
২৮ অক্টোবর, ২০২৫ ২২:৩৩
ঢাকঢোল, বাদ্যযন্ত্র আর মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত গোটা এলাকা। কেউ নাচছে, কেউ গাইছে, কেউবা দিচ্ছে স্লোগান। কারো হাতে ফেস্টুন, প্লেকার্ড অথবা জাতীয় বা দলীয় পতাকা। নারীরা পরেছে জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজ শাড়ি। কেউ দলীয় পতাকা দিয়ে তৈরি করেছে নিজের পোশাক। উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতাকর্মীদের ভিড়ে যেন তিল ধারনের ঠাঁই নেই কোথাও। এ যেন যৌবনের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের এক উৎসব। এভাবেই দীর্ঘ ১৭ বছর পরে উৎসবমুখর পরিবেশে বরিশালের বাবুগঞ্জে জমকালো নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
সংগঠনের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) শোভাযাত্রা, যুব সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ, কেক কাটা, দোয়া-মোনাজাত ও মধ্যাহ্নভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন বর্ণিল কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাজসিক ওই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন হতে বাদ্যযন্ত্র, ফেস্টুন, প্লেকার্ড, ব্যানারসহ খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় হাজির হয় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসময় বিভিন্ন বাদ্য-বাজনার তালে নেচে-গেয়ে উৎসবের এক নগরীতে পরিনত করে উপজেলা চত্ত্বর। বেলা ১২টার দিকে সমাবেশস্থল একপর্যায়ে জনসমুদ্রে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আয়োজকদের। এসময় বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, ব্যানার, ফেস্টুন, প্লেকার্ড ও দলীয় পতাকা শোভিত একটি যুবর্যালি উপজেলার চত্ত্বর ছাড়াও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীর উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান ও সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু। উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিলের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, রফিকুল ইসলাম তোতা, ইসতিয়াক আহমেদ জুয়েল (ভিপি জুয়েল), এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, সদস্য সচিব ওবায়দুল ইসলাম, মুন্সি মাইনুদ্দিন সিকদার, আরিফুর রহমান ইরান, মেহেদি আসলাম খোকন, আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল প্রমুখ।
যুব সমাবেশে যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশালাকৃতির কেক কাটেন প্রধান অতিথি যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও জেলা (দক্ষিণ) সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য অতিথিরা। এসময় অতিথি ও আয়োজক নেতারা একে অপরকে কেক খাইয়ে দেন। পরে সেখানে এক দোয়া-মোনাজাত এবং মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। সকালে যুবদল কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব।
রাজসিক এই আয়োজন প্রসঙ্গে আয়োজক কমিটির প্রধান ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অক্টোবর মাসজুড়েই বিভিন্ন মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাষ্ট্র সংস্কারে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার পক্ষে জনমত গঠনে কর্মশালা, সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছি আমরা। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। বাবুগঞ্জে ৩১ দফা এবং ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আজকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই নজিরবিহীন উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনার মহামিলন যুবদলের সাংগঠনিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ।' #
ঢাকঢোল, বাদ্যযন্ত্র আর মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত গোটা এলাকা। কেউ নাচছে, কেউ গাইছে, কেউবা দিচ্ছে স্লোগান। কারো হাতে ফেস্টুন, প্লেকার্ড অথবা জাতীয় বা দলীয় পতাকা। নারীরা পরেছে জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজ শাড়ি। কেউ দলীয় পতাকা দিয়ে তৈরি করেছে নিজের পোশাক। উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতাকর্মীদের ভিড়ে যেন তিল ধারনের ঠাঁই নেই কোথাও। এ যেন যৌবনের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের এক উৎসব। এভাবেই দীর্ঘ ১৭ বছর পরে উৎসবমুখর পরিবেশে বরিশালের বাবুগঞ্জে জমকালো নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
সংগঠনের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) শোভাযাত্রা, যুব সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ, কেক কাটা, দোয়া-মোনাজাত ও মধ্যাহ্নভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন বর্ণিল কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাজসিক ওই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন হতে বাদ্যযন্ত্র, ফেস্টুন, প্লেকার্ড, ব্যানারসহ খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় হাজির হয় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসময় বিভিন্ন বাদ্য-বাজনার তালে নেচে-গেয়ে উৎসবের এক নগরীতে পরিনত করে উপজেলা চত্ত্বর। বেলা ১২টার দিকে সমাবেশস্থল একপর্যায়ে জনসমুদ্রে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আয়োজকদের। এসময় বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, ব্যানার, ফেস্টুন, প্লেকার্ড ও দলীয় পতাকা শোভিত একটি যুবর্যালি উপজেলার চত্ত্বর ছাড়াও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীর উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান ও সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু। উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিলের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, রফিকুল ইসলাম তোতা, ইসতিয়াক আহমেদ জুয়েল (ভিপি জুয়েল), এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, সদস্য সচিব ওবায়দুল ইসলাম, মুন্সি মাইনুদ্দিন সিকদার, আরিফুর রহমান ইরান, মেহেদি আসলাম খোকন, আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল প্রমুখ।
যুব সমাবেশে যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশালাকৃতির কেক কাটেন প্রধান অতিথি যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও জেলা (দক্ষিণ) সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য অতিথিরা। এসময় অতিথি ও আয়োজক নেতারা একে অপরকে কেক খাইয়ে দেন। পরে সেখানে এক দোয়া-মোনাজাত এবং মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। সকালে যুবদল কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব।
রাজসিক এই আয়োজন প্রসঙ্গে আয়োজক কমিটির প্রধান ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অক্টোবর মাসজুড়েই বিভিন্ন মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাষ্ট্র সংস্কারে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার পক্ষে জনমত গঠনে কর্মশালা, সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছি আমরা। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। বাবুগঞ্জে ৩১ দফা এবং ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আজকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই নজিরবিহীন উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনার মহামিলন যুবদলের সাংগঠনিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ।' #

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.