Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ অক্টোবর, ২০২৫ ২২:৩৩
ঢাকঢোল, বাদ্যযন্ত্র আর মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত গোটা এলাকা। কেউ নাচছে, কেউ গাইছে, কেউবা দিচ্ছে স্লোগান। কারো হাতে ফেস্টুন, প্লেকার্ড অথবা জাতীয় বা দলীয় পতাকা। নারীরা পরেছে জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজ শাড়ি। কেউ দলীয় পতাকা দিয়ে তৈরি করেছে নিজের পোশাক। উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতাকর্মীদের ভিড়ে যেন তিল ধারনের ঠাঁই নেই কোথাও। এ যেন যৌবনের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের এক উৎসব। এভাবেই দীর্ঘ ১৭ বছর পরে উৎসবমুখর পরিবেশে বরিশালের বাবুগঞ্জে জমকালো নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
সংগঠনের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) শোভাযাত্রা, যুব সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ, কেক কাটা, দোয়া-মোনাজাত ও মধ্যাহ্নভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন বর্ণিল কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাজসিক ওই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন হতে বাদ্যযন্ত্র, ফেস্টুন, প্লেকার্ড, ব্যানারসহ খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় হাজির হয় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসময় বিভিন্ন বাদ্য-বাজনার তালে নেচে-গেয়ে উৎসবের এক নগরীতে পরিনত করে উপজেলা চত্ত্বর। বেলা ১২টার দিকে সমাবেশস্থল একপর্যায়ে জনসমুদ্রে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আয়োজকদের। এসময় বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, ব্যানার, ফেস্টুন, প্লেকার্ড ও দলীয় পতাকা শোভিত একটি যুবর্যালি উপজেলার চত্ত্বর ছাড়াও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীর উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান ও সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু। উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিলের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, রফিকুল ইসলাম তোতা, ইসতিয়াক আহমেদ জুয়েল (ভিপি জুয়েল), এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, সদস্য সচিব ওবায়দুল ইসলাম, মুন্সি মাইনুদ্দিন সিকদার, আরিফুর রহমান ইরান, মেহেদি আসলাম খোকন, আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল প্রমুখ।
যুব সমাবেশে যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশালাকৃতির কেক কাটেন প্রধান অতিথি যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও জেলা (দক্ষিণ) সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য অতিথিরা। এসময় অতিথি ও আয়োজক নেতারা একে অপরকে কেক খাইয়ে দেন। পরে সেখানে এক দোয়া-মোনাজাত এবং মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। সকালে যুবদল কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব।
রাজসিক এই আয়োজন প্রসঙ্গে আয়োজক কমিটির প্রধান ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অক্টোবর মাসজুড়েই বিভিন্ন মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাষ্ট্র সংস্কারে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার পক্ষে জনমত গঠনে কর্মশালা, সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছি আমরা। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। বাবুগঞ্জে ৩১ দফা এবং ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আজকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই নজিরবিহীন উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনার মহামিলন যুবদলের সাংগঠনিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ।' #
ঢাকঢোল, বাদ্যযন্ত্র আর মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত গোটা এলাকা। কেউ নাচছে, কেউ গাইছে, কেউবা দিচ্ছে স্লোগান। কারো হাতে ফেস্টুন, প্লেকার্ড অথবা জাতীয় বা দলীয় পতাকা। নারীরা পরেছে জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজ শাড়ি। কেউ দলীয় পতাকা দিয়ে তৈরি করেছে নিজের পোশাক। উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতাকর্মীদের ভিড়ে যেন তিল ধারনের ঠাঁই নেই কোথাও। এ যেন যৌবনের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের এক উৎসব। এভাবেই দীর্ঘ ১৭ বছর পরে উৎসবমুখর পরিবেশে বরিশালের বাবুগঞ্জে জমকালো নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
সংগঠনের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) শোভাযাত্রা, যুব সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ, কেক কাটা, দোয়া-মোনাজাত ও মধ্যাহ্নভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন বর্ণিল কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাজসিক ওই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন হতে বাদ্যযন্ত্র, ফেস্টুন, প্লেকার্ড, ব্যানারসহ খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় হাজির হয় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসময় বিভিন্ন বাদ্য-বাজনার তালে নেচে-গেয়ে উৎসবের এক নগরীতে পরিনত করে উপজেলা চত্ত্বর। বেলা ১২টার দিকে সমাবেশস্থল একপর্যায়ে জনসমুদ্রে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আয়োজকদের। এসময় বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, ব্যানার, ফেস্টুন, প্লেকার্ড ও দলীয় পতাকা শোভিত একটি যুবর্যালি উপজেলার চত্ত্বর ছাড়াও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীর উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান ও সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু। উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিলের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, রফিকুল ইসলাম তোতা, ইসতিয়াক আহমেদ জুয়েল (ভিপি জুয়েল), এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, সদস্য সচিব ওবায়দুল ইসলাম, মুন্সি মাইনুদ্দিন সিকদার, আরিফুর রহমান ইরান, মেহেদি আসলাম খোকন, আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল প্রমুখ।
যুব সমাবেশে যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশালাকৃতির কেক কাটেন প্রধান অতিথি যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও জেলা (দক্ষিণ) সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য অতিথিরা। এসময় অতিথি ও আয়োজক নেতারা একে অপরকে কেক খাইয়ে দেন। পরে সেখানে এক দোয়া-মোনাজাত এবং মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। সকালে যুবদল কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব।
রাজসিক এই আয়োজন প্রসঙ্গে আয়োজক কমিটির প্রধান ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অক্টোবর মাসজুড়েই বিভিন্ন মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাষ্ট্র সংস্কারে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার পক্ষে জনমত গঠনে কর্মশালা, সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছি আমরা। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। বাবুগঞ্জে ৩১ দফা এবং ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আজকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই নজিরবিহীন উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনার মহামিলন যুবদলের সাংগঠনিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ।' #

১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫