
২৩ জুন, ২০২৬ ১৩:২৭
ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধকে কেন্দ্র করে বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যার পর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কলেজসংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এইচ এম তাসনিমের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী বিক্ষোভে বাধা দেন এবং কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বেলা ১২টার দিকে নগরের জিয়া সড়কে কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাতুল এবং সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব আল-আমিন মৃধার মধ্যে হাতাহাতি হয়। রাতুল বিএম কলেজের অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসে থাকেন।
বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাইফুল বাশার দাবি করেন, দুপুরের ঘটনার জেরে সন্ধ্যার পর আল আমিন মৃধার নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা রাতুলসহ কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীকে মারধর করেন। এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে কলেজসংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য ব্যাহত হয়।
খবর পেয়ে মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এইচ এম তাসনিমের নেতৃত্বে আরেকটি দল মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার সময় তাদের কয়েকজনকে মারধর করা হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি। কাউকে মারধর করা হয়নি।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুনুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধের জেরে বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধকে কেন্দ্র করে বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যার পর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কলেজসংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এইচ এম তাসনিমের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী বিক্ষোভে বাধা দেন এবং কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বেলা ১২টার দিকে নগরের জিয়া সড়কে কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাতুল এবং সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব আল-আমিন মৃধার মধ্যে হাতাহাতি হয়। রাতুল বিএম কলেজের অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসে থাকেন।
বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সাইফুল বাশার দাবি করেন, দুপুরের ঘটনার জেরে সন্ধ্যার পর আল আমিন মৃধার নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা রাতুলসহ কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীকে মারধর করেন। এর প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ছাত্রাবাস থেকে বের হয়ে কলেজসংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য ব্যাহত হয়।
খবর পেয়ে মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি এইচ এম তাসনিমের নেতৃত্বে আরেকটি দল মোটরসাইকেলের বহর নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার সময় তাদের কয়েকজনকে মারধর করা হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তাসনিম সাংবাদিকদের বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি। কাউকে মারধর করা হয়নি।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুনুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, ছাত্রদলের দুই পক্ষের বিরোধের জেরে বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

২৩ জুন, ২০২৬ ১২:৫১
ব্র্যাকের উদ্যোগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের জন্য সেবা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে বরিশালে একটি অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে বরিশাল ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের সহযোগিতায় এ ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়।
ব্র্যাক ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর রিসান রেজা মোঃ সাহেদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের রিজিওনাল ম্যানেজার নিশাত তাসনিম লিজা একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা বিষয়ক জরিপের ফলাফল, সরকারি সেবাসমূহের পরিচিতি এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পরে অংশগ্রহণকারীরা এ বিষয়ে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।
ডায়লগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ ও সারভাইভারদের জন্য দ্রুত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগ নির্ধারণ বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ননিশাত তাসনিম লিজা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন
বলেন, “নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে হলে সচেতনতা বাড়াতে হবে। নারীদেরকে কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষার যেমন ব্যবস্থা করতে হবে তেমনি পরিবার থেকেও কন্যা শিশুর যত্ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা যাতে দ্রুত ও সহজে সেবা পায়, সেজন্য বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “সহিংসতা প্রতিরোধে আইন ও আইনের প্রয়োগ হলেও সহিংসতা প্রত্যাশিতভাবে কেন কমছে এটা নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন। নারী ও কন্যা শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনা মোকাবেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে এনজিও-র কাজের সাথে সরকারী কাজের সমন্বয়কে আরও জোরদার করতে হবে।"
সরকারি সেবার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা অফিস এ কে এম আকতারুজ্জাম তালুকদার বলেন, “তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক মূল্যবোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। যুবসমাজকে এ বিষয়ে সম্পৃক্ত করতে হবে।”
জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মেহেরুন নাহার মুন্নি বলেন, “নারী ও শিশুদের জন্য সরকার বিভিন্ন সেবা ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব সেবার বিষয়ে সাধারণ মানুষের জানাশোনা বাড়ানো গেলে ভুক্তভোগীরা আরও সহজে সহায়তা পাবে। প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে হবে”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন ব্র্যাকের রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক জনাব বিভাষ চন্দ্র তরফদার। ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচির জেলা প্রধানগণ, স্বপ্নসারথী দলের সদস্য, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
পরে অনুষ্ঠিত মুক্ত আলোচনায় জেলার কন্যাশিশু, কিশোরী ও নারীদের অনিরাপত্তার বর্তমান পরিস্থিতির উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, অধিকাংশ সহিংসতার ঘটনার সঙ্গে মাদকসেবীরা জড়িত। এছাড়া সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নারীরা সাইবার বুলিংয়েরও শিকার হচ্ছেন।
বক্তারা বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মাদকের বিস্তার রোধের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরে অভিভাবক, শিক্ষক এবং সচেতন নাগরিকদের মূল্যবোধ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
ব্র্যাকের উদ্যোগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের জন্য সেবা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে বরিশালে একটি অ্যাডভোকেসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে বরিশাল ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের সহযোগিতায় এ ডায়ালগ অনুষ্ঠিত হয়।
ব্র্যাক ডিস্ট্রিক্ট কোঅর্ডিনেটর রিসান রেজা মোঃ সাহেদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি প্রোগ্রামের রিজিওনাল ম্যানেজার নিশাত তাসনিম লিজা একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা বিষয়ক জরিপের ফলাফল, সরকারি সেবাসমূহের পরিচিতি এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পরে অংশগ্রহণকারীরা এ বিষয়ে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।
ডায়লগে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ ও সারভাইভারদের জন্য দ্রুত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগ নির্ধারণ বিষয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ননিশাত তাসনিম লিজা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমন
বলেন, “নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে হলে সচেতনতা বাড়াতে হবে। নারীদেরকে কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষার যেমন ব্যবস্থা করতে হবে তেমনি পরিবার থেকেও কন্যা শিশুর যত্ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা যাতে দ্রুত ও সহজে সেবা পায়, সেজন্য বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বরিশালের পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “সহিংসতা প্রতিরোধে আইন ও আইনের প্রয়োগ হলেও সহিংসতা প্রত্যাশিতভাবে কেন কমছে এটা নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন। নারী ও কন্যা শিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনা মোকাবেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে এনজিও-র কাজের সাথে সরকারী কাজের সমন্বয়কে আরও জোরদার করতে হবে।"
সরকারি সেবার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”
উপপরিচালক, জেলা সমাজসেবা অফিস এ কে এম আকতারুজ্জাম তালুকদার বলেন, “তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক মূল্যবোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। যুবসমাজকে এ বিষয়ে সম্পৃক্ত করতে হবে।”
জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মেহেরুন নাহার মুন্নি বলেন, “নারী ও শিশুদের জন্য সরকার বিভিন্ন সেবা ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব সেবার বিষয়ে সাধারণ মানুষের জানাশোনা বাড়ানো গেলে ভুক্তভোগীরা আরও সহজে সহায়তা পাবে। প্রযুক্তিকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে হবে”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন ব্র্যাকের রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক জনাব বিভাষ চন্দ্র তরফদার। ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচির জেলা প্রধানগণ, স্বপ্নসারথী দলের সদস্য, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
পরে অনুষ্ঠিত মুক্ত আলোচনায় জেলার কন্যাশিশু, কিশোরী ও নারীদের অনিরাপত্তার বর্তমান পরিস্থিতির উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা জানান, অধিকাংশ সহিংসতার ঘটনার সঙ্গে মাদকসেবীরা জড়িত। এছাড়া সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে সমাজের বিভিন্ন স্তরে নারীরা সাইবার বুলিংয়েরও শিকার হচ্ছেন।
বক্তারা বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে মাদকের বিস্তার রোধের পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরে অভিভাবক, শিক্ষক এবং সচেতন নাগরিকদের মূল্যবোধ ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

২২ জুন, ২০২৬ ২২:৩১
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেন্দ্র করে বাবুগঞ্জে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রস্তুত রয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই মাঠে নামছে তারা। বিভিন্ন স্পটে ভাগ ভাগ হয়ে তারা ২৩ জুন মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত পাহারা দেবে রাজপথ। নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ কোনো সড়ক-মহাসড়ক কিংবা স্টেশনে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এমনই হুঁশিয়ার দিয়েছেন ছাত্রদল নেতারা। সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওই ঘোষণা দেন ছাত্রদল নেতারা।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ছাত্রদল সভাপতি সালমান মাহমুদ, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আসিফ সিকদার, রহমতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ফেরদৌস খান প্রমুখ। এসময় ছাত্রদলের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তারা বলেন, 'চব্বিশের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের দলীয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দল আকারে আওয়ামী লীগ এই গণহত্যার সাথে জড়িত বিধায় তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ করা গণহত্যাকারী কোনো দলের এই স্বাধীন রাষ্ট্রে রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিত নয়। তারা পালিয়ে থেকে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। প্রকাশ্য রাস্তায় মিছিল করে পুলিশকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। জনগণকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল উক্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করতে মাঠে থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে। #
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেন্দ্র করে বাবুগঞ্জে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রস্তুত রয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করতে সোমবার সন্ধ্যা থেকেই মাঠে নামছে তারা। বিভিন্ন স্পটে ভাগ ভাগ হয়ে তারা ২৩ জুন মঙ্গলবার মধ্যরাত পর্যন্ত পাহারা দেবে রাজপথ। নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ কোনো সড়ক-মহাসড়ক কিংবা স্টেশনে বিশৃঙ্খলা বা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এমনই হুঁশিয়ার দিয়েছেন ছাত্রদল নেতারা। সোমবার (২২ জুন) বিকেল ৫টায় বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ওই ঘোষণা দেন ছাত্রদল নেতারা।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আজিজুল হক, বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ছাত্রদল সভাপতি সালমান মাহমুদ, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদল সভাপতি আসিফ সিকদার, রহমতপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ফেরদৌস খান প্রমুখ। এসময় ছাত্রদলের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তারা বলেন, 'চব্বিশের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের দলীয় এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দল আকারে আওয়ামী লীগ এই গণহত্যার সাথে জড়িত বিধায় তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধ করা গণহত্যাকারী কোনো দলের এই স্বাধীন রাষ্ট্রে রাজনীতি করার অধিকার থাকা উচিত নয়। তারা পালিয়ে থেকে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। প্রকাশ্য রাস্তায় মিছিল করে পুলিশকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। জনগণকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাই বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল উক্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করতে মাঠে থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে। #

২২ জুন, ২০২৬ ২০:৪১
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
মালয়েশিয়ার জোহর অঙ্গরাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিপো থেকে জুনের তৃতীয় সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৮০ জন বিদেশি বন্দিকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ১৩২ জন মিয়ানমারের, ২২ জন বাংলাদেশের, ১২ জন ভিয়েতনামের, ৯ জন থাইল্যান্ডের, ২ জন নেপালের এবং শ্রীলঙ্কা, চীন ও সিঙ্গাপুরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, বন্দিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), সেনাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সুলতান ইস্কান্দার ভবন আইসিকিউএস কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যাবাসনের বিমান টিকিটের ব্যয় বন্দিদের ব্যক্তিগত সঞ্চয়, তাদের পরিবারের আর্থিক সহায়তা এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বহন করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব বিদেশি নাগরিক মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফেরত গেছেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসিত সব বিদেশিকে বিভাগীয় কালো তালিকাভুক্ত (ব্ল্যাকলিস্ট) করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনরায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.