২০২৬ ১৬:২৩
সাভারে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ইজারা ছাড়াই গরুর হাট বসিয়েছেন।
এতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাসিলের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। তবে, ইজারা ছাড়া হাট বসানোর দুইদিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে সাদুল্ল্যাপুর বাজারে বাসানো হয়েছে ওই অবৈধ পশুর হাটটি। সাভার থেকে গরু কিনতে এসেছেন হামিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাভারের বিরুলিয়ার সাদুল্ল্যাপুর বাজারের হাটে অনেক গরু ও ছাগল ওঠেছে। সেখানে তুলনামূলক দাম ঠিক আছে।
এ সময় ক্রেতাদের থেকে হাসিল কত করে নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হাটের সামনেই হাসিল ঘর বসিয়েছে। সেখানে শতকরা ৪ শতাংশ করে হাসিল নিচ্ছে হাট কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে শরীফ নামে আরও এক ক্রেতা জানান, এ বছর এই হাটের কোনো ইজারা হয়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মিলে হাট বসিয়েছে।
পশু কিনে বের হওয়ার সময় হাটের সামনেই গেটে হাসিল ঘরে বসিয়ে জাহাঙ্গীর হাসিলের টাকা নিচ্ছেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী তাই ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ হাটে কিছু বলতে পারে না বলে জানান তিনি।
হাটের বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই হাটের কোনো ইজারা আমরা নেইনি। তবে, আমরা র্দীঘ ১৭ বছর পালিয়ে ছিলাম।
অনেক মামলার শিকার হয়েছি। এখন আমাদের দল ক্ষমতায়। তারপরেও যদি আমরা হাট না করতে পারি, তাহলে আর কি হল। উপজেলায় পরে আমরা হাটের বিষয়টি জানিয়ে দিব বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা অবহিত হয়েছি। ওইখানে কোনো হাটের ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে, ওই হাট থেকে খাস কালেকশন করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।
সাভারে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়নের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম ইজারা ছাড়াই গরুর হাট বসিয়েছেন।
এতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে হাসিলের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। তবে, ইজারা ছাড়া হাট বসানোর দুইদিন পার হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে সাদুল্ল্যাপুর বাজারে বাসানো হয়েছে ওই অবৈধ পশুর হাটটি। সাভার থেকে গরু কিনতে এসেছেন হামিদুল ইসলাম। তিনি জানান, সাভারের বিরুলিয়ার সাদুল্ল্যাপুর বাজারের হাটে অনেক গরু ও ছাগল ওঠেছে। সেখানে তুলনামূলক দাম ঠিক আছে।
এ সময় ক্রেতাদের থেকে হাসিল কত করে নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হাটের সামনেই হাসিল ঘর বসিয়েছে। সেখানে শতকরা ৪ শতাংশ করে হাসিল নিচ্ছে হাট কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে শরীফ নামে আরও এক ক্রেতা জানান, এ বছর এই হাটের কোনো ইজারা হয়নি। স্থানীয় বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলমসহ কয়েকজন মিলে হাট বসিয়েছে।
পশু কিনে বের হওয়ার সময় হাটের সামনেই গেটে হাসিল ঘরে বসিয়ে জাহাঙ্গীর হাসিলের টাকা নিচ্ছেন। এসময় তিনি আরও বলেন, তারা প্রভাবশালী তাই ক্রেতা ও বিক্রেতারা কেউ হাটে কিছু বলতে পারে না বলে জানান তিনি।
হাটের বিষয়ে বিরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই হাটের কোনো ইজারা আমরা নেইনি। তবে, আমরা র্দীঘ ১৭ বছর পালিয়ে ছিলাম।
অনেক মামলার শিকার হয়েছি। এখন আমাদের দল ক্ষমতায়। তারপরেও যদি আমরা হাট না করতে পারি, তাহলে আর কি হল। উপজেলায় পরে আমরা হাটের বিষয়টি জানিয়ে দিব বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি আমরা অবহিত হয়েছি। ওইখানে কোনো হাটের ইজারা দেওয়া হয়নি। তবে, ওই হাট থেকে খাস কালেকশন করা হবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

২৬ মে, ২০২৬ ১৩:৩১
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমসিএস) এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৬।
ইএমসিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। আর ময়মনসিংহ থেকে উৎপত্তিস্থল ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং সখিপুর থেকে ২২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। এর ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২৪ দশমিক ৩৩ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ দশমিক ৩৯ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের সৃষ্টি হয় বলেও জানায় সংস্থাটি। বাংলাদেশ ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পেশাগত সহকারী নিজাম উদ্দীন আহমেদ জানান, ময়মনসিংহের ভালুকার আমতলীতে একটি মৃদু কম্পন হয়েছে। ঢাকা থেকে স্থানটি ৬১ কিমি উত্তরে অবস্থিত।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বেলা ১১টা ৪১ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমসিএস) এরই মধ্যে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৬।
ইএমসিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থেকে ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। আর ময়মনসিংহ থেকে উৎপত্তিস্থল ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং সখিপুর থেকে ২২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। এর ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২৪ দশমিক ৩৩ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ দশমিক ৩৯ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে এই কম্পনের সৃষ্টি হয় বলেও জানায় সংস্থাটি। বাংলাদেশ ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পেশাগত সহকারী নিজাম উদ্দীন আহমেদ জানান, ময়মনসিংহের ভালুকার আমতলীতে একটি মৃদু কম্পন হয়েছে। ঢাকা থেকে স্থানটি ৬১ কিমি উত্তরে অবস্থিত।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:০৬
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে সৌদি আরবে। আজ সোমবার, ৮ জিলহজ থেকে হজের মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হজযাত্রীরা মক্কা থেকে মিনার দিকে যাত্রা শুরু করেছেন। খবর সৌদি গেজেটের।
গতকাল রোববার রাত থেকেই হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান হিসেবে তালবিয়া পাঠ করতে করতে মিনার দিকে রওনা হন। মিনাকে তাঁবুর নগরী বলা হয়, যেখানে হজের প্রাথমিক পর্যায়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী ইতোমধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হজযাত্রীরাও যুক্ত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, হজযাত্রীদের মিনায় স্থানান্তর, থাকা-খাওয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থা আগে থেকেই সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। তাঁবুতে প্রবেশ, নির্দেশনা প্রদান এবং সেবা ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ সমন্বিত ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
এছাড়া মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে হজযাত্রীদের কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এবং সব সেবা নির্বিঘ্নে নিশ্চিত করা যায়।
ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী, ‘ইয়াওমুত তারবিয়া’ দিন থেকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যা পরবর্তী কয়েক দিনে হজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কার্যক্রমের দিকে এগিয়ে যাবে।
পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে সৌদি আরবে। আজ সোমবার, ৮ জিলহজ থেকে হজের মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হজযাত্রীরা মক্কা থেকে মিনার দিকে যাত্রা শুরু করেছেন। খবর সৌদি গেজেটের।
গতকাল রোববার রাত থেকেই হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান হিসেবে তালবিয়া পাঠ করতে করতে মিনার দিকে রওনা হন। মিনাকে তাঁবুর নগরী বলা হয়, যেখানে হজের প্রাথমিক পর্যায়ের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১৫ লাখের বেশি হজযাত্রী ইতোমধ্যে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ হজযাত্রীরাও যুক্ত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, হজযাত্রীদের মিনায় স্থানান্তর, থাকা-খাওয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থা আগে থেকেই সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। তাঁবুতে প্রবেশ, নির্দেশনা প্রদান এবং সেবা ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ সমন্বিত ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
এছাড়া মাঠপর্যায়ে নিয়মিত পরিদর্শন ও নজরদারি চালানো হচ্ছে, যাতে হজযাত্রীদের কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এবং সব সেবা নির্বিঘ্নে নিশ্চিত করা যায়।
ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী, ‘ইয়াওমুত তারবিয়া’ দিন থেকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়, যা পরবর্তী কয়েক দিনে হজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কার্যক্রমের দিকে এগিয়ে যাবে।