২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০২
মোঃ লিটন পোদ্দার (৪০) কে আটক করেছে বাউফল থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১২ টার দিকে উপজেলার বগা ইউনিয়নের বালিয়া চাঁদপাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
আটক লিটন পোদ্দার (৪০) বগা ইউনিয়নের বালিয়া চাঁদপাল গ্রামের মোসলেম পোদ্দারের ছেলে। স্থানীও ও থানা সূত্রে জানা গেছে- শিশুটি নানা বাড়ীতে থেকে বালিয়া চাঁদপাল এলাকার একটি বেসরকারী স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়াশোনা করছেন।
ঘটনার দিন দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় থেকে বাড়ীতে যাওয়ার পথে স্থানীয় লিটন পোদ্দার শিশুটিকে ফুসলাইয়া বালিয়া গ্রামের কুডু সরদারের বাড়ির বাগানের ভিতরে নিয়ে যায়। ওই সময় শিশুটি চিৎকার করলে তাকে ছেড়ে দেয় লিটন পোদ্দার।
শিশুটি বাড়ীতে গিয়ে বিষয়টি তার মাকে জানান। পরে তার মা ও গ্রামবাসীদের সহায়তায় লিটন পোদ্দারকে অবরুদ্ধ করে পুলিশ খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান জানান, ঘটনার সাথে জড়ীত থাকার অভিঢ়োগে লিটনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলাও রুজু হয়েছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মোঃ লিটন পোদ্দার (৪০) কে আটক করেছে বাউফল থানা পুলিশ। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১২ টার দিকে উপজেলার বগা ইউনিয়নের বালিয়া চাঁদপাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
আটক লিটন পোদ্দার (৪০) বগা ইউনিয়নের বালিয়া চাঁদপাল গ্রামের মোসলেম পোদ্দারের ছেলে। স্থানীও ও থানা সূত্রে জানা গেছে- শিশুটি নানা বাড়ীতে থেকে বালিয়া চাঁদপাল এলাকার একটি বেসরকারী স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়াশোনা করছেন।
ঘটনার দিন দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয় থেকে বাড়ীতে যাওয়ার পথে স্থানীয় লিটন পোদ্দার শিশুটিকে ফুসলাইয়া বালিয়া গ্রামের কুডু সরদারের বাড়ির বাগানের ভিতরে নিয়ে যায়। ওই সময় শিশুটি চিৎকার করলে তাকে ছেড়ে দেয় লিটন পোদ্দার।
শিশুটি বাড়ীতে গিয়ে বিষয়টি তার মাকে জানান। পরে তার মা ও গ্রামবাসীদের সহায়তায় লিটন পোদ্দারকে অবরুদ্ধ করে পুলিশ খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান জানান, ঘটনার সাথে জড়ীত থাকার অভিঢ়োগে লিটনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলাও রুজু হয়েছে। মামলার পরবর্তী কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

২২ জুন, ২০২৬ ০১:০১
'প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তাকে শুধু স্মরণ নয়, অনুসরণ করতে হবে। শুধু আলোচনা নয়, চর্চা করতে হবে। একজন মোক্তার স্যার একাই শিক্ষাঙ্গনে যে পরিমাণে আলো ছড়িয়েছেন আমরা সবাই যদি তার আদর্শ অনুসরণ করে একেকজন মোক্তার স্যার হতে পারি তাহলে বাবুগঞ্জ উপজেলাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব তা ভেবে দেখা দরকার। কর্মবীর মোক্তার হোসাইন স্যারের গল্পটা আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।'
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রয়াত শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, 'একজন শিক্ষক সম্পর্কে আমি যা কল্পনা করি, আমি যা ধারণ করি তার পুরোটাই মোক্তার হোসাইন স্যারের সাথে মিলে যায়। আমাদের দুর্ভাগ্য জীবদ্দশায় আমরা মানুষের কর্মের মূল্যায়ন করতে পারি না। জীবদ্দশায় প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার সম্পর্কে আমি জানতে পারিনি সেই আক্ষেপ আমার থেকে যাবে। মোক্তার হোসাইন স্যার বাবুগঞ্জ এবং বরিশালে শিক্ষার উন্নয়ন যে অবদান রেখে গেছেন তার সুফল ভোগ করবে আগামী প্রজন্ম।'
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাব ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগ শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ হলরুমে ওই স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এবং আগরপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সভাপতি এ.এফ.এম জালাল আহমেদ।
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাবের সভাপতি ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শাহে আলমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১০'এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মনজুর রহমান টুটুল বিশ্বাস, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন, রাশেদ খান মেনন মডেল উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালাউদ্দিন কাওসার, সহকারী শিক্ষক কাজী এনায়েত হোসেন, হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
স্মরণসভা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদ। স্মরণসভায় বক্তারা শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের উপরে বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্মরণসভা শেষে মোক্তার স্যারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল।
স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও টিচার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না, তিনি একজন মানুষের চরিত্র গঠন করেন। নৈতিক মূল্যবোধ তৈরি করার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ গড়েন। মোক্তার হোসাইন স্যার নিজেই যেমন ছিলেন একজন আলোকিত মানুষ তেমনি তিনি এই সমাজে অসংখ্য আলোকিত মানুষ তৈরি করেছেন। শুধু বাবুগঞ্জ উপজেলা নয়, বৃহত্তর বরিশাল বিভাগে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, সরকারিকরণ ও সংস্কারসহ শিক্ষার নানামুখী উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। কীর্তিমানের মৃত্যু নেই। একজন ভালো শিক্ষক তার শিক্ষার্থীদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকেন। আমার মতো অসংখ্য ছাত্রের মাঝে আদর্শিক মহীরুহ হয়ে মোক্তার হোসাইন স্যার প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে থাকবেন।' #
'প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তাকে শুধু স্মরণ নয়, অনুসরণ করতে হবে। শুধু আলোচনা নয়, চর্চা করতে হবে। একজন মোক্তার স্যার একাই শিক্ষাঙ্গনে যে পরিমাণে আলো ছড়িয়েছেন আমরা সবাই যদি তার আদর্শ অনুসরণ করে একেকজন মোক্তার স্যার হতে পারি তাহলে বাবুগঞ্জ উপজেলাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব তা ভেবে দেখা দরকার। কর্মবীর মোক্তার হোসাইন স্যারের গল্পটা আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।'
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রয়াত শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, 'একজন শিক্ষক সম্পর্কে আমি যা কল্পনা করি, আমি যা ধারণ করি তার পুরোটাই মোক্তার হোসাইন স্যারের সাথে মিলে যায়। আমাদের দুর্ভাগ্য জীবদ্দশায় আমরা মানুষের কর্মের মূল্যায়ন করতে পারি না। জীবদ্দশায় প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার সম্পর্কে আমি জানতে পারিনি সেই আক্ষেপ আমার থেকে যাবে। মোক্তার হোসাইন স্যার বাবুগঞ্জ এবং বরিশালে শিক্ষার উন্নয়ন যে অবদান রেখে গেছেন তার সুফল ভোগ করবে আগামী প্রজন্ম।'
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাব ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগ শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ হলরুমে ওই স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এবং আগরপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সভাপতি এ.এফ.এম জালাল আহমেদ।
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাবের সভাপতি ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শাহে আলমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১০'এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মনজুর রহমান টুটুল বিশ্বাস, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন, রাশেদ খান মেনন মডেল উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালাউদ্দিন কাওসার, সহকারী শিক্ষক কাজী এনায়েত হোসেন, হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
স্মরণসভা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদ। স্মরণসভায় বক্তারা শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের উপরে বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্মরণসভা শেষে মোক্তার স্যারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল।
স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও টিচার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না, তিনি একজন মানুষের চরিত্র গঠন করেন। নৈতিক মূল্যবোধ তৈরি করার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ গড়েন। মোক্তার হোসাইন স্যার নিজেই যেমন ছিলেন একজন আলোকিত মানুষ তেমনি তিনি এই সমাজে অসংখ্য আলোকিত মানুষ তৈরি করেছেন। শুধু বাবুগঞ্জ উপজেলা নয়, বৃহত্তর বরিশাল বিভাগে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, সরকারিকরণ ও সংস্কারসহ শিক্ষার নানামুখী উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। কীর্তিমানের মৃত্যু নেই। একজন ভালো শিক্ষক তার শিক্ষার্থীদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকেন। আমার মতো অসংখ্য ছাত্রের মাঝে আদর্শিক মহীরুহ হয়ে মোক্তার হোসাইন স্যার প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে থাকবেন।' #

২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে সাইফুল ইসলাম (২২) নামের এক ছাত্রশিবির কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় সালাউদ্দিন নামের আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২১ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম বোনারপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং শিমুল তাইড় গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে বোনারপাড়া চৌরাস্তা মোড়ে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহর সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচন নিয়ে বাটি গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে মুকুলের কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। ওই সময় ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল ইসলাম ও সালাউদ্দিন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণের প্রতিবাদ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মুকুল, তার সহোদর ভাই পলাশ এবং জনৈক আশরাফ ধারালো ছুরি দিয়ে সাইফুল ও সালাউদ্দিনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালাউদ্দিনকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।
২২ জুন, ২০২৬ ০১:০১
২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
২১ জুন, ২০২৬ ১৯:২৬