Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ জুন, ২০২৫ ১২:১৪
ঈদের ছুটি শেষে লঞ্চ ও বাসে যাত্রী চাপ বেড়ে যাওয়ায় কাউন্টারে মিলছে না টিকিট। অধিকাংশ বাস কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকেও টিকিট কিনতে ব্যর্থ হচ্ছে যাত্রীরা। তাই বাধ্য হয়ে দেড় থেকে দুই গুণেরও বেশি টাকায় দালালদের কাছ টিকিট কিনতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের।
এ কারণে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। তবে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টার্মিনালগুলোতে কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
বুধবার (১২ জুন) বরিশাল নৌবন্দর ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদে সরেজমিনে দেখা গেছে। তথ্য মতে, যাত্রী সামাল দিতে প্রতিদিন ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে ভায়া ও সরাসরি মিলিয়ে অর্ধ ডজন বিলাসবহুল নৌযান যাত্রী পরিবহণ করছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, এ রুটের লঞ্চে এক হাজার টাকার সিঙ্গেল কেবিন ১২শ ও ২ হাজার টাকার ডাবল কেবিন হয়েছে ২৪০০ টাকায় বিক্রি করলেও তা পাচ্ছে না সাধারণ যাত্রীরা। কারণ এসব টিকিট আগেই দখলে নিয়েছে কালোবাজারিরা।
ফলে কাউন্টার বা নৌবন্দরে গিয়েও মিলছে টিকিট। তাই বাধ্য হয়ে যাত্রীদের দেড় বা দুইগুণ বেশি দামে সেই টিকিট কিনতে হচ্ছে নৌবন্দরে থাকা দালাল চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে। লেদু, ইমাম, বসির, খোকনসহ ডজনখানেক ব্যক্তি টিকিট কালোবাজারি করে থাকেন বলে অভিযোগ যাত্রীদের। এছাড়া এবারের ঈদযাত্রায় যাত্রী হয়রানির অভিযোগে কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চের মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কোস্টগার্ড।
এদিকে ঢাকা-বরিশাল সড়ক পথে অধিকাংশ বাসের অগ্রিম সকল টিকিট বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করার সঙ্গে সঙ্গে ওয়েবসাইট থেকে উধাও হয়ে গেছে। ফলে সাধারণ যাত্রীরা ওয়েবসাইটে ঢুকে টিকিট কিনতে ব্যর্থ হয়েছে। কাউন্টারেও মিলছে না টিকিট।
পরে সাড়ে ৫শ টাকার টিকিট এক হাজার থেকে ১২শ টাকায় দালালদের কাছ থেকে কিনতে হয়েছে যাত্রীদের। ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বরিশাল কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল নথুল্লাবাদে কাশেম ও মান্নানের নামে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ রয়েছে।
চালাল চক্রের সদস্যরা অগ্রিম টিকিট বিক্রির সময় বিভিন্ন কৌশলে তা দখলে নিয়ে নেয়। এর সঙ্গে লঞ্চ ও বাসের কাউন্টারের এক শ্রেণির অসাধু কর্মচারীরাও জড়িত বলে জানা গেছে। তবে বেশ কয়েকটি লঞ্চ ও বাস কর্তৃপক্ষের দাবি, যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে তারা নিয়মানুযায়ী ভাড়া আদায় করছে।
বাসযাত্রী ইমতিয়াজ অমিত বলেন, ১৪ তারিখ ঢাকা যাওয়ার জন্য টিকিট কিনতে একটি বাস কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করি। তখন বিক্রির জন্য টিকিট উন্মুক্ত করার পর দুটি সিট অবিক্রীত দেখতে পাই। তখন ওই একটি সিট কিনতে চেষ্টা করেও পারিনি। পরে স্বাভাবিক সময়ের সাড়ে ৫শ টাকার বাসের টিকিট দালালদের কাছ থেকে কিনতে হয়েছে ১২০০ টাকায়।
লঞ্চ যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, লঞ্চের কাউন্টারে ঘুরেও কেবিনের একটি টিকিট কিনতে পারিনি। পরে লঞ্চঘাটে থাকা একজন দালালের কাছ থেকে দ্বিগুণ দামে কেবিনের টিকিট কিনতে হয়েছে। আর যাত্রী হয়রানিও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি তার।
বিজ্ঞাপন
বরিশাল সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসীম কুমার বলেন, আমি বিষয়টি অবগত নই। দালালদের ধরতে অভিযান চালানো হবে। তাছাড়া আমাদের কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলেও ব্যবস্থা নেব।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের উপ-পরিচালক সেলিম রেজা জানান, দালালদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে। যাত্রী হয়রানিসহ যেকোনো অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল নগর পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, লঞ্চ ও বাসটার্মিনালে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধসহ শতভাগ যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে পুলিশ। এর অংশ হিসেবে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সদস্যরাও রয়েছেন। স্থায়ীভাবে এ সংকট দূর করতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর কর্মকর্তাসহ জনসাধারণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা কামনা করেন তিনি।
ঈদের ছুটি শেষে লঞ্চ ও বাসে যাত্রী চাপ বেড়ে যাওয়ায় কাউন্টারে মিলছে না টিকিট। অধিকাংশ বাস কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকেও টিকিট কিনতে ব্যর্থ হচ্ছে যাত্রীরা। তাই বাধ্য হয়ে দেড় থেকে দুই গুণেরও বেশি টাকায় দালালদের কাছ টিকিট কিনতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের।
এ কারণে সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। তবে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টার্মিনালগুলোতে কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
বুধবার (১২ জুন) বরিশাল নৌবন্দর ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদে সরেজমিনে দেখা গেছে। তথ্য মতে, যাত্রী সামাল দিতে প্রতিদিন ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে ভায়া ও সরাসরি মিলিয়ে অর্ধ ডজন বিলাসবহুল নৌযান যাত্রী পরিবহণ করছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, এ রুটের লঞ্চে এক হাজার টাকার সিঙ্গেল কেবিন ১২শ ও ২ হাজার টাকার ডাবল কেবিন হয়েছে ২৪০০ টাকায় বিক্রি করলেও তা পাচ্ছে না সাধারণ যাত্রীরা। কারণ এসব টিকিট আগেই দখলে নিয়েছে কালোবাজারিরা।
ফলে কাউন্টার বা নৌবন্দরে গিয়েও মিলছে টিকিট। তাই বাধ্য হয়ে যাত্রীদের দেড় বা দুইগুণ বেশি দামে সেই টিকিট কিনতে হচ্ছে নৌবন্দরে থাকা দালাল চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে। লেদু, ইমাম, বসির, খোকনসহ ডজনখানেক ব্যক্তি টিকিট কালোবাজারি করে থাকেন বলে অভিযোগ যাত্রীদের। এছাড়া এবারের ঈদযাত্রায় যাত্রী হয়রানির অভিযোগে কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চের মালিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কোস্টগার্ড।
এদিকে ঢাকা-বরিশাল সড়ক পথে অধিকাংশ বাসের অগ্রিম সকল টিকিট বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করার সঙ্গে সঙ্গে ওয়েবসাইট থেকে উধাও হয়ে গেছে। ফলে সাধারণ যাত্রীরা ওয়েবসাইটে ঢুকে টিকিট কিনতে ব্যর্থ হয়েছে। কাউন্টারেও মিলছে না টিকিট।
পরে সাড়ে ৫শ টাকার টিকিট এক হাজার থেকে ১২শ টাকায় দালালদের কাছ থেকে কিনতে হয়েছে যাত্রীদের। ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বরিশাল কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল নথুল্লাবাদে কাশেম ও মান্নানের নামে টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ রয়েছে।
চালাল চক্রের সদস্যরা অগ্রিম টিকিট বিক্রির সময় বিভিন্ন কৌশলে তা দখলে নিয়ে নেয়। এর সঙ্গে লঞ্চ ও বাসের কাউন্টারের এক শ্রেণির অসাধু কর্মচারীরাও জড়িত বলে জানা গেছে। তবে বেশ কয়েকটি লঞ্চ ও বাস কর্তৃপক্ষের দাবি, যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে তারা নিয়মানুযায়ী ভাড়া আদায় করছে।
বাসযাত্রী ইমতিয়াজ অমিত বলেন, ১৪ তারিখ ঢাকা যাওয়ার জন্য টিকিট কিনতে একটি বাস কোম্পানির ওয়েবসাইটে প্রবেশ করি। তখন বিক্রির জন্য টিকিট উন্মুক্ত করার পর দুটি সিট অবিক্রীত দেখতে পাই। তখন ওই একটি সিট কিনতে চেষ্টা করেও পারিনি। পরে স্বাভাবিক সময়ের সাড়ে ৫শ টাকার বাসের টিকিট দালালদের কাছ থেকে কিনতে হয়েছে ১২০০ টাকায়।
লঞ্চ যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, লঞ্চের কাউন্টারে ঘুরেও কেবিনের একটি টিকিট কিনতে পারিনি। পরে লঞ্চঘাটে থাকা একজন দালালের কাছ থেকে দ্বিগুণ দামে কেবিনের টিকিট কিনতে হয়েছে। আর যাত্রী হয়রানিও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি তার।
বিজ্ঞাপন
বরিশাল সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসীম কুমার বলেন, আমি বিষয়টি অবগত নই। দালালদের ধরতে অভিযান চালানো হবে। তাছাড়া আমাদের কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলেও ব্যবস্থা নেব।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের উপ-পরিচালক সেলিম রেজা জানান, দালালদের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে। যাত্রী হয়রানিসহ যেকোনো অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল নগর পুলিশের কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, লঞ্চ ও বাসটার্মিনালে দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধসহ শতভাগ যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছে পুলিশ। এর অংশ হিসেবে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সদস্যরাও রয়েছেন। স্থায়ীভাবে এ সংকট দূর করতে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোর কর্মকর্তাসহ জনসাধারণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা কামনা করেন তিনি।

২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
শিশু রামিসা হত্যা এবং দেশব্যাপী শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বরিশালে ‘শিশু বন্ধন’ কর্মসূচি পালন করেছে খেলাঘর। দ্রুত বিচার ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০টায় নগরের অশ্বিনীকুমার হলের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের শিশু নির্যাতন বন্ধ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান।
খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি পঙ্কজ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রামিসার মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চায় না শিশুরা। প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, এখন সবাই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ শিশু পরিবেশ গড়ে তুলতে শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
শুকতারা খেলাঘর আসর–এর সভাপতি কাজী সেলিনা–র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জীবন কৃষ্ণ দে, খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শুভংকর চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজত টিপু এবং সাধারণ সম্পাদক তৌছিক আহমেদ রাহাত।রক্তঝুমুর খেলাঘরের শিশু সদস্য রাইসা ও নাফি, তিলক, শিক্ষকনেতা আমিনুল ইসলাম খোকন, সনাকের সভাপতি টুলু রাণী কর্মকার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের শিউলি সিংহ, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শিশির, চারুকলা বরিশালের সংগঠক সুষাভ চন্দ্র নিতাই, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, রক্তঝুমুর খেলাঘর আসরের সভাপতি কামরুন নাহার মেরী এবং জাগৃহী খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ সুলতানা পলি প্রমুখ।’

২৪ মে, ২০২৬ ১৪:০৯
বরিশালে গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস ও বিপরীতমুখী কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে দক্ষিণ পালরদী এলাকায় বরিশালগামী একটি হাইচ মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-০৭৪২) এবং ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যানের (ঢাকা মেট্রো-উ-১২-১৭৮৯) মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে আহতদের উদ্ধার করেন।
আহত পাঁচজনই বরগুনা জেলার বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। আহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং দুইজন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করেন। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি সরিয়ে নেয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি অথবা অসতর্কতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরিশাল টাইমস

২৪ মে, ২০২৬ ১৩:৪৭
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর কাঁঠালতলা এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রহমতপুর এলাকা থেকে ইটবোঝাই একটি ট্রাক বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে একটি খালি ট্রাক ঢাকার দিক থেকে আসছিল। কাঁঠালতলা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে উভয় ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত দুই চালকের একজনের নাম জহিরুল বলে জানা গেছে। তবে অপর চালকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
শিশু রামিসা হত্যা এবং দেশব্যাপী শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বরিশালে ‘শিশু বন্ধন’ কর্মসূচি পালন করেছে খেলাঘর। দ্রুত বিচার ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে আজ শনিবার সকাল ১০টায় নগরের অশ্বিনীকুমার হলের সামনের সড়কে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের শিশু নির্যাতন বন্ধ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান।
খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতি পঙ্কজ রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রামিসার মতো নির্মম হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চায় না শিশুরা। প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার যে আশ্বাস দিয়েছেন, এখন সবাই সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, নিরাপদ শিশু পরিবেশ গড়ে তুলতে শিশু ধর্ষণসহ সব ধরনের নির্যাতন বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে শিশুদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি জানান তাঁরা।
শুকতারা খেলাঘর আসর–এর সভাপতি কাজী সেলিনা–র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জীবন কৃষ্ণ দে, খেলাঘর বরিশাল জেলা কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শুভংকর চক্রবর্তী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজত টিপু এবং সাধারণ সম্পাদক তৌছিক আহমেদ রাহাত।রক্তঝুমুর খেলাঘরের শিশু সদস্য রাইসা ও নাফি, তিলক, শিক্ষকনেতা আমিনুল ইসলাম খোকন, সনাকের সভাপতি টুলু রাণী কর্মকার, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের শিউলি সিংহ, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শিশির, চারুকলা বরিশালের সংগঠক সুষাভ চন্দ্র নিতাই, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, রক্তঝুমুর খেলাঘর আসরের সভাপতি কামরুন নাহার মেরী এবং জাগৃহী খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ সুলতানা পলি প্রমুখ।’
বরিশালে গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ পালরদী এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস ও বিপরীতমুখী কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে দক্ষিণ পালরদী এলাকায় বরিশালগামী একটি হাইচ মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৯-০৭৪২) এবং ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যানের (ঢাকা মেট্রো-উ-১২-১৭৮৯) মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মাত্র এক মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে আহতদের উদ্ধার করেন।
আহত পাঁচজনই বরগুনা জেলার বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। আহতদের মধ্যে একজন পুরুষ, দুইজন নারী এবং দুইজন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করেন। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটলেও পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি সরিয়ে নেয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি অথবা অসতর্কতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের রহমতপুর কাঁঠালতলা এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রহমতপুর এলাকা থেকে ইটবোঝাই একটি ট্রাক বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে বিপরীত দিক থেকে একটি খালি ট্রাক ঢাকার দিক থেকে আসছিল। কাঁঠালতলা এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে উভয় ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহত দুই চালকের একজনের নাম জহিরুল বলে জানা গেছে। তবে অপর চালকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
স্থানীয়রা জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।
এয়ারপোর্ট থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং গুরুতর আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:৩৭
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:২৬
২৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
২৪ মে, ২০২৬ ১৪:৪০