Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ জুন, ২০২৫ ২১:৫৪
সুদীর্ঘ ২৫ বছরেও সংস্কার হয়নি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ব্রিজ থেকে মুশুরিয়া মাদ্রাসা পর্যন্ত সাড়ে ৪ কিলোমিটার সড়ক। ইট সলিং এ রাস্তাটি ভেঙে এখন গর্ত আর খানাখন্দে যেন এক মরণফাঁদে পরিনত হয়েছে। এমন ক্ষোভের কথা জানিয়ে ওই রাস্তা কার্পেটিং দ্বারা সংস্কারের দাবিতে উপজেলা পরিষদের সামনে বুধবার মানববন্ধন এবং ইউএনও'র কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ভুক্তভোগী গ্রামবাসী।
মাধবপাশা ইউপি সদস্য রেখা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধন কর্মসূচিতে গ্রামবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন মান্নান হাওলাদার, জাকির তালুকদার, পলাশ হাওলাদার, কবির খান, রিয়াজ হোসেন, ফরিদ মাঝি, সবুজ ফরাজি, এনায়েত খান, সুমন হাওলাদার, জামাল খান, মামুন হাওলাদার, নজরুল খান, এরশাদ ইমাম প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
মানববন্ধন সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, 'বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের মাধবপাশা ব্রিজের বাদলা খেয়াঘাট থেকে মুশুরিয়া আলীম মাদ্রাসা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়কটি বিগত ১৯৯৮-৯৯ সালে সর্বশেষ ইট সলিং করা হয়। এরপরে এই রাস্তার আর কোনো সংস্কার হয়নি। রাস্তা ভেঙে গর্ত আর খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রায় প্রতিদিনই এ রাস্তায় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন। অথচ দীর্ঘ ২৫ বছরেও রাস্তার কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। বিভিন্ন সরকারের আমলে রাস্তাটি কার্পেটিং করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ধর্ণা দিলেও অদ্যাবধি তা বাস্তবায়ন হয়নি।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ বলেন, 'গ্রামীণ সড়কগুলো সাধারণত ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে থাকাকালে মাটি দিয়ে উন্নীত করা হয়। এরপরে ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা উপজেলা পরিষদের প্রকল্পের মাধ্যমে ইট সলিং করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের ক্ষমতা ইট সলিং করা কিংবা ক্ষুদ্র মেরামত পর্যন্ত। এরপরে সেই রাস্তার পরিচিতি (আইডি) নম্বরসহ কার্পেটিংয়ের জন্য চলে যায় এলজিইডির কাছে। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর মাধ্যমে অনুমোদনের পরে অর্থবরাদ্দ হয়ে কাজ বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদার নিয়োগে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করে এলজিইডি।'
এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম বলেন, 'মাধবপাশা ব্রিজ থেকে মুশুরিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা পর্যন্ত প্রায় ৪.৫১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ওই এইচবিবি (ইট সলিং) ভাঙা সড়কটি কার্পেটিং দ্বারা উন্নীতকরণের জন্য বিগত ২০২৪ সালের জুলাই মাসে চাহিদার এক নম্বর তালিকায় রেখে এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশাকরছি আগামী অর্থবছরে এ রাস্তাটি অনুমোদন হবে এবং কাজ বাস্তবায়নের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যাবে।'
বাবুগঞ্জে সড়ক কার্পেটিং দ্বারা সংস্কারের দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও স্মারকলিপি।
সুদীর্ঘ ২৫ বছরেও সংস্কার হয়নি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ব্রিজ থেকে মুশুরিয়া মাদ্রাসা পর্যন্ত সাড়ে ৪ কিলোমিটার সড়ক। ইট সলিং এ রাস্তাটি ভেঙে এখন গর্ত আর খানাখন্দে যেন এক মরণফাঁদে পরিনত হয়েছে। এমন ক্ষোভের কথা জানিয়ে ওই রাস্তা কার্পেটিং দ্বারা সংস্কারের দাবিতে উপজেলা পরিষদের সামনে বুধবার মানববন্ধন এবং ইউএনও'র কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে ভুক্তভোগী গ্রামবাসী।
মাধবপাশা ইউপি সদস্য রেখা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধন কর্মসূচিতে গ্রামবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন মান্নান হাওলাদার, জাকির তালুকদার, পলাশ হাওলাদার, কবির খান, রিয়াজ হোসেন, ফরিদ মাঝি, সবুজ ফরাজি, এনায়েত খান, সুমন হাওলাদার, জামাল খান, মামুন হাওলাদার, নজরুল খান, এরশাদ ইমাম প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
মানববন্ধন সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, 'বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা ইউনিয়নের মাধবপাশা ব্রিজের বাদলা খেয়াঘাট থেকে মুশুরিয়া আলীম মাদ্রাসা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়কটি বিগত ১৯৯৮-৯৯ সালে সর্বশেষ ইট সলিং করা হয়। এরপরে এই রাস্তার আর কোনো সংস্কার হয়নি। রাস্তা ভেঙে গর্ত আর খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রায় প্রতিদিনই এ রাস্তায় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন। অথচ দীর্ঘ ২৫ বছরেও রাস্তার কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। বিভিন্ন সরকারের আমলে রাস্তাটি কার্পেটিং করার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ধর্ণা দিলেও অদ্যাবধি তা বাস্তবায়ন হয়নি।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ বলেন, 'গ্রামীণ সড়কগুলো সাধারণত ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে থাকাকালে মাটি দিয়ে উন্নীত করা হয়। এরপরে ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা উপজেলা পরিষদের প্রকল্পের মাধ্যমে ইট সলিং করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের ক্ষমতা ইট সলিং করা কিংবা ক্ষুদ্র মেরামত পর্যন্ত। এরপরে সেই রাস্তার পরিচিতি (আইডি) নম্বরসহ কার্পেটিংয়ের জন্য চলে যায় এলজিইডির কাছে। এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর মাধ্যমে অনুমোদনের পরে অর্থবরাদ্দ হয়ে কাজ বাস্তবায়নের জন্য ঠিকাদার নিয়োগে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করে এলজিইডি।'
এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলীম বলেন, 'মাধবপাশা ব্রিজ থেকে মুশুরিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা পর্যন্ত প্রায় ৪.৫১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ওই এইচবিবি (ইট সলিং) ভাঙা সড়কটি কার্পেটিং দ্বারা উন্নীতকরণের জন্য বিগত ২০২৪ সালের জুলাই মাসে চাহিদার এক নম্বর তালিকায় রেখে এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশাকরছি আগামী অর্থবছরে এ রাস্তাটি অনুমোদন হবে এবং কাজ বাস্তবায়নের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অর্থ বরাদ্দ পাওয়া যাবে।'

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’