
০৩ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:৪১
বরিশাল-৫ আসনটি বরাবরই আলোচনায় থাকে। স্থানীয় রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় রাজনীতিতেও এই আসনটি বারবার আলোচনায় উঠে আসে। এর কারণ আসনটি ঘিরে হেভিওয়েটদের লড়াই শুরু হয় প্রতি নির্বাচনেই। এবারও ব্যাতিক্রম ছিল না। ফ্যাসিবাদী সংগঠন আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকলেও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে ব্যাপক পরিচিত অন্তত ৫ প্রার্থী মনোনয়ন লড়াইয়ে ছিলেন।
শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে মজিবর রহমান সরোয়ারেই আস্থা রাখল বিএনপি। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং এই আসনের ৫ বারের সাবেক এমপি। বরিশাল সিটির মেয়র পদেও ছিলেন সরোয়ার। জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবেও দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। দীর্ঘদিন রাজনীতি ও জনপ্রতিনিধিত্ব করায় বরিশালে সরোয়ারের ভোট ব্যাংক রয়েছে।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন লড়াইয়ে এবার ছিলেন হাফ ডজনেরও বেশি নেতা।
এই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি একসময় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ।
এই আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমতউল্লাহ। তিনি মনোনয়নের জন্য জোর লবিং করেন।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকও এই আসন থেকে ভোট করতে চেয়েছিলেন।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবায়েদুল হক চাঁনও মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। বরিশাল (দক্ষিণ) জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহিন ও মহানগর বিএনপির ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা নাসরিন ও এই আসন থেকে ভোট করতে চেয়েছিলেন।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।’
বরিশাল-৫ আসনটি বরাবরই আলোচনায় থাকে। স্থানীয় রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় রাজনীতিতেও এই আসনটি বারবার আলোচনায় উঠে আসে। এর কারণ আসনটি ঘিরে হেভিওয়েটদের লড়াই শুরু হয় প্রতি নির্বাচনেই। এবারও ব্যাতিক্রম ছিল না। ফ্যাসিবাদী সংগঠন আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকলেও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে ব্যাপক পরিচিত অন্তত ৫ প্রার্থী মনোনয়ন লড়াইয়ে ছিলেন।
শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই আসনে মজিবর রহমান সরোয়ারেই আস্থা রাখল বিএনপি। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং এই আসনের ৫ বারের সাবেক এমপি। বরিশাল সিটির মেয়র পদেও ছিলেন সরোয়ার। জাতীয় সংসদের হুইপ হিসেবেও দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। দীর্ঘদিন রাজনীতি ও জনপ্রতিনিধিত্ব করায় বরিশালে সরোয়ারের ভোট ব্যাংক রয়েছে।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন লড়াইয়ে এবার ছিলেন হাফ ডজনেরও বেশি নেতা।
এই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি একসময় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ।
এই আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমতউল্লাহ। তিনি মনোনয়নের জন্য জোর লবিং করেন।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকও এই আসন থেকে ভোট করতে চেয়েছিলেন।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবায়েদুল হক চাঁনও মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। বরিশাল (দক্ষিণ) জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহিন ও মহানগর বিএনপির ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা নাসরিন ও এই আসন থেকে ভোট করতে চেয়েছিলেন।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।’

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪০
কোনো অন্যায় বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার আইনের আশ্রয় নেওয়ার অধিকার আছে। এ কারণে মামলা–মোকদ্দমার প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনেক সময় কাউকে হয়রানি বা সামাজিকভাবে হেয় করতেও মামলা করা হয়। অনেকে আবার মিথ্যা সাক্ষ্যও দিয়ে থাকেন। মিথ্যা মামলা করা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া—দুটিই ফৌজদারি অপরাধ এবং এর জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।
মিথ্যা অভিযোগকারী কিংবা মামলা দায়েরকারী বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে শর্ত হলো, ওই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে হবে। বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের যদি মনে হয়, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা, ভিত্তিহীন, তুচ্ছ, বিরক্তিকর বা হয়রানিমূলক এবং আসামির প্রতি চাপ সৃষ্টি করতে মামলাটি করা হয়েছে, তাহলে এই ধরনের মামলা মিথ্যা মামলা হিসেবে গণ্য হবে। মামলা মিথ্যা বা ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারী বা মামলা দায়েরকারীকে দণ্ড দিতে পারেন। এ ছাড়া সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বাদী হয়ে পৃথক মামলা দায়ের করতে পারেন।
মামলা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি আদালত মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে দণ্ডমূলক ব্যবস্থাও নিতে পারেন। আমলযোগ্য নয় এ রকম কোনো মামলায় কোনো পুলিশ কর্মকর্তা মিথ্যা প্রতিবেদন দিলে তাঁর বিরুদ্ধেও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলার সাজা হলো—দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় ধরনের দণ্ড। যদি মিথ্যা মামলা কোনো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সাত বছর বা তার বেশি মেয়াদের কোনো দণ্ডনীয় অপরাধ সম্পর্কে দায়ের করা হয়, তাহলে মিথ্যা মামলা দায়েরকারী বা বাদী সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়দের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এর সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়েরকারীকে অর্থদন্ডে দন্ডিত করা যাবে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৭ (১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোনো ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।’
আমাদের দেশে সাধারণত হয়রানি করার জন্য মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। সবার পক্ষে উচ্চ আদালতে যাওয়া সম্ভব হয় না। নানা প্রতিকূলতার কারণে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় পাল্টা মামলা করাও সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় কেবল সংশ্লিষ্ট আদালতই পারেন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। আদালতগুলো যদি সতর্কতার সঙ্গে নিয়মিতভাবে এ কাজটি করতেন, তাহলে একদিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ পেতেন, আরেক দিকে মামলাজটও কমত।
যদি কেউ আদালতে শপথ করার পরেও মিথ্যা সাক্ষ? দেন তবে তিনি শাস্তি পেতে পারেন। দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুসারে বিচারিক প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে বা সাক্ষ্য বিকৃত করলে, ওই ব্যক্তি সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে বা সাক্ষ্য বিকৃত করলে মিথ্যা সাক্ষ্যদানকারী তিন বছরের কারদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা অনুসারে কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে বা সাক্ষ্য বিকৃত করে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধে কাউকে দণ্ডিত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখলে, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। মিথ্যা সাক্ষ্য বা সাক্ষ্য বিকৃত করার ফলে যদি কোনো নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে মিথ্যা সাক্ষ৵দানকারীকে আদালত মৃতুদণ্ড এবং ইতিপূর্বে বর্ণিত অন্যান্য দণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন।’
কোনো অন্যায় বা বেআইনি কর্মকাণ্ডের দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার আইনের আশ্রয় নেওয়ার অধিকার আছে। এ কারণে মামলা–মোকদ্দমার প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনেক সময় কাউকে হয়রানি বা সামাজিকভাবে হেয় করতেও মামলা করা হয়। অনেকে আবার মিথ্যা সাক্ষ্যও দিয়ে থাকেন। মিথ্যা মামলা করা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া—দুটিই ফৌজদারি অপরাধ এবং এর জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে।
মিথ্যা অভিযোগকারী কিংবা মামলা দায়েরকারী বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। তবে এ ক্ষেত্রে শর্ত হলো, ওই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হতে হবে। বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের যদি মনে হয়, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা, ভিত্তিহীন, তুচ্ছ, বিরক্তিকর বা হয়রানিমূলক এবং আসামির প্রতি চাপ সৃষ্টি করতে মামলাটি করা হয়েছে, তাহলে এই ধরনের মামলা মিথ্যা মামলা হিসেবে গণ্য হবে। মামলা মিথ্যা বা ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারী বা মামলা দায়েরকারীকে দণ্ড দিতে পারেন। এ ছাড়া সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বাদী হয়ে পৃথক মামলা দায়ের করতে পারেন।
মামলা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হলে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি আদালত মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে দণ্ডমূলক ব্যবস্থাও নিতে পারেন। আমলযোগ্য নয় এ রকম কোনো মামলায় কোনো পুলিশ কর্মকর্তা মিথ্যা প্রতিবেদন দিলে তাঁর বিরুদ্ধেও বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলার সাজা হলো—দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় ধরনের দণ্ড। যদি মিথ্যা মামলা কোনো মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সাত বছর বা তার বেশি মেয়াদের কোনো দণ্ডনীয় অপরাধ সম্পর্কে দায়ের করা হয়, তাহলে মিথ্যা মামলা দায়েরকারী বা বাদী সাত বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়দের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এর সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়েরকারীকে অর্থদন্ডে দন্ডিত করা যাবে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৭ (১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোনো ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।’
আমাদের দেশে সাধারণত হয়রানি করার জন্য মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। সবার পক্ষে উচ্চ আদালতে যাওয়া সম্ভব হয় না। নানা প্রতিকূলতার কারণে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় পাল্টা মামলা করাও সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় কেবল সংশ্লিষ্ট আদালতই পারেন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে। আদালতগুলো যদি সতর্কতার সঙ্গে নিয়মিতভাবে এ কাজটি করতেন, তাহলে একদিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণ পেতেন, আরেক দিকে মামলাজটও কমত।
যদি কেউ আদালতে শপথ করার পরেও মিথ্যা সাক্ষ? দেন তবে তিনি শাস্তি পেতে পারেন। দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা অনুসারে বিচারিক প্রক্রিয়ার কোনো পর্যায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে বা সাক্ষ্য বিকৃত করলে, ওই ব্যক্তি সাত বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে বা সাক্ষ্য বিকৃত করলে মিথ্যা সাক্ষ্যদানকারী তিন বছরের কারদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা অনুসারে কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে বা সাক্ষ্য বিকৃত করে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধে কাউকে দণ্ডিত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখলে, সেই ব্যক্তি যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। মিথ্যা সাক্ষ্য বা সাক্ষ্য বিকৃত করার ফলে যদি কোনো নির্দোষ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে মিথ্যা সাক্ষ৵দানকারীকে আদালত মৃতুদণ্ড এবং ইতিপূর্বে বর্ণিত অন্যান্য দণ্ডে দণ্ডিত করতে পারেন।’

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৯
বরিশালে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে বাজারজাতকরণে মজুতকৃত বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। (১৭ এপ্রিল) শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর কাজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি গোডাউন থেকে ২৩ লাখ ১৯ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৬০০ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ করা হয়।
কোস্টগার্ড স্টেশন বরিশাল এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশে নকল সিগারেট মজুদ করা হয়। জব্দকৃত সিগারেটের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অধিদপ্তর বরিশাল এর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্র জানা যায়, এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা যায়নি। সেই সঙ্গে চোরাচালান রোধে কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় তারা।
বরিশালে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে বাজারজাতকরণে মজুতকৃত বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। (১৭ এপ্রিল) শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর কাজীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি গোডাউন থেকে ২৩ লাখ ১৯ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৬০০ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ করা হয়।
কোস্টগার্ড স্টেশন বরিশাল এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশে নকল সিগারেট মজুদ করা হয়। জব্দকৃত সিগারেটের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অধিদপ্তর বরিশাল এর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্র জানা যায়, এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা যায়নি। সেই সঙ্গে চোরাচালান রোধে কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় তারা।

১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৩
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা এলাকায় সাপে কাটা এক যুবকের মৃত্যুর পর দাফন না করে বাড়ির উঠানে রেখে ঝাড়ফুঁক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সর্বশেষ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই যুবকের দাফন সম্পন্ন হয়নি। তার মরদেহ বাড়ির উঠানে রেখে ঝাড়ফুঁকে জীবিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্বজনরা।
নিহত ওই যুবকের নাম এইচএম সায়েম (২৭)। উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রাজমাথা এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাভার্ড ভ্যানচালক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে কাভার্ডভ্যান পার্কিং করে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে চাঁদপাশা ও রহমতপুর ইউনিয়নের সংযোগস্থল ভাঙ্গা বুনিয়া খাল এলাকায় সায়েমকে সাপে কামড় দেয়। এরপর কোনোভাবে বাড়ি পৌঁছালেও ধীরে ধীরে তার শরীরে বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
পরে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে গুরুতর অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা দ্রুত এন্টিভেনম প্রয়োগ করেন। পরপর দুইবার এন্টিভেনম দেওয়া হলেও তার জ্ঞান ফেরেনি।
পরদিন (শুক্রবার) বেলা ১২টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে স্বজনরা তাকে দাফন না করে বাড়ির উঠানে রেখে বিভিন্ন স্থান থেকে সাপুড়ে ও ওঝা এনে ঝাড়ফুঁক শুরু করেন।
তাদের বিশ্বাস, অলৌকিকভাবে সায়েম আবার জীবিত হতে পারেন। এ ঘটনায় এলাকায় কৌতূহল ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় উৎসুক জনতা নিহতের বাড়িতে ভিড় করছেন।
নিহতের স্বজন মো. জুয়েল হোসেন বলেন, চিকিৎসকরা সায়েমকে মৃত ঘোষণা করেছেন। তবে আমরা আশা ছাড়িনি। সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় অলৌকিক কিছু ঘটতে পারে,এই বিশ্বাস থেকেই আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
বরিশাল বাবুগঞ্জ উপজেলা চাঁদপাশা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমি তাদের বাড়িতে গিয়েছি। তারা ওই যুবককে জীবিত করার আশায় ঝাড়ফুঁক করছে। আমি তাদের অনুরোধ করেছি চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে দাফন করতে। স্বজনরা রাত ৮টার দিকে দাফনের আশ্বাস দিয়েছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা এলাকায় সাপে কাটা এক যুবকের মৃত্যুর পর দাফন না করে বাড়ির উঠানে রেখে ঝাড়ফুঁক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সর্বশেষ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ওই যুবকের দাফন সম্পন্ন হয়নি। তার মরদেহ বাড়ির উঠানে রেখে ঝাড়ফুঁকে জীবিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্বজনরা।
নিহত ওই যুবকের নাম এইচএম সায়েম (২৭)। উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রাজমাথা এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাভার্ড ভ্যানচালক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিদিনের মতো কাজ শেষে কাভার্ডভ্যান পার্কিং করে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে চাঁদপাশা ও রহমতপুর ইউনিয়নের সংযোগস্থল ভাঙ্গা বুনিয়া খাল এলাকায় সায়েমকে সাপে কামড় দেয়। এরপর কোনোভাবে বাড়ি পৌঁছালেও ধীরে ধীরে তার শরীরে বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং একপর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
পরে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে গুরুতর অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা দ্রুত এন্টিভেনম প্রয়োগ করেন। পরপর দুইবার এন্টিভেনম দেওয়া হলেও তার জ্ঞান ফেরেনি।
পরদিন (শুক্রবার) বেলা ১২টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। তবে স্বজনরা তাকে দাফন না করে বাড়ির উঠানে রেখে বিভিন্ন স্থান থেকে সাপুড়ে ও ওঝা এনে ঝাড়ফুঁক শুরু করেন।
তাদের বিশ্বাস, অলৌকিকভাবে সায়েম আবার জীবিত হতে পারেন। এ ঘটনায় এলাকায় কৌতূহল ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় উৎসুক জনতা নিহতের বাড়িতে ভিড় করছেন।
নিহতের স্বজন মো. জুয়েল হোসেন বলেন, চিকিৎসকরা সায়েমকে মৃত ঘোষণা করেছেন। তবে আমরা আশা ছাড়িনি। সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় অলৌকিক কিছু ঘটতে পারে,এই বিশ্বাস থেকেই আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
বরিশাল বাবুগঞ্জ উপজেলা চাঁদপাশা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমি তাদের বাড়িতে গিয়েছি। তারা ওই যুবককে জীবিত করার আশায় ঝাড়ফুঁক করছে। আমি তাদের অনুরোধ করেছি চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে দাফন করতে। স্বজনরা রাত ৮টার দিকে দাফনের আশ্বাস দিয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২০
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৫
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০১
১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৫