ঢাকঢোল, বাদ্যযন্ত্র আর মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত গোটা এলাকা। কেউ নাচছে, কেউ গাইছে, কেউবা দিচ্ছে স্লোগান। কারো হাতে ফেস্টুন, প্লেকার্ড অথবা জাতীয় বা দলীয় পতাকা। নারীরা পরেছে জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজ শাড়ি। কেউ দলীয় পতাকা দিয়ে তৈরি করেছে নিজের পোশাক। উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতাকর্মীদের ভিড়ে যেন তিল ধারনের ঠাঁই নেই কোথাও। এ যেন যৌবনের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের এক উৎসব। এভাবেই দীর্ঘ ১৭ বছর পরে উৎসবমুখর পরিবেশে বরিশালের বাবুগঞ্জে জমকালো নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
সংগঠনের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) শোভাযাত্রা, যুব সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ, কেক কাটা, দোয়া-মোনাজাত ও মধ্যাহ্নভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন বর্ণিল কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাজসিক ওই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন হতে বাদ্যযন্ত্র, ফেস্টুন, প্লেকার্ড, ব্যানারসহ খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় হাজির হয় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসময় বিভিন্ন বাদ্য-বাজনার তালে নেচে-গেয়ে উৎসবের এক নগরীতে পরিনত করে উপজেলা চত্ত্বর। বেলা ১২টার দিকে সমাবেশস্থল একপর্যায়ে জনসমুদ্রে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আয়োজকদের। এসময় বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, ব্যানার, ফেস্টুন, প্লেকার্ড ও দলীয় পতাকা শোভিত একটি যুবর্যালি উপজেলার চত্ত্বর ছাড়াও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীর উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান ও সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু। উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিলের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, রফিকুল ইসলাম তোতা, ইসতিয়াক আহমেদ জুয়েল (ভিপি জুয়েল), এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, সদস্য সচিব ওবায়দুল ইসলাম, মুন্সি মাইনুদ্দিন সিকদার, আরিফুর রহমান ইরান, মেহেদি আসলাম খোকন, আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল প্রমুখ।
যুব সমাবেশে যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশালাকৃতির কেক কাটেন প্রধান অতিথি যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও জেলা (দক্ষিণ) সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য অতিথিরা। এসময় অতিথি ও আয়োজক নেতারা একে অপরকে কেক খাইয়ে দেন। পরে সেখানে এক দোয়া-মোনাজাত এবং মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। সকালে যুবদল কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব।
রাজসিক এই আয়োজন প্রসঙ্গে আয়োজক কমিটির প্রধান ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অক্টোবর মাসজুড়েই বিভিন্ন মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাষ্ট্র সংস্কারে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার পক্ষে জনমত গঠনে কর্মশালা, সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছি আমরা। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। বাবুগঞ্জে ৩১ দফা এবং ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আজকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই নজিরবিহীন উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনার মহামিলন যুবদলের সাংগঠনিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ।' #

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

২৮ অক্টোবর, ২০২৫ ২২:৩৩
ঢাকঢোল, বাদ্যযন্ত্র আর মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত গোটা এলাকা। কেউ নাচছে, কেউ গাইছে, কেউবা দিচ্ছে স্লোগান। কারো হাতে ফেস্টুন, প্লেকার্ড অথবা জাতীয় বা দলীয় পতাকা। নারীরা পরেছে জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজ শাড়ি। কেউ দলীয় পতাকা দিয়ে তৈরি করেছে নিজের পোশাক। উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতাকর্মীদের ভিড়ে যেন তিল ধারনের ঠাঁই নেই কোথাও। এ যেন যৌবনের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের এক উৎসব। এভাবেই দীর্ঘ ১৭ বছর পরে উৎসবমুখর পরিবেশে বরিশালের বাবুগঞ্জে জমকালো নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
সংগঠনের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) শোভাযাত্রা, যুব সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ, কেক কাটা, দোয়া-মোনাজাত ও মধ্যাহ্নভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন বর্ণিল কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাজসিক ওই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন হতে বাদ্যযন্ত্র, ফেস্টুন, প্লেকার্ড, ব্যানারসহ খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় হাজির হয় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসময় বিভিন্ন বাদ্য-বাজনার তালে নেচে-গেয়ে উৎসবের এক নগরীতে পরিনত করে উপজেলা চত্ত্বর। বেলা ১২টার দিকে সমাবেশস্থল একপর্যায়ে জনসমুদ্রে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আয়োজকদের। এসময় বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, ব্যানার, ফেস্টুন, প্লেকার্ড ও দলীয় পতাকা শোভিত একটি যুবর্যালি উপজেলার চত্ত্বর ছাড়াও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীর উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান ও সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু। উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিলের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, রফিকুল ইসলাম তোতা, ইসতিয়াক আহমেদ জুয়েল (ভিপি জুয়েল), এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, সদস্য সচিব ওবায়দুল ইসলাম, মুন্সি মাইনুদ্দিন সিকদার, আরিফুর রহমান ইরান, মেহেদি আসলাম খোকন, আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল প্রমুখ।
যুব সমাবেশে যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশালাকৃতির কেক কাটেন প্রধান অতিথি যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও জেলা (দক্ষিণ) সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য অতিথিরা। এসময় অতিথি ও আয়োজক নেতারা একে অপরকে কেক খাইয়ে দেন। পরে সেখানে এক দোয়া-মোনাজাত এবং মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। সকালে যুবদল কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব।
রাজসিক এই আয়োজন প্রসঙ্গে আয়োজক কমিটির প্রধান ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অক্টোবর মাসজুড়েই বিভিন্ন মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাষ্ট্র সংস্কারে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার পক্ষে জনমত গঠনে কর্মশালা, সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছি আমরা। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। বাবুগঞ্জে ৩১ দফা এবং ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আজকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই নজিরবিহীন উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনার মহামিলন যুবদলের সাংগঠনিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ।' #