
১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ২২:৩১
বরিশাল শিল্পকলা একাডেমির বিতর্কিত কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশগুপ্তকে আকস্মিক বদলি করা হয়েছে। সোমবার রাতে তার কুড়িগ্রামে বদলি সংক্রান্ত একটি খবর ছড়িয়ে পড়লে এই কীর্তনখোলা তীর জনপদের শিল্পীসমাজের মধ্যে স্বস্তি লক্ষ্য করা যায়। এবং এই কর্মকর্তার বদলি নিয়ে শিল্পসমাজের ব্যক্তি-বিশেষকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে করতে দেখা গেছে, যা হাফ ছেড়ে বাঁচার ন্যায়।
স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর অসিত বরণের বিরুদ্ধে কর্মস্থল বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানে অনিয়ম-দুর্নীতির খবর পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পরে এই কর্মকর্তা বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে যোগদান করার পরপরই বিভন্ন সমালোচিত কাজের মাধ্যমে নিজেকে বিতর্কের চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যান।
সম্ভবত বিতর্কিত কর্মকান্ডের মধ্যে তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল গত ৩০ জুন জেলা সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া। এতে শিল্পকলা একাডেমিতে দায়িত্বরত প্রশিক্ষকরা ক্ষুব্ধ হন। তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির সাবেক কালচারাল কর্মকর্তা হাসানুর রশীদ শিল্পকলায় নিযুক্ত ১২ জন প্রশিক্ষকের ২০২৪-২৫ সালের চুক্তিনামা নবায়ন করে যেতে পারেননি। তবে প্রশিক্ষকরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। নবায়নের জন্য কয়েক দফায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে গেছেন তারা। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা সুরাহা হয়নি। তাদের অভিযোগ, অসিত বরণ দাশগুপ্ত প্রশিক্ষক নিয়োগ নিয়েও দুর্নীতি করছেন।
অসিত বরণ দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করে লিখিত অভিযোগপত্র দেওয়াও হয়েছিল। গত ১ জুলাই বরিশালের গণমাধ্যমকর্মী মুহম্মদ ইমন খন্দকার হৃদয় অভিযোগপত্রটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ওয়ারেছ হোসেন, বরিশালের জেলা প্রশাসক ও শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এবং দুদকের বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. এইচএম আক্তারুজ্জামানের বরাবর পেশ করেন।
অভিযোগপত্রে মুহম্মদ ইমন খন্দকার উল্লেখ করেন, অসিত বরণ দাশগুপ্ত ২০১৩ সালে কালচারাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে সিলেট, হবিগঞ্জ ও বর্তমানে বরিশালে দায়িত্ব পালনকালে নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ২০১৬ সালে সিলেটে নারী কেলেঙ্কারির ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মীরা স্মারকলিপি দেন। ২০২৪ সালে সিলেটে তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করা হয়। ২০২৫ সালে তাকে বরিশালে বদলি করা হয়। বরিশালে যোগদানের পর থেকেই সরকারি রেস্ট হাউজে পরিবারসহ মাসের পর মাস অবৈধভাবে বসবাস করে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছেন। একইসঙ্গে হলরুম ভাড়ার টাকা গোপন রেখে তা ব্যক্তিগতভাবে এবং স্থানীয় ও সাধারণ ফান্ডের ২৯ লাখ টাকার একটি বড় অংশ তুলে আত্মসাৎ করেন। এছাড়া জনসাধারণের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে পুরো প্রতিষ্ঠানটি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন।
এই অভিযোগটি তদন্তে বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) উপমা ফারিসাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ৮ আগস্ট তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেন।
শিল্পকলার একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন তুলে ধরার পরপরই তাকে বরিশাল থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে তার এই বদলিকে এক ধরনের শাস্তিমূলকও বলা যায়।
সূত্রটি জানিয়েছে, রোববার এক আদেশে সারা দেশের অন্তত ১৯ জেলার কালচারাল অফিসারকে বদলি করে শিল্পকলা এডাডেমি। এবং আদেশে বলা হয় স্ব-স্ব কর্মকর্তাগণ আগামী ২৩ অক্টোবরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবেন। যদি এর ব্যত্তয় ঘটে তাহলে ওইদিনই কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন।
বদলির বিষয়টি সম্পর্কে জানতে অসিত বরণকে ফোন করা হলে তিনি এনিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। বরং সংবাদ করার আগে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেন।
তবে তার বদলির আদেশটি সঠিক বলে বরিশালটাইমসকে বরিশাল জেলা প্রশাসনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। এবং জানিয়েছে, অসিত বরণকে কুড়িগ্রামে পাঠানোর পাশাপাশি বরিশালে নতুন কালচারাল কর্মকর্তা হিসেবে পটুয়াখালীর তানবীর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের শিল্পসমাজ অসিত বরণের বদলির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। একাধিক ব্যক্তি জানান, স্বৈরাচারের দোসর অসিত বরণ বরিশালে যোগদান করে শিল্পকলাকে নিজের সম্পত্তি মনে করেছিলেন। বিএনপি ঘরনার ২/৩ জন রাজনৈতিকের সাথে সম্পর্ক রাখতে বা তাদের খুশি করতে গিয়ে তিনি একাধিক বিতর্কিত কর্মকান্ড করেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ভুয়া বিল ভাউচার করে শিল্পীদের অর্থ আত্মসাৎ করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনীত এই অভিযোগটি সংবাদপত্রে মোটা দাগে শিরোনাম হয় এবং এতে শিল্পীসমাজ নড়েচড়ে বসে।’
বরিশাল শিল্পকলা একাডেমির বিতর্কিত কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাশগুপ্তকে আকস্মিক বদলি করা হয়েছে। সোমবার রাতে তার কুড়িগ্রামে বদলি সংক্রান্ত একটি খবর ছড়িয়ে পড়লে এই কীর্তনখোলা তীর জনপদের শিল্পীসমাজের মধ্যে স্বস্তি লক্ষ্য করা যায়। এবং এই কর্মকর্তার বদলি নিয়ে শিল্পসমাজের ব্যক্তি-বিশেষকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে করতে দেখা গেছে, যা হাফ ছেড়ে বাঁচার ন্যায়।
স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর অসিত বরণের বিরুদ্ধে কর্মস্থল বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানে অনিয়ম-দুর্নীতির খবর পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পরে এই কর্মকর্তা বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে যোগদান করার পরপরই বিভন্ন সমালোচিত কাজের মাধ্যমে নিজেকে বিতর্কের চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যান।
সম্ভবত বিতর্কিত কর্মকান্ডের মধ্যে তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল গত ৩০ জুন জেলা সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া। এতে শিল্পকলা একাডেমিতে দায়িত্বরত প্রশিক্ষকরা ক্ষুব্ধ হন। তাদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির সাবেক কালচারাল কর্মকর্তা হাসানুর রশীদ শিল্পকলায় নিযুক্ত ১২ জন প্রশিক্ষকের ২০২৪-২৫ সালের চুক্তিনামা নবায়ন করে যেতে পারেননি। তবে প্রশিক্ষকরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। নবায়নের জন্য কয়েক দফায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে গেছেন তারা। কিন্তু এখন পর্যন্ত তা সুরাহা হয়নি। তাদের অভিযোগ, অসিত বরণ দাশগুপ্ত প্রশিক্ষক নিয়োগ নিয়েও দুর্নীতি করছেন।
অসিত বরণ দাশগুপ্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করে লিখিত অভিযোগপত্র দেওয়াও হয়েছিল। গত ১ জুলাই বরিশালের গণমাধ্যমকর্মী মুহম্মদ ইমন খন্দকার হৃদয় অভিযোগপত্রটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ওয়ারেছ হোসেন, বরিশালের জেলা প্রশাসক ও শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন এবং দুদকের বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. এইচএম আক্তারুজ্জামানের বরাবর পেশ করেন।
অভিযোগপত্রে মুহম্মদ ইমন খন্দকার উল্লেখ করেন, অসিত বরণ দাশগুপ্ত ২০১৩ সালে কালচারাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে সিলেট, হবিগঞ্জ ও বর্তমানে বরিশালে দায়িত্ব পালনকালে নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ২০১৬ সালে সিলেটে নারী কেলেঙ্কারির ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মীরা স্মারকলিপি দেন। ২০২৪ সালে সিলেটে তার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করা হয়। ২০২৫ সালে তাকে বরিশালে বদলি করা হয়। বরিশালে যোগদানের পর থেকেই সরকারি রেস্ট হাউজে পরিবারসহ মাসের পর মাস অবৈধভাবে বসবাস করে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছেন। একইসঙ্গে হলরুম ভাড়ার টাকা গোপন রেখে তা ব্যক্তিগতভাবে এবং স্থানীয় ও সাধারণ ফান্ডের ২৯ লাখ টাকার একটি বড় অংশ তুলে আত্মসাৎ করেন। এছাড়া জনসাধারণের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে পুরো প্রতিষ্ঠানটি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন।
এই অভিযোগটি তদন্তে বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) উপমা ফারিসাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ৮ আগস্ট তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেন।
শিল্পকলার একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন তুলে ধরার পরপরই তাকে বরিশাল থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সেক্ষেত্রে তার এই বদলিকে এক ধরনের শাস্তিমূলকও বলা যায়।
সূত্রটি জানিয়েছে, রোববার এক আদেশে সারা দেশের অন্তত ১৯ জেলার কালচারাল অফিসারকে বদলি করে শিল্পকলা এডাডেমি। এবং আদেশে বলা হয় স্ব-স্ব কর্মকর্তাগণ আগামী ২৩ অক্টোবরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবেন। যদি এর ব্যত্তয় ঘটে তাহলে ওইদিনই কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন।
বদলির বিষয়টি সম্পর্কে জানতে অসিত বরণকে ফোন করা হলে তিনি এনিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। বরং সংবাদ করার আগে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেন।
তবে তার বদলির আদেশটি সঠিক বলে বরিশালটাইমসকে বরিশাল জেলা প্রশাসনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। এবং জানিয়েছে, অসিত বরণকে কুড়িগ্রামে পাঠানোর পাশাপাশি বরিশালে নতুন কালচারাল কর্মকর্তা হিসেবে পটুয়াখালীর তানবীর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের শিল্পসমাজ অসিত বরণের বদলির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। একাধিক ব্যক্তি জানান, স্বৈরাচারের দোসর অসিত বরণ বরিশালে যোগদান করে শিল্পকলাকে নিজের সম্পত্তি মনে করেছিলেন। বিএনপি ঘরনার ২/৩ জন রাজনৈতিকের সাথে সম্পর্ক রাখতে বা তাদের খুশি করতে গিয়ে তিনি একাধিক বিতর্কিত কর্মকান্ড করেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ভুয়া বিল ভাউচার করে শিল্পীদের অর্থ আত্মসাৎ করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আনীত এই অভিযোগটি সংবাদপত্রে মোটা দাগে শিরোনাম হয় এবং এতে শিল্পীসমাজ নড়েচড়ে বসে।’

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:১৪
বরিশালের গৌরনদীতে পুলিশের অভিযানের সময় ইয়াবা গিলে অচেতন হয়ে পড়েছেন সানোয়ার হোসেন (৩৫) নামের জনৈক মাদক কারবারি। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এএসআই মো. সরবত আলী বরিশালটাইমসকে জানান, নীলখোলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় সন্দেহভাজন হিসেবে সানোয়ারকে থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে। একপর্যায়ে কৌশলে তিনি প্রায় ১০ থেকে ১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে গিলে ফেলেন। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান। পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে আরও কিছু ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, বর্তমানে পুলিশ পাহারায় ওই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হবে।’

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের গৌরনদীতে পুলিশের অভিযানের সময় ইয়াবা গিলে অচেতন হয়ে পড়েছেন সানোয়ার হোসেন (৩৫) নামের জনৈক মাদক কারবারি। পরে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা সানোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে গৌরনদী পৌরসভার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের এএসআই মো. সরবত আলী বরিশালটাইমসকে জানান, নীলখোলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানোর সময় সন্দেহভাজন হিসেবে সানোয়ারকে থামার নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে। একপর্যায়ে কৌশলে তিনি প্রায় ১০ থেকে ১২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট চিবিয়ে গিলে ফেলেন। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান। পরে তার দেহ তল্লাশি চালিয়ে আরও কিছু ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গৌরনদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, বর্তমানে পুলিশ পাহারায় ওই ব্যক্তির চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে পাঠানো হবে।’
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:১৪
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৪
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩০