
০৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:২৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাঙামাটি নদীর ওপর গোমা সেতুর সব গার্ডার বসানো কাজসহ অ্যাপ্রোচ সড়কও প্রস্তুত হয়েছিল ২০২৩ সালে। তবু উপজেলার চরাদি, দুধল, কবাই, নলুয়া, ফরিদপুর, দুর্গাপাশা এই ছয় ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলা বাউফল, দুমকি উপজেলার লাখ লাখ মানুষকে দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। কারণ, সেতুর মাঝের দুটি স্প্যান না বসানোয় গোমা সেতুটি চলাচলের অযোগ্য ছিল।
অবশেষে ৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টায় গোমা সেতুর উপরে দ্বিতীয় স্প্যান বসানো সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে প্রথম স্প্যানটি গত মঙ্গলবার বসানো হয়। দ্বিতীয় স্প্যানটি উঠানোর পরেই ৮ বছরের অপেক্ষার অবসান হয়েছে বাকেরগঞ্জ উপজেলা সহ পার্শ্ববর্তী উপজেলা বাউফল ও দুমকি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের।
নির্মাণাধীন গোমা সেতুর নির্মাণ প্রকল্পে ২০১৭ সালে ৫৭ কোটি ৬২ লাখ ১৫ হাজার টাকা ব্যয় সাপেক্ষে ৩ বছর মেয়াদের প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছিল। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ২০২০ সালের জুন মাসে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেতুর নির্মাণকাজ ৪৪ ভাগ সম্পন্ন হলেও তখন উচ্চতা নিয়ে আপত্তি তোলে বিআইডব্লিউটিএ। ফলে সেতু নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল। পরে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের দফায় দফায় সভা এবং বিশেষজ্ঞ দলের পরিদর্শনের পর নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতায় সেতুর সংশোধিত প্রকল্প গ্রহণ করে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়।
জানা গেছে, প্রথম প্রকল্প অনুযায়ী, মাঝ বরাবর সেতুর উচ্চতা রাখা হয়েছিল সর্বোচ্চ জোয়ারের সময় ৭ দশমিক ৮৬ মিটার। পিলার স্থাপনের পর বিআইডব্লিউটিএ আপত্তি তুলে জানায়, এ উচ্চতায় রাঙ্গামাটি নদীতে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য উচ্চতার প্রয়োজন কমপক্ষে ১২ দশমিক ২ মিটার।
সওজ থেকে দাবি করা হয়, উচ্চতা নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র চূড়ান্ত সম্মতিপত্র নিয়েই প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। এ নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের দ্বন্দ্বের বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে নিষ্পত্তি হয়।
সওজ সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত প্রকল্পে সেতুর নকশায় পরিবর্তন আনা হয়। নদীপথ সচল রাখার জন্য বিআইডব্লিউটিএ’র দাবি অনুযায়ী, সেতুর মাঝ বরাবর সর্বোচ্চ জোয়ারের সময় ১২ দশমিক ৪ মিটার উচ্চতা রেখে নতুন নকশা করা হয়েছে। সংশোধিত প্রকল্পে ব্যয় বেড়েছে ৩৪ কোটি ৮২ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।
প্রকল্পে বলা হয়েছে, বরিশাল-লক্ষ্মীপাশা-দুমকি জেলা সড়কের ১৪ কিলোমিটারে রাঙ্গামাটি নদীর ওপর ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রশস্ত দুই লেনে সেতু নির্মিত হবে। সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ২৮৩ দশমিক ১৮৮ মিটার। সংশোধিত প্রস্তাবে প্রকল্প ব্যয় দেখানো হয়েছে ৯২ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। এবং সেতুর মাঝখানের ( ৩,৪) নং পিলারের গার্ডারের পরিবর্তে নতুন নকশা অনুযায়ী তৈরি করা হয় স্টিলের দুটি স্প্যান।
সেতুটি নির্মাণে প্রথম প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ৫ বছর হয়েছে। সড়ক জনপথ থেকে বারবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল সেতুর( ৩,৪) নং পিলারের স্প্যান নির্মাণ কাজ শেষ করে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের সেতুটি চালু করা হবে। বিভিন্ন জটিলতার কারণে সেতুর মাঝ খানে স্প্যান দুটি নির্ধারিত সময়ে বসানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সেতুর স্প্যান দুটি দৃশ্যমান হয়েছে।
বরিশাল সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, নদীর ধারা পরিবর্তন ও জমি অধিগ্রহণের কারণে বারবার নকশা পরিবর্তন করতে হয়েছে। এখন কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। ইতিমধ্যে সেতুর মাঝখানে দুটি স্প্যান বসানো সম্পন্ন হয়েছে। এখন স্প্যানের মাঝখানে ঢালাই এর কাজ বাকি রয়েছে। আশা করছি আগামি জানুয়ারি মাসেই সেতুটি চালু করতে পারব।
উল্লেখ্য, গোমা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এসেছিল সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের দেওয়া চাহিদাপত্রে (ডিও লেটার) অনুমোদনের মাধ্যমে। জাসদ নেতা মোহাম্মদ মোহসীনসহ এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সেতু। সেতুটি চালু হলে বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে যাতায়াত, চিকিৎসা, বাণিজ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা স্থানীয়দের।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাঙামাটি নদীর ওপর গোমা সেতুর সব গার্ডার বসানো কাজসহ অ্যাপ্রোচ সড়কও প্রস্তুত হয়েছিল ২০২৩ সালে। তবু উপজেলার চরাদি, দুধল, কবাই, নলুয়া, ফরিদপুর, দুর্গাপাশা এই ছয় ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলা বাউফল, দুমকি উপজেলার লাখ লাখ মানুষকে দীর্ঘদিন অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। কারণ, সেতুর মাঝের দুটি স্প্যান না বসানোয় গোমা সেতুটি চলাচলের অযোগ্য ছিল।
অবশেষে ৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টায় গোমা সেতুর উপরে দ্বিতীয় স্প্যান বসানো সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে প্রথম স্প্যানটি গত মঙ্গলবার বসানো হয়। দ্বিতীয় স্প্যানটি উঠানোর পরেই ৮ বছরের অপেক্ষার অবসান হয়েছে বাকেরগঞ্জ উপজেলা সহ পার্শ্ববর্তী উপজেলা বাউফল ও দুমকি উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের।
নির্মাণাধীন গোমা সেতুর নির্মাণ প্রকল্পে ২০১৭ সালে ৫৭ কোটি ৬২ লাখ ১৫ হাজার টাকা ব্যয় সাপেক্ষে ৩ বছর মেয়াদের প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছিল। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ২০২০ সালের জুন মাসে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেতুর নির্মাণকাজ ৪৪ ভাগ সম্পন্ন হলেও তখন উচ্চতা নিয়ে আপত্তি তোলে বিআইডব্লিউটিএ। ফলে সেতু নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল। পরে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের দফায় দফায় সভা এবং বিশেষজ্ঞ দলের পরিদর্শনের পর নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতায় সেতুর সংশোধিত প্রকল্প গ্রহণ করে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়।
জানা গেছে, প্রথম প্রকল্প অনুযায়ী, মাঝ বরাবর সেতুর উচ্চতা রাখা হয়েছিল সর্বোচ্চ জোয়ারের সময় ৭ দশমিক ৮৬ মিটার। পিলার স্থাপনের পর বিআইডব্লিউটিএ আপত্তি তুলে জানায়, এ উচ্চতায় রাঙ্গামাটি নদীতে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য উচ্চতার প্রয়োজন কমপক্ষে ১২ দশমিক ২ মিটার।
সওজ থেকে দাবি করা হয়, উচ্চতা নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র চূড়ান্ত সম্মতিপত্র নিয়েই প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। এ নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ের দ্বন্দ্বের বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপে নিষ্পত্তি হয়।
সওজ সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত প্রকল্পে সেতুর নকশায় পরিবর্তন আনা হয়। নদীপথ সচল রাখার জন্য বিআইডব্লিউটিএ’র দাবি অনুযায়ী, সেতুর মাঝ বরাবর সর্বোচ্চ জোয়ারের সময় ১২ দশমিক ৪ মিটার উচ্চতা রেখে নতুন নকশা করা হয়েছে। সংশোধিত প্রকল্পে ব্যয় বেড়েছে ৩৪ কোটি ৮২ লাখ ৭৪ হাজার টাকা।
প্রকল্পে বলা হয়েছে, বরিশাল-লক্ষ্মীপাশা-দুমকি জেলা সড়কের ১৪ কিলোমিটারে রাঙ্গামাটি নদীর ওপর ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রশস্ত দুই লেনে সেতু নির্মিত হবে। সেতুর দৈর্ঘ্য হবে ২৮৩ দশমিক ১৮৮ মিটার। সংশোধিত প্রস্তাবে প্রকল্প ব্যয় দেখানো হয়েছে ৯২ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। এবং সেতুর মাঝখানের ( ৩,৪) নং পিলারের গার্ডারের পরিবর্তে নতুন নকশা অনুযায়ী তৈরি করা হয় স্টিলের দুটি স্প্যান।
সেতুটি নির্মাণে প্রথম প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ৫ বছর হয়েছে। সড়ক জনপথ থেকে বারবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল সেতুর( ৩,৪) নং পিলারের স্প্যান নির্মাণ কাজ শেষ করে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের সেতুটি চালু করা হবে। বিভিন্ন জটিলতার কারণে সেতুর মাঝ খানে স্প্যান দুটি নির্ধারিত সময়ে বসানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সেতুর স্প্যান দুটি দৃশ্যমান হয়েছে।
বরিশাল সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, নদীর ধারা পরিবর্তন ও জমি অধিগ্রহণের কারণে বারবার নকশা পরিবর্তন করতে হয়েছে। এখন কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। ইতিমধ্যে সেতুর মাঝখানে দুটি স্প্যান বসানো সম্পন্ন হয়েছে। এখন স্প্যানের মাঝখানে ঢালাই এর কাজ বাকি রয়েছে। আশা করছি আগামি জানুয়ারি মাসেই সেতুটি চালু করতে পারব।
উল্লেখ্য, গোমা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এসেছিল সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের দেওয়া চাহিদাপত্রে (ডিও লেটার) অনুমোদনের মাধ্যমে। জাসদ নেতা মোহাম্মদ মোহসীনসহ এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সেতু। সেতুটি চালু হলে বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে যাতায়াত, চিকিৎসা, বাণিজ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা স্থানীয়দের।

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
শিশু রামিসা হত্যা এবং দেশব্যাপী শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বরিশালে ‘শিশু বন্ধন’ কর্মসূচি পালন করেছে খেলাঘর। দ্রুত বিচার ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০টায় নগরের অশ্বিনীকুমার হলের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের শিশু নির্যাতন বন্ধ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান।
খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি পঙ্কজ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রামিসার মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চায় না শিশুরা। প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, এখন সবাই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ শিশু পরিবেশ গড়ে তুলতে শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
শুকতারা খেলাঘর আসর–এর সভাপতি কাজী সেলিনা–র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জীবন কৃষ্ণ দে, খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শুভংকর চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজত টিপু এবং সাধারণ সম্পাদক তৌছিক আহমেদ রাহাত।রক্তঝুমুর খেলাঘরের শিশু সদস্য রাইসা ও নাফি, তিলক, শিক্ষকনেতা আমিনুল ইসলাম খোকন, সনাকের সভাপতি টুলু রাণী কর্মকার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের শিউলি সিংহ, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শিশির, চারুকলা বরিশালের সংগঠক সুষাভ চন্দ্র নিতাই, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, রক্তঝুমুর খেলাঘর আসরের সভাপতি কামরুন নাহার মেরী এবং জাগৃহী খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ সুলতানা পলি প্রমুখ।’

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:০৯
বরিশালে গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস ও বিপরীতমুখী কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে দক্ষিণ পালরদী এলাকায় বরিশালগামী একটি হাইচ মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-০৭৪২) এবং ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যানের (ঢাকা মেট্রো-উ-১২-১৭৮৯) মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে আহতদের উদ্ধার করেন।
আহত পাঁচজনই বরগুনা জেলার বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। আহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং দুইজন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করেন। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি সরিয়ে নেয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি অথবা অসতর্কতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৩:৪৭
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর কাঁঠালতলা এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রহমতপুর এলাকা থেকে ইটবোঝাই একটি ট্রাক বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে একটি খালি ট্রাক ঢাকার দিক থেকে আসছিল। কাঁঠালতলা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে উভয় ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত দুই চালকের একজনের নাম জহিরুল বলে জানা গেছে। তবে অপর চালকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
শিশু রামিসা হত্যা এবং দেশব্যাপী শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বরিশালে ‘শিশু বন্ধন’ কর্মসূচি পালন করেছে খেলাঘর। দ্রুত বিচার ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০টায় নগরের অশ্বিনীকুমার হলের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের শিশু নির্যাতন বন্ধ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান।
খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি পঙ্কজ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রামিসার মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চায় না শিশুরা। প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, এখন সবাই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ শিশু পরিবেশ গড়ে তুলতে শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
শুকতারা খেলাঘর আসর–এর সভাপতি কাজী সেলিনা–র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জীবন কৃষ্ণ দে, খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শুভংকর চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজত টিপু এবং সাধারণ সম্পাদক তৌছিক আহমেদ রাহাত।রক্তঝুমুর খেলাঘরের শিশু সদস্য রাইসা ও নাফি, তিলক, শিক্ষকনেতা আমিনুল ইসলাম খোকন, সনাকের সভাপতি টুলু রাণী কর্মকার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের শিউলি সিংহ, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শিশির, চারুকলা বরিশালের সংগঠক সুষাভ চন্দ্র নিতাই, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, রক্তঝুমুর খেলাঘর আসরের সভাপতি কামরুন নাহার মেরী এবং জাগৃহী খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ সুলতানা পলি প্রমুখ।’
বরিশালে গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস ও বিপরীতমুখী কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে দক্ষিণ পালরদী এলাকায় বরিশালগামী একটি হাইচ মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-০৭৪২) এবং ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যানের (ঢাকা মেট্রো-উ-১২-১৭৮৯) মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে আহতদের উদ্ধার করেন।
আহত পাঁচজনই বরগুনা জেলার বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। আহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং দুইজন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করেন। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি সরিয়ে নেয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি অথবা অসতর্কতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর কাঁঠালতলা এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রহমতপুর এলাকা থেকে ইটবোঝাই একটি ট্রাক বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে একটি খালি ট্রাক ঢাকার দিক থেকে আসছিল। কাঁঠালতলা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে উভয় ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত দুই চালকের একজনের নাম জহিরুল বলে জানা গেছে। তবে অপর চালকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০