
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৭
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিএনপির কার্যালয় পুড়ে গেছে। এ সময় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৪টি দোকান।সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১টার দিকে নবীনগরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে হঠাৎ করেই আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মসজিদের মাইকে আগুনের ঘোষণা শুনে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করতে পারেনি।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ বলেন, ‘নাটঘর ১ নম্বর ওয়ার্ডে ধানের শীষের পথসভা করে এসেছি। পথসভা শেষে ফুটবল মার্কার সমর্থক হজরত আলী ফোনে হুমকি দিয়েছে।
রাত ১১টায় বাড়িতে ফিরি। ফেরার পর নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে আগুন লাগানো হয়। আগুন লাগানোর পর অফিসের আশপাশের দোকানগুলো পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘রাত ১টার দিকে বাজারে দুর্ঘটনা ঘটে। সেই সময় কেউ আগুন দেখতে পায়নি। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ প্রথমে আগুন দেখেছেন। পরে মাইকে আগুনের বিষয় জানতে পেরে আমরা বাজারে আসি। বিদ্যুতের লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে শুনেছি।’
মো. মনির নামের আরও একজন বলেন, ‘বাজারের পাশে আমার বাড়ি। রাতে আগুন লাগার পর যখন বাজারে আসি, তখন আবু হানিফ আমাকে বললেন যে বিদ্যুৎ থেকে আগুন লেগেছে। রাতে প্রশাসন এসে তদন্তও করে গেছে।’
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৫) নবীনগর সংসদীয় আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান।
এসময় তিনি বলেন, আমি কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, আমাদের প্রতিপক্ষ একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল মার্কার কিছু সন্ত্রাসী বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের ব্যানার পুড়িয়ে দিচ্ছে এবং আমাদের ব্যানার নামিয়ে ফেলছে। এ বিষয়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই।
জেলা বিএনপির সদস্য হযরত আলী বলেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। আমি কাউকে হুমকি দিইনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।
কিছুদিন আগেও কোনাউর গ্রামে তারা নিজেরাই ধানের শীষের অফিসে আগুন লাগিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছিল। পরে প্রশাসন তদন্ত করে দেখে যে তারা নিজেরাই আগুন দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে।
নবীনগর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, একুইছড়া গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাত প্রায় ১টার দিকে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিএনপির কার্যালয় পুড়ে গেছে। এ সময় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৪টি দোকান।সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১টার দিকে নবীনগরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে হঠাৎ করেই আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মসজিদের মাইকে আগুনের ঘোষণা শুনে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করতে পারেনি।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ বলেন, ‘নাটঘর ১ নম্বর ওয়ার্ডে ধানের শীষের পথসভা করে এসেছি। পথসভা শেষে ফুটবল মার্কার সমর্থক হজরত আলী ফোনে হুমকি দিয়েছে।
রাত ১১টায় বাড়িতে ফিরি। ফেরার পর নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে আগুন লাগানো হয়। আগুন লাগানোর পর অফিসের আশপাশের দোকানগুলো পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘রাত ১টার দিকে বাজারে দুর্ঘটনা ঘটে। সেই সময় কেউ আগুন দেখতে পায়নি। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ প্রথমে আগুন দেখেছেন। পরে মাইকে আগুনের বিষয় জানতে পেরে আমরা বাজারে আসি। বিদ্যুতের লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে শুনেছি।’
মো. মনির নামের আরও একজন বলেন, ‘বাজারের পাশে আমার বাড়ি। রাতে আগুন লাগার পর যখন বাজারে আসি, তখন আবু হানিফ আমাকে বললেন যে বিদ্যুৎ থেকে আগুন লেগেছে। রাতে প্রশাসন এসে তদন্তও করে গেছে।’
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৫) নবীনগর সংসদীয় আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান।
এসময় তিনি বলেন, আমি কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, আমাদের প্রতিপক্ষ একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল মার্কার কিছু সন্ত্রাসী বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের ব্যানার পুড়িয়ে দিচ্ছে এবং আমাদের ব্যানার নামিয়ে ফেলছে। এ বিষয়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই।
জেলা বিএনপির সদস্য হযরত আলী বলেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। আমি কাউকে হুমকি দিইনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।
কিছুদিন আগেও কোনাউর গ্রামে তারা নিজেরাই ধানের শীষের অফিসে আগুন লাগিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছিল। পরে প্রশাসন তদন্ত করে দেখে যে তারা নিজেরাই আগুন দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে।
নবীনগর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, একুইছড়া গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাত প্রায় ১টার দিকে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

২২ জুন, ২০২৬ ১৫:০৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস

২২ জুন, ২০২৬ ১৩:৫২
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ ছয় জেলায় সেনাবাহিনীর মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরের জেলাগুলো হলো- নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রাম।
সোমবার (২২ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার পাশাপাশি জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এমতাবস্থায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জানমালের সুরক্ষার লক্ষ্যে ২২ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
বরিশাল টাইমস
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের বাহাত্তরকাহন গ্রামে বিদ্যুৎস্পর্শে বাচ্চু খান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। নিহত বাচ্চু খান ওই গ্রামের মৃত আবাল হোসেন খানের ছেলে।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টার দিকে নিজ বাড়িতে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় হঠাৎ শর্টসার্কিটের ঘটনায় তিনি বিদ্যুৎস্পর্শ হন। এ সময় পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. শৌভিক শ্রাবণ দত্ত বলেন, বাচ্চু খানকে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে কলমাকান্দা থানা পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
কলমাকান্দা থানার ওসি (তদন্ত) সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যায়। আজ রাতেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।