
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪১
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ক্ষমতাসীন বিএনপি যদি চায় দায়িত্ব পালন করুন, তাহলে তিনি থাকবেন; আর বিএনপি না চাইলে তিনি নিজেই ‘সম্মানজনকভাবে সরে’ যাবেন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গভবনে দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। গতকাল সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব প্রকাশের পর আজ শেষ অংশ প্রকাশিত হয়েছে।
বিদেশি গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর আর এখানে থাকতে চান না, এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বক্তব্যটি অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। আমি যেভাবে বলেছি, সেটি সেই প্রেক্ষাপটেই বোঝা দরকার। গত ১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে যে রকম মানসিকভাবে চাপ দিয়েছে, নানা ঘটনায় আমাকে অপমানিত করা হয়েছে, সে কারণে আমার মনে এক ধরনের ক্ষোভ জন্মেছিল। তখনই আমি বলেছিলাম, এভাবে রাষ্ট্রপতি থাকা যায় না, চলে যেতে ইচ্ছা করে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনটা জনবিস্ফোরণে রূপ নেয়। সেদিন কেউই আঁচ করতে পারেনি যে কী হতে চলেছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, যখন বিক্ষোভকারীরা গণভবন অভিমুখে, তখন আমাকে জানানো হলো, যে কোনো মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন। ১২টার সময় আমাকে জানানো হলো, উনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন বঙ্গভবনে আসার। এর আগে আমরা আঁচই করতে পারিনি যে আসলে ঘটনা কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে উনি যখন এখানে আসবেন বলছেন এবং হেলিকপ্টারও রেডি, তখন আমরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারি।
তিনি বলেন, এখানে সিকিউরিটি যারা ছিল, সবাই পজিশন নিয়ে নিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানানো হলো, উনি আসছেন না। আসছেন না যখন জেনেছি, তখন আমরাও সতর্ক ছিলাম। কিছুক্ষণ পরেই শুনলাম, উনি দেশ ছেড়েছেন। একসময় জানতে পারলাম, উনি অলরেডি দেশের বাইরে চলে গেছেন। সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহের খুব দ্রুত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সেদিন বিকেল ৩টার দিকে প্রথমে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আমাকে টেলিফোনে সব ঘটনা অবহিত করেন। সশস্ত্র বিভাগ থেকেও আমাকে জানানো হয়। পরে জানানো হলো, ওয়াকার সাহেব সাংবাদিকদের সামনে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে একটা ব্রিফিং দেবেন।
উনি ব্রিফিং দিলেন, আমরা টেলিভিশনে দেখলাম। উনি বললেন, প্রধানমন্ত্রী দেশত্যাগ করেছেন। তো দেশবাসী আশ্বস্ত হলো যে উনি অলরেডি দেশান্তরী হয়েছেন। তারপর আমাকে সেনাপ্রধান ফোন করে জানালেন যে তারা আসছেন। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী প্রধান- তিনজনই বঙ্গভবনে এলেন। এসে আমার সঙ্গে উদ্ভূত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, তখন আমাদের প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা। কী করা যায়, কিভাবে কী হবে- এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করলাম প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা। সিদ্ধান্ত হলো, সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে ডাকা হবে। এই কাজে সেনাবাহিনীর টিম নিযুক্ত ছিল। তারপর উনারা চলে গেলেন। সেনা সদরে দেশের রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে একত্র করা হলো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যেও কেউ কেউ ছিল। তখন যাদের পাওয়া গেছে, তাদেরকে নিয়েই আবার তারা বঙ্গভবনে আসেন। আমরা আবার বৈঠকে বসি। বঙ্গভবনের এই বৈঠকে আমরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। কীভাবে, কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে দেশের মানুষকে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার আয়োজন হয়। আমার সভাপতিত্বে সভা হলো। সেনাপ্রধান সঞ্চালনা করলেন। সেখানে তিনি পুরো পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিলেন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সেই বৈঠকে সম্মিলিতভাবে কয়েকটি প্রস্তাব আসে। বিশেষ করে, মূল তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এগুলো হলো- তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার। যে নামেই ডাকা হোক না কেন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থাকবে অভিন্ন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বললে হয়তো ওয়ান-ইলেভেনের মতো শোনায়।
আবার সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার বললে দীর্ঘমেয়াদি সরকারও হয়ে যেতে পারে। তো, নানা বিবেচনায় আমাদের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা সিদ্ধান্ত নেন যে অন্তর্বর্তী সরকারই গঠন করা উচিত। এই সিদ্ধান্ত হলো আর আমার ওপর দায়িত্ব পড়ল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করার।
আর তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সব ঠিক করবেন সরকারের গঠন প্রণালীটা। এই সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রফেসর আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের কাছে পরিস্থিতির অগ্রগতি তুলে ধরেন। আমাকে ভাষণ দিতে হলো রাত ১১টার সময়। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়া তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হলো। সেনাবাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আলাপ করে এটা করবেন। সেনাবাহিনী থাকবে, সহায়তা করবে সব কিছুতে।
রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ক্ষমতাসীন বিএনপি যদি চায় দায়িত্ব পালন করুন, তাহলে তিনি থাকবেন; আর বিএনপি না চাইলে তিনি নিজেই ‘সম্মানজনকভাবে সরে’ যাবেন।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে বঙ্গভবনে দৈনিক কালের কণ্ঠকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন। গতকাল সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব প্রকাশের পর আজ শেষ অংশ প্রকাশিত হয়েছে।
বিদেশি গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পর আর এখানে থাকতে চান না, এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই বক্তব্যটি অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। আমি যেভাবে বলেছি, সেটি সেই প্রেক্ষাপটেই বোঝা দরকার। গত ১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে যে রকম মানসিকভাবে চাপ দিয়েছে, নানা ঘটনায় আমাকে অপমানিত করা হয়েছে, সে কারণে আমার মনে এক ধরনের ক্ষোভ জন্মেছিল। তখনই আমি বলেছিলাম, এভাবে রাষ্ট্রপতি থাকা যায় না, চলে যেতে ইচ্ছা করে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনটা জনবিস্ফোরণে রূপ নেয়। সেদিন কেউই আঁচ করতে পারেনি যে কী হতে চলেছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, যখন বিক্ষোভকারীরা গণভবন অভিমুখে, তখন আমাকে জানানো হলো, যে কোনো মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে আসবেন। ১২টার সময় আমাকে জানানো হলো, উনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন বঙ্গভবনে আসার। এর আগে আমরা আঁচই করতে পারিনি যে আসলে ঘটনা কী ঘটতে যাচ্ছে। তবে উনি যখন এখানে আসবেন বলছেন এবং হেলিকপ্টারও রেডি, তখন আমরা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করতে পারি।
তিনি বলেন, এখানে সিকিউরিটি যারা ছিল, সবাই পজিশন নিয়ে নিল। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জানানো হলো, উনি আসছেন না। আসছেন না যখন জেনেছি, তখন আমরাও সতর্ক ছিলাম। কিছুক্ষণ পরেই শুনলাম, উনি দেশ ছেড়েছেন। একসময় জানতে পারলাম, উনি অলরেডি দেশের বাইরে চলে গেছেন। সব মিলিয়ে ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহের খুব দ্রুত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছিলাম।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, সেদিন বিকেল ৩টার দিকে প্রথমে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আমাকে টেলিফোনে সব ঘটনা অবহিত করেন। সশস্ত্র বিভাগ থেকেও আমাকে জানানো হয়। পরে জানানো হলো, ওয়াকার সাহেব সাংবাদিকদের সামনে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে একটা ব্রিফিং দেবেন।
উনি ব্রিফিং দিলেন, আমরা টেলিভিশনে দেখলাম। উনি বললেন, প্রধানমন্ত্রী দেশত্যাগ করেছেন। তো দেশবাসী আশ্বস্ত হলো যে উনি অলরেডি দেশান্তরী হয়েছেন। তারপর আমাকে সেনাপ্রধান ফোন করে জানালেন যে তারা আসছেন। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী প্রধান- তিনজনই বঙ্গভবনে এলেন। এসে আমার সঙ্গে উদ্ভূত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, তখন আমাদের প্রায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় অবস্থা। কী করা যায়, কিভাবে কী হবে- এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করলাম প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা। সিদ্ধান্ত হলো, সব রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে ডাকা হবে। এই কাজে সেনাবাহিনীর টিম নিযুক্ত ছিল। তারপর উনারা চলে গেলেন। সেনা সদরে দেশের রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে একত্র করা হলো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মধ্যেও কেউ কেউ ছিল। তখন যাদের পাওয়া গেছে, তাদেরকে নিয়েই আবার তারা বঙ্গভবনে আসেন। আমরা আবার বৈঠকে বসি। বঙ্গভবনের এই বৈঠকে আমরা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। কীভাবে, কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিলে দেশের মানুষকে স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়া যায়, সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার আয়োজন হয়। আমার সভাপতিত্বে সভা হলো। সেনাপ্রধান সঞ্চালনা করলেন। সেখানে তিনি পুরো পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিলেন।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, সেই বৈঠকে সম্মিলিতভাবে কয়েকটি প্রস্তাব আসে। বিশেষ করে, মূল তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এগুলো হলো- তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার। যে নামেই ডাকা হোক না কেন, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য থাকবে অভিন্ন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বললে হয়তো ওয়ান-ইলেভেনের মতো শোনায়।
আবার সর্বদলীয় বা জাতীয় সরকার বললে দীর্ঘমেয়াদি সরকারও হয়ে যেতে পারে। তো, নানা বিবেচনায় আমাদের বিজ্ঞ রাজনীতিবিদরা সিদ্ধান্ত নেন যে অন্তর্বর্তী সরকারই গঠন করা উচিত। এই সিদ্ধান্ত হলো আর আমার ওপর দায়িত্ব পড়ল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে জাতিকে আশ্বস্ত করার।
আর তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সব ঠিক করবেন সরকারের গঠন প্রণালীটা। এই সিদ্ধান্ত হওয়ার পর প্রফেসর আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের কাছে পরিস্থিতির অগ্রগতি তুলে ধরেন। আমাকে ভাষণ দিতে হলো রাত ১১টার সময়। আর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন প্রক্রিয়া তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হলো। সেনাবাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আলাপ করে এটা করবেন। সেনাবাহিনী থাকবে, সহায়তা করবে সব কিছুতে।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫৫
পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর প্রধান মো. আলী হোসেন ফকিরকে পদোন্নতি দিয়ে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
আলী হোসেন ফকির ১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল বাগেরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে বি.কম অনার্স, এম.কম এবং এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে ১৫ তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগদান করেন।
১৯৯৭ সালে শেখ হাসিনার প্রথম আমলে আলী হোসেন ফকির আওয়ামী রোষানলের শিকার হন। তাকে বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় চাকরি ফিরে পান। কর্মজীবনে তিনি চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পান। এসপি হিসেবে একাধিক জেলায় পদায়ন পান।
সর্বশেষ ২০০৮ সালে ডিএমপির উত্তরা জোনের ডিসি ছিলেন। এরপর তিনি জাতিসংঘ মিশনে যান। জাতিসংঘ থেকে দেশে ফেরার পর রাজশাহী ডিআইজি অফিসে এসপি হিসেবে সংযুক্ত করা হয় তাকে। সেখানে থাকা অবস্থায় ২০২২ সালে শেখ হাসিনার সরকার তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি পুনরায় চাকরিতে ফেরার সুযোগ পান। এসপি পদমর্যাদায় দায়িত্ব ফিরে পাওয়ার পর সুপার নিউমারারি হিসেবে ডিআইজি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় তাকে। গত বছরের ১১ আগস্ট তিনি অতিরিক্ত আইজিপি (দ্বিতীয় গ্রেড) পদে পদোন্নতি লাভ করেন।
আলী হোসেন ফকির বর্তমানে অতিরিক্ত আইজিপি এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার এবং জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)-এর প্রধান মো. আলী হোসেন ফকিরকে পদোন্নতি দিয়ে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
আলী হোসেন ফকির ১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল বাগেরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে বি.কম অনার্স, এম.কম এবং এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে ১৫ তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগদান করেন।
১৯৯৭ সালে শেখ হাসিনার প্রথম আমলে আলী হোসেন ফকির আওয়ামী রোষানলের শিকার হন। তাকে বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় চাকরি ফিরে পান। কর্মজীবনে তিনি চৌকস কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি পান। এসপি হিসেবে একাধিক জেলায় পদায়ন পান।
সর্বশেষ ২০০৮ সালে ডিএমপির উত্তরা জোনের ডিসি ছিলেন। এরপর তিনি জাতিসংঘ মিশনে যান। জাতিসংঘ থেকে দেশে ফেরার পর রাজশাহী ডিআইজি অফিসে এসপি হিসেবে সংযুক্ত করা হয় তাকে। সেখানে থাকা অবস্থায় ২০২২ সালে শেখ হাসিনার সরকার তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি পুনরায় চাকরিতে ফেরার সুযোগ পান। এসপি পদমর্যাদায় দায়িত্ব ফিরে পাওয়ার পর সুপার নিউমারারি হিসেবে ডিআইজি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় তাকে। গত বছরের ১১ আগস্ট তিনি অতিরিক্ত আইজিপি (দ্বিতীয় গ্রেড) পদে পদোন্নতি লাভ করেন।
আলী হোসেন ফকির বর্তমানে অতিরিক্ত আইজিপি এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপকমিশনার এবং জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলায় প্রত্যেকটিতে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ডের আওতায় প্রত্যেক পরিবারকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলায় প্রত্যেকটিতে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এ কার্ডের আওতায় প্রত্যেক পরিবারকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রী। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২০
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৭ বছর ধরে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২ মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার ফয়সল হাসানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের ১৭ বছর যাবত বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২ মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’
এর আগে, ২২ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক হিসেবে চিহ্নিত ১ হাজার ৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, ওই সময় দায়ের হওয়া ২৩ হাজার ৮৬৫ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে বলে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জানায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এসব মামলার অধিকাংশই হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ১৭ বছর ধরে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২ মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার ফয়সল হাসানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের ১৭ বছর যাবত বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের রাজনৈতিক হয়রানিমূলক আরও ১২০২ মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’
এর আগে, ২২ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক হয়রানিমূলক হিসেবে চিহ্নিত ১ হাজার ৬টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, ওই সময় দায়ের হওয়া ২৩ হাজার ৮৬৫ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে বলে গত ৮ ফেব্রুয়ারি জানায় আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এসব মামলার অধিকাংশই হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.