পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ অক্টোবর) গভীর রাতে উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন আলিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন (মৃত হাতেম আলী চৌকিদারের ছেলে) এবং একই ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. হাসান বয়াতী (মকবুল হোসেন বয়াতীর ছেলে)।
দশমিনা থানা সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৬ মার্চ আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিল অধিবেশনে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ওইদিন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সভায় হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন।
ঘটনার প্রায় তিন বছর পর, চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সবুজ ঢালী বাদী হয়ে দশমিনা থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার প্রেক্ষিতেই পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, “পুলিশের বিশেষ অভিযান ‘ডেভিল হান্ট’ চলমান রয়েছে। ওই মামলার অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা বেল্লাল হোসেন ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হাসান বয়াতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:২২
পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি রেকর্ডীয় রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরাও করে চাষাবাদের অভিযোগে তা অপসারণে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে উপজেলা ভূমি অফিস। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাঠালতলা থেকে তহশিল অফিসের মাঝামাঝি সরকারি রাস্তাটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো মো. সাইফুল ইসলাম ও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকার বাসিন্দা শাহজাহান প্যাদা, তার স্ত্রী ডেইজি বেগম ও ছেলে রামিম প্যাদা সরকারি রাস্তার ওপর বাঁশের বেড়া দিয়ে চাষাবাদ শুরু করেন। এতে স্থানীয়দের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় সরকারি লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গাজী সোহরাব হোসেন উপজেলা ভূমি অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শাহজাহান প্যাদাকে সাত দিনের মধ্যে রাস্তা থেকে বাঁশের বেড়া অপসারণের নির্দেশ দেন।
অভিযোগের বিষয়ে শাহজাহান প্যাদা বলেন, ‘আমাদের জমি সরকার নিয়েছে, কিন্তু কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তাই রাস্তায় বেড়া দিয়েছি। অন্য জায়গা দিয়ে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করব, তবে ওই জায়গা দিয়ে রাস্তা দেব না।’
উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি রাস্তা থেকে বেড়া অপসারণ না করলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি রাস্তা দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত বেড়া অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি রেকর্ডীয় রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরাও করে চাষাবাদের অভিযোগে তা অপসারণে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে উপজেলা ভূমি অফিস। সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাঠালতলা থেকে তহশিল অফিসের মাঝামাঝি সরকারি রাস্তাটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো মো. সাইফুল ইসলাম ও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকার বাসিন্দা শাহজাহান প্যাদা, তার স্ত্রী ডেইজি বেগম ও ছেলে রামিম প্যাদা সরকারি রাস্তার ওপর বাঁশের বেড়া দিয়ে চাষাবাদ শুরু করেন। এতে স্থানীয়দের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় সরকারি লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গাজী সোহরাব হোসেন উপজেলা ভূমি অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শাহজাহান প্যাদাকে সাত দিনের মধ্যে রাস্তা থেকে বাঁশের বেড়া অপসারণের নির্দেশ দেন।
অভিযোগের বিষয়ে শাহজাহান প্যাদা বলেন, ‘আমাদের জমি সরকার নিয়েছে, কিন্তু কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তাই রাস্তায় বেড়া দিয়েছি। অন্য জায়গা দিয়ে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করব, তবে ওই জায়গা দিয়ে রাস্তা দেব না।’
উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি রাস্তা থেকে বেড়া অপসারণ না করলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি রাস্তা দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত বেড়া অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:২০
দেশের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল পটুয়াখালীর বাউফলে আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে নারিকেলের ফলন। চাষিদের একাংশ মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ারের ক্ষতিকর তরঙ্গকে এর জন্য দায়ী করলেও কৃষিবিদ ও বিজ্ঞানের স্পষ্ট বক্তব্য- এই দাবির পেছনে কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। মূলত জলবায়ূর বিরুপ প্রভাব, অতিমাত্রায় রোগবালাই এবং সঠিক পরিচর্যার অভাবই নারিকেল উৎপাদন কমে যাওয়ার মূল কারণ।
স্থানীয় চাষি ও কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, একসময় পটুয়াখালীর এই উপকূলীয় অঞ্চল ছিল নারিকেলের জন্য সুপরিচিত। বসতবাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক বাগান-সবখানেই সারি সারি গাছে ঝুলত কাঁদিকাঁদি ডাব ও নারিকেল। যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে পাঠানো হতো রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। অথচ গত কয়েক বছরে এ অঞ্চলে নারিকেলের ফলন কমে গেছে প্রায় ৭০ শতাংশ। বর্তমানে অধিকাংশ গাছই ফলশূন্য হয়ে পড়েছে, যার ফলে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন চাষিরা।
উপজেলার শৌলা গ্রামের ‘নুরজাহান গার্ডেন’-এ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৭০০ নারিকেল গাছ রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৫০০ গাছে প্রচুর ফলন হতো। তবে কয়েক বছর ধরে এসব গাছে ফলন এক প্রকার বন্ধ বললেই চলে।
বাগান দেখভালের দায়িত্বে থাকা মো. খবির হোসেন বলেন, আগে প্রচুর নারিকেল হতো। কিন্তু গত দুই-তিন বছর ধরে প্রায় সব গাছই ফলশূন্য। দু-একটি গাছে কড়ি এলেও তা ঝরে পড়ে যায়।
একই হতাশার কথা জানান চর কালাইয়াা গ্রামের কৃষক মো. রফিক প্যাদা। তার বাড়িতে ১০-১২টি গাছ থেকে একসময় ভালো আয় হলেও এখন ফুল আসার পর তা ঝরে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
নারিকেলের এই ফলন বিপর্যয় নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা গুজবের সৃষ্টি হয়েছে। চর মিয়াজান গ্রাামের বাসিন্দা লোকমান মাঝিসহ স্থানীয়দের একাংশের দাবি, মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার বাড়ার পর থেকেই নাকি নারিকেলের উৎপাদন কমেছে।
তবে এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভুল ও ভ্রান্ত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞ ও সচেতন চাষিরা। তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি এবং সময়ের সাথে বিভিন্ন নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়াই মূল সমস্যা।
বাউফল উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. রেদওয়ান তালুকদার বলেন, মোবাইল টাওয়ারের তরঙ্গের কারণে ফলন কমার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। মূলত পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ অনেক বেড়ে গেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মিলন মিয়া বলেন, জলবায়ুর প্রতিকূল পরিবর্তনের ফলে ‘হোয়াইট ফ্লাই’ বা সাদা মাছিসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকা ও রোগের উপদ্রব মারাত্মকভাবে বেড়েছে। কোনো ভিত্তিহীন গুজবে কান না দিয়ে চাষিদের আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত পরিচর্যা ও সঠিক সময়ে বালাইনাশক ব্যবহার করলেই আগের মতো ফলন ফিরে পাওয়া সম্ভব। এ বিষয়ে কৃষি বিভাগ থেকে চাষিদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।
দেশের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল পটুয়াখালীর বাউফলে আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে নারিকেলের ফলন। চাষিদের একাংশ মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ারের ক্ষতিকর তরঙ্গকে এর জন্য দায়ী করলেও কৃষিবিদ ও বিজ্ঞানের স্পষ্ট বক্তব্য- এই দাবির পেছনে কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। মূলত জলবায়ূর বিরুপ প্রভাব, অতিমাত্রায় রোগবালাই এবং সঠিক পরিচর্যার অভাবই নারিকেল উৎপাদন কমে যাওয়ার মূল কারণ।
স্থানীয় চাষি ও কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, একসময় পটুয়াখালীর এই উপকূলীয় অঞ্চল ছিল নারিকেলের জন্য সুপরিচিত। বসতবাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক বাগান-সবখানেই সারি সারি গাছে ঝুলত কাঁদিকাঁদি ডাব ও নারিকেল। যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে পাঠানো হতো রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। অথচ গত কয়েক বছরে এ অঞ্চলে নারিকেলের ফলন কমে গেছে প্রায় ৭০ শতাংশ। বর্তমানে অধিকাংশ গাছই ফলশূন্য হয়ে পড়েছে, যার ফলে চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন চাষিরা।
উপজেলার শৌলা গ্রামের ‘নুরজাহান গার্ডেন’-এ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৭০০ নারিকেল গাছ রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৫০০ গাছে প্রচুর ফলন হতো। তবে কয়েক বছর ধরে এসব গাছে ফলন এক প্রকার বন্ধ বললেই চলে।
বাগান দেখভালের দায়িত্বে থাকা মো. খবির হোসেন বলেন, আগে প্রচুর নারিকেল হতো। কিন্তু গত দুই-তিন বছর ধরে প্রায় সব গাছই ফলশূন্য। দু-একটি গাছে কড়ি এলেও তা ঝরে পড়ে যায়।
একই হতাশার কথা জানান চর কালাইয়াা গ্রামের কৃষক মো. রফিক প্যাদা। তার বাড়িতে ১০-১২টি গাছ থেকে একসময় ভালো আয় হলেও এখন ফুল আসার পর তা ঝরে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
নারিকেলের এই ফলন বিপর্যয় নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা গুজবের সৃষ্টি হয়েছে। চর মিয়াজান গ্রাামের বাসিন্দা লোকমান মাঝিসহ স্থানীয়দের একাংশের দাবি, মোবাইল নেটওয়ার্ক টাওয়ার বাড়ার পর থেকেই নাকি নারিকেলের উৎপাদন কমেছে।
তবে এই ধারণাকে সম্পূর্ণ ভুল ও ভ্রান্ত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞ ও সচেতন চাষিরা। তাদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি এবং সময়ের সাথে বিভিন্ন নতুন রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়াই মূল সমস্যা।
বাউফল উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. রেদওয়ান তালুকদার বলেন, মোবাইল টাওয়ারের তরঙ্গের কারণে ফলন কমার কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। মূলত পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ অনেক বেড়ে গেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মিলন মিয়া বলেন, জলবায়ুর প্রতিকূল পরিবর্তনের ফলে ‘হোয়াইট ফ্লাই’ বা সাদা মাছিসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকা ও রোগের উপদ্রব মারাত্মকভাবে বেড়েছে। কোনো ভিত্তিহীন গুজবে কান না দিয়ে চাষিদের আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে হবে। নিয়মিত পরিচর্যা ও সঠিক সময়ে বালাইনাশক ব্যবহার করলেই আগের মতো ফলন ফিরে পাওয়া সম্ভব। এ বিষয়ে কৃষি বিভাগ থেকে চাষিদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৩০
পটুয়াখালীর বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে রমিজ মৃধা নামের চল্লিশোর্ধ্ব এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার পর চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে প্রেরণ করে।
আহত রমিজ মৃধার স্ত্রীর অভিযোগ, জাতীয় নির্বাচনপরবর্তী সময় থেকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের জামায়াত নেতা কামাল এবং তার ছেলে রমিজের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় শনিবার সন্ধ্যার পর কয়েকজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী পেছন থেকে আকস্মিকভাবে রমিজ মৃধার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠে ও হাতে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
তিনি আরও জানান, সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রমিজ মৃধার বাম হাতের একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পিঠে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসার জন্য দ্রুত বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। হামলায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
তবে রমিজ মৃধাকে কোপানো এবং চাঁদা দাবির বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা কামাল ও তার ছেলের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ বাউফল হাসপাতালে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে রমিজ মৃধা নামের চল্লিশোর্ধ্ব এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার পর চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে প্রেরণ করে।
আহত রমিজ মৃধার স্ত্রীর অভিযোগ, জাতীয় নির্বাচনপরবর্তী সময় থেকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের জামায়াত নেতা কামাল এবং তার ছেলে রমিজের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় শনিবার সন্ধ্যার পর কয়েকজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী পেছন থেকে আকস্মিকভাবে রমিজ মৃধার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠে ও হাতে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
তিনি আরও জানান, সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রমিজ মৃধার বাম হাতের একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পিঠে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসার জন্য দ্রুত বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। হামলায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
তবে রমিজ মৃধাকে কোপানো এবং চাঁদা দাবির বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা কামাল ও তার ছেলের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ বাউফল হাসপাতালে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

৩০ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:৫৪
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ অক্টোবর) গভীর রাতে উপজেলার আলিপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন আলিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন (মৃত হাতেম আলী চৌকিদারের ছেলে) এবং একই ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. হাসান বয়াতী (মকবুল হোসেন বয়াতীর ছেলে)।
দশমিনা থানা সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৬ মার্চ আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিল অধিবেশনে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ওইদিন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সভায় হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন।
ঘটনার প্রায় তিন বছর পর, চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সবুজ ঢালী বাদী হয়ে দশমিনা থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার প্রেক্ষিতেই পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, “পুলিশের বিশেষ অভিযান ‘ডেভিল হান্ট’ চলমান রয়েছে। ওই মামলার অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা বেল্লাল হোসেন ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হাসান বয়াতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬