
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৩
চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব) মো. কামাল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ তার জামিন আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। এর আগে আদালতে হাজির হয়ে কামাল জামিনের আবেদন করেন।
অন্যদিকে জামিনের শর্ত ভঙ্গ করেছেন মর্মে দুদকের পক্ষ থেকে তার জামিন বাতিলের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নথি সূত্রে জানা গেছে, আসামি কামাল গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহযোগিতার শর্তে ডিএনএ পরীক্ষা পর্যন্ত তাকে জামিন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন সাপেক্ষে জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর প্রতারণা ও জাল–জালিয়াতির অভিযোগে কামালের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু।
মামলায় বলা হয়, মো. কামাল কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নকালীন বাবার নাম হিসেবে তার প্রকৃত জন্মদাতা আবুল কাশেমের নাম ব্যবহার করেন। একই স্কুলে তিনি তার চাচা মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে বাবা-মা সাজিয়ে নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করেন।
কামাল মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরি লাভসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে তার জন্মদাতা বাবা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুনের পরিবর্তে আপন চাচা এবং চাচিকে বাবা-মা সাজিয়ে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তী সময়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় প্রশাসন ক্যাডারের চাকরিতে যোগদান করেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব) মো. কামাল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ তার জামিন আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। এর আগে আদালতে হাজির হয়ে কামাল জামিনের আবেদন করেন।
অন্যদিকে জামিনের শর্ত ভঙ্গ করেছেন মর্মে দুদকের পক্ষ থেকে তার জামিন বাতিলের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নথি সূত্রে জানা গেছে, আসামি কামাল গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহযোগিতার শর্তে ডিএনএ পরীক্ষা পর্যন্ত তাকে জামিন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন সাপেক্ষে জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর প্রতারণা ও জাল–জালিয়াতির অভিযোগে কামালের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু।
মামলায় বলা হয়, মো. কামাল কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নকালীন বাবার নাম হিসেবে তার প্রকৃত জন্মদাতা আবুল কাশেমের নাম ব্যবহার করেন। একই স্কুলে তিনি তার চাচা মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে বাবা-মা সাজিয়ে নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করেন।
কামাল মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরি লাভসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে তার জন্মদাতা বাবা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুনের পরিবর্তে আপন চাচা এবং চাচিকে বাবা-মা সাজিয়ে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তী সময়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় প্রশাসন ক্যাডারের চাকরিতে যোগদান করেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৯
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারের একটি বাসা থেকে একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা। তবে সাপটি নির্বিষ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে আটটার দিকে শ্রীমঙ্গল সরকারি হাসপাতাল স্টাফ কোয়ার্টারে শ্রাবণ পালের বাসা থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সাপটি।
জানা যায়, ওই বাসায় একটি কালনাগিনী সাপ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যদেরকে খবর দেওয়া হয়। তারা ঘটনাস্থলে এসে সাপটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, উদ্ধারকৃত কালনাগিনী সাপটি নির্বিষ।
কালনাগিনী মূলত একটি মৃদু বিষধর সাপ, যা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দেখা যায়। লোককাহিনী ও চলচ্চিত্রে একে অত্যন্ত ভয়ংকর ও প্রাণঘাতী হিসেবে চিত্রায়িত করা হলেও বাস্তবে এটি মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।
এরা সাধারণত ২ থেকে ৪.৫ ফুট লম্বা হয়। এদের দেহ সবুজাভ হলুদ রঙের হয় এবং তাতে লাল ও কালো রঙের চমৎকার ডোরাকাটা নকশা থাকে। এটি একটি ক্ষীণ বিষধর সাপ। মানুষের কোনো ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে না।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারের একটি বাসা থেকে একটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা। তবে সাপটি নির্বিষ।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে আটটার দিকে শ্রীমঙ্গল সরকারি হাসপাতাল স্টাফ কোয়ার্টারে শ্রাবণ পালের বাসা থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সাপটি।
জানা যায়, ওই বাসায় একটি কালনাগিনী সাপ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যদেরকে খবর দেওয়া হয়। তারা ঘটনাস্থলে এসে সাপটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, উদ্ধারকৃত কালনাগিনী সাপটি নির্বিষ।
কালনাগিনী মূলত একটি মৃদু বিষধর সাপ, যা দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দেখা যায়। লোককাহিনী ও চলচ্চিত্রে একে অত্যন্ত ভয়ংকর ও প্রাণঘাতী হিসেবে চিত্রায়িত করা হলেও বাস্তবে এটি মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।
এরা সাধারণত ২ থেকে ৪.৫ ফুট লম্বা হয়। এদের দেহ সবুজাভ হলুদ রঙের হয় এবং তাতে লাল ও কালো রঙের চমৎকার ডোরাকাটা নকশা থাকে। এটি একটি ক্ষীণ বিষধর সাপ। মানুষের কোনো ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে না।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৫৫
খাগড়াছড়িতে অতিরিক্ত অকটেন না পেয়ে হেমন্ত চাকমা নামে এক ট্যাগ অফিসারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় তার একটি হাত ভেঙে গেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে শহরের মহাজন পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আহত হেমন্ত চাকমা খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মচারী। জ্বালানি তেল বিতরণে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাকে মেহেরুন নেছা ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল।
জানা যায়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী খাগড়াছড়ি পৌর শহরের মেহেরুন নেছা ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে জ্বালানি তেল বিতরণ শুরু হয়। নিয়ম অনুযায়ী জনপ্রতি ৫০০ টাকার অকটেন দেয়া হচ্ছিল।
এ সময় কয়েকজন যুবক এসে প্লাস্টিকের বোতলে করে অতিরিক্ত অকটেন দাবি করেন। ট্যাগ অফিসার হেমন্ত চাকমা রেশনিংয়ের বাইরে বাড়তি তেল দিতে অস্বীকৃতি জানালে যুবকরা তাকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারিয়া সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একজন কর্মচারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
খাগড়াছড়িতে অতিরিক্ত অকটেন না পেয়ে হেমন্ত চাকমা নামে এক ট্যাগ অফিসারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় তার একটি হাত ভেঙে গেছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটের দিকে শহরের মহাজন পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আহত হেমন্ত চাকমা খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মচারী। জ্বালানি তেল বিতরণে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাকে মেহেরুন নেছা ফিলিং স্টেশনে ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল।
জানা যায়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী খাগড়াছড়ি পৌর শহরের মেহেরুন নেছা ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে জ্বালানি তেল বিতরণ শুরু হয়। নিয়ম অনুযায়ী জনপ্রতি ৫০০ টাকার অকটেন দেয়া হচ্ছিল।
এ সময় কয়েকজন যুবক এসে প্লাস্টিকের বোতলে করে অতিরিক্ত অকটেন দাবি করেন। ট্যাগ অফিসার হেমন্ত চাকমা রেশনিংয়ের বাইরে বাড়তি তেল দিতে অস্বীকৃতি জানালে যুবকরা তাকে পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারিয়া সুলতানা গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একজন কর্মচারীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৬
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বন্ধুর বিয়েতে প্রচলিত উপহারের বদলে অকটেন উপহার দিয়েছেন এক যুবক ও তার বন্ধুরা। ব্যতিক্রমী এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার সীমান্তবর্তী কর্মধা ইউনিয়নে আতিকুর রহমান ও নাদিয়া বেগমের বিয়েতে এ ঘটনা ঘটে। উপহার প্রদানকারী মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। এ জন্য একটু ভিন্নভাবে বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে আমরা প্রতীকীভাবে দুই লিটার অকটেন উপহার দিয়েছি।’
বন্ধুদের এমন অভিনব উপহার ঘিরে বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। অনেকেই বিষয়টিকে সময়ের প্রেক্ষাপটে ভিন্নধর্মী ও রসিকতাপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.