Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২২ জুলাই, ২০২৫ ১৬:১৮
রাজধানী ঢাকার উত্তরায় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনার সঠিক তথ্য প্রকাশ এবং গভীর রাতে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সামনে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। এতে নগরের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ দিয়ে বিক্ষোভ করেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই অবরোধের ফলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বিকেল চারটার দিকে এই প্রতিবেদন লেখার সময় শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ অব্যাহত রাখেন, এর ফলে মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য যান আটকে থাকতে দেখা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা উত্তরার যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে নথুল্লাবাদ এলাকায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে গায়েবানা জানাজার আয়োজন করেন। জানাজা শেষে নিহত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সেখানে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের খুঁজে পাচ্ছে না। নিহত ও আহত ব্যক্তিদের সঠিক তথ্য জানতে চান বিক্ষোভকারীরা।
এ সময় বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী ইমাম হোসেন, শাহরিয়ার রুম্মান এবং জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
এই শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় এতগুলো শিশুর মৃত্যু ও দগ্ধ হওয়ার ঘটনার পর সরকারের যে ধরনের ভূমিকা রাখার প্রয়োজন ছিল, তা প্রত্যক্ষ করা যায়নি। এবং এত বড় দুর্ঘটনার পরও শিক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করেনি। এনিয়ে সমালোচনার মুখে গভীর রাতে পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়, যে কারণে শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছেন।
তবে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, ‘পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্তের নোটিস গভীর রাতে পেয়েছি। নোটিস প্রাপ্তির সাথে সাথে সব কলেজকে নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়া হয়।’
রাজধানী ঢাকার উত্তরায় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনার সঠিক তথ্য প্রকাশ এবং গভীর রাতে চলমান এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তনের দাবিতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সামনে এই বিক্ষোভ শুরু হয়। এতে নগরের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা যোগ দিয়ে বিক্ষোভ করেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই অবরোধের ফলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বিকেল চারটার দিকে এই প্রতিবেদন লেখার সময় শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ অব্যাহত রাখেন, এর ফলে মহাসড়কের দুই পাশে অসংখ্য যান আটকে থাকতে দেখা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চলমান বিক্ষোভের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা উত্তরার যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে নথুল্লাবাদ এলাকায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে গায়েবানা জানাজার আয়োজন করেন। জানাজা শেষে নিহত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সেখানে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ব্যক্তিদের প্রকৃত সংখ্যা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের খুঁজে পাচ্ছে না। নিহত ও আহত ব্যক্তিদের সঠিক তথ্য জানতে চান বিক্ষোভকারীরা।
এ সময় বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী ইমাম হোসেন, শাহরিয়ার রুম্মান এবং জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
এই শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় এতগুলো শিশুর মৃত্যু ও দগ্ধ হওয়ার ঘটনার পর সরকারের যে ধরনের ভূমিকা রাখার প্রয়োজন ছিল, তা প্রত্যক্ষ করা যায়নি। এবং এত বড় দুর্ঘটনার পরও শিক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করেনি। এনিয়ে সমালোচনার মুখে গভীর রাতে পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়, যে কারণে শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছেন।
তবে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ইউনুস আলী সিদ্দিকী বলেন, ‘পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্তের নোটিস গভীর রাতে পেয়েছি। নোটিস প্রাপ্তির সাথে সাথে সব কলেজকে নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়া হয়।’

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৬

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৬

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৩০
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নে শ্রমিক দলের সভাপতি জিয়া সরদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হামলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোববার ( ১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ‘নাহার মেডিকেল হলের স্বত্বাধিকারী পল্লী চিকিৎসক নাছির উদ্দিন মিলনের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন জিয়া সরদার। ভুক্তভোগী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দোকানের ক্যাশে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
পল্লী চিকিৎসক নাছির উদ্দিন মিলন জানান, গত প্রায় দুই বছরে বিভিন্ন সময়ে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত একাধিকবার জোরপূর্বক তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হয়েছে। সর্বশেষ চাঁদা দাবির ঘটনায় টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে মারধরের শিকার হতে হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রোববার রাত ৯টার দিকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে বিশারকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিম সাজ্জাদ জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন এবং প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী তার মামা। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত জিয়া সরদারের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত বিশারকান্দি ইউনিয়নে শ্রমিক দলের সভাপতি জিয়া সরদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন ওই পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের ভাইয়ের ছেলে রহমত গুরুতর অসুস্থ হওয়ার বিষয়ে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে বলায় তার নামে চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের তেরদ্রোন গ্রামে দেখা গেল এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী চিত্র। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খালিদুর রহমান খাঁনের উদ্যোগে তাঁর নিজ বাড়িতে আয়োজিত হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, যেখানে সমাজের সকল ভেদাভেদ ভুলে এর বন্ধনে ধনী, গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে অংশ নেন এক মিলনমেলায়।
গ্রামীণ ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির অনন্য বন্ধনে গড়ে ওঠা এ আয়োজনে বৈশাখের সকাল থেকেই ছিল আগত অতিথিদের আপ্যায়নে পরিবেশন করা হয় বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী পান্তা ভাত, আলুভর্তা, ডালের বড়া ও ডিম। এর সঙ্গে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয় গুঠিয়া বন্দরের সুপরিচিত মিষ্টির কারিগর শ্যামল ভদ্রের হাতে তৈরি গরম গরম জিলাপি, যা উপস্থিত সবার মাঝে বাড়তি আনন্দ ও স্বাদ যোগ করে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজন দুপুর পর্যন্ত জমে ওঠে এক আনন্দঘন পরিবেশে।
আয়োজকদের ভাষ্য, কেবল উৎসব উদযাপন নয়, বরং সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে এক ছাদের নিচে এনে একসাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
বিকেল গড়াতেই শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যের মাধ্যমে বৈশাখের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন। গ্রামীণ পরিবেশে এমন প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আয়োজন উপস্থিত সকলের মন জয় করে নেয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ডি.বি. পাল, নাক-কান বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. চিরঞ্জীব সিনহা পলাশ, ডা. সংযুক্ত দেবনাথ মৃদুলা, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম, এডভোকেট শিবু লাল বনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি এ এম জি ভুলু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন খান ও শিপন মিয়া।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আঃ রহিম সরদার, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিপ্লব কুমার হাজারী, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সোহাগসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অনেকেই জানান, বর্তমান সময়ে যখন সমাজে বিভাজন ও দূরত্ব বাড়ছে, তখন এমন একটি উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মাঝে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও একাত্মতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সব মিলিয়ে, গুঠিয়ার তেরদ্রোন গ্রামে এ ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ আয়োজন হয়ে উঠেছে এক স্মরণীয় মিলনমেলা, যা দীর্ঘদিন মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক খালিদুর রহমান খাঁন বলেন বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিগ্রহের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে। পহেলা বৈশাখ এই নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। রাজনীতিকায়নের কারণে সমাজে দিনদিন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় বন্ধন একান্ত প্রয়োজন। সকল ভেদাভেদ ভুলে সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ আয়োজন অবদান রাখবে বলে বিশ্বাস করছেন তিনি।
বাংলা নববর্ষকে বরণ করতে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের তেরদ্রোন গ্রামে দেখা গেল এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী চিত্র। বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খালিদুর রহমান খাঁনের উদ্যোগে তাঁর নিজ বাড়িতে আয়োজিত হয় এক ব্যতিক্রমধর্মী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, যেখানে সমাজের সকল ভেদাভেদ ভুলে এর বন্ধনে ধনী, গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে অংশ নেন এক মিলনমেলায়।
গ্রামীণ ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির অনন্য বন্ধনে গড়ে ওঠা এ আয়োজনে বৈশাখের সকাল থেকেই ছিল আগত অতিথিদের আপ্যায়নে পরিবেশন করা হয় বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী পান্তা ভাত, আলুভর্তা, ডালের বড়া ও ডিম। এর সঙ্গে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয় গুঠিয়া বন্দরের সুপরিচিত মিষ্টির কারিগর শ্যামল ভদ্রের হাতে তৈরি গরম গরম জিলাপি, যা উপস্থিত সবার মাঝে বাড়তি আনন্দ ও স্বাদ যোগ করে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজন দুপুর পর্যন্ত জমে ওঠে এক আনন্দঘন পরিবেশে।
আয়োজকদের ভাষ্য, কেবল উৎসব উদযাপন নয়, বরং সমাজে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করাই ছিল এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে এক ছাদের নিচে এনে একসাথে আনন্দ ভাগাভাগি করার এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
বিকেল গড়াতেই শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যের মাধ্যমে বৈশাখের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন। গ্রামীণ পরিবেশে এমন প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আয়োজন উপস্থিত সকলের মন জয় করে নেয়।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ডি.বি. পাল, নাক-কান বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. চিরঞ্জীব সিনহা পলাশ, ডা. সংযুক্ত দেবনাথ মৃদুলা, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম, এডভোকেট শিবু লাল বনিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি এ এম জি ভুলু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মনোয়ার হোসেন খান ও শিপন মিয়া।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আঃ রহিম সরদার, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিপ্লব কুমার হাজারী, সাংবাদিক আসাদুজ্জামান সোহাগসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অনেকেই জানান, বর্তমান সময়ে যখন সমাজে বিভাজন ও দূরত্ব বাড়ছে, তখন এমন একটি উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং মানুষের মাঝে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও একাত্মতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সব মিলিয়ে, গুঠিয়ার তেরদ্রোন গ্রামে এ ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ আয়োজন হয়ে উঠেছে এক স্মরণীয় মিলনমেলা, যা দীর্ঘদিন মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেবে।
অনুষ্ঠানের আয়োজক খালিদুর রহমান খাঁন বলেন বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিগ্রহের কারণে অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে। পহেলা বৈশাখ এই নতুন বছরে আমাদের প্রত্যাশা সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক। রাজনীতিকায়নের কারণে সমাজে দিনদিন বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য সামাজিক পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় বন্ধন একান্ত প্রয়োজন। সকল ভেদাভেদ ভুলে সমাজের শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ আয়োজন অবদান রাখবে বলে বিশ্বাস করছেন তিনি।
বরিশালের বাবুগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ এবং সার বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) উপজেলা কৃষি ভবন মিলনায়তনে ওই বীজ-সার বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিবি হাজেরা রিমি ও আতিকুর রহমান সুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার ও সফল কৃষক আমিনুল ইসলাম।
এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআরডিবি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন স্বপন, বরিশাল জেলা কৃষকদলের সভাপতি মহসিন আলম, জেলা যুবদলের (দক্ষিণ) যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম শিহাব, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, উপজেলা যুবদল আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন, ইশতিয়াক আহমেদ জুয়েল, উজ্জল হাওলাদার, সদস্য সচিব ওবায়দুল হক, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, শ্রমিক দলের সভাপতি ফরিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বরিশাল-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, 'যতই বিরোধিতা করা হোক না কেন ভারত আমাদের পানি দেবে না। তাই আল্লাহর দেওয়া বৃষ্টির পানি আমাদের নদী আর খালে সংরক্ষণ করতে হবে। সেজন্য নদী-খাল খননের কোনো বিকল্প নাই। এই বাস্তবতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আরো ৫০ বছর আগেই অনুভব করেছিলেন। সেজন্য তিনি কৃষক বাঁচাতে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। বর্তমান বিএনপি সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষকদের জন্য স্মার্ট কৃষি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে সকল কৃষি সেবা ও সু্বিধা পাবেন দেশের কৃষকরা।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিফ-১ মৌসুমে আউশ ধান ও পাটের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ এবং সার বিতরণ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৫৫০ জন কৃষক পাচ্ছেন বিনামূল্যে বীজ ও সার। এদের মধ্যে ২৫০ জন কৃষক পাচ্ছেন উন্নত জাতের ৫ কেজি করে উফশী আউশ ধানের বীজ এবং সেইসাথে ২০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার। এছাড়া উপজেলার ৩০০ পাট চাষীর প্রত্যেকে ১ কেজি করে পাট বীজের সাথে পাচ্ছেন ১০ কেজি ডিএপি এবং এমওপি সার। #
বরিশালের বাবুগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ এবং সার বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) উপজেলা কৃষি ভবন মিলনায়তনে ওই বীজ-সার বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিবি হাজেরা রিমি ও আতিকুর রহমান সুমনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সুলতান আহমেদ খান, সদস্য সচিব ওয়াহিদুল ইসলাম প্রিন্স, সাবেক সভাপতি ইসরাত হোসেন কচি তালুকদার ও সফল কৃষক আমিনুল ইসলাম।
এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআরডিবি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন স্বপন, বরিশাল জেলা কৃষকদলের সভাপতি মহসিন আলম, জেলা যুবদলের (দক্ষিণ) যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম শিহাব, বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক আরিফুর রহমান শিমুল সিকদার, উপজেলা যুবদল আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন, ইশতিয়াক আহমেদ জুয়েল, উজ্জল হাওলাদার, সদস্য সচিব ওবায়দুল হক, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন তালুকদার, শ্রমিক দলের সভাপতি ফরিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন, সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আকিব হোসেন ইমরান, সদস্য সচিব ইয়াসির আরাফাত মৃধা প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বরিশাল-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, 'যতই বিরোধিতা করা হোক না কেন ভারত আমাদের পানি দেবে না। তাই আল্লাহর দেওয়া বৃষ্টির পানি আমাদের নদী আর খালে সংরক্ষণ করতে হবে। সেজন্য নদী-খাল খননের কোনো বিকল্প নাই। এই বাস্তবতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আরো ৫০ বছর আগেই অনুভব করেছিলেন। সেজন্য তিনি কৃষক বাঁচাতে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। বর্তমান বিএনপি সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। কৃষকদের জন্য স্মার্ট কৃষি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এই কার্ডের মাধ্যমে সকল কৃষি সেবা ও সু্বিধা পাবেন দেশের কৃষকরা।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আবদুর রউফ জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিফ-১ মৌসুমে আউশ ধান ও পাটের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাবুগঞ্জ উপজেলায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বীজ এবং সার বিতরণ কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৫৫০ জন কৃষক পাচ্ছেন বিনামূল্যে বীজ ও সার। এদের মধ্যে ২৫০ জন কৃষক পাচ্ছেন উন্নত জাতের ৫ কেজি করে উফশী আউশ ধানের বীজ এবং সেইসাথে ২০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার। এছাড়া উপজেলার ৩০০ পাট চাষীর প্রত্যেকে ১ কেজি করে পাট বীজের সাথে পাচ্ছেন ১০ কেজি ডিএপি এবং এমওপি সার। #
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নে শ্রমিক দলের সভাপতি জিয়া সরদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও হামলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোববার ( ১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত ‘নাহার মেডিকেল হলের স্বত্বাধিকারী পল্লী চিকিৎসক নাছির উদ্দিন মিলনের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন জিয়া সরদার। ভুক্তভোগী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দোকানের ক্যাশে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
পল্লী চিকিৎসক নাছির উদ্দিন মিলন জানান, গত প্রায় দুই বছরে বিভিন্ন সময়ে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত একাধিকবার জোরপূর্বক তার কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হয়েছে। সর্বশেষ চাঁদা দাবির ঘটনায় টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে মারধরের শিকার হতে হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রোববার রাত ৯টার দিকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে বিশারকান্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ওয়াসিম সাজ্জাদ জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত রয়েছেন এবং প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী তার মামা। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত জিয়া সরদারের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত বিশারকান্দি ইউনিয়নে শ্রমিক দলের সভাপতি জিয়া সরদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন ওই পল্লী চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসায় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের ভাইয়ের ছেলে রহমত গুরুতর অসুস্থ হওয়ার বিষয়ে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে বলায় তার নামে চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৪
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৬
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪২