
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৪৬
পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ও চরবিশ্বাস ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় সাময়িকভাবে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল থেকে চরকাজল ইউনিয়নের চরশিবা এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যও মোতায়েন রাখা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি মো. নুরুল হক নুর এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের মো. হাসান মামুনের ঘোষিত নির্বাচনী কর্মসূচি পর্যালোচনা করে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা (ডিএসবি) একটি প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে দুই প্রার্থীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ও চরবিশ্বাস ইউনিয়নে একই সময় ও কাছাকাছি স্থানে দুই প্রার্থীর প্রচারণা ও জনসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণায় উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এতে যে কোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়।
এছাড়া প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ৩১ জানুয়ারির পরবর্তী আরও তিনটি তারিখেও একই বা কাছাকাছি স্থান এবং প্রায় একই সময়ে দুই প্রার্থী নির্বাচনী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এসব কর্মসূচি রিটার্নিং অফিসারের পূর্বানুমোদন ছাড়াই সমন্বয়হীনভাবে ঘোষিত হওয়ায় তা ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি-৬-এর উপবিধি (খ)-এর পরিপন্থি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসারের পক্ষ থেকে একাধিকবার মৌখিকভাবে কর্মসূচি সমন্বয় করে ভিন্ন তারিখ, স্থান ও সময়ে প্রচারণা চালানোর অনুরোধ জানানো হলেও উভয় প্রার্থী তা মানেননি। ফলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ঝুঁকি আরও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এই পরিস্থিতিতে আচরণবিধি অনুসরণ করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নির্বাচনী প্রচারণা ও জনসমাবেশের সময়সূচি দাখিল এবং অনুমোদন নেওয়ার জন্য উভয় প্রার্থীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান বলেন, দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সেনাবাহিনী, বিজিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাময়িকভাবে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং কোথাও জনসমাগম করতে দেওয়া হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরে পটুয়াখালী-৩ আসনে নুরুল হক নুর ও হাসান মামুনের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মধ্যে গত ২৬ জানুয়ারি দশমিনা উপজেলার চর বোরহান এবং ২৭ জানুয়ারি গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নে দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে।
পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা-গলাচিপা) আসনে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। একই সঙ্গে গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ও চরবিশ্বাস ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় সাময়িকভাবে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল থেকে চরকাজল ইউনিয়নের চরশিবা এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যও মোতায়েন রাখা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী-৩ আসনের বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি মো. নুরুল হক নুর এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের মো. হাসান মামুনের ঘোষিত নির্বাচনী কর্মসূচি পর্যালোচনা করে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা (ডিএসবি) একটি প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে দুই প্রার্থীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার গলাচিপা উপজেলার চরকাজল ও চরবিশ্বাস ইউনিয়নে একই সময় ও কাছাকাছি স্থানে দুই প্রার্থীর প্রচারণা ও জনসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণায় উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এতে যে কোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়।
এছাড়া প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ৩১ জানুয়ারির পরবর্তী আরও তিনটি তারিখেও একই বা কাছাকাছি স্থান এবং প্রায় একই সময়ে দুই প্রার্থী নির্বাচনী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এসব কর্মসূচি রিটার্নিং অফিসারের পূর্বানুমোদন ছাড়াই সমন্বয়হীনভাবে ঘোষিত হওয়ায় তা ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালা, ২০২৫’-এর বিধি-৬-এর উপবিধি (খ)-এর পরিপন্থি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসারের পক্ষ থেকে একাধিকবার মৌখিকভাবে কর্মসূচি সমন্বয় করে ভিন্ন তারিখ, স্থান ও সময়ে প্রচারণা চালানোর অনুরোধ জানানো হলেও উভয় প্রার্থী তা মানেননি। ফলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ঝুঁকি আরও বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এই পরিস্থিতিতে আচরণবিধি অনুসরণ করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নির্বাচনী প্রচারণা ও জনসমাবেশের সময়সূচি দাখিল এবং অনুমোদন নেওয়ার জন্য উভয় প্রার্থীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান বলেন, দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সেনাবাহিনী, বিজিবি ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাময়িকভাবে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং কোথাও জনসমাগম করতে দেওয়া হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরে পটুয়াখালী-৩ আসনে নুরুল হক নুর ও হাসান মামুনের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মধ্যে গত ২৬ জানুয়ারি দশমিনা উপজেলার চর বোরহান এবং ২৭ জানুয়ারি গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নে দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ও নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫
দেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর বন্দর। প্রতিদিন জেলেরা এই বন্দরে মাছ বিক্রি করে ট্রলারে রসদ সামগ্রী নিয়ে ছুটে যায় গভির বঙ্গোপসাগরে।
গত এক সপ্তাহ ধরে কৃত্রিম তৈল (ডিজেল) সংকটের কারণে শত শত ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না। ঈদের ঠিক আগ মূহর্তে এই সংকট মৎস্যজীবীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন জেলেরা। কুয়াকাটায় প্রতি সপ্তাহে ডিজেল চাহিদা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার সেখানে ফিলিং ষ্টেশন ডিজেল পায় ৭০-৭৫ হাজার লিটার।
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান-ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুয়াকাটার উপকূলীয় বাজারে তেল ব্যবসায়ীরা চরা দামে তেল বেচার জন্য মজুতদারী শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে কোন মহাজনের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে শত শত ট্রলার মাছ নোঙর করে আছে। এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার কারণে গত তিন মাস ধরে সাগরে মাছ না পেয়ে দেনাগ্রস্থ জেলেরা আসন্ন ঈদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। রমজানের শেষ মুহূর্তে আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তন এসেছে, প্রতিদিন আকাশে মেঘা দেখা যায়। বাতাসের গতি কিছুটা বেড়েছে, এখন সমুদ্রে মাছ ধরা পরার উপর্যুক্ত হয়েছে। জেলেদের আশা শেষ মুহূর্তে মাছে পেয়ে ঈদ আনন্দ উৎযাপন করবেন। কিন্তু এই মুর্হুতে জ¦ালানি সংকটের কারণে সমুদ্রে যেতে পারছেন না উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার জেলে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তৈল পাচ্ছে না পাম্পগুলো। যার কারণে তেলের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী কোন ট্রলারে তৈল দেয়া হচ্ছে না।
শুধুমাত্র পরিবহনে ডিজেল দেয়া হচ্ছে। মৎস্য আলীপুরের জেলে হোসেন বলেন, গত তিন মাস ধরে সমুদ্রে মাছ নেই। বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সাগরে মাছ ধরা পরার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তেলের অভাবে সাগরে যেতে পারছি না। দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করার দাবি আমাদের। ট্রলার মালিক কামাল হোসেন বলেন, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।
আসলেই কি তেল নেই, নাকি সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রলার ঘাটে নোঙর করে রেখেছি। তৈল পেলেই সমুদ্রে যাবে। আড়তদার ব্যবসায়ী আঃ জলিল ঘরামী বলেন, তেলে অভাবে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর জোর দাবী জানাচ্ছি। মহিপুর রাজা ফিলিং ষ্টেশনের পরিচালক আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল দিতে পারছে না। আমরাও সংরবরাহ করতে পারছি না।
আমাদের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী যানে তেল সরবারহ করা হচ্ছে না। শুধু পরিবহনে তেল দিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমরা শুনছি জ¦ালানী তেলের সংকটের কারণে অনেক জেলে সমুদ্র যেতে পারছেন না। সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে ডিজেল সংকট কেটে যাবে।
দেশের অন্যতম মৎস্য বন্দর পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর বন্দর। প্রতিদিন জেলেরা এই বন্দরে মাছ বিক্রি করে ট্রলারে রসদ সামগ্রী নিয়ে ছুটে যায় গভির বঙ্গোপসাগরে।
গত এক সপ্তাহ ধরে কৃত্রিম তৈল (ডিজেল) সংকটের কারণে শত শত ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারে যেতে পারছেন না। ঈদের ঠিক আগ মূহর্তে এই সংকট মৎস্যজীবীদের মাঝে হতাশা দেখা দিয়েছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর দাবী জানিয়েছেন জেলেরা। কুয়াকাটায় প্রতি সপ্তাহে ডিজেল চাহিদা তিন লাখ থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার সেখানে ফিলিং ষ্টেশন ডিজেল পায় ৭০-৭৫ হাজার লিটার।
আন্তর্জাতিক বাজারে ইরান-ইসরাইল-আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার খবরে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই সুযোগে কুয়াকাটার উপকূলীয় বাজারে তেল ব্যবসায়ীরা চরা দামে তেল বেচার জন্য মজুতদারী শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন ধরে কোন মহাজনের কাছে ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ কারণে উপকূলের বিভিন্ন নদ-নদীতে শত শত ট্রলার মাছ নোঙর করে আছে। এদিকে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ার কারণে গত তিন মাস ধরে সাগরে মাছ না পেয়ে দেনাগ্রস্থ জেলেরা আসন্ন ঈদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। রমজানের শেষ মুহূর্তে আবহাওয়ায় কিছু পরিবর্তন এসেছে, প্রতিদিন আকাশে মেঘা দেখা যায়। বাতাসের গতি কিছুটা বেড়েছে, এখন সমুদ্রে মাছ ধরা পরার উপর্যুক্ত হয়েছে। জেলেদের আশা শেষ মুহূর্তে মাছে পেয়ে ঈদ আনন্দ উৎযাপন করবেন। কিন্তু এই মুর্হুতে জ¦ালানি সংকটের কারণে সমুদ্রে যেতে পারছেন না উপজেলার প্রায় ৩০ হাজার জেলে। ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তৈল পাচ্ছে না পাম্পগুলো। যার কারণে তেলের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী কোন ট্রলারে তৈল দেয়া হচ্ছে না।
শুধুমাত্র পরিবহনে ডিজেল দেয়া হচ্ছে। মৎস্য আলীপুরের জেলে হোসেন বলেন, গত তিন মাস ধরে সমুদ্রে মাছ নেই। বর্তমানে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। এখন সাগরে মাছ ধরা পরার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তেলের অভাবে সাগরে যেতে পারছি না। দ্রুত তেলের ব্যবস্থা করার দাবি আমাদের। ট্রলার মালিক কামাল হোসেন বলেন, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না।
আসলেই কি তেল নেই, নাকি সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে। ট্রলার ঘাটে নোঙর করে রেখেছি। তৈল পেলেই সমুদ্রে যাবে। আড়তদার ব্যবসায়ী আঃ জলিল ঘরামী বলেন, তেলে অভাবে ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ হয়ে আছে।
তেলের ডিপোগুলোতে প্রসাশনের নজরদারী বাড়ানোর জোর দাবী জানাচ্ছি। মহিপুর রাজা ফিলিং ষ্টেশনের পরিচালক আসিফ মাহমুদ বলেন, আমাদের চাহিদা অনুযায়ী ডিপো থেকে তেল দিতে পারছে না। আমরাও সংরবরাহ করতে পারছি না।
আমাদের পাম্প থেকে সমুদ্রগামী যানে তেল সরবারহ করা হচ্ছে না। শুধু পরিবহনে তেল দিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমরা শুনছি জ¦ালানী তেলের সংকটের কারণে অনেক জেলে সমুদ্র যেতে পারছেন না। সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে ডিজেল সংকট কেটে যাবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩০
পটুয়াখালীর দুমকিতে নিতাই চন্দ্র নামের এক যুবককে মারধর করেছে আওয়ামী লীগের নেতারা। গুরুতর আহত যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর চরবয়রা গ্রামের তালতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।
আহত নিতাই চন্দ্র বলেন, বিকেলে তালতলী বাজারে আমার দোকানে গেলে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে প্রতিবেশী শুভাষ চন্দ্র শীলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার, জাবের মাহমুদ লিটনসহ ৩/৪ জন এসে রড ও বাঁশের লাঠি আমাকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার বলেন, নিতাই চন্দ্র আমাদেরকে গালাগাল করেছে, এজন্য আমরা তাকে মেরেছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অতসী উপমা ঐশী বলেন, আহত নিতাই চন্দ্রের মুখে ও মাথায় একাধিক আঘাত রয়েছে।
দুমকি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে নিতাই চন্দ্র নামের এক যুবককে মারধর করেছে আওয়ামী লীগের নেতারা। গুরুতর আহত যুবককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর চরবয়রা গ্রামের তালতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী।
আহত নিতাই চন্দ্র বলেন, বিকেলে তালতলী বাজারে আমার দোকানে গেলে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে প্রতিবেশী শুভাষ চন্দ্র শীলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
একপর্যায়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার, জাবের মাহমুদ লিটনসহ ৩/৪ জন এসে রড ও বাঁশের লাঠি আমাকে পিটিয়ে আহত করে। স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সাধারণ সম্পাদক জলিল হাওলাদার বলেন, নিতাই চন্দ্র আমাদেরকে গালাগাল করেছে, এজন্য আমরা তাকে মেরেছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অতসী উপমা ঐশী বলেন, আহত নিতাই চন্দ্রের মুখে ও মাথায় একাধিক আঘাত রয়েছে।
দুমকি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নুরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৪৫
পটুয়াখালীর বাউফলে চলতি অর্থবছরে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করে অধিকাংশ প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করা হয়েছে। নামমাত্র ওই কাজ করতে গিয়ে আবার রাস্তার দুই পাশে থাকা হাজার হাজার মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
শ্রমিকের পরিবর্তে এক্সকাভেটর বা ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করায় পরিবেশবান্ধব গাছগুলো ধ্বংস হয়েছে। সড়কের দুই পাশ থেকে নির্বিচারে গাছ উপড়ে ফেলার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুই দফায় বাউফল উপজেলায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্যের বিপরীতে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারের জন্য ৬১টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয়। ইতিমধ্যে প্রায় সব প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্য উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ হয়েছে নামমাত্র।
সরেজমিনে পরিদর্শন কালে জানা যায়, সূর্যমণি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কাজী বাড়ির দরজা থেকে দক্ষিণ দিকে জাফর জোমাদ্দার বাড়ি অভিমূখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিমাণ প্রকল্পে ৬ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয় একই ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল বাশারকে। তিনি বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের পর প্রতি টন ৩১ হাজার টাকা দরে কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করেন। অথচ সরকার একই সময় প্রতি টন চাল ৫০ হাজার টাকায় ক্রয় করে খাদ্য গুদামে মজুদ করেছে।
চাল বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি একটি ভেকু মেশিন ভাড়ায় এনে রাস্তার উপর সামান্য মাটি দিয়ে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। এই কাজ করতে গিয়ে ওই রাস্তার পাশে থাকা শতাধিক মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার কাজ করেছেন প্রকল্প কমিটির সভাপতি। প্রকল্পের পাশেই ইউপি মেম্বার আবুল বাশারের বাড়ি। তিনি এই প্রকল্পের উপর দিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করেন। তাই ভয়ে কেউ অনিয়মের প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
প্রকল্প কমিটির সভাপতি আবুল বাশার বলেন, 'সঠিক নিয়ম মেনেই প্রকল্পের কাজ করা হয়েছে।' একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মিঠাপুকুরিয়া জালাল হাওলাদার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে সিকদার বাড়ি অভিমুখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিরমাণ, বগা ইউনিয়নের রাজনগর ক্ষিতিশ দাসের দোকান দক্ষিণ দিকে সুরেশ দাসের বাড়ি অভিমুখী মাটির রাস্ত নির্মাণ, কালিশুরী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সিংহেরাকাঠী হোসেন ফকির বাড়ি থেকে দক্ষিণমুখী হাসেম হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, কনকদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কনকদিয়া আলিম মাদ্রাসার মাঠ ভরাট ও ৬ নং ওয়ার্ডের নারায়ণপাশা গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা ভরাট প্রকল্প, কাছিপাড়া ইউনিয়নের ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের রশিদ মাষ্টার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার, ৮ নং ওয়ার্ডে নেছার খানের বাড়ি থেকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্ত পুনর্নিরমাণ প্রকল্পে সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
কাছিপাড়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বগা-বাহিরচর পাকা সড়ক থেকে পালবাড়ি ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা রাস্তা পুনর্নিরমাণ প্রকল্পের জন্য ৭ দশমিক ৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভেকু মেশিন দিয়ে কাজ করায় দুই পাশের পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। অবশ্য প্রকল্প কমিটির সভাপতি কাছিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সুমন বলেন, 'এখন শ্রমিক পাওয়া যায় না। তাই কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়েই ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করা হয়েছে। আমার ইউনিয়নের প্রকল্পে কোনো প্রকার অনিয়ম হয়নি।'
এছাড়াও, চন্দ্রদ্বীপ, মদনপুরা, বাউফল সদর, দাসপাড়া, আদাবাড়িয়া ও কালিশুরী ইউনিয়নের একাধিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে একই চিত্র দেখা যায়।
কাবিখার কাজে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মাইদুল মোরশেদ মুরাদ সাংবাদিকদের বলেন , 'ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব গাছ রক্ষা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।'
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহমেদ বলেন, 'কাবিখার প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করে অনিয়ম পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে চলতি অর্থবছরে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করে অধিকাংশ প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করা হয়েছে। নামমাত্র ওই কাজ করতে গিয়ে আবার রাস্তার দুই পাশে থাকা হাজার হাজার মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
শ্রমিকের পরিবর্তে এক্সকাভেটর বা ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করায় পরিবেশবান্ধব গাছগুলো ধ্বংস হয়েছে। সড়কের দুই পাশ থেকে নির্বিচারে গাছ উপড়ে ফেলার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ সচেতন ব্যক্তিরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দুই দফায় বাউফল উপজেলায় কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪২০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্যের বিপরীতে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারের জন্য ৬১টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয়। ইতিমধ্যে প্রায় সব প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্য উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ হয়েছে নামমাত্র।
সরেজমিনে পরিদর্শন কালে জানা যায়, সূর্যমণি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কাজী বাড়ির দরজা থেকে দক্ষিণ দিকে জাফর জোমাদ্দার বাড়ি অভিমূখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিমাণ প্রকল্পে ৬ দশমিক ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি করা হয় একই ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল বাশারকে। তিনি বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলনের পর প্রতি টন ৩১ হাজার টাকা দরে কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করেন। অথচ সরকার একই সময় প্রতি টন চাল ৫০ হাজার টাকায় ক্রয় করে খাদ্য গুদামে মজুদ করেছে।
চাল বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি একটি ভেকু মেশিন ভাড়ায় এনে রাস্তার উপর সামান্য মাটি দিয়ে প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। এই কাজ করতে গিয়ে ওই রাস্তার পাশে থাকা শতাধিক মূল্যবান গাছ উপড়ে ফেলা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার কাজ করেছেন প্রকল্প কমিটির সভাপতি। প্রকল্পের পাশেই ইউপি মেম্বার আবুল বাশারের বাড়ি। তিনি এই প্রকল্পের উপর দিয়ে নিজ বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত করেন। তাই ভয়ে কেউ অনিয়মের প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
প্রকল্প কমিটির সভাপতি আবুল বাশার বলেন, 'সঠিক নিয়ম মেনেই প্রকল্পের কাজ করা হয়েছে।' একই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মিঠাপুকুরিয়া জালাল হাওলাদার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে সিকদার বাড়ি অভিমুখী রাস্তা মাটি দ্বারা পুননিরমাণ, বগা ইউনিয়নের রাজনগর ক্ষিতিশ দাসের দোকান দক্ষিণ দিকে সুরেশ দাসের বাড়ি অভিমুখী মাটির রাস্ত নির্মাণ, কালিশুরী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সিংহেরাকাঠী হোসেন ফকির বাড়ি থেকে দক্ষিণমুখী হাসেম হাওলাদার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ, কনকদিয়া ইউনিয়নের উত্তর কনকদিয়া আলিম মাদ্রাসার মাঠ ভরাট ও ৬ নং ওয়ার্ডের নারায়ণপাশা গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যানের বাড়ি সংলগ্ন ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা ভরাট প্রকল্প, কাছিপাড়া ইউনিয়নের ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের রশিদ মাষ্টার বাড়ি থেকে পশ্চিম দিকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার, ৮ নং ওয়ার্ডে নেছার খানের বাড়ি থেকে খালেক মৃধা বাড়ি পর্যন্ত রাস্ত পুনর্নিরমাণ প্রকল্পে সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
কাছিপাড়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বগা-বাহিরচর পাকা সড়ক থেকে পালবাড়ি ব্রিজ পর্যন্ত মাটি দ্বারা রাস্তা পুনর্নিরমাণ প্রকল্পের জন্য ৭ দশমিক ৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভেকু মেশিন দিয়ে কাজ করায় দুই পাশের পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য গাছ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করে বরাদ্দকৃত চাল কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। অবশ্য প্রকল্প কমিটির সভাপতি কাছিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সুমন বলেন, 'এখন শ্রমিক পাওয়া যায় না। তাই কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়েই ভেকু মেশিন দিয়ে মাটির কাজ করা হয়েছে। আমার ইউনিয়নের প্রকল্পে কোনো প্রকার অনিয়ম হয়নি।'
এছাড়াও, চন্দ্রদ্বীপ, মদনপুরা, বাউফল সদর, দাসপাড়া, আদাবাড়িয়া ও কালিশুরী ইউনিয়নের একাধিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে একই চিত্র দেখা যায়।
কাবিখার কাজে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মাইদুল মোরশেদ মুরাদ সাংবাদিকদের বলেন , 'ভবিষ্যতে পরিবেশবান্ধব গাছ রক্ষা করে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।'
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সালেহ আহমেদ বলেন, 'কাবিখার প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করে অনিয়ম পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫