থানার কাছে বাসায় বসে দিনভর পরিকল্পনা, লোক ভাড়া করে রাতে মশালমিছিল। গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছাড়া কর্মীরা ক্ষুব্ধ।
শহরের উত্তর-পশ্চিমাংশের ত্রাস আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হোসেন আজাদ ওরফে কালাম মোল্লা শান্ত বরিশালকে অশান্ত করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। একাধিক মামলায় অভিযুক্ত এই রাজনৈতিক নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের পক্ষে মিছিল করানোসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারবিরোধী বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি শহরের নথুল্লাবাদে তার নির্দেশেই সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে মশালমিছিল করে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা। রোববার রাতের সেই মিছিলে ছাত্র-জনতা হামলা চালিয়ে সেখান থেকে ৪ জনকে ধরে পুলিশ সোপর্দ করে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ চিরুনি অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের আরও দুজন নেতাকে গ্রেপ্তার করলেও আলোচিত কালাম মোল্লা রয়েছেন ধরাছোয়ার বাইরে।
বরিশাল সিটির ৩০ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কালাম মোল্লার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের শাসনামলে ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি, ধর্ষণসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যাকলাপে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। বিতর্কিত এই ব্যক্তিকে তৎকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব এড়িয়ে চললেও তিনি শহরের উত্তর-পশ্চিমাংশে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছেন। তবে এসব ঘটনাবলীতে তার কারাগারে যাওয়ার উদাহরণও আছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতন হলে রাজনৈতিক সন্ত্রাস কালাম মোল্লা একাধিক মামলায় জড়িয়ে পড়ে গ্রেপ্তার এবং জনরোষের ভয়ে নিজেকে কিছুদিন গোপন রেখেছিলেন। কয়েক মাস পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তিনি এলাকায় ফিরে এসে প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরি করেন এবং স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে তার সুসম্পর্কও দেখা যায়। তাছাড়া পুলিশও তাকে গ্রেপ্তার করতে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় অনেকটা নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলেন থানাসংলগ্ন বাড়িতে। তবে এই সন্ত্রাসী যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে মহাসড়কে মশালমিছিল করে পুলিশকে দৌড়ের ওপর রাখার মত পরিস্থিতি তৈরি করবে তা অনেকেই অনুমান করতে পারেনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ত্রাসী কালাম মোল্লা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কাশিপুর টু রহমতপুর-বাবুগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাস চালিয়েছেন। মানুষকে জিম্মি করে জমি ক্রয় করাসহ চাঁদাবাজি এবং ধর্ষণের মত গুরুতর অভিযোগ আছে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তিনি মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তারের ভয়ে পালিয়ে গেলেও কয়েক মাস ধরে বিমানবন্দর থানাসংলগ্ন বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ১০/১২ দিন ধরে বাড়িটিতে অধিক মানুষের আনাগোনা দেখা যায়। কিন্তু পার্শ্ববর্তী থানা পুলিশকে সেখানে কখনও হানা দিতে দেখা যায়নি।
সূত্র জানায়, রোববার যেদিন নথুল্লাবাদে আওয়ামী লীগের মশালমিছিল হয়, সেদিন দিনভর কালাম মোল্লা নিজ বাড়িতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বৈঠক করেন। এবং সেই বৈঠকে মশালমিছিল করার জন্য তিনি এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ন সার্বিক সহযোগিতাসহ অর্থায়ন করার সিদ্ধান্ত দেন। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে রোববার রাত ১০টার দিকে বরিশাল ফেরি বিভাগের অফিস সম্মুখ থেকে মশালমিছিল বের করা হয়, যেখানে টাকা দিয়ে ভাড়া করে আনা লোকও ছিল।
কালাম মোল্লার এই মশালমিছিলের ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করেছেন পলাতক শীর্ষস্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। তবে এই মিছিল দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীদের রাতের ঘুম হারামও করে দিয়েছে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একাধিক কর্মী অভিযোগ করেন, তাদের নামে রাজনৈতিক মামলা থাকলেও এতদিন নিরাপদে বাসায় ছিলেন। গত রোববার রাতে কালাম মোল্লার নেতৃত্বে মশালমিছিল হওয়ার পরে পুলিশ অনেকের বাসাবাড়িতে একাধিকবার হানা দিয়েছে, এতে নতুন করে গ্রেপ্তার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রোববারের পরে চিরুনি অভিযান চালিয়ে পলাশ এবং হুমায়ন কবির নামের দুই আওয়ামী লীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করলে আতঙ্ক আরও বৃদ্ধি পায়।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, নথুল্লাবাদে মশালমিছিল করার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়েছে, এতে কালাম মোল্লার নামও রয়েছে। তিনিসহ সকল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এর আগে একাধিক মামলার আসামি কালাম মোল্লা থানাসংলগ্ন বাড়িতে অবস্থান করছিলেন এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, এই ধরনের তথ্য নেই।
এই বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার বিকেলে কালাম মোল্লার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। তবে একটি সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক সন্ত্রাস কালাম মোল্লা রোববারের ওই ঘটনার পরে ফের আত্মগোপনে চলে গেছেন। এবং সেখান থেকেই তিনি সবকিছুর খোঁজ-খবর রাখছেন। তার ঘনিষ্ট একজন বরিশালটাইমসের কাছে এই তথ্য স্বীকার করে জানান, কালাম মোল্লা নিজের শক্তি জানান দিতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন একটি মোক্ষম সময়ের। সেই সুবর্ণ সুযোগটি গত রোববার রাতে পেয়েই তিনি জনবহুল নথুল্লাবাদে মিছিল করে আলোচনায় এসেছেন, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য পীড়াদায়ক।
আলোচিত এই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা। তারা বলেন, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা শান্ত বরিশালকে অশান্ত করতে চাইছেন, যা দণ্ডণীয় অপরাধ। তাদের প্রত্যেককে গ্রেপ্তারপূর্বক আইনের আওতায় নিয়ে আসা জরুরি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৬:১১
থানার কাছে বাসায় বসে দিনভর পরিকল্পনা, লোক ভাড়া করে রাতে মশালমিছিল। গ্রেপ্তার আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছাড়া কর্মীরা ক্ষুব্ধ।
শহরের উত্তর-পশ্চিমাংশের ত্রাস আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হোসেন আজাদ ওরফে কালাম মোল্লা শান্ত বরিশালকে অশান্ত করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। একাধিক মামলায় অভিযুক্ত এই রাজনৈতিক নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের পক্ষে মিছিল করানোসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারবিরোধী বিভিন্ন কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। সম্প্রতি শহরের নথুল্লাবাদে তার নির্দেশেই সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে মশালমিছিল করে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা। রোববার রাতের সেই মিছিলে ছাত্র-জনতা হামলা চালিয়ে সেখান থেকে ৪ জনকে ধরে পুলিশ সোপর্দ করে। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশ চিরুনি অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের আরও দুজন নেতাকে গ্রেপ্তার করলেও আলোচিত কালাম মোল্লা রয়েছেন ধরাছোয়ার বাইরে।
বরিশাল সিটির ৩০ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কালাম মোল্লার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের শাসনামলে ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি, ধর্ষণসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যাকলাপে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। বিতর্কিত এই ব্যক্তিকে তৎকালীন সময়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব এড়িয়ে চললেও তিনি শহরের উত্তর-পশ্চিমাংশে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছেন। তবে এসব ঘটনাবলীতে তার কারাগারে যাওয়ার উদাহরণও আছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতন হলে রাজনৈতিক সন্ত্রাস কালাম মোল্লা একাধিক মামলায় জড়িয়ে পড়ে গ্রেপ্তার এবং জনরোষের ভয়ে নিজেকে কিছুদিন গোপন রেখেছিলেন। কয়েক মাস পরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলে তিনি এলাকায় ফিরে এসে প্রকাশ্যে ঘোরাঘুরি করেন এবং স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সাথে তার সুসম্পর্কও দেখা যায়। তাছাড়া পুলিশও তাকে গ্রেপ্তার করতে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় অনেকটা নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলেন থানাসংলগ্ন বাড়িতে। তবে এই সন্ত্রাসী যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে মহাসড়কে মশালমিছিল করে পুলিশকে দৌড়ের ওপর রাখার মত পরিস্থিতি তৈরি করবে তা অনেকেই অনুমান করতে পারেনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ত্রাসী কালাম মোল্লা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কাশিপুর টু রহমতপুর-বাবুগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক সন্ত্রাস চালিয়েছেন। মানুষকে জিম্মি করে জমি ক্রয় করাসহ চাঁদাবাজি এবং ধর্ষণের মত গুরুতর অভিযোগ আছে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তিনি মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তারের ভয়ে পালিয়ে গেলেও কয়েক মাস ধরে বিমানবন্দর থানাসংলগ্ন বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ১০/১২ দিন ধরে বাড়িটিতে অধিক মানুষের আনাগোনা দেখা যায়। কিন্তু পার্শ্ববর্তী থানা পুলিশকে সেখানে কখনও হানা দিতে দেখা যায়নি।
সূত্র জানায়, রোববার যেদিন নথুল্লাবাদে আওয়ামী লীগের মশালমিছিল হয়, সেদিন দিনভর কালাম মোল্লা নিজ বাড়িতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বৈঠক করেন। এবং সেই বৈঠকে মশালমিছিল করার জন্য তিনি এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ন সার্বিক সহযোগিতাসহ অর্থায়ন করার সিদ্ধান্ত দেন। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে রোববার রাত ১০টার দিকে বরিশাল ফেরি বিভাগের অফিস সম্মুখ থেকে মশালমিছিল বের করা হয়, যেখানে টাকা দিয়ে ভাড়া করে আনা লোকও ছিল।
কালাম মোল্লার এই মশালমিছিলের ভিডিও ফেসবুকে শেয়ার করেছেন পলাতক শীর্ষস্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। তবে এই মিছিল দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীদের রাতের ঘুম হারামও করে দিয়েছে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একাধিক কর্মী অভিযোগ করেন, তাদের নামে রাজনৈতিক মামলা থাকলেও এতদিন নিরাপদে বাসায় ছিলেন। গত রোববার রাতে কালাম মোল্লার নেতৃত্বে মশালমিছিল হওয়ার পরে পুলিশ অনেকের বাসাবাড়িতে একাধিকবার হানা দিয়েছে, এতে নতুন করে গ্রেপ্তার আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রোববারের পরে চিরুনি অভিযান চালিয়ে পলাশ এবং হুমায়ন কবির নামের দুই আওয়ামী লীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করলে আতঙ্ক আরও বৃদ্ধি পায়।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, নথুল্লাবাদে মশালমিছিল করার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা হয়েছে, এতে কালাম মোল্লার নামও রয়েছে। তিনিসহ সকল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এর আগে একাধিক মামলার আসামি কালাম মোল্লা থানাসংলগ্ন বাড়িতে অবস্থান করছিলেন এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, এই ধরনের তথ্য নেই।
এই বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার বিকেলে কালাম মোল্লার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। তবে একটি সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক সন্ত্রাস কালাম মোল্লা রোববারের ওই ঘটনার পরে ফের আত্মগোপনে চলে গেছেন। এবং সেখান থেকেই তিনি সবকিছুর খোঁজ-খবর রাখছেন। তার ঘনিষ্ট একজন বরিশালটাইমসের কাছে এই তথ্য স্বীকার করে জানান, কালাম মোল্লা নিজের শক্তি জানান দিতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন একটি মোক্ষম সময়ের। সেই সুবর্ণ সুযোগটি গত রোববার রাতে পেয়েই তিনি জনবহুল নথুল্লাবাদে মিছিল করে আলোচনায় এসেছেন, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য পীড়াদায়ক।
আলোচিত এই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির একাধিক নেতা। তারা বলেন, নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীরা শান্ত বরিশালকে অশান্ত করতে চাইছেন, যা দণ্ডণীয় অপরাধ। তাদের প্রত্যেককে গ্রেপ্তারপূর্বক আইনের আওতায় নিয়ে আসা জরুরি।’