
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৬
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরে এক ভাড়া বাসা থেকে ওবায়দুর রহমান সুমন (৩০) নামে এক রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুইচগেট এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওবায়দুর রহমান বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম ময়েন প্রামাণিক। তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের সুইজগেট এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আর্থিক সংকট ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে প্রায়ই বিরোধ হতো। এ কারণে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিহতের স্ত্রী সখি বেগম জানান, তার স্বামী রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। দীর্ঘদিন ধরে বাসায় বাজার করতো না এবং এমনকি ছেলেরও খরচ দিতো না। সে প্রতিদিন কাজ করতো আবার অন্যের কাছ থেকে টাকা ধারদেনা করতো। গতকালও বাজার করে নাই। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। দেনার চাপ ও পারিবারিক অশান্তির মধ্যে বুধবার সকালে তার স্বামী আত্মহত্যা করে।
মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরে এক ভাড়া বাসা থেকে ওবায়দুর রহমান সুমন (৩০) নামে এক রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুইচগেট এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওবায়দুর রহমান বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম ময়েন প্রামাণিক। তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের সুইজগেট এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আর্থিক সংকট ও পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে প্রায়ই বিরোধ হতো। এ কারণে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিহতের স্ত্রী সখি বেগম জানান, তার স্বামী রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। দীর্ঘদিন ধরে বাসায় বাজার করতো না এবং এমনকি ছেলেরও খরচ দিতো না। সে প্রতিদিন কাজ করতো আবার অন্যের কাছ থেকে টাকা ধারদেনা করতো। গতকালও বাজার করে নাই। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ হতো। দেনার চাপ ও পারিবারিক অশান্তির মধ্যে বুধবার সকালে তার স্বামী আত্মহত্যা করে।
মঠবাড়িয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় স্মার্ট ফোন চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের পর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ২টি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সেউতিবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই কিশোরের নাম জাকারিয়া (১৭)। সে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালাইয়া গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেউতিবাড়িয়া গ্রামের জসিম মল্লিকের ঘর থেকে শনিবার দুপুরে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি স্মার্ট ফোন ও কিছু নগদ টাকা চুরি হয়।
এ সময় স্থানীয়রা ওই কিশোরকে সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্ট ফোন এবং টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় কিছু লোক গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের পর মাথার চুল কেটে দেয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, ওই কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্থানীয় কিছু লোক মারধর করছেন। এ সময় চুরির কথা স্বীকার করে ওই কিশোর। এরপর কিশোরটির মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, কিশোর জাকারিয়া এর আগেও বিভিন্ন চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। সেউতিবাড়িয়া গ্রামের জসিম মল্লিকের ঘর থেকে দুটি অ্যানড্রয়েড ফোন চুরি করে। চোর পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘরের মালিক জসিমের সন্দেহ হলে চোরকে আটক করেন।
এ সময় ওই চোরের কাছ থেকে চুরি যাওয়া ফোন দুটি পাওয়া যায়। এর আগেও দুটি ঘরে চুরি করে বলে স্বীকারোক্তি দেয় অভিযুক্ত জাকারিয়া।
সেউতিবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ হোসেন জানান, স্থানীয় জসিম মল্লিকের ঘর থেকে দুটি অ্যানড্রয়েড ফোন চুরি করে যাওয়ার সময় সন্দেহজনকভাবে ওই চোরকে আটক করেন। এ সময় চোরের কাছ থেকে দুটি ফোন উদ্ধার করা হয়, তখন স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে চোরকে মারধর করেন। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এলাকায় এ রকম চুরির ঘটনা ঘটছে। এসব চোরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাব্বত খান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় স্মার্ট ফোন চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের পর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ২টি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সেউতিবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই কিশোরের নাম জাকারিয়া (১৭)। সে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালাইয়া গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেউতিবাড়িয়া গ্রামের জসিম মল্লিকের ঘর থেকে শনিবার দুপুরে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি স্মার্ট ফোন ও কিছু নগদ টাকা চুরি হয়।
এ সময় স্থানীয়রা ওই কিশোরকে সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্ট ফোন এবং টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় কিছু লোক গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধরের পর মাথার চুল কেটে দেয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, ওই কিশোরকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্থানীয় কিছু লোক মারধর করছেন। এ সময় চুরির কথা স্বীকার করে ওই কিশোর। এরপর কিশোরটির মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, কিশোর জাকারিয়া এর আগেও বিভিন্ন চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। সেউতিবাড়িয়া গ্রামের জসিম মল্লিকের ঘর থেকে দুটি অ্যানড্রয়েড ফোন চুরি করে। চোর পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘরের মালিক জসিমের সন্দেহ হলে চোরকে আটক করেন।
এ সময় ওই চোরের কাছ থেকে চুরি যাওয়া ফোন দুটি পাওয়া যায়। এর আগেও দুটি ঘরে চুরি করে বলে স্বীকারোক্তি দেয় অভিযুক্ত জাকারিয়া।
সেউতিবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ হোসেন জানান, স্থানীয় জসিম মল্লিকের ঘর থেকে দুটি অ্যানড্রয়েড ফোন চুরি করে যাওয়ার সময় সন্দেহজনকভাবে ওই চোরকে আটক করেন। এ সময় চোরের কাছ থেকে দুটি ফোন উদ্ধার করা হয়, তখন স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে চোরকে মারধর করেন। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এলাকায় এ রকম চুরির ঘটনা ঘটছে। এসব চোরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাব্বত খান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

১৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩০
পিরোজপুরের নেছারাবাদ শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে ভুয়া (ফেক) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের অনৈতিক প্রস্তাব (সমকামিতা) দেওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা।বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে উপজেলার মাহমুদকাঠি বাজারের একটি রেন্ট-এ-কার অফিসে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে সব অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
লিখিত বক্তব্যে কলেজ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মো. ফারদিন ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ছাত্রদল সভাপতি আরিফুল ইসলাম মোল্লা মেয়েদের নামে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যোগাযোগ করতেন। পরে তাদের সমকামিতার প্রস্তাব দিতেন।
তিনি আরও দাবি করেন, কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীর সঙ্গে জোরপূর্বক সমকামিতার চেষ্টাও করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কিছু তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে তারা সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগ করেন ফারদিন।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ ছাত্রদল নেতা মো. ইশতিয়াক অভিযোগ করেন, আরিফুল ইসলাম মোল্লা বিভিন্ন ভুয়া আইডির মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তিকে সমকামিতার প্রস্তাব দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত মেসেঞ্জারে কথোপকথনের স্ক্রিনশট তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
অপর এক ছাত্রনেতা মো. আরিফুল ইসলাম মুবিন অভিযোগ করেন, একটি ফেসবুক আইডি থেকে আরিফুল ইসলাম মোল্লার ছবি ব্যবহার করে তাকে সমকামিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই আইডিটি আরিফুল ইসলাম মোল্লার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। কথিত স্ক্রিনশট ও অন্যান্য উপকরণ এআই বা প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।
নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. জিয়াউল হক সজীব বরিশালটাইমসকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। ছাত্রদলের কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে বিশ্বাস করি না। অভিযোগের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদ শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে ভুয়া (ফেক) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের অনৈতিক প্রস্তাব (সমকামিতা) দেওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সংগঠনের একাংশের নেতাকর্মীরা।বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে উপজেলার মাহমুদকাঠি বাজারের একটি রেন্ট-এ-কার অফিসে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তবে সব অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
লিখিত বক্তব্যে কলেজ ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মো. ফারদিন ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ছাত্রদল সভাপতি আরিফুল ইসলাম মোল্লা মেয়েদের নামে একাধিক ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যোগাযোগ করতেন। পরে তাদের সমকামিতার প্রস্তাব দিতেন।
তিনি আরও দাবি করেন, কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থীর সঙ্গে জোরপূর্বক সমকামিতার চেষ্টাও করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত কিছু তথ্য-প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে তারা সভাপতিকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দেন বলেও অভিযোগ করেন ফারদিন।
সংবাদ সম্মেলনে কলেজ ছাত্রদল নেতা মো. ইশতিয়াক অভিযোগ করেন, আরিফুল ইসলাম মোল্লা বিভিন্ন ভুয়া আইডির মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তিকে সমকামিতার প্রস্তাব দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত মেসেঞ্জারে কথোপকথনের স্ক্রিনশট তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
অপর এক ছাত্রনেতা মো. আরিফুল ইসলাম মুবিন অভিযোগ করেন, একটি ফেসবুক আইডি থেকে আরিফুল ইসলাম মোল্লার ছবি ব্যবহার করে তাকে সমকামিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, ওই আইডিটি আরিফুল ইসলাম মোল্লার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লা।
তিনি বলেন, আমার রাজনৈতিক অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। কথিত স্ক্রিনশট ও অন্যান্য উপকরণ এআই বা প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান তিনি।
নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. জিয়াউল হক সজীব বরিশালটাইমসকে বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। ছাত্রদলের কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে বিশ্বাস করি না। অভিযোগের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের মো. ইউনুস আকনের ছেলে মো. কামরুল আকন ও চরকখালী গ্রামের মো. টুকু মিয়া হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ হাওলাদার। এ মামলায় আরেক আসামি মো. ইউসুফ আকনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
বুধবার দুপুরে পিরোজপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তরা পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৭ মে বিকেলে আসামি কামরুল, সোহাগ ও ইউসুফসহ আরো ২/৩ জন পূর্ব শত্রুতার জেরে মঠবাড়িয়া পৌর এলাকার মো. হালিম কাজীর ছেলে রাকিবুলকে বেতমোর বাজারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কামরুল আকন, সোহাগ হাওলাদার ও ইউসুফ আকনসহ আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ওই দিন মঠবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিলে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণে কামরুল আকন ও সোহাগ দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত এ রায় দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পিপি আবুল কালাম আকন। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. আহসানুল কবির বাদল।’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় একটি হত্যা মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, মঠবাড়িয়া উপজেলার ঘোপখালী গ্রামের মো. ইউনুস আকনের ছেলে মো. কামরুল আকন ও চরকখালী গ্রামের মো. টুকু মিয়া হাওলাদারের ছেলে মো. সোহাগ হাওলাদার। এ মামলায় আরেক আসামি মো. ইউসুফ আকনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
বুধবার দুপুরে পিরোজপুরের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্তরা পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৭ মে বিকেলে আসামি কামরুল, সোহাগ ও ইউসুফসহ আরো ২/৩ জন পূর্ব শত্রুতার জেরে মঠবাড়িয়া পৌর এলাকার মো. হালিম কাজীর ছেলে রাকিবুলকে বেতমোর বাজারে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে কামরুল আকন, সোহাগ হাওলাদার ও ইউসুফ আকনসহ আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ওই দিন মঠবাড়িয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিলে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণে কামরুল আকন ও সোহাগ দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত এ রায় দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পিপি আবুল কালাম আকন। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. আহসানুল কবির বাদল।’
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১১
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৬
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৪১
২২ জুলাই, ২০২৬ ০১:৫৮