পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে মো. আবুল হোসেন (৩০) নামের এক ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা চালিয়ে মারধর, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত নয়টার দিকে নদীবেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরডিয়ারা কচুয়া গ্রামের জলকপাট এলাকার দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের ১৫ নেতা-কর্মীর নেতৃত্বে চাঁদার দাবিতে ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দোকানি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক বছর ধরে মুদি ও তৈলের (জ্বালানি) ব্যবসা করেন আবুল হোসেন। সম্প্রতি স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. সাইদুল (২৭), ছাত্রদলকর্মী মো. জহিরুল ইসলাম সোহাগ (২৭) ও যুবদলকর্মী মো. সোহেল রাঢ়ী (৩৫) দোকানি আবুল হোসেনের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। গতকাল শুক্রবার রাত নয়টার দিকে সাইদুল, জহিরুল ও সোহেলের নেতৃত্বে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও দেশিয় অস্ত্রসহ আবুল হোসেনের দোকানে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে (আবুল হোসেন) এলোপাতাড়ি কিল-ঘুসি মেরে দোকানের মালামাল তছনচ করে এবং ক্যাশ বাক্সে থাকা সাড়ে তিন লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
আবুল হোসেন অভিযোগ করেছেন,‘তাঁর অপরাধ তিনি জামায়াতের রাজনীতি পছন্দ করেন। তিনি যুব জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। হামলাকারীরা যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে গেছে,জামায়াত করতে হলে চাঁদা দিয়েই ব্যবসা করতে হবে।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন,‘নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার জন্যই এ জাতীয় অপকর্ম করা হচ্ছে। তাঁরা শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করতে চান।’
এ বিষয়ে জানার জন্য সাইদুল ও সোহেলের মুঠোফোনে কল করলে বন্ধ পাওয়া যায়। জহিরুলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি ধরেননি। এ কারণে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. বেল্লাল ব্যাপারী বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের কোনো জড়িত না।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘দুর্গম এলাকা। এ জন্য খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৬
পটুয়াখালীর বাউফলে বিদ্যুৎ অফিসের অবহেলায় সড়কের ওপর পড়ে থাকা ছেঁড়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ইউসুফ রাড়ি (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কমলাপুর এলাকায় স্কুলসংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইউসুফ রাড়ি কমলাপুর এলাকার ইসহাক রাড়ির ছেলে।
স্থানীয়দের সুত্রে জানা গেছে, গতকাল রবিবার সকালে একটি ভ্যাকু মেশিন রাস্তা দিয়ে নেওয়ার সময় পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি থেকে একটি তার ছিঁড়ে সড়কের ওপর পড়ে। বিষয়টি জানানো হলে পল্লী বিদ্যুতের মমিনপুর জোনাল অফিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। অফিসের লোকজন ছেঁড়া তার মেরামতের জন্য কয়েকজন গ্রাহকের কাছে টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে না পারায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় তারটি সড়কের ওপর পড়ে থাকলেও তা মেরামত না করেই কর্মীরা চলে যান। এরপর সোমবার দুপুরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যাওয়ার সময় সড়কের ওপর পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা পল্লী বিদ্যুতের মমিনপুর জোনাল অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন।
পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আবুল কাশেম বলেছেন, একজন বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নিহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাটি কালিশুরী অফিসের আওতাধীন। বিষয়টি তদন্তের জন্য অফিস প্রধানকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দিলে বিস্তারিত জানা যাবে।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে বিদ্যুৎ অফিসের অবহেলায় সড়কের ওপর পড়ে থাকা ছেঁড়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ইউসুফ রাড়ি (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কমলাপুর এলাকায় স্কুলসংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইউসুফ রাড়ি কমলাপুর এলাকার ইসহাক রাড়ির ছেলে।
স্থানীয়দের সুত্রে জানা গেছে, গতকাল রবিবার সকালে একটি ভ্যাকু মেশিন রাস্তা দিয়ে নেওয়ার সময় পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি থেকে একটি তার ছিঁড়ে সড়কের ওপর পড়ে। বিষয়টি জানানো হলে পল্লী বিদ্যুতের মমিনপুর জোনাল অফিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। অফিসের লোকজন ছেঁড়া তার মেরামতের জন্য কয়েকজন গ্রাহকের কাছে টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে না পারায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় তারটি সড়কের ওপর পড়ে থাকলেও তা মেরামত না করেই কর্মীরা চলে যান। এরপর সোমবার দুপুরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যাওয়ার সময় সড়কের ওপর পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা পল্লী বিদ্যুতের মমিনপুর জোনাল অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন।
পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আবুল কাশেম বলেছেন, একজন বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নিহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাটি কালিশুরী অফিসের আওতাধীন। বিষয়টি তদন্তের জন্য অফিস প্রধানকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দিলে বিস্তারিত জানা যাবে।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩২
পটুয়ালীর বাউফলে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি নামধারী এনজিওর কর্মকর্তারা পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গ্রাহক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে বাউফল পৌরসভার মুসলিমপাড়া মোড় এলাকায় জালাল আহমেদের একটি ভবন ভাড়া নিয়ে ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি এনজিও কার্যক্রম শুরু করে। দুই বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিমা ও সঞ্চয়ের নামে প্রায় অর্ধকোটি টাকা সংগ্রহ করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা।
ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাবেয়া বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা, বাবুল সিপাইয়ের কাছ থেকে ১১ হাজার, মাসুদুর রহমানের কাছ থেকে ২০ হাজার, মলিন্দ্রের কাছ থেকে ২০ হাজার, মনু বেগমের কাছ থেকে ১২ হাজার, তাসলিমা বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার এবং আব্দুল আজিজের কাছ থেকে দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও অনেকের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা জানান, দুই বছরের মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে সবাইকে অফিসে আসতে বলা হয়। ঋণ বিতরণের উদ্ধোধন অনুষ্ঠানের প্রস্তুুতি হিসেবে ডেকোয়ারেটর ভাড়া করে চেয়ার-টেবিলও আনা হয়। কিন্তু ভুক্তভোগীরা নির্ধারিত সময়ে অফিসে গিয়ে কাউকে দেখতে পাননি। এর আগেই কথিত সংস্থার লোকজন অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ জানান, ‘সমাজ কল্যাণ সংস্থা’ নামে একজন মাঠকর্মী তাদের ঋণ দেওয়ার কথা বলেন। রোববার সকাল ১০টার মধ্যে সঞ্চয়ের টাকা জমা দিতে এবং দুপুর ৩টায় ঋণের টাকা দেওয়ার কথা ছিল।
তিনি বলেন, চার লাখ টাকা ঋণের জন্য দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা দিয়েছি। সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাদের আর খুঁজে পাইনি।
রাবেয়া বেগম জানান, দুই বছর মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা তাদের বাড়িতে যান। এক লাখ টাকা ঋণ দিলে মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে পরিশোধ করতে হবে বলে জানানো হয়। এ জন্য ১১ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। এর মধ্যে ১ হাজার টাকা বিমা এবং ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় হিসেবে নেওয়া হয়। অফিস উদ্বোধনের দিনই ঋণের টাকা দেওয়া হবে বলে তাদের জানানো হয়েছিল।
রাবেয়া বলেন, আমার গাড়ি নষ্ট। তাই গাড়ি কেনার জন্য ঋণের টাকা প্রয়োজন ছিল। এ কারণে আমিও টাকা দিয়েছি। রবিবার বিকেলে ঋণের টাকা নিতে গেলে জানতে পারি, তারা পালিয়ে গেছে।
ভবনের মালিক জালাল আহমেদের স্ত্রী সৈয়দা শৈলী বলেন, মৌখিক চুক্তিতে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাড়া এবং দুই লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়ার শর্তে তাদের অফিস ভাড়া দেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়ালীর বাউফলে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি নামধারী এনজিওর কর্মকর্তারা পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গ্রাহক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে বাউফল পৌরসভার মুসলিমপাড়া মোড় এলাকায় জালাল আহমেদের একটি ভবন ভাড়া নিয়ে ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি এনজিও কার্যক্রম শুরু করে। দুই বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিমা ও সঞ্চয়ের নামে প্রায় অর্ধকোটি টাকা সংগ্রহ করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা।
ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাবেয়া বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা, বাবুল সিপাইয়ের কাছ থেকে ১১ হাজার, মাসুদুর রহমানের কাছ থেকে ২০ হাজার, মলিন্দ্রের কাছ থেকে ২০ হাজার, মনু বেগমের কাছ থেকে ১২ হাজার, তাসলিমা বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার এবং আব্দুল আজিজের কাছ থেকে দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও অনেকের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা জানান, দুই বছরের মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে সবাইকে অফিসে আসতে বলা হয়। ঋণ বিতরণের উদ্ধোধন অনুষ্ঠানের প্রস্তুুতি হিসেবে ডেকোয়ারেটর ভাড়া করে চেয়ার-টেবিলও আনা হয়। কিন্তু ভুক্তভোগীরা নির্ধারিত সময়ে অফিসে গিয়ে কাউকে দেখতে পাননি। এর আগেই কথিত সংস্থার লোকজন অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ জানান, ‘সমাজ কল্যাণ সংস্থা’ নামে একজন মাঠকর্মী তাদের ঋণ দেওয়ার কথা বলেন। রোববার সকাল ১০টার মধ্যে সঞ্চয়ের টাকা জমা দিতে এবং দুপুর ৩টায় ঋণের টাকা দেওয়ার কথা ছিল।
তিনি বলেন, চার লাখ টাকা ঋণের জন্য দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা দিয়েছি। সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাদের আর খুঁজে পাইনি।
রাবেয়া বেগম জানান, দুই বছর মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা তাদের বাড়িতে যান। এক লাখ টাকা ঋণ দিলে মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে পরিশোধ করতে হবে বলে জানানো হয়। এ জন্য ১১ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। এর মধ্যে ১ হাজার টাকা বিমা এবং ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় হিসেবে নেওয়া হয়। অফিস উদ্বোধনের দিনই ঋণের টাকা দেওয়া হবে বলে তাদের জানানো হয়েছিল।
রাবেয়া বলেন, আমার গাড়ি নষ্ট। তাই গাড়ি কেনার জন্য ঋণের টাকা প্রয়োজন ছিল। এ কারণে আমিও টাকা দিয়েছি। রবিবার বিকেলে ঋণের টাকা নিতে গেলে জানতে পারি, তারা পালিয়ে গেছে।
ভবনের মালিক জালাল আহমেদের স্ত্রী সৈয়দা শৈলী বলেন, মৌখিক চুক্তিতে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাড়া এবং দুই লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়ার শর্তে তাদের অফিস ভাড়া দেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩৪
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাহিন নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ওই প্রবাসীর ছেলে নাইমের (২২) পায়ে গুলি করে ডাকাত দল। এছাড়া নাইমের মা রুমা বেগম (৪০) এবং তার স্ত্রীর হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়। শিশু তাসফির (২) মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সবাইকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
রুমা বেগম জানান, তার স্বামী মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। রাতের খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আড়াইটা থেকে ৩টার দিকে পাঁচ-ছয় জনের ডাকাতদল জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। বাইরে ডাকাতদলের আরও কয়েকজন সদস্য ছিল। পরে সবাইকে হাত ও পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করে এবং নাইমের স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় নাইম বাধা দিলে তার পায়ের হাটুর ওপরে গুলি করে। এরপর তার শিশু সন্তান তাসফির মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করে নিয়ে যায়।
ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মাহিন নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ওই প্রবাসীর ছেলে নাইমের (২২) পায়ে গুলি করে ডাকাত দল। এছাড়া নাইমের মা রুমা বেগম (৪০) এবং তার স্ত্রীর হাত পা বেঁধে মারধর করা হয়। শিশু তাসফির (২) মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর পরই স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সবাইকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
রুমা বেগম জানান, তার স্বামী মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। রাতের খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আড়াইটা থেকে ৩টার দিকে পাঁচ-ছয় জনের ডাকাতদল জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। বাইরে ডাকাতদলের আরও কয়েকজন সদস্য ছিল। পরে সবাইকে হাত ও পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করে এবং নাইমের স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় নাইম বাধা দিলে তার পায়ের হাটুর ওপরে গুলি করে। এরপর তার শিশু সন্তান তাসফির মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন লুট করে নিয়ে যায়।
ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

১০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে মো. আবুল হোসেন (৩০) নামের এক ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা চালিয়ে মারধর, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত নয়টার দিকে নদীবেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরডিয়ারা কচুয়া গ্রামের জলকপাট এলাকার দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের ১৫ নেতা-কর্মীর নেতৃত্বে চাঁদার দাবিতে ওই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দোকানি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক বছর ধরে মুদি ও তৈলের (জ্বালানি) ব্যবসা করেন আবুল হোসেন। সম্প্রতি স্থানীয় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. সাইদুল (২৭), ছাত্রদলকর্মী মো. জহিরুল ইসলাম সোহাগ (২৭) ও যুবদলকর্মী মো. সোহেল রাঢ়ী (৩৫) দোকানি আবুল হোসেনের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। গতকাল শুক্রবার রাত নয়টার দিকে সাইদুল, জহিরুল ও সোহেলের নেতৃত্বে ১৫ জনের একটি দল লাঠিসোঁটা ও দেশিয় অস্ত্রসহ আবুল হোসেনের দোকানে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে (আবুল হোসেন) এলোপাতাড়ি কিল-ঘুসি মেরে দোকানের মালামাল তছনচ করে এবং ক্যাশ বাক্সে থাকা সাড়ে তিন লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।
আবুল হোসেন অভিযোগ করেছেন,‘তাঁর অপরাধ তিনি জামায়াতের রাজনীতি পছন্দ করেন। তিনি যুব জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। হামলাকারীরা যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে গেছে,জামায়াত করতে হলে চাঁদা দিয়েই ব্যবসা করতে হবে।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন,‘নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার জন্যই এ জাতীয় অপকর্ম করা হচ্ছে। তাঁরা শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করতে চান।’
এ বিষয়ে জানার জন্য সাইদুল ও সোহেলের মুঠোফোনে কল করলে বন্ধ পাওয়া যায়। জহিরুলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি ধরেননি। এ কারণে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. বেল্লাল ব্যাপারী বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের কোনো জড়িত না।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘দুর্গম এলাকা। এ জন্য খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গ্রাম পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’